শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ট্রাম্প ভারসাম্যহীন উন্মাদ

ট্রাম্প ভারসাম্যহীন উন্মাদ

ইরানে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার যে চরম হুমকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন, খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই তার তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। নিজ দেশের আইনপ্রণেতারাই ট্রাম্পকে ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’ ও ‘উন্মাদ’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, তার এই হুমকি বাস্তবায়িত হলে তা সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য হবে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

সম্প্রতি নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প হুমকি দেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে মঙ্গলবার ইরানে একযোগে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের দিন’ পালন করা হবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়ার প্রেক্ষাপটে একাধিক সাক্ষাৎকারেও তিনি এই ভয়াবহ হুমকির পুনরাবৃত্তি করেন। ট্রাম্পের এই আগ্রাসী বার্তার কড়া জবাব দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মার্ফি। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে যে বড় ধরনের যুদ্ধাপরাধ করতে যাচ্ছেন, তা প্রকাশ্যেই সাংবাদিকদের বলে বেড়াচ্ছেন। 

রিপাবলিকান নেতাদের উচিত তাকে এখনই থামানো।’ মার্ফি সতর্ক করে বলেন, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র উড়িয়ে দিয়ে হাজার হাজার নিরীহ ইরানিকে হত্যা করলেই হরমুজ প্রণালি খুলবে না। ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাকে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার যে কুবুদ্ধি দিচ্ছেন, তার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানে জাতীয় আতঙ্ক তৈরি করে সরকার পতন ঘটানো। এটি স্পষ্টতই একটি যুদ্ধাপরাধ। অন্যান্য শীর্ষ মার্কিন রাজনীতিকরাও ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ডেমোক্র্যাট সিনেটর চাক শুমার ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘উন্মাদের প্রলাপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রবীণ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স তাকে বলেছেন ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’। কংগ্রেসওম্যান ইয়াসমিন আনসারি ট্রাম্পকে ‘ভয়ংকর পাগল’ উল্লেখ করে তাকে যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো বিশ্বের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ বলে মন্তব্য করেছেন

খুঁজুন