দেশে শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক পণ্যের চাহিদা বাড়তে থাকায় শরিয়াহসম্মত সঞ্চয়পত্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থ বিভাগের নগদ ও ঋণ ব্যবস্থাপনা কমিটির (সিডিএমসি) সাম্প্রতিক সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ঋণের বড় অংশ আসে ট্রেজারি বিল থেকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রেজারি বিলের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় সরকারের সুদ ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ ব্যয় কমাতে শরিয়াহভিত্তিক ট্রেজারি বিল ও সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছে অর্থ বিভাগ।
এর আগে ২০ হাজার কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক ট্রেজারি বিল ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার শরিয়াহভিত্তিক সঞ্চয়পত্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগের চাহিদা অনেক বেশি হলেও বিনিয়োগযোগ্য পণ্যের সংখ্যা সীমিত। এখন পর্যন্ত ছয়টি সরকারি সুকুক ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাহিদা বরাদ্দের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি ছিল। সর্বশেষ ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকার সুকুকের বিপরীতে ৭২ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা নির্ধারিত পরিমাণের প্রায় ১২ গুণ।
সরকারের ধারণা, শরিয়াহভিত্তিক সঞ্চয়পত্র চালু হলে ইসলামি বিনিয়োগে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে সরকারের জন্যও এটি তুলনামূলক কম ব্যয়ে অর্থ সংগ্রহের একটি কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।
শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগে আসছে সঞ্চয়পত্র
শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগে আসছে সঞ্চয়পত্র
দেশে শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক পণ্যের চাহিদা বাড়তে থাকায় শরিয়াহসম্মত সঞ্চয়পত্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থ বিভাগের নগদ ও ঋণ ব্যবস্থাপনা কমিটির (সিডিএমসি) সাম্প্রতিক সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ঋণের বড় অংশ আসে ট্রেজারি বিল থেকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রেজারি বিলের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় সরকারের সুদ ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ব্যয় কমাতে শরিয়াহভিত্তিক ট্রেজারি বিল ও সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছে অর্থ
বিভাগ। এর আগে ২০ হাজার কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক ট্রেজারি বিল ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার শরিয়াহভিত্তিক সঞ্চয়পত্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগের চাহিদা অনেক বেশি হলেও বিনিয়োগযোগ্য পণ্যের সংখ্যা সীমিত। এখন পর্যন্ত ছয়টি সরকারি সুকুক ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাহিদা
বরাদ্দের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি ছিল। সর্বশেষ ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকার সুকুকের বিপরীতে ৭২ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা নির্ধারিত পরিমাণের প্রায় ১২ গুণ। সরকারের ধারণা, শরিয়াহভিত্তিক সঞ্চয়পত্র চালু হলে ইসলামি বিনিয়োগে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে সরকারের জন্যও এটি তুলনামূলক কম ব্যয়ে অর্থ সংগ্রহের একটি কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত