মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে স্বর্ণের দামে বড় পতন ঘটতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক সিটি। সেখানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম গ্রাম প্রতি আবারও ৩০০ দিরহামের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৯৯০ টাকা) নিচে নামতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হতে পারে ৩ হাজার ৪৯৮ দিরহাম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা দেখা দিতে পারে, যা ২০২৬ সালের মধ্যেই আরও জোরালো হবে।
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে প্রথমবারের মতো দুবাইয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ৩০০ দিরহাম অতিক্রম করে। এরপর এক পর্যায়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি গ্রাম ৩৮৩ দিরহামে। বর্তমানে বাজারমূল্য ৩৭৮.৫ দিরহাম, আর ২৪ ক্যারেটের দাম ৪০৮.৭৫ দিরহাম।
সিটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১২ মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ডলারের মধ্যে নেমে আসতে পারে প্রতি আউন্সে।
এর পেছনে যুক্তি হিসেবে তারা দেখিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ দিকে মার্কিন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে, যার ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।
সিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘২০২৫ ও ২০২৬ সালে স্বর্ণে বিনিয়োগ প্রবণতা কমে যাবে। কারণ, মার্কিন নির্বাচন ও অর্থনৈতিক গতি পুনরুদ্ধারের আশা বাজারে নতুন বার্তা দেবে।’
এদিকে, এই পূর্বাভাসে একমত নন তবে দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। কানজ জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিল ধানক বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮০০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে। বাজারে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে, তা স্বর্ণকে আরও মূল্যবান করে তুলবে।’
বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা বলছেন, অনেক ক্রেতা এখন স্বর্ণের ডিজিটাল বিকল্প যেমন গোল্ড অ্যাকাউন্ট, ইটিএফ বা স্বর্ণে বিনিয়োগভিত্তিক অ্যাপের দিকে ঝুঁকছেন। কারণ, বর্তমান দাম অনেকের জন্য ভারী হয়ে যাচ্ছে।
স্বর্ণ বিক্রেতারা বলছেন, যদি দাম ৩০০ দিরহামের নিচে নেমে আসে, তাহলে বাজারে আবারও বড় ধরনের ক্রয়চাপ তৈরি হতে পারে।
স্বর্ণের দামে বড় পতনের পূর্বাভাস!
স্বর্ণের দামে বড় পতনের পূর্বাভাস!
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে স্বর্ণের দামে বড় পতন ঘটতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক সিটি। সেখানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম গ্রাম প্রতি আবারও ৩০০ দিরহামের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৯৯০ টাকা) নিচে নামতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হতে পারে ৩ হাজার ৪৯৮ দিরহাম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা।প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা দেখা দিতে পারে, যা ২০২৬ সালের মধ্যেই আরও জোরালো হবে।২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে প্রথমবারের মতো দুবাইয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ৩০০ দিরহাম
অতিক্রম করে। এরপর এক পর্যায়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি গ্রাম ৩৮৩ দিরহামে। বর্তমানে বাজারমূল্য ৩৭৮.৫ দিরহাম, আর ২৪ ক্যারেটের দাম ৪০৮.৭৫ দিরহাম।সিটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১২ মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ডলারের মধ্যে নেমে আসতে পারে প্রতি আউন্সে।এর পেছনে যুক্তি হিসেবে তারা দেখিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ দিকে মার্কিন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে, যার ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।সিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘২০২৫ ও ২০২৬ সালে স্বর্ণে বিনিয়োগ প্রবণতা কমে যাবে। কারণ, মার্কিন নির্বাচন ও অর্থনৈতিক গতি পুনরুদ্ধারের আশা বাজারে নতুন
বার্তা দেবে।’এদিকে, এই পূর্বাভাসে একমত নন তবে দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। কানজ জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিল ধানক বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮০০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে। বাজারে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে, তা স্বর্ণকে আরও মূল্যবান করে তুলবে।’বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা বলছেন, অনেক ক্রেতা এখন স্বর্ণের ডিজিটাল বিকল্প যেমন গোল্ড অ্যাকাউন্ট, ইটিএফ বা স্বর্ণে বিনিয়োগভিত্তিক অ্যাপের দিকে ঝুঁকছেন। কারণ, বর্তমান দাম অনেকের জন্য ভারী হয়ে যাচ্ছে।স্বর্ণ বিক্রেতারা বলছেন, যদি দাম ৩০০ দিরহামের নিচে নেমে আসে, তাহলে বাজারে আবারও বড় ধরনের ক্রয়চাপ তৈরি হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত