ইতালির ডানপন্থী দল লেগা নর্দ-এর বিতর্কিত রাজনীতিক ও সাবেক মেয়র আন্না মারিয়া চিসিন্ত (Anna Maria Cisint) শনিবার সকালে ভেনিসের মসজিদুল ইত্তেহাদের সামনে মুসলিম বিরোধী একটি ছোট সমাবেশ করেন। সেখানে তিনি ইতালিতে মসজিদ নির্মাণ ও মুসলিমদের ধর্মীয় কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তৃতা করেন।
প্রায় অর্ধশত সমর্থক নিয়ে আন্না মারিয়া মসজিদের সামনে অবস্থান নেন। উল্লেখ্য, প্রায় ছয় মাস আগে প্রশাসনের নির্দেশে বৈষম্যমূলক একটি আইনের ভিত্তিতে মসজিদটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
আন্না মারিয়া বলেন, অভিবাসী মুসলমানরা ইতালির সংস্কৃতি ধ্বংস করছে। তারা শহরগুলোকে ইসলামাইজ করার চেষ্টা করছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
তিনি বাংলাদেশি অভিবাসীদের উল্লেখ করে বলেন, তারা ইতালিতে উপার্জিত অর্থ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়, ফলে ইতালির অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সমাবেশ চলাকালে আন্না মারিয়া ফুটপাথ দখল করে বক্তব্য দেন এবং নিজের গাড়ি পথচারীদের চলাচলের জায়গায় পার্ক করেন, যা স্থানীয় আইনের লঙ্ঘন। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
একজন পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি আইন ও শৃঙ্খলার কথা বলেন, অথচ নিজেই ফুটপাথে গাড়ি রেখে আইন ভাঙছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্না মারিয়ার এই পদক্ষেপ সরাসরি উস্কানিমূলক। তিনি অন্য শহরের মেয়র হয়ে ভেনিসে এসে স্থানীয় নাগরিক ও মুসলিম অভিবাসীদের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করেছেন। তাদের মতে, সমাবেশ করতে হলে শহরের কোনো খোলা চত্বরে করা যেতো, কিন্তু মসজিদের সামনে গিয়ে ঘৃণার বার্তা ছড়ানো ইচ্ছাকৃত উস্কানি, যা ইতালির সামাজিক সম্প্রীতির জন্য বিপজ্জনক।
ইতালিয় রাজনীতি বিশ্লেষক মারকো লোম্বারদি বলেন, আন্না মারিয়া ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান। মুসলিম বিরোধী বক্তব্য দিয়ে তিনি ডানপন্থী ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তার দল লেগা নর্দ ঐতিহাসিক ভাবে অভিবাসী ও মুসলিম বিরোধী মনোভাবকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।
মনফালকনের মেয়র থাকাকালে আন্না মারিয়া ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মসজিদ বন্ধের নির্দেশ দেন এবং বুরকিনি নিষিদ্ধ করেন। এসব পদক্ষেপের কারণে তিনি দেশ-বিদেশে সমালোচিত হন।
ভেনিসের মুসলিম সম্প্রদায় তার বক্তব্যকে সংস্কৃতি ও ধর্মবিরোধী উস্কানি বলে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, আজ তিনি মসজিদ বন্ধের দাবি করছেন, কাল হয়তো ভোটের আশায় মুসলিমদের আরো ভয়ঙ্কর ভাবে টার্গেট করবেন। এটি নৈতিক দেউলিয়াত্বের উদাহরণ এবং বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
ভেনিসের মুসলিম কমিউনিটি নেতারা ইতালির সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করে বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ইতালির সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
ভেনিসে আন্না মারিয়ার এই মুসলিম বিরোধী সমাবেশ শুধু ঘৃণা ছড়ানোর উদাহরণ নয়, এটি একটি রাজনৈতিক অপকৌশল, আইন লঙ্ঘন ও মানবাধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ডের বাস্তব দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। যা ইতালির মানবিক ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতের জন্য লজ্জাজনক।
প্রায় অর্ধশত সমর্থক নিয়ে আন্না মারিয়া মসজিদের সামনে অবস্থান নেন। উল্লেখ্য, প্রায় ছয় মাস আগে প্রশাসনের নির্দেশে বৈষম্যমূলক একটি আইনের ভিত্তিতে মসজিদটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
আন্না মারিয়া বলেন, অভিবাসী মুসলমানরা ইতালির সংস্কৃতি ধ্বংস করছে। তারা শহরগুলোকে ইসলামাইজ করার চেষ্টা করছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
তিনি বাংলাদেশি অভিবাসীদের উল্লেখ করে বলেন, তারা ইতালিতে উপার্জিত অর্থ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়, ফলে ইতালির অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সমাবেশ চলাকালে আন্না মারিয়া ফুটপাথ দখল করে বক্তব্য দেন এবং নিজের গাড়ি পথচারীদের চলাচলের জায়গায় পার্ক করেন, যা স্থানীয় আইনের লঙ্ঘন। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
একজন পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি আইন ও শৃঙ্খলার কথা বলেন, অথচ নিজেই ফুটপাথে গাড়ি রেখে আইন ভাঙছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্না মারিয়ার এই পদক্ষেপ সরাসরি উস্কানিমূলক। তিনি অন্য শহরের মেয়র হয়ে ভেনিসে এসে স্থানীয় নাগরিক ও মুসলিম অভিবাসীদের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করেছেন। তাদের মতে, সমাবেশ করতে হলে শহরের কোনো খোলা চত্বরে করা যেতো, কিন্তু মসজিদের সামনে গিয়ে ঘৃণার বার্তা ছড়ানো ইচ্ছাকৃত উস্কানি, যা ইতালির সামাজিক সম্প্রীতির জন্য বিপজ্জনক।
ইতালিয় রাজনীতি বিশ্লেষক মারকো লোম্বারদি বলেন, আন্না মারিয়া ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান। মুসলিম বিরোধী বক্তব্য দিয়ে তিনি ডানপন্থী ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তার দল লেগা নর্দ ঐতিহাসিক ভাবে অভিবাসী ও মুসলিম বিরোধী মনোভাবকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।
মনফালকনের মেয়র থাকাকালে আন্না মারিয়া ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মসজিদ বন্ধের নির্দেশ দেন এবং বুরকিনি নিষিদ্ধ করেন। এসব পদক্ষেপের কারণে তিনি দেশ-বিদেশে সমালোচিত হন।
ভেনিসের মুসলিম সম্প্রদায় তার বক্তব্যকে সংস্কৃতি ও ধর্মবিরোধী উস্কানি বলে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, আজ তিনি মসজিদ বন্ধের দাবি করছেন, কাল হয়তো ভোটের আশায় মুসলিমদের আরো ভয়ঙ্কর ভাবে টার্গেট করবেন। এটি নৈতিক দেউলিয়াত্বের উদাহরণ এবং বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
ভেনিসের মুসলিম কমিউনিটি নেতারা ইতালির সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করে বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ইতালির সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
ভেনিসে আন্না মারিয়ার এই মুসলিম বিরোধী সমাবেশ শুধু ঘৃণা ছড়ানোর উদাহরণ নয়, এটি একটি রাজনৈতিক অপকৌশল, আইন লঙ্ঘন ও মানবাধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ডের বাস্তব দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। যা ইতালির মানবিক ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতের জন্য লজ্জাজনক।