জেলবন্দি সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে নাম জড়াবে ভাবতে পারেননি জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ। ২০০ কোটি টাকা তহবিল তছরূপ-কাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন তিনি।
আদালতে জামিন আবেদনের শুনানি চলাকালীন ইডি অভিযোগ করে, জ্যাকুলিন তার মোবাইল ফোন থেকে সমস্ত তথ্য মুছে দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করেছেন। তদন্তে সহযোগিতা করছেন না তিনি, এমনও অভিযোগ ওঠে। তার পরই ইডির তরফে বলা হয়, অভিনেত্রী দেশ ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছিলেন এর মাঝেই। কিন্তু ‘লুক আউট’ নোটিশ জারি থাকায় সম্ভব হয়নি। আদালতে এই সংক্রান্ত যাবতীয় নথি পেশ করেছে ইডি।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন জ্যাকুলিন। আগস্ট মাসে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে তছরুপ মামলায় নাম জড়ানোর পর ইডি তলব করেছিল তাকে। শুধু তা-ই নয়, তার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অনেককেই থানায় হাজিরা দিতে ডেকেছিল দিল্লির আর্থিক অপরাধ দমন শাখা। সেখানে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্ত এগিয়ে নিয়ে চলেছে ইডি। তার মধ্যেই ৩৭ বছর বয়সী জ্যাকুলিনের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়।
ইডি যখন জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে মামলায় চার্জশিট দাখিল করে, তখন অভিযোগ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ইডির তদন্ত পদ্ধতি ‘বেঠিক’ এবং ‘অন্যের মদতপুষ্ট’ বলে পাল্টা অন্তর্বর্তী জামিনের জন্য দিল্লির একটি আদালতে আপিল করেছিলেন তিনি। সেই জামিন মঞ্জুর হয় শেষমেশ।
দিল্লি পুলিশের আর্থিক অপরাধ দমন শাখার স্পেশাল কমিশনার রবীন্দ্র যাদব সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন যে, প্রচুর ধনদৌলত থাকায় বলিউডের অভিনেত্রীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন সুকেশ। এই ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন জ্যাকুলিনও। সুকেশের কথায় নায়িকা এতটাই প্রভাবিত হন যে, তাকে বিশ্বাসও করতে শুরু করেন। সেই সূত্রেই সুকেশকে ‘কাছের মানুষ’ ভাবেন জ্যাকুলিন। তাকে বিয়ে করার কথাও ভেবেছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।
ভারত ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন জ্যাকলিন
ভারত ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন জ্যাকলিন
জেলবন্দি সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে নাম জড়াবে ভাবতে পারেননি জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ। ২০০ কোটি টাকা তহবিল তছরূপ-কাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন তিনি।আদালতে জামিন আবেদনের শুনানি চলাকালীন ইডি অভিযোগ করে, জ্যাকুলিন তার মোবাইল ফোন থেকে সমস্ত তথ্য মুছে দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করেছেন। তদন্তে সহযোগিতা করছেন না তিনি, এমনও অভিযোগ ওঠে। তার পরই ইডির তরফে বলা হয়, অভিনেত্রী দেশ ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছিলেন এর মাঝেই। কিন্তু ‘লুক আউট’ নোটিশ জারি থাকায় সম্ভব হয়নি। আদালতে এই সংক্রান্ত যাবতীয় নথি পেশ
করেছে ইডি।গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন জ্যাকুলিন। আগস্ট মাসে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে তছরুপ মামলায় নাম জড়ানোর পর ইডি তলব করেছিল তাকে। শুধু তা-ই নয়, তার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অনেককেই থানায় হাজিরা দিতে ডেকেছিল দিল্লির আর্থিক অপরাধ দমন শাখা। সেখানে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্ত এগিয়ে নিয়ে চলেছে ইডি। তার মধ্যেই ৩৭ বছর বয়সী জ্যাকুলিনের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়।ইডি যখন জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে মামলায় চার্জশিট দাখিল করে, তখন অভিযোগ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ইডির তদন্ত পদ্ধতি ‘বেঠিক’ এবং
‘অন্যের মদতপুষ্ট’ বলে পাল্টা অন্তর্বর্তী জামিনের জন্য দিল্লির একটি আদালতে আপিল করেছিলেন তিনি। সেই জামিন মঞ্জুর হয় শেষমেশ।দিল্লি পুলিশের আর্থিক অপরাধ দমন শাখার স্পেশাল কমিশনার রবীন্দ্র যাদব সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন যে, প্রচুর ধনদৌলত থাকায় বলিউডের অভিনেত্রীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন সুকেশ। এই ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন জ্যাকুলিনও। সুকেশের কথায় নায়িকা এতটাই প্রভাবিত হন যে, তাকে বিশ্বাসও করতে শুরু করেন। সেই সূত্রেই সুকেশকে ‘কাছের মানুষ’ ভাবেন জ্যাকুলিন। তাকে বিয়ে করার কথাও ভেবেছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত