জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতি এক লাফে ৮ ছুঁই ছুঁই। দুই জার্মানি এক হওয়ার পর এই প্রথম মুদ্রাস্ফীতির হার এতটা বেড়েছে। চলতি মাসে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.৯-এ ঠেকেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিসংখ্যান বিষয়ক সংস্থা।
জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গেল এপ্রিলেও মুদ্রাস্ফীতি সাম্প্রতিক সময়ের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল বলে জানিয়েছে জার্মানির পরিসংখ্যান বিষয়ক সংস্থা ডিস্ট্যাট।
তবে মে মাসে এপ্রিলের চেয়েও এক দশমাংশ বেড়ে ৭.৯ ভাগ হওয়ায় পরিস্থিতি জার্মানির একত্রীকরণের পরের সব খারাপ সময়কেই পেছনে ফেলেছে। ডিস্ট্যাটের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বশেষ ১৯৭৩-৭৪-এর ভয়াবহ তেল সংকটের সময়েই শুধু এমন পরিস্থিতি দেখেছিল জার্মানি।
এত উচ্চ হারের মুদ্রাস্ফীতির জন্য ইউক্রেন যুদ্ধ এবং যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়াকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়ছে। ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়ছে দ্রুত। গত বছরের মে মাসের তুলনায় জার্মানিতে জ্বালানির দাম বেড়েছে ৩৮.৩ ভাগ, খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ১১ ভাগ।
এদিকে ভোক্তার ওপর থেকে দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপ কমাতে কিছু ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে জার্মান সরকার। জুন থেকে আগস্ট– এই তিন মাসের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে সস্তায় (নয় ইউরো) গণপরিবহনের টিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রলে গাড়ি চালকদের জন্য প্রতি লিটারে ২৯.৫৫ সেন্ট এবং ডিজেলে প্রতি লিটারে ১৪.০৪ সেন্ট মূল্যছাড় দেয়া হয়েছে।
দ্রব্যমূল্য এবং মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি অবশ্য প্রথমে করোনা মহামারি এবং তারপর ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে অনেক দেশেই হচ্ছে। জার্মানিসহ ইউরোপের প্রায় সব দেশের অর্থনীতিই জোড়া আঘাতে প্রভাবিত।
বছর শেষে এর প্রভাবে অর্থনীতি আরো বিপর্যস্ত হতে পারে, শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতিতে জার্মানি
ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতিতে জার্মানি
জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতি এক লাফে ৮ ছুঁই ছুঁই। দুই জার্মানি এক হওয়ার পর এই প্রথম মুদ্রাস্ফীতির হার এতটা বেড়েছে। চলতি মাসে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.৯-এ ঠেকেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিসংখ্যান বিষয়ক সংস্থা।জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গেল এপ্রিলেও মুদ্রাস্ফীতি সাম্প্রতিক সময়ের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল বলে জানিয়েছে জার্মানির পরিসংখ্যান বিষয়ক সংস্থা ডিস্ট্যাট।তবে মে মাসে এপ্রিলের চেয়েও এক দশমাংশ বেড়ে ৭.৯ ভাগ হওয়ায় পরিস্থিতি জার্মানির একত্রীকরণের পরের সব খারাপ সময়কেই পেছনে ফেলেছে। ডিস্ট্যাটের বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
সর্বশেষ ১৯৭৩-৭৪-এর ভয়াবহ তেল সংকটের সময়েই শুধু এমন পরিস্থিতি দেখেছিল জার্মানি।এত উচ্চ হারের মুদ্রাস্ফীতির জন্য ইউক্রেন যুদ্ধ এবং যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়াকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়ছে। ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়ছে দ্রুত। গত বছরের মে মাসের তুলনায় জার্মানিতে জ্বালানির দাম বেড়েছে ৩৮.৩ ভাগ, খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ১১ ভাগ।এদিকে ভোক্তার ওপর থেকে দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপ কমাতে কিছু ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে জার্মান সরকার।
জুন থেকে আগস্ট– এই তিন মাসের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে সস্তায় (নয় ইউরো) গণপরিবহনের টিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রলে গাড়ি চালকদের জন্য প্রতি লিটারে ২৯.৫৫ সেন্ট এবং ডিজেলে প্রতি লিটারে ১৪.০৪ সেন্ট মূল্যছাড় দেয়া হয়েছে।দ্রব্যমূল্য এবং মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি অবশ্য প্রথমে করোনা মহামারি এবং তারপর ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে অনেক দেশেই হচ্ছে। জার্মানিসহ ইউরোপের প্রায় সব দেশের অর্থনীতিই জোড়া আঘাতে প্রভাবিত।বছর শেষে এর প্রভাবে অর্থনীতি আরো বিপর্যস্ত হতে পারে, শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত