Logo
শিরোনাম

১০ বছরের অপেক্ষার প্রহর শেষে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

অনলাইন ডেস্ক:

এবারের আইপিএল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি আলো ছড়ানো দুই দলই গিয়েছে ফাইনালে। তবে সেই তুলনায় খুব একটা উত্তাপ ছড়ালো না টুর্নামেন্টের সতেরোতম আসরের ফাইনাল।


 মৌসুমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এসে পুরোদমে খেই হারিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। 


২০১৪ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।এবার প্রতিপক্ষের দুর্বলতার চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত ছিল কলকাতা। বোলিং-ব্যাটিং সবই আজ ছিল তাদেরই পক্ষে।


 একপেশে সেই ফাইনালে ৮ উইকেটের জয় কেকেআর শিবিরকে এনে দিল তাদের তৃতীয় আইপিএল শিরোপা। ২০১২ এবং ২০১৪ সালের পর আবার চ্যাম্পিয়ন হলো শাহরুখ খানের দল। 



ফাইনালে হায়দরাবাদের দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী কলকাতাকে খেলতে হলো মোটে ১০.৩ ওভার। ভেঙ্কেটশ আইয়ারের আগ্রাসী অর্ধশতক আর রহমানউল্লাহ গুরবাজের সময়োপযোগী ইনিংসে সহজেই লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যায় চন্দ্রকান্ত পন্ডিতের শিষ্যরা।


 গুরবাজ দলীয় ১০২ রানে আউট হলেও দলকে ঠিকই জয়ের কাছে রেখে এসেছেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ভেঙ্কেটশের সঙ্গে তার ৯১ রানের জুটি নিশ্চিত করেছে কলকাতার জয়। 


আর শেষটা করেছেন অধিনায়ক শ্রেয়াশ আইয়ার। ২৪ বলে ফিফটি করা ভেঙ্কেটশ অপরাজিত ছিলেন ৫২ রান করে। দলের জয়সূচক রানটাও এসেছে তারই ব্যাট থেকে।


১১৪ রানে প্রতিপক্ষকে থামাতে যেমন আগ্রাসী বোলিং দরকার ছিল, তার কিছুই দেখাতে পারেননি হায়দরাবাদের বোলাররা। ব্যাটিং ইউনিটের পর বোলিং ইউনিটও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বড় ম্যাচে এসে। ভুবেনেশ্বর, প্যাট কামিন্স কিংবা থাঙ্গারাসু নটরাজনের কেউই স্বস্তি পাননি বোলিংয়ে এসে।


 পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই কলকাতা স্কোরবোর্ডে তুলেছে অর্ধেকের বেশি রান। ১ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান তোলে ওই ছয় ওভারেই। জয়ের জন্য বাকি ১৪ ওভারে তাদের দরকার ছিল ৪২ রান। সেই রানটাও এসেছে অনায়াসে। ওভারপ্রতি ১০ এর কাছাকাছি রান তুলে নিশ্চিত করেছে নিজেদের তৃতীয় শিরোপা।  



অবশ্য কলকাতার জয়ের ভিত পুরোপুরি গড়ে দিয়েছিলেন বোলাররা। ফাইনালে এসেই যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। পুরো আসরেই নিজেদের ব্যাটিং দিয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের নাজেহাল করেছিল তারা।


 আর দেখতে হলো একেবারেই উল্টো এক চিত্র। এবারের আসরে যে দলটি দুবার দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিল, তারাই ফাইনালে কলকাতার পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। 


শুরটা করেছিলেন মিচেল স্টার্ক। পরে সেটাই ধরে রেখেছেন আন্দ্রে রাসেল-হার্ষিত রানারা। রাসেল পেয়েছেন তিন উইকেট, বাকি দুজন শিকার করেছেন দুটি করে। অধিনায়ক প্যাট কামিন্স শেষদিকের লড়াইয়ে দলকে কিছুটা হলেও বলার মতো পুঁজি এনে দিয়েছেন। তার ৩০ রানের ইনিংসে ভর করেই ১১৩ রান দাঁড় করিয়েছে হায়দরাবাদ। 


২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে মিচেল স্টার্ককে কেন কিনেছিল কলকাতা, সেটা বোধকরি আজ আবার প্রমাণ পেলো ক্রিকেট দুনিয়া। রোববারের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে একপ্রকার চালকের আসনেই বসিয়ে দিলেন এই অজি পেসার।


 পাওয়ারপ্লেতে কলকাতা তুলে নেয় তিন উইকেট।  এরপর মার্করাম এবং নীরিত রেড্ডী কিছুটা আশা দেখিয়েছেন। দুজনের কাছ থেকে কিছুটা চার-ছয় দেখেছেন দর্শকরা। 



কিন্তু দলীয় ৪৭ রানে তাদের জুটি ভাঙ্গেন হার্ষিত রানা। এবার তার কুইকার ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত নীতিশ। বল ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় উইকেটের পেছনে গুরবাজের হাতে। এইডেন মার্করাম ফাইনালে ২০ রানে ফিরে যান। মাঝে বরুণ চক্রবর্তীর বলে শাহবাজ আর রাসেলের বলে ইম্প্যাক্ট হিসেবে নামা আব্দুস সামাদ আউট হলে দলীয় ১০০ পার হওয়া নিয়েই শঙ্কায় পড়ে যায় হায়দরাবাদ। 


সেখান থেকে তাদের পথ দেখান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। জয়দেব উনাদকাটকে নিয়ে পার করেন দলীয় শতরান। 


তবে আইপিএলের ফাইনালে সবচেয়ে কম রানের পুঁজি নিয়ে এমন দলের বিপক্ষে শিরোপা জেতা ছিল প্রায় অসম্ভব। হায়দরাবাদও পারেনি। কলকাতা নাইট রাইডার্স ঠিকই তুলে নেয় ৯ উইকেটের সহজ এক জয়। 


আরও খবর



সবজির বাজারে উত্তাপ, কমেছে মুরগীর দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ক্রেতা সাধারণের চোখ এখন পশুর হাটের দিকে।



 সেই সুবাদে দীর্ঘদিন পর কমেছে মুরগীর দাম। দুইশ টাকার নিচে নেমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তাল মিলিয়ে দাম কমেছে অন্যান্য জাতের মুরগিরও। 


তবে সবজিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি রয়েছে আলু পেঁয়াজের দামে। শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।


বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহেও ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সোনালী পাকিস্তান জাতের মুরগি ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।



 লেয়ার মুরগি লাল ৩০০-৩২০ টাকা, সাদা ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার উপরে।


এদিকে আবারও উত্তাপ ডিমের বাজারে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫৫-৬০ টাকা।


এদিকে সবজির বাজারে লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৫০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা কলা ডজন ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।


ঈদকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা দেখা গেছে শশা টমেটোর বাজারে। প্রায় ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে এক কেজি শশা। টমেটোর কেজি ১৬০-১৮০। ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।


মাছের বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ২০০ টাকার নিচে তেমন কোনো মাছ নেই। সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২০০-২৩০ ও পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে। 


অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা।


 ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়।



আরও খবর



ঈদে সিএনজি স্টেশন খোলা রাখার বিষয়ে যা জানালেন সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিএনজি স্টেশনগুলো ঈদের ৭ দিন আগে থেকে এবং ৫ দিন পর পর্যন্ত সারাদিন খোলা থাকবে। 


এ সময় নো হেলমেট, নো ফুয়েল। মন্ত্রী এমপির লোক বলেও যেন কেউ পার না পায়।


আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীর বিআরটিএর কার্যালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়কপথে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।



এ সময় মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে সড়কে কোন খোঁড়াখুঁড়ি করা যাবে না। এবার জলোচ্ছ্বাসে বেশ কিছু রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঈদের সাত দিন আগে এসব সড়ক ঠিক করতে হবে।


ওবায়দুল কাদের বলেন, রোজার ঈদের আগে তেমন কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি, তবে ঈদের পর অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঈদ পরবর্তী নজরদারি কমানোর কারণে সড়কে দুর্ঘটনা বেড়ে যায়। হেলপার যেন ড্রাইভার না হয় এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে দূরের যাত্রায়।


তিনি বলেন, গাড়ির ফিটনেস ঠিক রাখতে হবে। লক্কড় ঝক্কড় গাড়িতে রং দিয়ে লাভ নেই। ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে পরিবহন মালিকদের আহ্বান জানাই। ঈদে পোশাক কারখানা ছুটি দিলে যানজটের সৃষ্টি হয়, এ বিষয়ে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।


সেতুমন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আসা যায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে আর আর ঢাকায় হানিফ ফ্লাইওভার দেড় দুই ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। গাড়ির চাপে স্থবির হয়ে থাকে হানিফ ফ্লাইওভার। নিচের দিকের কিছু কারণে এই সমস্যাটা তৈরি হয়। জাতীয় স্বার্থেই এই সমস্যার সমাধান করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সাথে ঈদের কোন সম্পর্ক নেই। সহায়ক শক্তি মাত্র। যাত্রী কল্যাণ সমিতির কোন লাইসেন্স নেই।


 তারা যা দুর্ঘটনা হয় তার চেয়ে বেশি তিনগুণ তুলে ধরে। অফিসে অফিসে গিয়ে চাঁদা না পেলে তারা এসব কাজ করে।


আরও খবর



সারাদেশে চলছে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:

সারাদেশে চলছে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।


শনিবার (১ জুন) সকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ ও সোশাল মেডিসিনে (নিপসম) নিজে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে সারাদেশে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম।


শিশুদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, অন্ধত্ব রোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।


দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ও দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবেন।



জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলে এবার ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উপকূলীয় এলাকার প্রায় এক হাজার ২২৪ কেন্দ্রে নির্দিষ্ট সময়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না।


 তবে পুনর্বাসন সমস্যা সমাধান হলে সেখানে পরবর্তী খুব দ্রুত সময়ে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।


ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মানতে হবে:


১. শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।

২. কাঁচি দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভেতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হবে।

৩. জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।



আরও খবর



শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


নতুন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। 


রোববার রাজধানী নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে জঁমকালো আয়োজনের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। 


প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও এদিন ভারতের নতুন জোট সরকারের ৭২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।



শপথ গ্রহণ শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু। এরপর তারা একসঙ্গে সবাই ছবি তোলেন।


এর আগে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত হন শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। এ সময় তারা মঞ্চের সামনে আসন গ্রহণ করেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকালই ভারতে যান। ভারতে অবতরণের পর উষ্ণ অভ্যর্থনায় তাকে বরণ করে নেওয়া হয়।



এই ৭২ জনের মধ্যে ৩০ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচজন ইন্ডিপেনডেন্ট চার্জ। তবে কাকে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটি আজ নির্ধারণ করা হয়নি। পরে যে কোনো সময় এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হবে।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




লোকসভা নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। 


শনিবার (১ জুন) সকাল সাতটায় দেশটির আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৭টি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।


গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের লোকসভা নির্বাচন। সাত ধাপের মধ্যে এ পর্যন্ত ছয় ধাপে ৫৪৩ আসনের মধ্যে ভোটগ্রহণ হয়েছে ৪৮৬ আসনে। 


শনিবার সপ্তম ও শেষ ধাপে ৭ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৭ আসনে ভোট। এই দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৪ জন প্রার্থী।


শেষ দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৬ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ কোটি ২৪ লাখ, নারী ভোটার রয়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ৫৭৪ জন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।


শেষ দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাবে ১৩টি করে আসনে। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের ৯টি, বিহারে ৮টি, ওড়িশায় ৬টি, হিমাচল প্রদেশে ৪টি, ঝাড়খন্ডে ৩টি এবং চন্ডিগড়ের একটি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।


পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে এই দফায় ভোট হচ্ছে শেষ ৯টি আসনে। দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।




আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24