টাংগাইল প্রতিনিধি :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে টাঙ্গাইল-৬ আসন (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) এখন সরগরম। গ্রামীণ জনপদে আলোচনায় আসা নামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে বিএনপির নেতা মো. রবিউল আউয়াল লাভলুর নাম। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজপথে সক্রিয় এই নেতা বর্তমানে তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও সমানভাবে পরিচিত। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তিনি অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক যাত্রা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন রবিউল আউয়াল লাভলু। ছাত্রজীবনেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮৪ সালে মহসিন হলে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পাঁচ বছর পর, ১৯৮৯ সালে মহসিন হল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে তিনি আলোচনায় আসেন।
রাজপথের সক্রিয়তা
১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন রবিউল ইসলাম লাভলু। সহপাঠীদের সংগঠিত করা থেকে মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া—সব ক্ষেত্রেই উপস্থিত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি, জেলা বিএনপির সহসভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তার পরিচয়ের মূল ভিত্তি রাজপথের সক্রিয়তা ও লড়াকু ভূমিকা।
গ্রামীণ জনপ্রিয়তা
নাগরপুরের ১২ ইউনিয়ন ও দেলদুয়ারের ৮ ইউনিয়নে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রবিউল ইসলাম লাভলুকে অনেকে কেবল রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই নয়, একজন সহজ-সরল মানুষ হিসেবেও চেনে।
নাগরপুর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, রাজনীতি করলেও তিনি দূরে থাকেন না। সাধারণ মানুষ বিপদে পড়লে পাশে দাঁড়ান।
সহবতপুর ভাটপাড়া এলাকার সিয়াম বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে এখন পর্যন্ত তিনি মানুষের সঙ্গে আছেন। গ্রামের মানুষ তাকে সৎ ও ত্যাগী মনে করে।
দেলদুয়ারের লাউহাটি এলাকার সজল জানান,আমাদের এলাকায় অনেক নেতা এসেছেন, কিন্তু তার মতো সহজ-সরল কাউকে পাইনি। তিনি অহংকার দেখান না।
নাল্লাপাড়া এলাকার তরুণ আশিক বলেন, “আমরা তার মধ্যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি। তিনি মাঠের মানুষ, আন্দোলনের মানুষ।”
দলের শীর্ষ মহলে পরিচিতি
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও লাভলু পরিচিত একজন কর্মঠ সংগঠক হিসেবে। দীর্ঘদিনের আনুগত্যের কারণে জিয়া পরিবার ও কেন্দ্রীয় নেতাদের আস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকা তাকে শীর্ষ মহলে পরিচিত করে তুলেছে।
নির্বাচনী সম্ভাবনা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, স্থানীয় জনপ্রিয়তা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে রবিউল আউয়াল লাভলু বিএনপির জন্য গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হতে পারেন। তাদের মতে, আওয়ামী লীগবিরোধী ভোটগুলোকে একত্রিত করতেও তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তবে স্থানীয় রাজনীতিতে অন্য প্রার্থীদের তৎপরতাও কম নয়। ফলে শেষ পর্যন্ত কে মনোনয়ন পাবেন, তা নির্ভর করছে দলের সিদ্ধান্তের ওপর।
উল্লেখ্য, চার দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় রবিউল আউয়াল লাভলু এখন টাঙ্গাইল-৬ আসনের আলোচনার কেন্দ্রে। রাজপথের লড়াই, সততা, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নাগরপুর ও দেলদুয়ারের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে বিএনপির দিকে—দল কি তার অবদান ও জনপ্রিয়তার যথাযথ মূল্যায়ন করবে?
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে টাঙ্গাইল-৬ আসন (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) এখন সরগরম। গ্রামীণ জনপদে আলোচনায় আসা নামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে বিএনপির নেতা মো. রবিউল আউয়াল লাভলুর নাম। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজপথে সক্রিয় এই নেতা বর্তমানে তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও সমানভাবে পরিচিত। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তিনি অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক যাত্রা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন রবিউল আউয়াল লাভলু। ছাত্রজীবনেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮৪ সালে মহসিন হলে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পাঁচ বছর পর, ১৯৮৯ সালে মহসিন হল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে তিনি আলোচনায় আসেন।
রাজপথের সক্রিয়তা
১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন রবিউল ইসলাম লাভলু। সহপাঠীদের সংগঠিত করা থেকে মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া—সব ক্ষেত্রেই উপস্থিত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি, জেলা বিএনপির সহসভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তার পরিচয়ের মূল ভিত্তি রাজপথের সক্রিয়তা ও লড়াকু ভূমিকা।
গ্রামীণ জনপ্রিয়তা
নাগরপুরের ১২ ইউনিয়ন ও দেলদুয়ারের ৮ ইউনিয়নে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রবিউল ইসলাম লাভলুকে অনেকে কেবল রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই নয়, একজন সহজ-সরল মানুষ হিসেবেও চেনে।
নাগরপুর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, রাজনীতি করলেও তিনি দূরে থাকেন না। সাধারণ মানুষ বিপদে পড়লে পাশে দাঁড়ান।
সহবতপুর ভাটপাড়া এলাকার সিয়াম বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে এখন পর্যন্ত তিনি মানুষের সঙ্গে আছেন। গ্রামের মানুষ তাকে সৎ ও ত্যাগী মনে করে।
দেলদুয়ারের লাউহাটি এলাকার সজল জানান,আমাদের এলাকায় অনেক নেতা এসেছেন, কিন্তু তার মতো সহজ-সরল কাউকে পাইনি। তিনি অহংকার দেখান না।
নাল্লাপাড়া এলাকার তরুণ আশিক বলেন, “আমরা তার মধ্যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি। তিনি মাঠের মানুষ, আন্দোলনের মানুষ।”
দলের শীর্ষ মহলে পরিচিতি
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও লাভলু পরিচিত একজন কর্মঠ সংগঠক হিসেবে। দীর্ঘদিনের আনুগত্যের কারণে জিয়া পরিবার ও কেন্দ্রীয় নেতাদের আস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকা তাকে শীর্ষ মহলে পরিচিত করে তুলেছে।
নির্বাচনী সম্ভাবনা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, স্থানীয় জনপ্রিয়তা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে রবিউল আউয়াল লাভলু বিএনপির জন্য গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হতে পারেন। তাদের মতে, আওয়ামী লীগবিরোধী ভোটগুলোকে একত্রিত করতেও তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তবে স্থানীয় রাজনীতিতে অন্য প্রার্থীদের তৎপরতাও কম নয়। ফলে শেষ পর্যন্ত কে মনোনয়ন পাবেন, তা নির্ভর করছে দলের সিদ্ধান্তের ওপর।
উল্লেখ্য, চার দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় রবিউল আউয়াল লাভলু এখন টাঙ্গাইল-৬ আসনের আলোচনার কেন্দ্রে। রাজপথের লড়াই, সততা, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নাগরপুর ও দেলদুয়ারের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে বিএনপির দিকে—দল কি তার অবদান ও জনপ্রিয়তার যথাযথ মূল্যায়ন করবে?