উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি :
রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ৪৫টি দোকান ও বসত ঘর পুরে ছাই হয়ে গেছে। আজ রবিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষনিক অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত সঠিক ভাবে কেউ দিতে পারেনি।
আগুন লাগার সাথে সাথে বাজারের চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ ও পুলিশ, সেনা বাহিনী আগুন নিভানোর আপ্রান চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়াই নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যায়। কিছু কিছু দোকানের মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ দোকান ও বসত ঘর পুরে যায়।
এদিকে সেনা বাহিনী জোন উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ এহতে শামুল হকের নেতৃত্বে ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিউল আজম নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়।
উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা ও জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা তাৎক্ষণিক পরির্দশন করেছেন।
এসময় সুরেশ কুমার চাকমাসহ স্থানীয়রা দাবী করেন, ফায়ার স্টেশন না তাকাই ক্ষয়ক্ষতি পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিতেন্দ্র কুমার নাথ ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিউল আজম জানান, উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে রাঙ্গামাটি থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম রওনা করেছে।
উল্লেখ্য, রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলাটি কাপ্তাই হ্রদ ঘিরে গড়ে উঠেছে এবং এই উপজেলাটি দূর্গম এলাকা। জেলা সদরের সাথে নৌ-পথেই একমাত্র যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। এই এলাকায় কোন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নেই
ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৪৫টি দোকান ও বসত ঘর পুড়ে ছাই
ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৪৫টি দোকান ও বসত ঘর পুড়ে ছাই
উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি :রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ৪৫টি দোকান ও বসত ঘর পুরে ছাই হয়ে গেছে। আজ রবিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষনিক অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত সঠিক ভাবে কেউ দিতে পারেনি।আগুন লাগার সাথে সাথে বাজারের চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ ও পুলিশ, সেনা বাহিনী আগুন নিভানোর আপ্রান চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়াই নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে
যায়। কিছু কিছু দোকানের মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ দোকান ও বসত ঘর পুরে যায়। এদিকে সেনা বাহিনী জোন উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ এহতে শামুল হকের নেতৃত্বে ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিউল আজম নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়।উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা ও জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা তাৎক্ষণিক পরির্দশন করেছেন। এসময় সুরেশ কুমার চাকমাসহ স্থানীয়রা দাবী করেন, ফায়ার স্টেশন না তাকাই
ক্ষয়ক্ষতি পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিতেন্দ্র কুমার নাথ ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিউল আজম জানান, উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে রাঙ্গামাটি থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম রওনা করেছে।উল্লেখ্য, রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলাটি কাপ্তাই হ্রদ ঘিরে গড়ে উঠেছে এবং এই উপজেলাটি দূর্গম এলাকা। জেলা সদরের সাথে নৌ-পথেই একমাত্র যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। এই এলাকায় কোন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নেই
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত