ভাগিনার সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছরের প্রেম মামির, পরে তা দৈহিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়। একাধিকবার ধরা খেয়ে শালিস বৈঠকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও তাদের যুগল প্রেম দমানো যায়নি, কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না ভাগিনা নুরুজ্জামানের (৪৫)। স্থানীয়দের হাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে বর্তমানে তিনি জেল-হাজতে রয়েছেন।
গ্রেপ্তার নুরুজ্জামান চন্দ্রপুর এলাকার নুরল হকের ছেলে এবং চন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুব দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেও জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের দেল্লারমোর এলাকায়।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় আদিতমারী থানায় নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়েরের পর নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম।
সারপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর আগে মামির সঙ্গে কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের আপেল মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। কিছুদিন পর মামির ওপর নজর পড়ে ভাগিনার। তাকে হাসিল করার জন্য কৌশলে মামাকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠায় নুরুজ্জামান। এরপর তার মামিকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তার প্রেমে পড়তে বাধ্য করান মামিকে। ভাগিনার ভয়ভীতির কারণে এক পর্যায়ে ভাগিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মামি। এরপর প্রতিদিন তার সঙ্গে রাত যাপন করতে থাকেন নুরুজ্জামান। বিষয়টি এলাকায় চাউর হলে একাধিকবার বিচার সালিসও হয়। কিন্তু তাদের এই সম্পর্ক চলতেই থাকে।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) মামি থাকার ঘরের মেঝেতে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেন এলাকাবাসী।
আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার পর নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সে আলোকে নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ভাগিনা মামিকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা
ভাগিনা মামিকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা
ভাগিনার সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছরের প্রেম মামির, পরে তা দৈহিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়। একাধিকবার ধরা খেয়ে শালিস বৈঠকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও তাদের যুগল প্রেম দমানো যায়নি, কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না ভাগিনা নুরুজ্জামানের (৪৫)। স্থানীয়দের হাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে বর্তমানে তিনি জেল-হাজতে রয়েছেন।গ্রেপ্তার নুরুজ্জামান চন্দ্রপুর এলাকার নুরল হকের ছেলে এবং চন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুব দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেও জানা গেছে।ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের দেল্লারমোর এলাকায়।বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় আদিতমারী থানায় নারী নির্যাতন আইনে
একটি মামলা দায়েরের পর নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম।সারপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর আগে মামির সঙ্গে কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের আপেল মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। কিছুদিন পর মামির ওপর নজর পড়ে ভাগিনার। তাকে হাসিল করার জন্য কৌশলে মামাকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠায় নুরুজ্জামান। এরপর তার মামিকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তার প্রেমে পড়তে বাধ্য করান মামিকে। ভাগিনার ভয়ভীতির কারণে
এক পর্যায়ে ভাগিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মামি। এরপর প্রতিদিন তার সঙ্গে রাত যাপন করতে থাকেন নুরুজ্জামান। বিষয়টি এলাকায় চাউর হলে একাধিকবার বিচার সালিসও হয়। কিন্তু তাদের এই সম্পর্ক চলতেই থাকে।বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) মামি থাকার ঘরের মেঝেতে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেন এলাকাবাসী।আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার পর নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সে আলোকে নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত