গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে ক্রমেই সোচ্চার হয়ে উঠছে বিশ্ব বিবেক। বুধবার ইতালির জনগণ ইসরাইলি গণহত্যার বিরুদ্ধে শক্তিশালী আওয়াজ তুলেছে। রোম, মিলান, ভেনিস, ব্রেসিয়াসহ বড় শহরগুলোয় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছে ফিলিস্তিনের পক্ষে। নিরীহ শিশু ও নারীদের হত্যার বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে, প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে স্লোগান দিয়েছে- "ফ্রি প্যালেস্টাইন", "স্টপ দ্য জেনোসাইড"।
ভেনিসের ঐতিহাসিক রিয়ালতোয় অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, “এটি যুদ্ধ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। ফিলিস্তিনি জনগণকে নিশ্চিহ্ন করে গাজা দখলের চেষ্টা।”
সমাবেশে অংশ নেওয়া একজন ইতালীয় নারী বলেন, “আমি একজন মা। গাজায় যে শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে, তারা আমার সন্তানের মতো। আমি কিভাবে চুপ থাকতে পারি?”
সমাবেশ থেকে ইতালীয় সরকার ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়, গাজায় ইসরায়েলের মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বক্তারা বলেন, এ বর্বরতা থামাতে না পারা মানে মানবতার পরাজয়।
ইতালির টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর টকশোতেও এই ইস্যুটি কেন্দ্রীয় আলোচনায় পরিণত হয়েছে। রাজনীতি বিশ্লেষক, মানবাধিকারকর্মী, সাংস্কৃতিককর্মীসহ বহু মানুষ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কুৎসিত নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
বিক্ষোভকারীরা ঘোষণা দিয়েছেন- “যতদিন ফিলিস্তিন রক্তাক্ত থাকবে, ততদিন আমরা রাস্তায় থাকব।”
ভেনিসের ঐতিহাসিক রিয়ালতোয় অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, “এটি যুদ্ধ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। ফিলিস্তিনি জনগণকে নিশ্চিহ্ন করে গাজা দখলের চেষ্টা।”
সমাবেশে অংশ নেওয়া একজন ইতালীয় নারী বলেন, “আমি একজন মা। গাজায় যে শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে, তারা আমার সন্তানের মতো। আমি কিভাবে চুপ থাকতে পারি?”
সমাবেশ থেকে ইতালীয় সরকার ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়, গাজায় ইসরায়েলের মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বক্তারা বলেন, এ বর্বরতা থামাতে না পারা মানে মানবতার পরাজয়।
ইতালির টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর টকশোতেও এই ইস্যুটি কেন্দ্রীয় আলোচনায় পরিণত হয়েছে। রাজনীতি বিশ্লেষক, মানবাধিকারকর্মী, সাংস্কৃতিককর্মীসহ বহু মানুষ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কুৎসিত নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
বিক্ষোভকারীরা ঘোষণা দিয়েছেন- “যতদিন ফিলিস্তিন রক্তাক্ত থাকবে, ততদিন আমরা রাস্তায় থাকব।”