Logo
শিরোনাম

১৪ দলে ভাঙনের সুর

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

১৪ দলকে পুনর্গঠন এবং সক্রিয় করার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। 

ওই বৈঠকে ১৪ দলের নেতাদের মান অভিমান ভাঙানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নেন। গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৪ দলের বিভিন্ন নেতারা আবেগঘন কথাবার্তা বলেন, হতাশার কথা বলেন। 

তাদেরকে কীভাবে অবজ্ঞা, অবহেলা করা হচ্ছে তার ফিরিস্তিও তুলে ধরেন। বিশেষ করে নির্বাচনে ১৪ দলকে উপেক্ষার বিষয়টি সামনে চলে আসে। 

প্রধানমন্ত্রী অবশ্য ধৈর্য্যের সঙ্গে সবার বক্তব্য শুনেছিলেন। এরপর তিনি ১৪ দলকে সক্রিয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর পরপরই ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা বিভিন্ন বিষয়ে ধীরে ধীরে কর্মসূচি পালনের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন। 

কিন্তু এরমধ্যেই গতকাল বাজেটের পর ১৪ দলের মধ্যে ভাঙনের সুর লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

১৪ দলের অন্যতম শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি এই বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাশেদ খান মেনন এই বাজেটকে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এর ফলে দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিকরা সুবিধা পাবে, সাধারণ মানুষ কষ্ট পাবে। 

একই রকম অবস্থান গ্রহণ করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনিও এই বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করেছেন। 

অতীতে কোন সময় আওয়ামী লীগের শরিকরা বাজেট নিয়ে সরাসরি ভিন্নমত পোষণ করেনি। বাজেট নিয়ে তাদের ভিন্ন মত তারা জোটের ফোরামে আলোচনা করেছেন এবং সেই অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে পরামর্শ দিয়েছেন। 

কিন্তু এবার সম্পূর্ণ চিত্রটা ভিন্ন। বাজেটের পরপরই রাশেদ খান মেনন এবং হাসানুল হক ইনু মুখ খুলেছেন। তারা সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এই প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে যে, তাহলে কী ১৪ দল ভেঙে যাচ্ছে? 

একটি জোটের মধ্যে শরিকরা সরাসরি কী সরকারের অবস্থান বা প্রধান দলের অবস্থানের সমালোচনা করতে পারে? 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেট নিয়ে সমালোচনার সঙ্গে ১৪ দলের ভাঙনের কোন সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব অর্থনৈতিক কৌশল এবং নীতি রয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির একটি অর্থনৈতিক অবস্থান আছে। তারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মনে করছে, বাজেট সঠিক হয়নি। 

অন্যদিকে জাসদও বাজেটকে ইতিবাচকভাবে দেখছে না। সেটা প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু ১৪ দলীয় জোট একটি আদর্শিক জোট। এই জোটের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সম্পৃক্ত রয়েছে। কাজেই আদর্শিক জোট সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে ভেঙে যাবে এমনটি মনে করেন না কোন রাজনৈতিক বিশ্লেষকই। 

তবে এখন যেহেতু জাসদ, সাম্যবাদী দল বা ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারে নেই, কাজেই তাদের স্বাধীন অবস্থান রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ১৪ দলের শরিক সবাই নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যারা যে দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন সেই দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারবেন না, অবস্থান গ্রহণ করতে পারবেন না। 

সেটা করলে তাহলে তা ‘ফ্লোর ক্রসিং’ হিসেবে বিবেচিত হবে। কাজেই ১৪ দলের শরিকরা যদি শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে বাজেটের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে সেখানে একটি অন্যরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল স্বাধীন সত্তা। যে কোন বিষয়ে তাদের মতামত দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে তারা বাজেটের পক্ষেই অবস্থান নিবে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন।

আরও খবর



বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে ঘুষ, হাইকোর্টের দুই কর্মচারী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:


বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে ৯ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ায় হাইকোর্টের দুই কর্মচারী গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।



 গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. রশিদ (৩৮) ও মো. হাফিজ (৩৪)।বুধবার (১০ জুলাই) তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।



বিচারপতি মো.আতোয়ার রহমানের নির্দেশক্রমে বেঞ্চ অফিসার সুজিত কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।


মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৫টায় ২৭ ভবন ২৭ নম্বর আদালতের বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. আলী রেজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের এমএলএসএস মো. আব্দুর রশিদ (৩৮) ও রেজিস্টার জেনারেলের অফিসের এমএলএসএস মো. হাফিজ (৩৪) মামলার বিবাদীর থেকে ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়।


বিষয়টি বিচারপতির নজরে আসার পর রাত সাড়ে ৯টায় তাদের সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড স্পেশাল কোর্ট সিকিউরিটি বিভাগ পুলিশের সহায়তায় শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।



আরও খবর



নওগাঁয় বিয়ের আগের দিন সড়কেই ঝরলো এক যুবকের প্রাণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

বিয়ে করার জন্য মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে সড়কেই ঝরলো জসিম উদ্দিন (২৩) নামে এক এনজিও কর্মীর প্রাণ।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউপির দেবীপুর মোড়  নামক স্থানে দুটি মোটরসাইকেল এর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটলে এদূর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত জসিম উদ্দীন নওগাঁর পাশ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বেগম-নগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ও প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান শাখার প্রশিক্ষণার্থী জুনিয়র অফিসার ছিলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, নিহত জসিম উদ্দীনের আগামীকাল শুক্রবার বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। তিনি বিবাহ করার জন্যই অফিস ছুটি নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে  নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। ফেরার পথে দেবীপুর মোড় নামক স্থানে পৌঁছালে এসময় গ্রামের ভেতর থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সাথে তার মোটরসাইকেল (দুটি মোটরসাইকেল) সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। জসিম উদ্দিন এর মৃত্যুর খবর তার গ্রামে পৌছার পর থেকে এলাকা জুড়ে লোকজনের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছাঁয়া। দূর্ঘটনার পর পরই নিহতের অফিসের সহকর্মী ও স্বজনরা দূর্ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ বাড়িতে যায়।


আরও খবর



শিবচরে হবে দেশের প্রথম আইন বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাদারীপুরের শিবচরে দেশের প্রথম আইন বিশ্ববিদ্যালয় হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার (৬ জুলাই) সকলে শিবচরে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের জায়গা পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রথম একটা আইন বিশ্ববিদ্যালয় হবে। যেটার নাম হবে বাংলাদেশ আইন বিশ্ববিদ্যালয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি করা হবে শিবচরে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, শিবচরে একটি ন্যাশনাল জুডিশিয়াল একাডেমি নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। শিবচরে বিচার বিভাগ থেকে দুটি প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একটি ন্যাশনাল জুডিশিয়াল একাডেমি, অপরটি আইন বিশ্ববিদ্যালয়।

জানা যায়, শনিবার সকাল থেকে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরীকে নিয়ে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর, পৌরসভার চরশামাইল ও ঠেঙ্গামারা মৌজায় আইন বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের জন্য জায়গা পরিদর্শন করেন আইনমন্ত্রী। পরে দুপুরে মন্ত্রী শিবচর উপজেলা পরিষদ চত্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এসময় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো: গোলাম সারওয়ার, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ন সচিব (প্রশাসন-১) বিকাশ কুমার সাহা, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মারুফুর রশিদ খান, জেলা জজ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তারেক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ নীরবসহ জেলায় কর্মরত বিচার বিভাগের কর্মকর্তারাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 


বুধবার (১৯ জুন) সকালে পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।


উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়াদের নাম পরিচয় জানাতে পারেননি। 


তবে ৯ জনের মধ্যে চার বছরের এক শিশু, ১২ বছরের এক কিশোর ও কয়েকজন নারী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।



ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে দুই জন বাংলাদেশি এবং সাত জন রোহিঙ্গা। 



আরও খবর



আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা শুরু হয়েছে।


শনিবার (২৯ জুন) বিকেল ৩টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফীর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে এ আলোচনা সভা শুরু হয়।


ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া দলের অন্যান্য নেতারাও বক্তব্য দেবেন।


আলোচনা সভা শুরু হলেও নেতাকর্মীদের সভাস্থলে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা যায়। অন্যান্য সময় সমাবেশ শুরুর আগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ নেতাকর্মীদের পদচারণায় ভর্তি দেখা গেলেও আজ এখনও সেটা হয়নি। তবে একটু পর পরই মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা আসছেন।


এ সময় নেতারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,’ ‘শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনা,’ ‘শেখ হাসিনা সরকার, বারবার দরকার,’ ‘উন্নয়নের সরকার, বারবার দরকারসহ নানা স্লোগান দিতে থাকে।


আরও খবর