তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ১১ দিন পরও
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। নিহতের সংখ্যা ৪২ হাজার ছাড়িয়েছে।
আহত লাখেরও বেশি মানুষ।
বৃহস্পতিবার
(১৬ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ হাজার ৯৮৭
জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে তুরস্কের ৩৬ হাজার ১৮৭ এবং সিরিয়ায় ৫ হাজার
৮০০ জন। তবে জাতিসংঘের ধারণা নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।২২৮
ঘণ্টা পর দুই সন্তানসহ মা জীবিত উদ্ধার
ভূমিকম্পে
বিধ্বস্ত তুরস্কে ২২৮ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই সন্তানসহ এক মাকে জীবিত
উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকারীরা।
কাতারভিত্তিক
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুধবার দুই সন্তান ও মাকে উদ্ধার
করা হয়েছে আন্তাকিয়া শহর থেকে।
গত
৬ ফেব্রুয়ারি ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প এবং এর পরবর্তী আফটারশকে শহরটির অনেক ভবন
ধসে পড়ে।
তুরস্কের
বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত
ওই মায়ের নাম এলা। আর তার দুই সন্তানের নাম মিসাম এবং আলী। ভূমিকম্প আঘাত হানার
প্রায় ১০ দিন পর তাদের নিজ অ্যাপার্টমেন্টের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।
এর
আগে বুধবার তুরস্কের কাহরামানমারাস নামক শহর থেকে ২২২ ঘণ্টা পর ৪২ বছর বয়সী এক
নারীকে উদ্ধার করা হয়। ওই একই শহর থেকে পরবর্তীতে ৭৪ বছর বয়সী এক নারীকে
ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।৯
দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ৫ নারী ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার
তুরস্কে
ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৯ দিন পর তিন নারী ও দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
কাহরামানমারাসে ৪২ বছর বয়সী মেলিকে ইমামোগ্লু ও ৭৪ বছর বয়সী জেমিল কেকেজকে উদ্ধার
করা হয়। অন্য তুর্কি শহর আন্তাকিয়াতে উদ্ধার করা হয়েছে এক মা ও তার দুই সন্তানকে।
বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
তুরস্কে
এই শতাব্দীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগটির ১০ম দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার জীবিতদের উদ্ধার করা হলেও উদ্ধারকর্মীরা এখন ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করাতে
মনোযোগী।
সিরিয়া
ও তুরস্কে লাখো মানুষ অস্থায়ী তাঁবুতে জীবনযাপন করছেন এবং তাদের মানবিক ত্রাণ
সহযোগিতা প্রয়োজন।
দারিকার
মেয়র মুজাফের বিয়িকের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, জেমিল কেকেজকে উদ্ধারের পর উদ্ধারকর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ
করছেন। তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
স্থানীয়
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যখন
উদ্ধারকর্মীরা ৪২ বছর বয়সী ইমামোগ্লুর সন্ধান পান তখন তারা তাকে বলেছেন তিনি
দারুণ।
ভূমিকম্পের
পরপরই বিদেশি উদ্ধারকর্মীরা তুরস্কে পৌঁছেছিলেন। তারা এখন নিজ নিজ দেশে ফেরত যেতে
শুরু করেছেন। স্থানীয়রা জীবিতদের উদ্ধারের আশা বাদ দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরাতে ব্যস্ত
হতে শুরু করেছেন।
তুর্কি
সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভব হলে নিজেদের বাড়িতে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। অবশ্য
এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ বাড়িটি নিরাপদ বলে ঘোষণা করলেই কেবল তারা ফিরতে পারবেন।
এদিকে, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ২৫ হাজারের
বেশি ভবন ধসে পড়েছে। ভূমিকম্পের ১১তম দিনেও চলছে উদ্ধার তৎপরতা। অলৌকিকভাবে এখনও
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত প্রাণ খুঁজে পাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা বলেছে,
ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ২
কোটি ৬০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর
আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে সিরিয়া এবং তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী
ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পর ফের ৬ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প হয়।
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প নিহত ৪২ হাজার ছাড়ালো
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প নিহত ৪২ হাজার ছাড়ালো
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ১১ দিন পরও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। নিহতের সংখ্যা ৪২ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত লাখেরও বেশি মানুষ।বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ হাজার ৯৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে তুরস্কের ৩৬ হাজার ১৮৭ এবং সিরিয়ায় ৫ হাজার ৮০০ জন। তবে জাতিসংঘের ধারণা নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।২২৮ ঘণ্টা পর দুই সন্তানসহ মা জীবিত উদ্ধারভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্কে ২২৮ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই সন্তানসহ এক মাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকারীরা।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুধবার দুই সন্তান ও মাকে উদ্ধার করা হয়েছে আন্তাকিয়া শহর থেকে।গত ৬ ফেব্রুয়ারি ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প এবং এর পরবর্তী আফটারশকে শহরটির অনেক ভবন ধসে পড়ে।তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ওই মায়ের নাম এলা। আর তার দুই সন্তানের নাম মিসাম এবং আলী। ভূমিকম্প আঘাত হানার প্রায় ১০ দিন পর তাদের নিজ অ্যাপার্টমেন্টের
নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।এর আগে বুধবার তুরস্কের কাহরামানমারাস নামক শহর থেকে ২২২ ঘণ্টা পর ৪২ বছর বয়সী এক নারীকে উদ্ধার করা হয়। ওই একই শহর থেকে পরবর্তীতে ৭৪ বছর বয়সী এক নারীকে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।৯ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ৫ নারী ও শিশুকে জীবিত উদ্ধারতুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৯ দিন পর তিন নারী ও দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কাহরামানমারাসে ৪২ বছর বয়সী মেলিকে ইমামোগ্লু ও ৭৪ বছর বয়সী জেমিল কেকেজকে উদ্ধার করা হয়। অন্য তুর্কি শহর আন্তাকিয়াতে উদ্ধার করা হয়েছে এক মা ও তার দুই সন্তানকে। বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।তুরস্কে এই শতাব্দীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগটির ১০ম দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বুধবার জীবিতদের উদ্ধার করা হলেও উদ্ধারকর্মীরা এখন ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করাতে মনোযোগী।সিরিয়া ও তুরস্কে লাখো মানুষ অস্থায়ী তাঁবুতে জীবনযাপন করছেন এবং তাদের মানবিক ত্রাণ সহযোগিতা প্রয়োজন।দারিকার মেয়র মুজাফের বিয়িকের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, জেমিল কেকেজকে উদ্ধারের পর উদ্ধারকর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ
করছেন। তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যখন উদ্ধারকর্মীরা ৪২ বছর বয়সী ইমামোগ্লুর সন্ধান পান তখন তারা তাকে বলেছেন তিনি দারুণ।ভূমিকম্পের পরপরই বিদেশি উদ্ধারকর্মীরা তুরস্কে পৌঁছেছিলেন। তারা এখন নিজ নিজ দেশে ফেরত যেতে শুরু করেছেন। স্থানীয়রা জীবিতদের উদ্ধারের আশা বাদ দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরাতে ব্যস্ত হতে শুরু করেছেন।তুর্কি সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভব হলে নিজেদের বাড়িতে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। অবশ্য এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ বাড়িটি নিরাপদ বলে ঘোষণা করলেই কেবল তারা ফিরতে পারবেন।এদিকে, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ২৫ হাজারের বেশি ভবন ধসে পড়েছে। ভূমিকম্পের ১১তম দিনেও চলছে উদ্ধার তৎপরতা। অলৌকিকভাবে এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত প্রাণ খুঁজে পাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে সিরিয়া এবং তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পর ফের ৬ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত