লোকসানের আশঙ্কায় বন্ধ রাখার ২০
দিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। দেশের
বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমদানি শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টায়
ভারত থেকে পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক হিলি বন্দরের প্রবেশের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম
শুরু হয়।
সততা বাণিজ্যালয় নামের
একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব পেঁয়াজ আমদানি করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুটি
ট্রাকে ৩৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
আমদানিকারক
প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি মাহাবুব হোসেন বলেন, দেশের বাজারে হঠাৎ
করে দেশীয় পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি
শুরু হয়েছে। লোকসান হওয়ায় গেলো ২০ দিন ধরে আমদানি বন্ধ ছিল। যদি বাজারে ভারতীয়
পেঁয়াজের দাম পাওয়া যায় আমদানি অব্যাহতের পাশাপাশি ঈদের আগে আমদানি আরো বাড়বে।
উল্লেখ, অভ্যন্তরীণ
বাজারে সংকট দেখিয়ে ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। সেই নিষেধাজ্ঞা
গত ৪ মে তুলে নিয়ে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে দেশটি। ৪০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে গত ১৪ মে
পেঁয়াজ আমদানি করে লোকসানে পড়েন হিলি স্থলবন্দরের এক আমদানিকারক। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে
যায় পেঁয়াজ আমদানি। প্রতি টন পেঁয়াজ ৫৫০ মার্কিন ডলারে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে আর
প্রতি কেজিতে শুল্ক দিতে হচ্ছে প্রায় ৭ টাকার মতো।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
লোকসানের আশঙ্কায় বন্ধ রাখার ২০ দিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। দেশের বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমদানি শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ভারত থেকে পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক হিলি বন্দরের প্রবেশের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়।সততা বাণিজ্যালয় নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব পেঁয়াজ আমদানি করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুটি ট্রাকে ৩৩ টন
পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি মাহাবুব হোসেন বলেন, দেশের বাজারে হঠাৎ করে দেশীয় পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। লোকসান হওয়ায় গেলো ২০ দিন ধরে আমদানি বন্ধ ছিল। যদি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম পাওয়া যায় আমদানি অব্যাহতের পাশাপাশি ঈদের আগে আমদানি আরো বাড়বে। উল্লেখ, অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট দেখিয়ে ভারত সরকার পেঁয়াজ
রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। সেই নিষেধাজ্ঞা গত ৪ মে তুলে নিয়ে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে দেশটি। ৪০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে গত ১৪ মে পেঁয়াজ আমদানি করে লোকসানে পড়েন হিলি স্থলবন্দরের এক আমদানিকারক। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় পেঁয়াজ আমদানি। প্রতি টন পেঁয়াজ ৫৫০ মার্কিন ডলারে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে আর প্রতি কেজিতে শুল্ক দিতে হচ্ছে প্রায় ৭ টাকার মতো।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত