যৌথ নৌ-মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন-রাশিয়া। বুধবার থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত পূর্ব চীন সাগরে এ মহড়া চলবে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায় ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্স।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১২ সাল থেকে প্রতি বছর এ যৌথ নৌ-মহড়া হয়ে আসছে। এবার পূর্ব চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবর্ষণ করা হবে। তাদের দাবি, এ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো চীন-রাশিয়ার মধ্যে নৌ-সহযোগিতা জোরদার করা ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ভারিয়াগ ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার, মার্শাল শাপোশনিকভ ডেস্ট্রয়ার ও রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের দুটি কর্ভেট এ মহড়ায় অংশ নেবে। চীনের তরফ থেকে চারটি সারফেস ওয়ারশিপ ও একটি সাবমেরিন মহড়ায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া উভয় দেশের এয়ারক্রাফটগুলোও মহড়ায় নেবে।
যৌথ নৌ-মহড়া চালানোর ঘোষণা চীন-রাশিয়ার
যৌথ নৌ-মহড়া চালানোর ঘোষণা চীন-রাশিয়ার
যৌথ নৌ-মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন-রাশিয়া। বুধবার থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত পূর্ব চীন সাগরে এ মহড়া চলবে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায় ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্স।রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১২ সাল থেকে প্রতি বছর
এ যৌথ নৌ-মহড়া হয়ে আসছে। এবার পূর্ব চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবর্ষণ করা হবে। তাদের দাবি, এ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো চীন-রাশিয়ার মধ্যে নৌ-সহযোগিতা জোরদার করা ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
জানায়, ভারিয়াগ ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার, মার্শাল শাপোশনিকভ ডেস্ট্রয়ার ও রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের দুটি কর্ভেট এ মহড়ায় অংশ নেবে। চীনের তরফ থেকে চারটি সারফেস ওয়ারশিপ ও একটি সাবমেরিন মহড়ায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া উভয় দেশের এয়ারক্রাফটগুলোও মহড়ায় নেবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত