সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা, চিকেন নেকের কাছাকছি চীনের উপস্থিতির আশঙ্কা এবং দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডোরে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
শিলিগুড়ির সেন্ট্রাল আইবি কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক নিরাপত্তা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করিডোরটির নিরাপত্তা পরিকাঠামো নতুন করে খতিয়ে দেখতেই এই বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। খবর ইটিভি ভারতের।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— ভারতের চার সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপি ও আসাম রাইফেলসের কর্মকর্তারা। ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা দপ্তরের কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া, আর্মি ইন্টেলিজেন্স, কেন্দ্রীয় রেল পুলিশ আরপিএফ এবং রাজ্য রেল পুলিশ জিআরপিও, সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ, বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন বা বিআরও, কেন্দ্রীয় সড়ক দপ্তর, এশিয়ান হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
অত্যন্ত সংবেদনশীল এই বৈঠকের বিষয়ে কোনো রকম প্রেস বিবৃতি জারি করা না হলেও সূত্র জানায়, বৈঠকে চিকেন নেক করিডোরে নজরদারি আরও কঠোর করা, সীমান্ত এলাকায় দ্বিগুণ তৎপরতা চালানো এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং সে অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উত্তর-পূর্ব ভারতকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা এই করিডোরে যেন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে না পারে, সেদিকেই এখন কড়া নজর রাখছে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
ভারতের চিকেন নেকে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা
ভারতের চিকেন নেকে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা
সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা, চিকেন নেকের কাছাকছি চীনের উপস্থিতির আশঙ্কা এবং দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডোরে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।শিলিগুড়ির সেন্ট্রাল আইবি কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক নিরাপত্তা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করিডোরটির নিরাপত্তা পরিকাঠামো নতুন করে খতিয়ে দেখতেই এই বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। খবর ইটিভি ভারতের।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— ভারতের চার সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ, এসএসবি,
আইটিবিপি ও আসাম রাইফেলসের কর্মকর্তারা। ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা দপ্তরের কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।এছাড়া, আর্মি ইন্টেলিজেন্স, কেন্দ্রীয় রেল পুলিশ আরপিএফ এবং রাজ্য রেল পুলিশ জিআরপিও, সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ, বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন বা বিআরও, কেন্দ্রীয় সড়ক দপ্তর, এশিয়ান হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে খবর পাওয়া গেছে।অত্যন্ত সংবেদনশীল এই
বৈঠকের বিষয়ে কোনো রকম প্রেস বিবৃতি জারি করা না হলেও সূত্র জানায়, বৈঠকে চিকেন নেক করিডোরে নজরদারি আরও কঠোর করা, সীমান্ত এলাকায় দ্বিগুণ তৎপরতা চালানো এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং সে অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।উত্তর-পূর্ব ভারতকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা এই করিডোরে যেন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে না পারে, সেদিকেই এখন কড়া নজর রাখছে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত