রাতভর টানা ৫ ঘণ্টার অতিভারী বৃষ্টিতে শহর কলকাতা পানিমগ্ন হয়ে গেছে। ফলে নাজেহাল শহরবাসী। বিভিন্ন সূত্রে কলকাতা এবং শহরতলিতে বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বেনিয়াপুকুর, কালিকাপুর, নেতাজি নগর, গড়িয়াহাট এবং একবালপুরে পৃথক পৃথক ঘটনায় এই মৃত্যু ঘটেছে।
টানা বৃষ্টিতে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্রই কমবেশি সমস্যার মধ্যে পড়েছেন শহরবাসী। বিভিন্ন গলিপথও পানিমগ্ন হয়ে পড়েছে। শহরের অধিকাংশ এলাকায় পানি জমেছে। বহু বাড়ি ও গাড়ি পানির নীচে। কলকাতার মেয়র এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি শহরে এত পানিবদ্ধতা কখনও দেখেননি। তিনি বলেন, আমার এলাকায়ও এত পানিতে ডুবে রয়েছে। আমি কখনও এমন পরিস্থিতি দেখিনি। পুরসভা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাবার এবং আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। যদি আর বৃষ্টি না হয়, তাহলে আমরা আশা করছি মঙ্গলবার রাতের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
টানা বৃষ্টিতে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্রই কমবেশি সমস্যার মধ্যে পড়েছেন শহরবাসী। বিভিন্ন গলিপথও পানিমগ্ন হয়ে পড়েছে। শহরের অধিকাংশ এলাকায় পানি জমেছে। বহু বাড়ি ও গাড়ি পানির নীচে। কলকাতার মেয়র এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি শহরে এত পানিবদ্ধতা কখনও দেখেননি। তিনি বলেন, আমার এলাকায়ও এত পানিতে ডুবে রয়েছে। আমি কখনও এমন পরিস্থিতি দেখিনি। পুরসভা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাবার এবং আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। যদি আর বৃষ্টি না হয়, তাহলে আমরা আশা করছি মঙ্গলবার রাতের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যে সব রাস্তায় আগে কখনও পানি জমেনি, সেই রাস্তাও পানির নীচে। এই সব এলাকা থেকে পানি বের করার চেষ্টাও শুরু হয়েছে। তবে যেহেতু দীর্ঘ ক্ষণ ধরে বৃষ্টি হয়েছে, তাই পানি নামতে দেরি হচ্ছে। শহরের একাধিক মেডিক্যাল কলেজে ও হাসপাতালে পানি ঢুকে গেছে। পানিমগ্ন এসএসকেএম হাসপাতালের সামনে রাস্তাও।
টানা বৃষ্টিতে রেললাইনে পানি জমে গেছে শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখার বিভিন্ন জায়গায়। ফলে অনিয়মিত হয়ে পড়েছে ট্রেন চলাচল। বন্ধ চক্ররেল।
পানি জমার কারণে একটি অংশে মেট্রোরেল চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে। রাতভর বৃষ্টিতে হাওড়া ইয়ার্ড, শিয়ালদহ দক্ষিণ ইয়ার্ড, চিৎপুর উত্তর কেবিন-সহ বেশ কিছু কারশেড পানিমগ্ন হয়ে পড়েছে। পাম্প করে সেই পানি বের করার চেষ্টা হচ্ছে। তবে বৃষ্টি পুরোপুরি বন্ধ না-হওয়ায় আশপাশের এলাকা থেকে আবার পানি এসে জমছে রেল লাইনে। দুর্যোগের জেরে মঙ্গলবার সকালে শিয়ালদহ থেকে বেশ কিছু দূর পাল্লার ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। ট্রেন পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে নিত্যযাত্রীদের। কখন পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা রেলের তরফে স্পষ্ট ভাবে জানাতে না পারায় অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।
দূর্গাপুজার আগে এই বৃষ্টি দেখে চিন্তিত শহরবাসী। এই বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু পূজা প্যান্ডেল।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, নিম্নচাপের জেরে এই বৃষ্টি। ষষ্ঠীর দু’দিন আগে বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। তার জেরে পূজায় বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ তৃতীয়া থেকেই সমুদ্র উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
টানা বৃষ্টিতে রেললাইনে পানি জমে গেছে শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখার বিভিন্ন জায়গায়। ফলে অনিয়মিত হয়ে পড়েছে ট্রেন চলাচল। বন্ধ চক্ররেল।
পানি জমার কারণে একটি অংশে মেট্রোরেল চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে। রাতভর বৃষ্টিতে হাওড়া ইয়ার্ড, শিয়ালদহ দক্ষিণ ইয়ার্ড, চিৎপুর উত্তর কেবিন-সহ বেশ কিছু কারশেড পানিমগ্ন হয়ে পড়েছে। পাম্প করে সেই পানি বের করার চেষ্টা হচ্ছে। তবে বৃষ্টি পুরোপুরি বন্ধ না-হওয়ায় আশপাশের এলাকা থেকে আবার পানি এসে জমছে রেল লাইনে। দুর্যোগের জেরে মঙ্গলবার সকালে শিয়ালদহ থেকে বেশ কিছু দূর পাল্লার ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। ট্রেন পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে নিত্যযাত্রীদের। কখন পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা রেলের তরফে স্পষ্ট ভাবে জানাতে না পারায় অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।
দূর্গাপুজার আগে এই বৃষ্টি দেখে চিন্তিত শহরবাসী। এই বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু পূজা প্যান্ডেল।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, নিম্নচাপের জেরে এই বৃষ্টি। ষষ্ঠীর দু’দিন আগে বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। তার জেরে পূজায় বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ তৃতীয়া থেকেই সমুদ্র উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।