ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় চলতি
বছর এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগরে ডুবে নিহত বা
নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এই তথ্য
জানিয়েছে।
ইউএনএইচসিআরের
নিউইয়র্ক কার্যালয়ের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, ‘চলতি
বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত বা
নিখোঁজ হয়েছেন। শুধু ভূমধ্যসাগর নয়, অনেকে সমতলেও প্রাণ হারিয়েছেন।’
গত বছরের এ সময় পর্যন্ত মৃত ও নিখোঁজ হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার
৬৮০ জন।
মেনিকদিওয়েলা আরো বলেছেন,
অভিবাসী ও শরণার্থীরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের
ঝুঁকিতে থাকেন।
ইউএনএইচসিআরের
তথ্য বলছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার মানুষ
ইতিমধ্যে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলীয় ইতালি, স্পেন,
সাইপ্রাস ও মাল্টায় পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি
মানুষ ইতালি পৌঁছেছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩
শতাংশ বেশি।
ধারণা
করা হচ্ছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে তিউনিসিয়া থেকে ১ লাখ ২ হাজারের
বেশি এবং লিবিয়া থেকে ৪৫ হাজার শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর পাড়ি
দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এর মধ্যে তিউনিসিয়ায় ৩১ হাজার ও লিবিয়ায় ১০ হাজার ৬০০ জন
অভিবাসনপ্রত্যাশীকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে আটক বা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভূমধ্যসাগরে ২৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ
ভূমধ্যসাগরে ২৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ
ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় চলতি বছর এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগরে ডুবে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এই তথ্য জানিয়েছে।ইউএনএইচসিআরের নিউইয়র্ক কার্যালয়ের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, ‘চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। শুধু ভূমধ্যসাগর নয়, অনেকে সমতলেও প্রাণ হারিয়েছেন।’ গত বছরের এ সময়
পর্যন্ত মৃত ও নিখোঁজ হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬৮০ জন। মেনিকদিওয়েলা আরো বলেছেন, অভিবাসী ও শরণার্থীরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে থাকেন।ইউএনএইচসিআরের তথ্য বলছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার মানুষ ইতিমধ্যে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলীয় ইতালি, স্পেন, সাইপ্রাস ও মাল্টায় পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ইতালি পৌঁছেছেন,
যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে তিউনিসিয়া থেকে ১ লাখ ২ হাজারের বেশি এবং লিবিয়া থেকে ৪৫ হাজার শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এর মধ্যে তিউনিসিয়ায় ৩১ হাজার ও লিবিয়ায় ১০ হাজার ৬০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে আটক বা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত