যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন শীতকালীন তুষারঝড়ে ৯ অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধু বাফেলো শহরেই মারা গেছেন ২৭ জন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের সমস্ত শীতের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ তুষারঝড় প্রত্যক্ষ করছে। ক্রমে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে আমেরিকার পরিস্থিতি। সাইক্লোন বোমার আঘাতে বিধ্বস্ত গোটা দেশ। এমনকি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশ প্রবল ঠান্ডায় প্রায় জমে গিয়েছে।
নিউইয়র্কের বাফেলোতে পরিস্থিতি আরো ভয়ঙ্কর। এবারের তুষারঝড়কে বাফেলোর ১৯৭৭ সালের ভয়াবহ তুষারঝড়ের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। সেখানে যানবাহনে এবং বরফের নিচে পাওয়া যাচ্ছে মরদেহ । জরুরি কর্মীরা গাড়ির পর গাড়িতে খোঁজ করে দেখছেন যে, সেসব স্থানে জীবিত বা মৃত কেউ আছে কি না।
নিউইয়র্ক রাজ্যের বাফেলো কাউন্টির নির্বাহী মার্ক পোলোনকার্জ জানিয়েছেন, তুষারঝড়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে । বাফেলোর বেশিরভাগ এলাকাসহ অধিকাংশ এলাকার রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি ।
বাফেলো ছাড়াও ওহাইও, মিসৌরি, কানসাস ও কলোরাডোতে ঝড়-ঠাণ্ডায় মৃত্যু হয়েছে । সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পড়েছে পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য মন্টানাতে। এখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে নেমে গেছে।
এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। বিদ্যুৎ পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে দেশটির কোনায় কোনায়। প্রায় ২ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীনভাবে বাস করছেন। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতির মাঝে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও কয়েক ইঞ্চি তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া অফিস।
এদিকে কানাডার ওপর দিয়ে বইছে তীব্র শীতকালীন ঝড়। এতে দেশটির অনেক স্থান বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে হাজার হাজার কানাডীয়কে অন্ধকার ও শীতের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। দেশটির কর্মীরা বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় স্থাপনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ভয়াবহ তুষার ঝড়
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ভয়াবহ তুষার ঝড়
যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন শীতকালীন তুষারঝড়ে ৯ অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধু বাফেলো শহরেই মারা গেছেন ২৭ জন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের সমস্ত শীতের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ তুষারঝড় প্রত্যক্ষ করছে। ক্রমে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে আমেরিকার পরিস্থিতি। সাইক্লোন বোমার আঘাতে বিধ্বস্ত গোটা দেশ। এমনকি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশ প্রবল ঠান্ডায় প্রায় জমে গিয়েছে।নিউইয়র্কের বাফেলোতে পরিস্থিতি আরো ভয়ঙ্কর। এবারের তুষারঝড়কে বাফেলোর ১৯৭৭ সালের ভয়াবহ তুষারঝড়ের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। সেখানে যানবাহনে এবং বরফের নিচে
পাওয়া যাচ্ছে মরদেহ । জরুরি কর্মীরা গাড়ির পর গাড়িতে খোঁজ করে দেখছেন যে, সেসব স্থানে জীবিত বা মৃত কেউ আছে কি না।নিউইয়র্ক রাজ্যের বাফেলো কাউন্টির নির্বাহী মার্ক পোলোনকার্জ জানিয়েছেন, তুষারঝড়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে । বাফেলোর বেশিরভাগ এলাকাসহ অধিকাংশ এলাকার রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি । বাফেলো ছাড়াও ওহাইও, মিসৌরি, কানসাস ও কলোরাডোতে ঝড়-ঠাণ্ডায় মৃত্যু হয়েছে । সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পড়েছে পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য মন্টানাতে। এখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে নেমে গেছে। এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল করতে
হয়েছে। বিদ্যুৎ পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে দেশটির কোনায় কোনায়। প্রায় ২ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীনভাবে বাস করছেন। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।আবহাওয়ার এই পরিস্থিতির মাঝে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও কয়েক ইঞ্চি তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া অফিস।এদিকে কানাডার ওপর দিয়ে বইছে তীব্র শীতকালীন ঝড়। এতে দেশটির অনেক স্থান বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে হাজার হাজার কানাডীয়কে অন্ধকার ও শীতের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। দেশটির কর্মীরা বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় স্থাপনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত