কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা
নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ফলে লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় তিস্তা
পাড়ের হাজারো মানুষ বন্যায় শঙ্কায় আছেন। এ কারণে পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি
জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তিস্তার
পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০
সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার)।
জানা
গেছে, তিস্তা নদীর পানি বাড়লে আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চরাঞ্চলগুলো। তিস্তাপাড়ে চর
রয়েছে ৭৬টি। এসব এলাকায় অধিকাংশ মানুষ বাস করেন নদীর চরজমিতে, যেখানকার ঘরবাড়ি
তুলনামূলক নিচু। ফলে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব এলাকায় প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা
বেশি থাকে।
পানি
উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, সরাসরি বন্যার আশঙ্কা নেই, তবুও স্থানীয়দের মাঝে শঙ্কা
দেখা দিয়েছে।
হাতীবান্ধা
উপজেলার চর ডাউয়াবাড়ী এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বন্যা
এলে সবকিছু শেষ হয়ে যায়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মাঠের ফসল, গরু-ছাগল, বাড়ির জিনিস সব
ভেসে যায়। এবারও ভয়ে আছি।
জানতে
চাইলে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন
ধরে তিস্তার পানি বাড়ছে।তাই তিস্তাব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণ করার
চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিস্তায় বাড়ছে পানি, খুলল ৪৪ জলকপাট
তিস্তায় বাড়ছে পানি, খুলল ৪৪ জলকপাট
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ফলে লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় তিস্তা পাড়ের হাজারো মানুষ বন্যায় শঙ্কায় আছেন। এ কারণে পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।তিস্তার পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে
(বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার)।জানা গেছে, তিস্তা নদীর পানি বাড়লে আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চরাঞ্চলগুলো। তিস্তাপাড়ে চর রয়েছে ৭৬টি। এসব এলাকায় অধিকাংশ মানুষ বাস করেন নদীর চরজমিতে, যেখানকার ঘরবাড়ি তুলনামূলক নিচু। ফলে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব এলাকায় প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, সরাসরি বন্যার আশঙ্কা নেই, তবুও স্থানীয়দের মাঝে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।হাতীবান্ধা উপজেলার
চর ডাউয়াবাড়ী এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বন্যা এলে সবকিছু শেষ হয়ে যায়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মাঠের ফসল, গরু-ছাগল, বাড়ির জিনিস সব ভেসে যায়। এবারও ভয়ে আছি। জানতে চাইলে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তিস্তার পানি বাড়ছে।তাই তিস্তাব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত