মোহাম্মদ হাসান আলী - টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার ধুপুরিয়া এলাকায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক নয়টার দিকে তর্কের জেরে চাচা- ভাতিজাকে কুঁপিয়ে হত্যা করে তালেব নামে এক ব্যক্তি। বিক্ষুব্ধ জনতার গনধোলাইয়ের শিকার হয়ে হত্যাকারী তালেবও নিহত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের তালেব (৩৫) নামের এক যুবকের সাথে সাত্তারের (৫০) তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটা কাটি শুরু হয়। এসময় তালেব ক্রমশ উত্তেজিত হতে থাকে এবং এক পর্যায়ে তালেবের হাতে থাকা ধারাল অস্ত্র দিয়া সাত্তার মিয়াকে এলোপাথাড়ি ভাবে কোঁপাতে থাকে। সাত্তারের চিৎকারে তার ভাতিজা আসাদুল (২৮) এগিয়ে আসলে তালেব তাকেও এলোপাতাড়ি ভাবে কোঁপাতে থাকে। এদের চিৎকারে এলাকার লোক হাজির হলে গুরুতর আহত অবস্থায় সাত্তার ও আসাদুলকে উদ্ধার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাদেরকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
পরে উত্তেজিত জনতা খুনি তালেবকে গণপিটুনি দেয়, এতে তালেব ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মৃত সাত্তার ও তার ভাতিজা আসাদুলের লাশ হাসপাতালের মর্গে এবং খুনি তালেবের লাশ ঘটনাস্থলেই রয়েছে।
তবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে তালেবের লাশ থানায় আনার জন্য এবং পরবর্তী ব্যবস্তা গ্রহনের জন্য। এ ঘটনায় আজমুল নামের আরও এক যুবক তালেবের হাতে আহত হয়, তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একই সাথে তিনটা মৃত্যর ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
টাঙ্গাইলে চাচা- ভাতিজা খুন, গণপিটুনিতে হত্যাকারী নিহত
টাঙ্গাইলে চাচা- ভাতিজা খুন, গণপিটুনিতে হত্যাকারী নিহত
মোহাম্মদ হাসান আলী - টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার ধুপুরিয়া এলাকায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক নয়টার দিকে তর্কের জেরে চাচা- ভাতিজাকে কুঁপিয়ে হত্যা করে তালেব নামে এক ব্যক্তি। বিক্ষুব্ধ জনতার গনধোলাইয়ের শিকার হয়ে হত্যাকারী তালেবও নিহত হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের তালেব (৩৫) নামের এক যুবকের সাথে সাত্তারের (৫০) তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটা কাটি শুরু হয়। এসময় তালেব ক্রমশ উত্তেজিত হতে থাকে এবং
এক পর্যায়ে তালেবের হাতে থাকা ধারাল অস্ত্র দিয়া সাত্তার মিয়াকে এলোপাথাড়ি ভাবে কোঁপাতে থাকে। সাত্তারের চিৎকারে তার ভাতিজা আসাদুল (২৮) এগিয়ে আসলে তালেব তাকেও এলোপাতাড়ি ভাবে কোঁপাতে থাকে। এদের চিৎকারে এলাকার লোক হাজির হলে গুরুতর আহত অবস্থায় সাত্তার ও আসাদুলকে উদ্ধার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাদেরকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পরে উত্তেজিত জনতা খুনি তালেবকে গণপিটুনি দেয়, এতে তালেব ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ সংবাদ
লেখা পর্যন্ত নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মৃত সাত্তার ও তার ভাতিজা আসাদুলের লাশ হাসপাতালের মর্গে এবং খুনি তালেবের লাশ ঘটনাস্থলেই রয়েছে। তবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে তালেবের লাশ থানায় আনার জন্য এবং পরবর্তী ব্যবস্তা গ্রহনের জন্য। এ ঘটনায় আজমুল নামের আরও এক যুবক তালেবের হাতে আহত হয়, তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সাথে তিনটা মৃত্যর ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত