শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ঘোষণার পর গজারিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযান

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ঘোষণার পর গজারিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযান

গজারিয়ায় পুলিশ নৌ ডাকাতদের গোলাগুলির ঘটনায় পুলিশ, র‍্যাব, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড মিলিয়ে মোট দুই শতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে।এ সময় ডাকাতদের শনাক্ত করতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার ব্যবহার করে পুলিশ। 

২৬ আগষ্ট দুপুর ৩:৩০ ঘটিকায় গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ও মতলব উপজেলার বেলতলী এলাকায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী।জানা যায়,আজ সকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নৌ ডাকাতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিলে এই অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় চর চৌদ্দ কাউনিয়া ঘাটের ট্রলার চালক হাকিম জানান, বিকাল চারটার দিকে র‍্যাব-১১ ও পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি মেঘনা নদীর চৌদ্দকাউনিয়া ঘাটে এসে থামে। তারপর তাদের ট্রলার ও স্পিডবোটে করে গুয়াগাছিয়ার দিকে রওনা হতে দেখেছি।

ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন,আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। সাড়ে তিনটার দিকে অভিযান শুরু করি আমরা,এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন,অভিযান সমাপ্ত করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো  যাবে।

উল্লেখ্য গতকাল সোমবার(২৫আগষ্ট)উপজেলা গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন এর মেঘনা নদীতে স্থানীয় নৌ ডাকাত দলের সাথে পুলিশের আধা ঘণ্টা ব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।জানা যায়,দীর্ঘদিন যাবৎ গুয়াগাছিয়া সংলগ্ন নদী পথ ও স্থলে দীর্ঘদিন যাবৎ নৌ ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহালের নিয়ন্ত্রন ও বিভিন্ন অপরাধ মূলক কার্যক্রম সংঘটিত হয়ে আসছিল।গত কয়েক মাসে গুয়াগাছিয়া ও আশপাশের নদী পথে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কার্যক্রম ও নদী পথের চাঁদাবাজী ও অবৈধ বালুমহালের নিয়ন্ত্রন নেয়াসহ নদী এলাকায় আধিপত্ত্য বিস্তার নিয়ে একাধিক নৌডাকাত ও জলদস্যু দলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৫ টি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে।আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও মানুষের নিরাপদ বসবাস ও ঐই এলাকায় নদীপথে চলাচলকারী নৌযান শ্রমিকদের নিরাপত্তার তাগিদে গত শুক্রবার(২২আগষ্ট) উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে অস্থায়ী ভাবে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপিত হয়েছে।

খুঁজুন