‘সেলফী পরিবহন’ নামক বাসটি ঢাকার গাবতলি থেকে সাভার হয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করে। গত দুই বছরে সড়কে এই বাসের চালকদের রেষারেষিতে বার বার সড়ক দূর্ঘটনায় একের পর এক নিরীহ মানুষ অকালে প্রাণ হারিয়েছেন। বহু পরিববার নিঃস্ব হয়ে গেছে। খবর সংবাদ মাধ্যমে বার বার শিরোনাম হয়েছে ‘সড়কে সেলফী পবিহনের সন্ত্রাস”। এ বাসের চালকরা রাস্তায় নূন্যতম নিয়ম-কানুন মানে না। প্রতিবার দূর্ঘটনার পর দেখা গেছে চালকের কোন লাইসেন্স ছিল না, বা চালকের মহাসড়কে গাড়ি চালানোর কোন প্রশিক্ষণই নেই। সেলফী পরিবহনের দূর্ঘটনা নিছক কোন দূর্ঘটনা নয়, বরং এ বাস মালিক কর্তৃপেক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, উদাসীনতা, দূর্নীতি এবং অদক্ষ, অপ্রশিক্ষিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানোর ফল।
তারপরও কোন একটি দূর্ঘটনার পর ‘সেলফী পরিবহনে’র মালিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেন...? কেন এক সেলফী পরিবহনকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিদিন সড়কে শত শত নিরীহ মানুষকে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে...? সেলফী পরিবহনের কর্তপক্ষে কারা আছেন...? তারা কি রাষ্ট্রের চেয়ে, সরকারের চেয়েও শক্তিশালী? কেন তাদের নিয়ম মেনে রাস্তায় গাড়ি চালাতে বাধ্য করতে পারে না প্রশাসন...? আর কতদিন ‘সেলফী পরিবহনে’র সন্ত্রাসের কাছে সাধারন মানুষকে জিম্মি থাকতে হবে...? সেলফী পরিবহনের হিংস্র চালকদের রেষারেষিতে নিরীহ মানুষের লাশের মিছিল আর কত দীর্ঘ হবে...?
সরকারের নীতি নির্ধারকরা কি সড়কে রক্তাক্ত মানুষগুলোর শেষ কান্নার প্রতিধ্বনি একবার শুনবেন...? শুনে দেখুন, ওরা দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে নিহত হয়নি। সেলফী পরিবহনের এক বাসের চালক তার প্রতিদ্বন্দী চালকের বাস বেপরোয়াভাবে ওভারটেক করতে গিয়ে রাস্তা থেকে নেমে যাত্রী অপেক্ষার স্থানে ঢুকে নিরীহ মানুষদের হত্যা করেছে। সেলফী পরিবহনে একবার সাধারন যাত্রী হিসেবে ভ্রমণ করুন, যাত্রীদের সঙ্গে এদের বাস চালক, চালকের সহকারিদের জঘন্য, হিংস্র আচরণ দেখলে আপনাদেরও গা শিউরে উঠবে।
সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, সড়কে বেপরোয়া চালকদের সন্ত্রাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুন, যথাযথ ব্যবস্থা নিন। সেলফী পরিহনের সন্ত্রাসে নিহত মেধাবী তরুন রুবেল পারভেজের মায়ের, স্ত্রীর এবং অবুঝ সন্তানের চোখের দিকে তাকান, তারপর নিজেদের প্রশ্ন করুন, এই নিরীহ সাধারন যাত্রীদের প্রতি আপনাদের কোন দায় নেই...?
বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন, সব উন্নয়ন, সব সাফল্য, ম্লান করে দিচ্ছে প্রতিদিনের বেপরোয়া, নিয়ন্ত্রণহীন, রক্তাক্ত সড়ক। ‘পাবলিক বাস সার্ভিস’ এখন আমাদের জাতীয় লজ্জা। আপনারা তো বার বার বিদেশ যান, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনাদের দেখা পৃথিবীর আর কোন শহরে ঢাকার রাস্তার মত নোংরা চেহারার বাস দেখেছেন, আর কোন দেশের রাজধানীর সড়কে এত বিশৃংখল ট্রাফিক ব্যবস্থা দেখেছেন...
রাশেদ মেহেদী, সাংবাদিক লেখক ও গবেষক
সড়কে ‘সেলফী পরিবহনে’র অবাধ সন্ত্রাস, এত লাশ রাখব কোথায়?
সড়কে ‘সেলফী পরিবহনে’র অবাধ সন্ত্রাস, এত লাশ রাখব কোথায়?
‘সেলফী পরিবহন’ নামক বাসটি ঢাকার গাবতলি থেকে সাভার হয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করে। গত দুই বছরে সড়কে এই বাসের চালকদের রেষারেষিতে বার বার সড়ক দূর্ঘটনায় একের পর এক নিরীহ মানুষ অকালে প্রাণ হারিয়েছেন। বহু পরিববার নিঃস্ব হয়ে গেছে। খবর সংবাদ মাধ্যমে বার বার শিরোনাম হয়েছে ‘সড়কে সেলফী পবিহনের সন্ত্রাস”। এ বাসের চালকরা রাস্তায় নূন্যতম নিয়ম-কানুন মানে না। প্রতিবার দূর্ঘটনার পর দেখা গেছে চালকের কোন লাইসেন্স ছিল না, বা চালকের মহাসড়কে গাড়ি চালানোর কোন প্রশিক্ষণই নেই। সেলফী পরিবহনের দূর্ঘটনা নিছক কোন দূর্ঘটনা নয়, বরং এ বাস মালিক কর্তৃপেক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, উদাসীনতা, দূর্নীতি এবং অদক্ষ, অপ্রশিক্ষিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানোর ফল। তারপরও কোন একটি দূর্ঘটনার পর ‘সেলফী পরিবহনে’র মালিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেন...? কেন এক সেলফী পরিবহনকে রক্ষা করতে গিয়ে
প্রতিদিন সড়কে শত শত নিরীহ মানুষকে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে...? সেলফী পরিবহনের কর্তপক্ষে কারা আছেন...? তারা কি রাষ্ট্রের চেয়ে, সরকারের চেয়েও শক্তিশালী? কেন তাদের নিয়ম মেনে রাস্তায় গাড়ি চালাতে বাধ্য করতে পারে না প্রশাসন...? আর কতদিন ‘সেলফী পরিবহনে’র সন্ত্রাসের কাছে সাধারন মানুষকে জিম্মি থাকতে হবে...? সেলফী পরিবহনের হিংস্র চালকদের রেষারেষিতে নিরীহ মানুষের লাশের মিছিল আর কত দীর্ঘ হবে...? সরকারের নীতি নির্ধারকরা কি সড়কে রক্তাক্ত মানুষগুলোর শেষ কান্নার প্রতিধ্বনি একবার শুনবেন...? শুনে দেখুন, ওরা দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে নিহত হয়নি। সেলফী পরিবহনের এক বাসের চালক তার প্রতিদ্বন্দী চালকের বাস বেপরোয়াভাবে ওভারটেক করতে গিয়ে রাস্তা থেকে নেমে যাত্রী অপেক্ষার স্থানে ঢুকে নিরীহ মানুষদের হত্যা করেছে। সেলফী পরিবহনে একবার সাধারন যাত্রী হিসেবে ভ্রমণ করুন, যাত্রীদের সঙ্গে এদের বাস চালক, চালকের
সহকারিদের জঘন্য, হিংস্র আচরণ দেখলে আপনাদেরও গা শিউরে উঠবে। সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, সড়কে বেপরোয়া চালকদের সন্ত্রাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুন, যথাযথ ব্যবস্থা নিন। সেলফী পরিহনের সন্ত্রাসে নিহত মেধাবী তরুন রুবেল পারভেজের মায়ের, স্ত্রীর এবং অবুঝ সন্তানের চোখের দিকে তাকান, তারপর নিজেদের প্রশ্ন করুন, এই নিরীহ সাধারন যাত্রীদের প্রতি আপনাদের কোন দায় নেই...? বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন, সব উন্নয়ন, সব সাফল্য, ম্লান করে দিচ্ছে প্রতিদিনের বেপরোয়া, নিয়ন্ত্রণহীন, রক্তাক্ত সড়ক। ‘পাবলিক বাস সার্ভিস’ এখন আমাদের জাতীয় লজ্জা। আপনারা তো বার বার বিদেশ যান, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনাদের দেখা পৃথিবীর আর কোন শহরে ঢাকার রাস্তার মত নোংরা চেহারার বাস দেখেছেন, আর কোন দেশের রাজধানীর সড়কে এত বিশৃংখল ট্রাফিক ব্যবস্থা দেখেছেন...রাশেদ মেহেদী, সাংবাদিক লেখক ও গবেষক
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত