পুরুষ মানুষ সহজে কাঁদে না। কখনো বা কাঁদলেও কারণটা হয় তীব্রতর। টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসে অঝরে কাঁদলেন এক বাবা। জানালেন তার কষ্টের কথা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কান্নার সূরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিতে টানতে আবেদনও জানালেন এই বৃদ্ধ বাবা। বললেন, অন্যথায় না খেয়ে থাকতে হবে সন্তানদের।
জানালেন, নৈশ প্রহরীর চাকরি করেন তিনি। বেতন পান নয় হাজার টাকা। এই টাকায় সংসার না চলায় দিনের বেলায় চালান রিকশা। এই স্বল্প আয়ের মধ্যেই দু’চোখে স্বপ্ন নিয়ে ছেলের অনার্স শেষ করিয়েছেন তিনি। দিয়েছে ৪৩তম বিসিএস। জানান, তার সংসারের অবস্থা অচল প্রায়।
তার মতো অনেকেই এসেছেন পণ্য কিনতে। কেউবা কোলের শিশুকে রেখে আবার কেউবা অসুস্থ রোগীকে একা রেখে এসেছেন। কিন্তু তপ্ত রোদে পাঁচ ঘণ্টা যাবত অপেক্ষা করলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত টিসিবির পণ্যের ট্রাক। আবার ট্রাক মিললেও কখনও বা হাজার হাজার লোকের ভিড়ে কাঙ্খিত পণ্য মিলছে না। তাদের মধ্যে অনেকেই জানান, পরিবারের বেহাল দশার কারণেই তারা এসেছেন পণ্য কিনতে। টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কেনার ভিড়ে রয়েছেন অসংখ্য নিম্নবিত্ত চাকরিজীবী এমনকি কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও।
তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে অনেকেই নিজেকে লুকান। কেউ কেউ মুখে কাপড় টেনে ধরেন। কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এদের একজন বলেন, দ্রব্যমূল্যের পাগলা গোড়ায় পেটে অভাবের টান পড়েছে। এখন গণমাধ্যমে আমাদের প্রকাশ করে প্রতিবেশিদের কাছে আমাদের লজ্জিত করবেন না।
টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসে অঝরে কাঁদলেন এক বাবা
টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসে অঝরে কাঁদলেন এক বাবা
পুরুষ মানুষ সহজে কাঁদে না। কখনো বা কাঁদলেও কারণটা হয় তীব্রতর। টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসে অঝরে কাঁদলেন এক বাবা। জানালেন তার কষ্টের কথা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কান্নার সূরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিতে টানতে আবেদনও জানালেন এই বৃদ্ধ বাবা। বললেন, অন্যথায় না খেয়ে থাকতে হবে সন্তানদের।জানালেন, নৈশ প্রহরীর চাকরি করেন তিনি। বেতন পান নয় হাজার টাকা। এই টাকায় সংসার না চলায় দিনের বেলায় চালান রিকশা।
এই স্বল্প আয়ের মধ্যেই দু’চোখে স্বপ্ন নিয়ে ছেলের অনার্স শেষ করিয়েছেন তিনি। দিয়েছে ৪৩তম বিসিএস। জানান, তার সংসারের অবস্থা অচল প্রায়।তার মতো অনেকেই এসেছেন পণ্য কিনতে। কেউবা কোলের শিশুকে রেখে আবার কেউবা অসুস্থ রোগীকে একা রেখে এসেছেন। কিন্তু তপ্ত রোদে পাঁচ ঘণ্টা যাবত অপেক্ষা করলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত টিসিবির পণ্যের ট্রাক। আবার ট্রাক মিললেও কখনও বা হাজার হাজার লোকের ভিড়ে কাঙ্খিত পণ্য মিলছে না। তাদের
মধ্যে অনেকেই জানান, পরিবারের বেহাল দশার কারণেই তারা এসেছেন পণ্য কিনতে। টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কেনার ভিড়ে রয়েছেন অসংখ্য নিম্নবিত্ত চাকরিজীবী এমনকি কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও।তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে অনেকেই নিজেকে লুকান। কেউ কেউ মুখে কাপড় টেনে ধরেন। কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এদের একজন বলেন, দ্রব্যমূল্যের পাগলা গোড়ায় পেটে অভাবের টান পড়েছে। এখন গণমাধ্যমে আমাদের প্রকাশ করে প্রতিবেশিদের কাছে আমাদের লজ্জিত করবেন না।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত