মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, টাঙ্গাইলঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ৩০০ বিঘা জমির আধপাকা ধান ইটভাটা থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে পুড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
কৃষক আয়নাল হক জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ১১ শতাংশ জমিতে ইরি ধান চাষ করেছেন। কয়েক সপ্তাহ পর ধান কেটে ঘরে তুলতেন। ফলনে তিনি যে ধান পেতেন তাতে তার পরিবারের চার সদসস্যের প্রায় সারা বছরের খোরাক হতো। কিন্তু ধোয়ায় সব পুড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এই ক্ষেত থেকে সারা বছরের খোরাক পেতাম। কিন্তু আমার ধান ইটভাটার গ্যাসে পুড়ে গেছে। সারা বছর কি খাবো সেই চিন্তায় আছি।’
শুধু আয়নাল হক নন, তার মতো বিল গৌরিশ্বর, গৌরিশ্বর ও দশানী বকশিয়া গ্রামের শতাধিক কৃষকের ৩০০ বিঘা জমি ধান পুড়ে গেছে। ইটভাটা বন্ধ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেছেন।
ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, ফসলি জমি ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে ইটভাটা। ভাটা স্থাপনের যে নীতিমালা রয়েছে তা কোনোটিই মানা হয়নি। ভাটার নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে পুড়ে নষ্ট হয়েছে গেছে ওই এলাকার শতাধিক কৃষকের প্রায় তিনশ বিঘা জমির বোরো ধান। ইউএনওর কাছে এর প্রতিকার চেয়ে আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন ১০৫ জন কৃষক।
সেচ পাম্প মালিক আতোয়ার হোসেন বলেন, কষ্টে ফলানো ফসলের এমন দৃশ্য দেখে বুক ফেঁটে কান্না আসে। তিনশ বিঘা জমির ফলন হওয়ার কথা ৬ হাজার মণ।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌকির আহমেদ বলেন, এমএসটি ইটভাটা ফসলি জমির পাশে প্রযোজ্য নয়। ধানের পাতা উপর থেকে লাল হয়ে নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। এছাড়া ঘাসও পুড়ে লাল হয়ে গেছে। ওই এলাকায় বিঘাতে ৩০-৩৫ মণ ধান হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, ইটভাটার গ্যাসে ধান পুড়ে গেছে। এই ধানের কোন দানা হবে না। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সাথেও যোগাযোগ হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা কৃষকদের পাশে আছি।
ইউএনও মুনিয়া চৌধুরী বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইলে ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে ধান পুড়ে যাওয়ার অভিযোগ
টাঙ্গাইলে ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে ধান পুড়ে যাওয়ার অভিযোগ
মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, টাঙ্গাইলঃটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ৩০০ বিঘা জমির আধপাকা ধান ইটভাটা থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে পুড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।কৃষক আয়নাল হক জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ১১ শতাংশ জমিতে ইরি ধান চাষ করেছেন। কয়েক সপ্তাহ পর ধান কেটে ঘরে তুলতেন। ফলনে তিনি যে ধান পেতেন তাতে তার পরিবারের চার সদসস্যের প্রায় সারা বছরের খোরাক হতো। কিন্তু ধোয়ায় সব পুড়ে গেছে।তিনি আরও বলেন, ‘এই ক্ষেত থেকে সারা বছরের খোরাক পেতাম। কিন্তু আমার ধান ইটভাটার গ্যাসে পুড়ে গেছে। সারা বছর কি খাবো সেই চিন্তায় আছি।’শুধু আয়নাল
হক নন, তার মতো বিল গৌরিশ্বর, গৌরিশ্বর ও দশানী বকশিয়া গ্রামের শতাধিক কৃষকের ৩০০ বিঘা জমি ধান পুড়ে গেছে। ইটভাটা বন্ধ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেছেন।ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, ফসলি জমি ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে ইটভাটা। ভাটা স্থাপনের যে নীতিমালা রয়েছে তা কোনোটিই মানা হয়নি। ভাটার নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে পুড়ে নষ্ট হয়েছে গেছে ওই এলাকার শতাধিক কৃষকের প্রায় তিনশ বিঘা জমির বোরো ধান। ইউএনওর কাছে এর প্রতিকার চেয়ে আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন ১০৫ জন কৃষক।সেচ পাম্প মালিক আতোয়ার হোসেন বলেন, কষ্টে ফলানো ফসলের এমন দৃশ্য দেখে
বুক ফেঁটে কান্না আসে। তিনশ বিঘা জমির ফলন হওয়ার কথা ৬ হাজার মণ।উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌকির আহমেদ বলেন, এমএসটি ইটভাটা ফসলি জমির পাশে প্রযোজ্য নয়। ধানের পাতা উপর থেকে লাল হয়ে নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। এছাড়া ঘাসও পুড়ে লাল হয়ে গেছে। ওই এলাকায় বিঘাতে ৩০-৩৫ মণ ধান হয়।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, ইটভাটার গ্যাসে ধান পুড়ে গেছে। এই ধানের কোন দানা হবে না। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সাথেও যোগাযোগ হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা কৃষকদের পাশে আছি।ইউএনও মুনিয়া চৌধুরী বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত