অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের
চেষ্টাকালে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত
দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আল জাজিরা জানায়, উত্তর আফ্রিকার
তিউনিসিয়া ও পশ্চিম সাহারার উপকূলের কাছাকাছি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। তাদের গন্তব্য
ছিল অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ করা। রোববারের (৬ আগস্ট) এ দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জনের
মৃত্যু হয়েছে। নৌযানটিতে মোট ৫৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার
করা গেছে। তারা সবাই সাব-সাহারা আফ্রিকার বাসিন্দা।
তিউনিসিয়ার
স্ফ্যাক্সের আদালতের মুখপাত্র ফাওজি মাসমুদি জানান, নিখোঁজদের সন্ধানে এখনও উদ্ধার
তৎপরতা চালছে। তবে কাউকে আর জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সাম্প্রতিক
সময়ে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকাডুবে অনেক মানুষের মৃত্যু
হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশটি তার উপকূলে ডুবে যাওয়া
অভিবাসীদের ৯০১টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তবুও তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ইতালির
দিকে যাওয়ার চেষ্টা অনেক বেড়েছে।
সাব-সাহারান
আফ্রিকার দেশগুলোর বহু মানুষ দারিদ্য ও সংঘাতময় জীবন থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত
জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের জন্য তিউনিসিয়ার
উপকূলরেখা প্রধান এক্সিট পয়েন্ট হয়ে উঠেছে।
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১৬ জনের মৃত্যু
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১৬ জনের মৃত্যু
অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকালে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আল জাজিরা জানায়, উত্তর আফ্রিকার তিউনিসিয়া ও পশ্চিম সাহারার উপকূলের কাছাকাছি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। তাদের গন্তব্য ছিল অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ করা। রোববারের (৬ আগস্ট) এ দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬
জনের মৃত্যু হয়েছে। নৌযানটিতে মোট ৫৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। তারা সবাই সাব-সাহারা আফ্রিকার বাসিন্দা।তিউনিসিয়ার স্ফ্যাক্সের আদালতের মুখপাত্র ফাওজি মাসমুদি জানান, নিখোঁজদের সন্ধানে এখনও উদ্ধার তৎপরতা চালছে। তবে কাউকে আর জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকাডুবে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি
থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশটি তার উপকূলে ডুবে যাওয়া অভিবাসীদের ৯০১টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তবুও তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ইতালির দিকে যাওয়ার চেষ্টা অনেক বেড়েছে।সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর বহু মানুষ দারিদ্য ও সংঘাতময় জীবন থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের জন্য তিউনিসিয়ার উপকূলরেখা প্রধান এক্সিট পয়েন্ট হয়ে উঠেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত