আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রাখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হলে ভোটারদের নিবন্ধন করতে হবে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে। ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন অ্যাপটি উদ্বোধন করেন।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামীকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি–এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালীম আহমাদ খান জানান, ১৯ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত পূর্ব এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলের ৫০ দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
এরপর ২৪ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে উত্তর আমেরিকার ১৪টি দেশ ও ওশেনিয়া অঞ্চলেনর দুটি দেশে এবং ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ইউরোপের ৪২টি দেশে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবের প্রবাসীদের জন্য ৪ ডিনসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররা ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।
মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব বাদে বাকি ১৪টি দেশের প্রবাসীরা ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।
প্রকল্পের টিম লিডার আরও জানান, বাংলাদেশের ভেতরে যারা পোস্টাল ভোটিংয়ে অংশ নেবেন—যেমন ভোটের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী ও আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার—তাদের ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে প্রবাসে কেউ বাকি থাকলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং নির্বাচনটি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে প্রবাসে ব্যালট পেপার পাঠানোর পর তা যেন ১৬ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছায়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ইসি।
যেভাবে নিবন্ধন করবেন
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য প্রবাসীদের গুগল প্লে স্টোর বা আইফোনের অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Postal Vote BD’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর লগইন করে অ্যাকাউন্ট তৈরির সময় মোবাইল নম্বর দিতে হবে। মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) দিয়ে নম্বর নিশ্চিত করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে নিয়ে সেলফি তোলা এবং আলাদাভাবে এনআইডির ছবি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। পাসপোর্ট থাকলে তার ছবিও দিতে হবে। সবশেষে বিদেশে বর্তমান ঠিকানার তথ্য দিলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সিস্টেম থেকে তথ্য যাচাই শেষে অ্যাপে ‘আপনি এখন নিবন্ধিত’ বার্তা দেখা যাবে। এরপর অপেক্ষা থাকবে কেবল ব্যালট পেপারের জন্য।
ইসির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিবন্ধন শেষে তথ্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যাবে। তাদের মাধ্যমে পৃথক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ে ভোটারের ঠিকানায় তিন খামের ভেতর ব্যালট পাঠানো হবে। একটি খামের ভেতরে থাকবে ব্যালট পেপার, আরেকটিতে আসন নম্বর ও রিটার্নিং কর্মকর্তার ঠিকানা উল্লেখ থাকবে। ভোটার ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে দ্বিতীয় খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট বক্সে জমা দিলেই ভোটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
আরেক ধাপে বলা হয়েছে, খাম পাওয়ার পর ভোটারকে অ্যাপে লগইন করে মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করতে হবে, নিজের ছবি তুলতে হবে এবং খামের ওপর থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। এতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর আসনের সব প্রার্থীর নাম দেখা যাবে। এরপর খাম খুলে ব্যালটে ভোট দিয়ে একটি ঘোষণাপত্রে সই করতে হবে। ব্যালট খামে ভরে তা নিকটস্থ পোস্ট অফিসে জমা দিলেই ভোট সম্পন্ন হবে।
ভোট দিতে হলে ৫ দিনে নিবন্ধিত হতে হবে প্রবাসীদের
ভোট দিতে হলে ৫ দিনে নিবন্ধিত হতে হবে প্রবাসীদের
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রাখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হলে ভোটারদের নিবন্ধন করতে হবে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে। ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন অ্যাপটি উদ্বোধন করেন।নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামীকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি–এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালীম আহমাদ খান জানান, ১৯ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত পূর্ব এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলের ৫০ দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।এরপর ২৪ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে উত্তর আমেরিকার ১৪টি দেশ ও ওশেনিয়া অঞ্চলেনর দুটি দেশে এবং ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ইউরোপের ৪২টি দেশে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবের প্রবাসীদের জন্য ৪ ডিনসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররা ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করতে
পারবেন।মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব বাদে বাকি ১৪টি দেশের প্রবাসীরা ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।প্রকল্পের টিম লিডার আরও জানান, বাংলাদেশের ভেতরে যারা পোস্টাল ভোটিংয়ে অংশ নেবেন—যেমন ভোটের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী ও আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার—তাদের ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে প্রবাসে কেউ বাকি থাকলে তাদেরও সুযোগ দেওয়া হতে পারে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং নির্বাচনটি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।অঞ্চলভিত্তিক নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে প্রবাসে ব্যালট পেপার পাঠানোর পর তা যেন ১৬ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছায়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ইসি।যেভাবে নিবন্ধন করবেনইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য প্রবাসীদের গুগল প্লে স্টোর বা আইফোনের অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Postal Vote BD’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর লগইন করে অ্যাকাউন্ট তৈরির সময় মোবাইল নম্বর দিতে হবে। মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) দিয়ে নম্বর নিশ্চিত করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে নিয়ে সেলফি তোলা এবং আলাদাভাবে এনআইডির ছবি জমা দেওয়া
বাধ্যতামূলক। পাসপোর্ট থাকলে তার ছবিও দিতে হবে। সবশেষে বিদেশে বর্তমান ঠিকানার তথ্য দিলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সিস্টেম থেকে তথ্য যাচাই শেষে অ্যাপে ‘আপনি এখন নিবন্ধিত’ বার্তা দেখা যাবে। এরপর অপেক্ষা থাকবে কেবল ব্যালট পেপারের জন্য।ইসির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিবন্ধন শেষে তথ্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যাবে। তাদের মাধ্যমে পৃথক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ে ভোটারের ঠিকানায় তিন খামের ভেতর ব্যালট পাঠানো হবে। একটি খামের ভেতরে থাকবে ব্যালট পেপার, আরেকটিতে আসন নম্বর ও রিটার্নিং কর্মকর্তার ঠিকানা উল্লেখ থাকবে। ভোটার ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে দ্বিতীয় খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট বক্সে জমা দিলেই ভোটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।আরেক ধাপে বলা হয়েছে, খাম পাওয়ার পর ভোটারকে অ্যাপে লগইন করে মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করতে হবে, নিজের ছবি তুলতে হবে এবং খামের ওপর থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। এতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর আসনের সব প্রার্থীর নাম দেখা যাবে। এরপর খাম খুলে ব্যালটে ভোট দিয়ে একটি ঘোষণাপত্রে সই করতে হবে। ব্যালট খামে ভরে তা নিকটস্থ পোস্ট অফিসে জমা দিলেই ভোট সম্পন্ন হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত