রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জাতীয় উপকূলে আতঙ্ক, প্রস্তুত আশ্রয়কেন্দ্র

উপকূলে আতঙ্ক, প্রস্তুত আশ্রয়কেন্দ্র

ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মোংলায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে।  এদিকে এই বিপদ সংকেতে মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠা-নামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ের কারণে গাড়িসহ পাঁচটি বাণিজ্যিক জাহাজ এই বন্দরে ঢুকতে পারেনি। এছাড়া পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পরও তিনটি জাহাজ বন্দর ত্যাগ করতে পারেনি। চরম আতঙ্কে রয়েছে মোংলাসহ সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষ। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে সেখানে জোয়ারের উচ্চতা ছাপিয়ে মোংলা ও পশুর নদীতে পানি বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত ফুট।

এদিকে সাগর উত্তাল থাকার পাশাপাশি সোমবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টি ঝড়ায় নতুন করে উপকূলের জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সিপিপির মোংলা উপজেলার টিম লিডার মাহমুদ হাসান বলেন, সাত বিপদ সংকেত জারির পর উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় তারা দুটি সিগনাল পতাকা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ঝড় মোকাবিলা ও করণীয় দায়িত্ব পালনে তাদের ১৩২০ জন স্বেচ্ছাসেবক কর্মী মাঠে কাজ শুরু করেছেন।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন শাহীন মজিদ বলেন, সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি হওয়ার পর তারা জরুরি সভা করে বন্দরের নিজস্ব এলার্ট-থ্রি জারি করেছেন। এছাড়া রবিবার রাত থেকে বন্দরে অবস্থানরত ১৩টি বাণিজ্যিক জাহাজের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা রাখা হয়েছে। ঝড়ের কারণে সার, কয়লা ও গাড়িসহ পাঁচটি জাহাজ এই বন্দরে ঢুকতে পারেনি। এছাড়া পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পরও তিনটি জাহাজ বন্দর ত্যাগ করতে পারেনি বলেও জানান তিনি।

উপকূলে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে একই দিনে সূর্যগ্রহণের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ফুট পানি বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।  এজন্য উপকূলের জনপদকে সতর্ক হতে বলা হয়েছে।

খুঁজুন