মইনুল ইসলাম মিতুল : গতকাল রাজধানীসহ সারাদেশে সকালটা ছিল কুয়াশার চাদরে মোড়ানো। সূর্যের
মুখ দেখা যায়নি। রাত থেকেই বইছে কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। তাপমাত্রা কমেছে তিন থেকে সাত
ডিগ্রি পর্যন্ত। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস, দেশের কোথাও কোথাও আগামী দু’দিনে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কনকনে
ঠাণ্ডা বাতাসে সকালবেলা সবার ছিল জবুথবু হয়ে চলাফেরা, অফিসগামী মানুষের
কষ্ট ছিল সীমাহীন। খুব প্রয়োজন ছাড়া পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হননি কেউ। শীতে জর্জর
দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলও। শীতের সঙ্গে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। রাজধানীর
তুলনায় এসব এলাকায় তাপমাত্রা কমেছে চার থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত। এই তাপমাত্রা
রাতে আরো দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
উত্তরাঞ্চলের তীব্র ঠাণ্ডা বাতাস
ঢাকার দিকে আসায় শীত আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শৈত্যপ্রবাহ আরো বাড়তে
পারে। এতে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা আরো একটু কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায়
অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাতেও রাজধানীর তাপমাত্রা কমে ১৮ ডিগ্রিতে দাঁড়াতে পারে
বলে অনুমান করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে তা শৈত্যপ্রবাহে রূপ নেবে কি না, সে বিষয়টি এখনো
নিশ্চিত করে বলতে পারেননি আবহাওয়াবিদরা। দেশের অন্যান্য স্থানেও তাপমাত্রা কমেছে।
চট্টগ্রামে ১৬, সিলেটে ১৫ দশমিক ৮,
রংপুরে ১১, খুলনায় ১২ এবং বরিশালে ১২ ডিগ্রি
সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়,
উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন
বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ
বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে
মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারি,
যশোর ও চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি
আরো বিস্তার লাভ করতে পারে। তাপমাত্রা রাতে আরো দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমে যাবে।
শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল :
ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে উত্তরাঞ্চল। গত তিন-চার দিন থেকে বেড়েছে শীতের
তীব্রতা। দেখা মিলছে না সূর্যের। বৃষ্টির মতো ঝড়ছে শিশির। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে
দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, শিশু ও বয়স্করা। বেড়েছে শীতজনিত রোগ এবং এদের
বেশিরভাগই শিশু।
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে কুড়িগ্রাম: ঘন
কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে অবহেলিত কুড়িগ্রাম জেলার মানুষ। পৌষের শুরুতেই
কুয়াশার চাদর গায়ে জড়িয়ে ক্রমাগত বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা।
শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ।
কাজে বের হতে না পারায় নিদারুণ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে তাদের। অনেকে দিনভর খড়কুটো
জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। অনেকে শীত নিবারণ করতে গরম কাপড় সংগ্রহে
নিম্ন আয়ের মানুষরা পুরনো কাপড়ের বাজারে ভিড় করছেন। গত বুধবার সকাল ৯টায় ১০ দশমিক
সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া
পর্যবেক্ষণাগারে। গত ক’দিন ধরেই এ অঞ্চলের
তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। সারা দিনেও মিলছে না সূর্যের
দেখা আর উষ্ণতা। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ।
ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে
অভ্যন্তরীণ সড়ক ও মহাসড়কে দিনের বেলা হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। শীতের
তীব্রতা বাড়তে থাকায় বাড়ছে শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ। পৌষের শীত আর ঘন কুয়াশায়
কাহিল হয়ে পড়েছে চর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ।
তাপমাত্রা হ্রাস পেতে শুরু করায়
শীতের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে
রোগীদের সংখ্যা। গত মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া ও আইসোলেশন
ওয়ার্ডে ২১ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। এর ১৮ জনই শিশু। এছাড়া শিশু
ওয়ার্ডে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া
পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত বুধবার সকাল ৯টা
পর্যন্ত কুড়িগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা
হয়েছে। এছাড়াও আকাশ মেঘ আর কুয়াশাচ্ছন্ন রয়েছে। এ মাসেই একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে
যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত, দেখা মিলছে না
সূর্যের : হিমালয়ের পাদদেশের জেলা লালমনিরহাটে শীত জেঁকে বসেছে। গত ৩-৪ দিন ধরে
সূর্যের দেখা মিলছে না। শ্রমজীবী মানুষজন কষ্টে কাজকর্ম করছেন। হঠাৎ করে ঠাণ্ডার
প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কমতে শুরু করেছে দিন-রাতের তাপমাত্রা। তীব্র ঠাণ্ডার
কারণে খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে চরম দুশ্চিন্তায়। প্রকোপ শীতের কারণে কৃষক ও
শ্রমিকরা ক্ষেতে যেতে পারেননি কাজ করতে। অনেকে মাঠে কাজ করতে গেলেও বেশিক্ষণ টিকতে
পারেননি ঠাণ্ডার কারণে। ঠাণ্ডা আর ঘন কুয়াশার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষজন
কাজের সন্ধানে বাইরে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকে ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করে জীবিকার
প্রয়োজনে বাইরে গেলেও কাজ মিলছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট
জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঠাণ্ডার প্রকোপে বাইরে যাত্রী না আসায় রিকশাচালকদের
পড়তে হচ্ছে যাত্রী সঙ্কটে। ফলে আয়ও কমে গেছে তাদের।
তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রিতে
তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রিতে
মইনুল ইসলাম মিতুল : গতকাল রাজধানীসহ সারাদেশে সকালটা ছিল কুয়াশার চাদরে মোড়ানো। সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। রাত থেকেই বইছে কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। তাপমাত্রা কমেছে তিন থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস, দেশের কোথাও কোথাও আগামী দু’দিনে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে সকালবেলা সবার ছিল জবুথবু হয়ে চলাফেরা, অফিসগামী মানুষের কষ্ট ছিল সীমাহীন। খুব প্রয়োজন ছাড়া পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হননি কেউ। শীতে জর্জর দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলও। শীতের সঙ্গে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। রাজধানীর তুলনায় এসব এলাকায় তাপমাত্রা কমেছে চার থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত। এই তাপমাত্রা রাতে আরো দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।উত্তরাঞ্চলের তীব্র ঠাণ্ডা বাতাস ঢাকার দিকে আসায় শীত আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শৈত্যপ্রবাহ আরো বাড়তে পারে। এতে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা আরো একটু কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাতেও রাজধানীর তাপমাত্রা কমে ১৮ ডিগ্রিতে দাঁড়াতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে তা শৈত্যপ্রবাহে রূপ নেবে কি না, সে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেননি আবহাওয়াবিদরা। দেশের অন্যান্য স্থানেও তাপমাত্রা কমেছে।চট্টগ্রামে ১৬, সিলেটে ১৫ দশমিক ৮, রংপুরে ১১, খুলনায় ১২ এবং বরিশালে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাজশাহী, পাবনা,
নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারি, যশোর ও চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি আরো বিস্তার লাভ করতে পারে। তাপমাত্রা রাতে আরো দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমে যাবে।শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল : ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে উত্তরাঞ্চল। গত তিন-চার দিন থেকে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। দেখা মিলছে না সূর্যের। বৃষ্টির মতো ঝড়ছে শিশির। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, শিশু ও বয়স্করা। বেড়েছে শীতজনিত রোগ এবং এদের বেশিরভাগই শিশু। শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে কুড়িগ্রাম: ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে অবহেলিত কুড়িগ্রাম জেলার মানুষ। পৌষের শুরুতেই কুয়াশার চাদর গায়ে জড়িয়ে ক্রমাগত বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা। শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। কাজে বের হতে না পারায় নিদারুণ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে তাদের। অনেকে দিনভর খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। অনেকে শীত নিবারণ করতে গরম কাপড় সংগ্রহে নিম্ন আয়ের মানুষরা পুরনো কাপড়ের বাজারে ভিড় করছেন। গত বুধবার সকাল ৯টায় ১০ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে। গত ক’দিন ধরেই এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। সারা দিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা আর উষ্ণতা। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ।ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে অভ্যন্তরীণ সড়ক ও মহাসড়কে দিনের বেলা হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকায় বাড়ছে শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ। পৌষের শীত আর ঘন কুয়াশায় কাহিল হয়ে পড়েছে চর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ।তাপমাত্রা হ্রাস পেতে শুরু করায় শীতের
কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীদের সংখ্যা। গত মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২১ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। এর ১৮ জনই শিশু। এছাড়া শিশু ওয়ার্ডে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কুড়িগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও আকাশ মেঘ আর কুয়াশাচ্ছন্ন রয়েছে। এ মাসেই একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত, দেখা মিলছে না সূর্যের : হিমালয়ের পাদদেশের জেলা লালমনিরহাটে শীত জেঁকে বসেছে। গত ৩-৪ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। শ্রমজীবী মানুষজন কষ্টে কাজকর্ম করছেন। হঠাৎ করে ঠাণ্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সরেজমিনে দেখা যায়, কমতে শুরু করেছে দিন-রাতের তাপমাত্রা। তীব্র ঠাণ্ডার কারণে খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে চরম দুশ্চিন্তায়। প্রকোপ শীতের কারণে কৃষক ও শ্রমিকরা ক্ষেতে যেতে পারেননি কাজ করতে। অনেকে মাঠে কাজ করতে গেলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ঠাণ্ডার কারণে। ঠাণ্ডা আর ঘন কুয়াশার কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষজন কাজের সন্ধানে বাইরে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকে ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করে জীবিকার প্রয়োজনে বাইরে গেলেও কাজ মিলছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঠাণ্ডার প্রকোপে বাইরে যাত্রী না আসায় রিকশাচালকদের পড়তে হচ্ছে যাত্রী সঙ্কটে। ফলে আয়ও কমে গেছে তাদের।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত