Logo
শিরোনাম

১৫ জন কুসিকসহ কুমিল্লার ৩ ইউপি- ৩ ওয়ার্ডের নির্বাচন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

 নিজস্ব প্রতি‌বেদক,কু‌মিল্লা 

কুমিল্লায় আগামী ১৫ জুন সিটি কর্পোরেশন এবং ৩টি ইউনিয়ন ও ৩টি ওয়ার্ডের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জেলা উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আগামী ১৫ জুন কুমিল্লায় সিটি কর্পোরেশন এবং জেলার ৩টি উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন ও ৩টি ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সি‌টি ক‌র্পোরেশ‌নের  রিটার্নিং মো ঃ শা‌হেদুন্নবী চৌধুরী জানায় ১৫ জুন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের দিন কুমিল্লা জেলায় দেবিদ্বার ইউনিয়নের ভানী ইউনিয়ন, মুরাদনগরের সদর ইউনিয়ন ও চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়ন। এছাড়া একইদিন মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এবং দেবিদ্বার উপজেলা গুনাইঘর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনের তফসিল মোতাবেক আগামী ১৭ মে মনোনয়নপত্র জমা, ১৯ মে মনোনয়নপত্র বাছাই, ২৬মে প্রত্যাহার, ২৭মে প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৫ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



শাখা স্থাপনে পিছিয়ে রয়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো

গ্রামাঞ্চলে বেসরকারি ব্যাংকের ৩৭% শাখা

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

শহর ও গ্রামাঞ্চলে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে। তা সত্ত্বেও গ্রামাঞ্চলে শাখা স্থাপনে পিছিয়ে রয়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো। যেখানে সরকারি ব্যাংকগুলোর মোট শাখার ৬১ শতাংশই গ্রামাঞ্চলে, সেখানে বেসরকারি ব্যাংকের শাখা মাত্র ৩৭ শতাংশ। এদিকে গ্রামাঞ্চলে একটি শাখাও নেই বিদেশি ব্যাংকগুলোর। তবে বেসরকারি খাতের ব্যাংকাররা বলছেন, শাখা স্থাপন ব্যয় বেশি হওয়ায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে এজেন্ট ব্যাংকিং ও উপশাখার মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিবরণী অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, দেশে ২০০৬ সালে শহরাঞ্চলে চারটি শাখার বিপরীতে গ্রামাঞ্চলে একটি করে শাখা খোলার নির্দেশনা ছিল। পরবর্তী সময়ে শহরে দুটির বিপরীতে গ্রামে একটি শাখা খুলতে বলা হয়। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনা দেয়, শহরে একটি শাখা খোলা হলে গ্রামেও একটি খুলতে হবে। পাশাপাশি বিভাগীয়, জেলা শহরসহ সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা এলাকায় স্থাপিত শাখাকেও শহর শাখা হিসেবে গণ্য করা শুরু হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই বিবরণীতে দেখা গেছে, চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোর মোট শাখা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৪২টি। এর মধ্যে শহরে রয়েছে ৫ হাজার ৬২৬ এবং গ্রামে ৫ হাজার ৩১৬টি শাখা। অর্থাৎ শহরের তুলনায় গ্রামে ব্যাংকের শাখার সংখ্যা ৩১০টি কম। গত বছরের নভেম্বর নাগাদ সব ব্যাংকের মোট শাখা ছিল ১০ হাজার ৮০৩টি। তার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে শাখার সংখ্যা ৫ হাজার ২৪২ এবং শহরাঞ্চলে ৫ হাজার ৫৬১টি। সে হিসাবে চার মাসে ব্যাংক শাখা বেড়েছে ১৩৯টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিবরণীতে দেখা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট শাখা ৩ হাজার ৮১২টি। এর মধ্যে গ্রামে ২ হাজার ৪৬ এবং শহরে ১ হাজার ৭৬৬টি। চলতি বছরের মার্চের শেষ সময়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২২৭ শাখা দাঁড়ায় সোনালী ব্যাংকের। এর মধ্যে শহরে ৫১৪ ও গ্রামে ৭১৩টি। এর পরই সবচেয়ে বেশি শাখা রয়েছে বিশেষায়িত খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের (বিকেবি)। ব্যাংকটির শাখার সংখ্যা ১ হাজার ৩৮টি। এর মধ্যে শহরে ১৭৬ এবং গ্রামে ৮৬২টি। জনতা ব্যাংকের ৯১৫টি শাখার মধ্যে শহরে ৪১৯ এবং গ্রামে ৪৯৬টি। অগ্রণী ব্যাংকের ৯৬২টি শাখার মধ্যে শহরে ৪৫৪ এবং গ্রামে ৫০৮টি। রূপালী ব্যাংকের ৫৮৬টি শাখার মধ্যে শহরে ২৮৮ এবং গ্রামে ২৯৮টি। বেসিক ব্যাংকের ৭২টি শাখার মধ্যে শহরে ৫৮ এবং গ্রামে ১৪টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) ৫০টি শাখার মধ্যে শহরে ৩৩ এবং গ্রামে ১৭টি।

এদিকে সরকারের বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ৩৮৩টি শাখার মধ্যে শহরে ৫০ এবং গ্রামে ৩৩৩টি। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ৯১টি শাখার মধ্যে শহরে ৬৭ এবং গ্রামে রয়েছে ২৪টি শাখা। সরকারের বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ৯ ব্যাংকের ৫ হাজার ৩২৪টি শাখার মধ্যে গ্রামে রয়েছে ৩ হাজার ২৬৫ এবং শহরে রয়েছে ২ হাজার ৫৯টি। সে হিসেবে গ্রামে শাখার হার শতকরা ৬১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্চ শেষে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মোট শাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৫৩টি। এর মধ্যে শহরে ৩ হাজার ৫০২ এবং গ্রামে ২ হাজার ৫১টি। সে হিসাবে গ্রামে শাখার হার ৩৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এছাড়া বিদেশি মালিকানাধীন ৯ ব্যাংকের মোট শাখা ৬৫টি। শাখাগুলো সবই শহরকেন্দ্রিক।

বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শাখা পূবালী ব্যাংকের। সারা দেশে ব্যাংকটির ৪৯০টি শাখার মধ্যে শহরে ২৮৮ এবং গ্রামে ২০২টি। এর পরই ইসলামী ব্যাংকের ৩৮৪টি শাখার মধ্যে শহরে ২৩৭ এবং গ্রামে ১৪৭টি। এছাড়া অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে উত্তরা ব্যাংকের শহরে ১৭৩ এবং গ্রামে ৭০টি, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ১৫০টি শহরে এবং গ্রামে ৭০টি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ১১৪টি শহরে এবং ৮৭টি গ্রামে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১১৯টি শহরে এবং ৭৭টি গ্রামে, ইউসিবি ব্যাংকের শহরে ১৫৬ এবং গ্রামে ৫৯টি, ন্যাশনাল ব্যাংকের শহরে ১৫৭ এবং গ্রামে ৬২টি, দ্য সিটি ব্যাংকের শহরে ১০৬ এবং গ্রামে ২৬টি, ব্র্যাক ব্যাংকের ১৩৩টি শহরে এবং ৩৪টি গ্রামে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী শহরে একটি শাখা খোলা হলে গ্রামেও একটি শাখা খুলতে হবে। ব্যাংকগুলো এ নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। যদি কোনো ব্যাংক শহরে শাখা খোলার পরও গ্রামে শাখা না খোলে, তাহলে সেই ব্যাংককে পরবর্তী সময়ে শহরে আর শাখা খুলতে দেওয়া হবে না।

এ প্রসঙ্গে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের একটি শাখায় যে পরিমাণ ব্যয় হয় তাতে করে গ্রামে শাখা খোলা হলে সেগুলো লস করে। এজন্য বেসরকারি ব্যাংকগুলো গ্রামে শাখা খুলতে আগ্রহী হয় না। তবে এজেন্ট ব্যাংকিং ও উপশাখার মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হচ্ছে। শাখার সব ধরনের সেবা এজেন্ট ব্যাংকিং ও উপশাখার মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব বলেও জানান তিনি।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




গজারিয়ায় ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১২২জন দেখেছেন
Image

গজারিয়া সংবাদদাতা ঃ

গজারিয়ায় ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির উদ্যোগ সফল ভাবে সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব ২০২২ইং উদ যাপণ পরবর্তী আআলোচনা সভা ইফতার ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজ শনিবার বাদ আছর স্কুল আয়োজিত ইফ তার ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ ৩আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক এড্যাঃমৃণাল কান্তি দাস,বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও রুপালী ব্যাংক লিঃ এর উপ মহাব্যবস্থাপক মোঃসাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃরেফায়েত উল্লাহ খাঁন তোতা(সিআইপি),গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইছ উদ্দীন,উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)সৈয়দা ইয়াছমিন সুলতানা,বিভিন্ন ইউঃপি চেয়ারম্যানদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল্লাহ,আবুল খায়ের মোহাম্মদ আলী খোকন,মিজানুর রহমান প্রধান,কামরুল হাসান ফরাজী,ইঞ্জিঃসাঈদ মোহাম্মদ লিটন, শহিদুজ্জামান জুয়েল,হাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুঃশাহজাহান প্রমুখ।

এ সময় বিদ্যালয়ের পাঁচ শতাধিক প্রাক্তন ছাত্র ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতীয় সুখ,সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওনালা আঃরশিদ।


আরও খবর



অভিষেক হচ্ছে শাহরুখপুত্রের

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

শাহরুখপুত্রের বলিউডে অভিষেক হতে চলছে। তবে বাবার মতো অভিনয় দিয়ে নয়, পরিচালক হিসেবে বলিউডে পা রাখছেন তিনি।

শাহরুখের বড় ছেলে আরিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। সেই পথেই হাঁটছেন তিনি। পরিচালনার পাশাপাশি সিরিজের চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি।

আরিয়ান আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি বাবার মতো অভিনেতা হতে চান না। কাজ করতে চান ক্যামেরার পেছনে। তাই তো আমাজন প্রাইম ভিডিওর ওয়েব সিরিজ দিয়ে পরিচালনার কাজ শুরু করলেন এই তারকাপুত্র।

আমাজন প্রাইমের পরে আরিয়ান নিজের বাবা-মায়ের প্রযোজনা সংস্থার (রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট) হয়ে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের সিনেমা পরিচালনা করবেন। আরিয়ান পরিচালনায় আসলেও শাহরুখকন্যা সুহানা উৎসাহী অভিনয়ে।

গত বছরের শেষের দিকে মাদক মামলায় জড়িয়ে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন আরিয়ান।


আরও খবর

এবার চলচ্চিত্রে ধোনী

শুক্রবার ১৩ মে ২০২২




পণ্যের উচ্চমূল্য: বৈশ্বিক অস্থিরতা ও সিন্ডিকেটেড রাজনীতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image

অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সাথে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু সেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি যখন অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছায় তখন সেটি ‘জাতীয় সমস্যায়’ রূপ নেয়। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ট্রাক সেলিং পয়েন্টগুলোতে (অস্থায়ী ভর্তুকিযুক্ত বিক্রয় পয়েন্ট) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গরিব ও মধ্য-আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে হিমশিম খাওয়ার ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি এখন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। কেন এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি? বাংলাদেশ কি সিন্ডিকেটেড রাজনীতির প্রভাবে একচেটিয়াভাবে মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে? নাকি উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে তা হচ্ছে? এটি কি বৈশ্বিক পণ্যমূল্যবৃদ্ধির ফল?

নব্বইয়ের দশক থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার পতন, আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা, একক রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিগুলো আন্তঃসংযুক্ততার দ্বারা বিশ্ব অর্থনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এই বিশ্বায়ন রাষ্ট্রগুলোর মাঝে আন্তঃসংযুক্ততা তৈরি করেছে একই সাথে কিছু অর্থনৈতিক দুর্বলতাও ছড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে, একটি ছোট এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিবর্তন পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অভাবনীয় পরিবর্তন আনতে পারে এবং পুরো বিশ্বকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ১৯৯৪ সালের মেক্সিকান পেসো সঙ্কট, ১৯৯৭-৯৮ সালের এশীয় অর্থনৈতিক বিপর্যয় কিংবা ২০০৮ সালের আর্থিক সঙ্কট এবং সারা বিশ্বে এর প্রভাব এই ধরনের দাবির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বর্তমান অস্থিতিশীল দ্রব্যমূল্যের সূচনা ২০১৮ সালে শুরু হওয়া মার্কিন-চীন বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র সয়াবিন তেলের বৃহত্তম রফতানিকারক এবং চীন বৃহত্তম আমদানিকারক। বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনা সয়াবিনের আমদানি অন্তত ৩৫-৪০ শতাংশ কমেছে। এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিঘ্ন ও বিলম্বের কারণে বিশ্ববাজারে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সয়াবিনের দাম। বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব পড়েছে অন্যান্য পণ্যের দামেও। পরবর্তীতে, মহামারীর আগমন এবং সরবরাহে বাধা বিশ্বজুড়ে সঙ্কটকে আরো ঘনীভূত করে তোলে।

অন্যদিকে, করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচি, মহামারী ঠেকাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, লকডাউনে উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং বেকারত্ব বৃদ্ধির ফলে প্রতিটি দেশ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো ঋণসঙ্কটে নিপতিত হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা হচ্ছে সঙ্কুুচিত। এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নেও মহামারীর প্রভাবে প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাচ্ছে, আর্থসামাজিক স্থিতিস্থাপকতা কমছে এবং বাড়ছে অর্থনৈতিক দুর্বলতা। ইউরোজোনে সঞ্চয়ের হারও কমছে উল্লেখযোগ্য হারে। ২০২০ সালে যেখানে ২০ শতাংশ হারে সঞ্চয় প্রবণতা ছিল, ২০২১ সালে তা স্মরণকালের সর্বনিম্ন ১৪.৫ শতাংশে নেমে গেছে। মহামারী চলাকালীন, মূল্যস্ফীতিও ২০০৮ সালের আর্থিক সঙ্কটের পর থেকে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৪.১ শতাংশে পৌঁছেছে। গত দুই বছরে ইউরোপের অর্থনীতিতেও পণ্যের দাম বেড়েছে আনুপাতিক হারে। সম্প্রতি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকও দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও কাঁচামালের দামও নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২১ সাল থেকে লোহার দাম ২৪৩ শতাংশ বেড়েছে, ইস্পাত এবং লিথিয়ামের দাম যথাক্রমে ২৫০ শতাংশ এবং ৯৮ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১ সালে প্রায় সব খাদ্যদ্রব্যের দামই দ্রুত বেড়েছে।

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের মধ্য দিয়ে এটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইউক্রেন সঙ্কট বিশ্ববাজারে আরো প্রভাব ফেলেছে সরবরাহ ব্যাহত হওয়া ও উৎপাদনের অস্থিতিশীলতার কারণে। অপরিশোধিত তেলের দাম ইতোমধ্যেই ব্যারেলপ্রতি ১১০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। গম এবং সূর্যমুখীসহ অন্যান্য পণ্যের দামও বাড়বে কারণ এই অঞ্চলটি বিশ্বব্যাপী চাহিদার ৩০ শতাংশ গম এবং ৯০ শতাংশ সূর্যমুখী সরবরাহ করে। গত ১৪ এপ্রিল পর্তুগালের ভোক্তা অধিকার রক্ষা অ্যাসোসিয়েশন ডেকো প্রেটেস্ট তাদের সমীক্ষায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চিত্র প্রকাশ করতে গিয়ে দেখায় পর্তুগালের বাজারে ইউক্রেন সঙ্কট শুরুর পর থেকে অন্তত সাত দফায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্য রফতানি ব্যাহত হওয়ায় মার্চ মাসে বিশ্বে খাবারের উচ্চমূল্য নতুন রেকর্ড গড়েছে। বিশ্ববাজারে সব খাদ্যপণ্যের দাম ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

বাণিজ্যযুদ্ধ, মহামারী ও সর্বশেষ রুশ আক্রমণের ফলে মূল্যবৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি শুধু ইইউ বা বাংলাদেশের জন্যই খারাপ হচ্ছে না। তুরস্ক, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য অংশও ভুগছে। পার্থক্য হচ্ছে কেউ এই সমস্যায় বেশি জর্জরিত আর কেউ কিছু কম। গবেষণা সংস্থা সিপিডি বলছে, প্রধানত করোনাভাইরাস মহামারীর প্রভাব, ইউক্রেন যুদ্ধ, জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য, পরিবহন খরচ ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। আর এসবের ব্যাপক প্রভাবে গরম হয়ে গেছে বাংলাদেশের নিত্যপণ্যের বাজার।

করোনা আর যুদ্ধের প্রভাবে উন্নত বা গরিব কোনো দেশই এখন আর উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাইরে নেই। কোভিডে নাগরিকদের বড় ধরনের প্রণোদনা দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হওয়ার রেকর্ড গড়েছে। দেশটিতে মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৭ শতাংশে ঠেকেছে। আর ব্রিটেনে জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিক্ষোভও করেছে মানুষ। ইউরোজোনে যে ১৯টি দেশে ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করা হয় সেসব দেশে এই জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ শতাংশের বেশি, যা ২৩ বছর আগে ইউরো চালুর পর সর্বোচ্চ।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে- স্থানীয় বাজারে কেরোসিন, ডিজেলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং কোভিডে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা দেয়ার কারণে। প্রশ্ন হচ্ছে বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধিই কি বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির একমাত্র কারণ?

সিন্ডিকেটেড রাজনীতি
দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত অগ্রসরমান দেশ শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি অনেক দিন ধরেই টালমাটাল। ঋণের বোঝায় জর্জরিত দেশটি নিজেকে ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছে। গভীর সঙ্কট হাতছানি দিচ্ছে এ অঞ্চলের আরেক দেশ নেপালকেও। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ লেবাননে সরকার নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। তবে সে রকম সঙ্কটে না পড়লেও বাংলাদেশের মানুষ হিমশিম খাচ্ছে দ্রব্যমূল্যের নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতিতে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির পাশাপাশি আড়তদার ও সিন্ডিকেটের অধিক মুনাফা লাভের আশায় পণ্য গুদামজাতকরণ এবং দ্রব্যমূল্যের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে আগুনে ঘি ঢালার মতো কাজ করেছে। বিশেষ করে রমজান আসার আগে আগে দেখা যায় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সক্রিয় হতে।

বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধিজনিত কারণে দাম যতটুকু বাড়ার কথা দেশে, বাড়ে তার চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য যখন কমে আসে তখনই পণ্য বেশি দামেই কিনতে হয় ‘বাড়তি’ দামের অজুহাতে। সাম্প্রতিককালে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে চলছে তেলেসমাতি। বরাবরের মতো তেল উৎপাদনকারী এবং বড় বড় ডিলার এর পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধিকে কারণ হিসেবে দেখাচ্ছে। তবে এটি স্পষ্ট সিন্ডিকেটেড কারসাজি এ মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম নিয়ামক।নিয়মিত বিরতিতে এ দেশের বাজারে কারসাজি চলে, পণ্যটা পাল্টে যায় শুধু। কখনো চাল, কখনো পেঁয়াজ, চিনি, তেল এমনকি কাঁচামরিচের দাম আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে। ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ খাওয়ার স্মৃতি এ দেশের মানুষের মনে এখনো তরতাজা।

জিনিসপত্রের দাম যে সবসময় বাড়েই তা নয়, কমে এমনকি মূল্যহীনও হয়ে পড়ে। পিচঢালা রাস্তায় আলু, টমেটো কিংবা সবজি ফেলে দিয়েছে কৃষক ন্যূনতম দামের অভাবে। গত কয়েকটি ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়াকে প্রায় মূল্যহীন হয়ে যেতে দেখা গেছে। অনেকে গরু অথবা ছাগলের চামড়া নামমাত্র মূল্যে বিক্রি না করে সেটি ফেলে দিয়েছে। দাম কমে ফসলের মৌসুমে যখন ফসল ওঠে। কৃষক হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে লাভ করা দূরে থাকুক, বহু সময় উঠিয়ে নিতে পারে না তার ধান, আলু কিংবা সবজি আবাদের খরচটুকুও। অর্থাৎ যেসব জিনিসের দাম বাড়লে দেশের হাতেগোনা কিছু মানুষের লাভ হবে, অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়তে দেখা গেছে সেগুলোর। আবার উল্টোদিকে যেসব জিনিসের দাম কমলে বিরাট লাভবান হবে সেই হাতেগোনা কিছু মানুষ, সেগুলোর দাম পড়ে যাবে একেবারেই। এই সিন্ডিকেটের রাজনীতি আর মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে বাজার হয়ে ওঠে অস্থিতিশীল।

করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও ইউক্রেন সঙ্কটকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চাল, পেঁয়াজ, রসুন ও আলুসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে দিয়েছে। বাজারে কোনো কিছুর ঘাটতি নেই, তারপরও এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে দেয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হচ্ছে আইন অনুযায়ী তাকে জেল-জরিমানা করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভোগ্যপণ্য বাজার দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ অভিযান অব্যাহত রাখা একান্ত জরুরি।

সমাধান কোথায়?
বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি এবং মূল্যবৃদ্ধির সমস্যার জন্য বৈশ্বিক পরিস্থিতি প্রধান কারণ তবে একমাত্র নয়। কর্তৃপক্ষ সমস্যার পেছনে স্থানীয় কারণগুলোকেও প্রত্যাখ্যান করতে পারে না। বাজার নিয়ন্ত্রণের অভাব, দুর্বল প্রতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, অর্থনীতির করপোরেটাইজেশন এবং সিন্ডিকেটেড রাজনীতিও মূল্যস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণ। বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে মূল্যস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধি শুধু সরকার, ব্যবসায়ী এবং জনগণের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। যেহেতু যুদ্ধ এড়ানো একটি স্থিতিশীল সরবরাহের পূর্বশর্ত, তাই পেশিশক্তির পরিবর্তে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য, বিকল্প আমদানি গন্তব্য খুঁজতে ও আমদানি কর কমাতে হবে। সরকারকে অবশ্যই বাজারের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে এই দেশীয় কারণগুলোকে মোকাবেলা করার জন্য একটি সতর্ক ভূমিকা নিতে হবে। সরকারের উচিত পণ্যবাজার স্থিতিশীল রাখতে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন এবং সমন্বয় সাধন করা এবং সর্বোপরি, আধিপত্যবাদী প্রতিদ্বন্দ্বীদের স্বীকার করা উচিত তাদের কর্মের প্রভাব পড়ছে বিশ্বের সাধারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে।



আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




শ্রীনগরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্মান ইফতার মাহফিল

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১৫৫জন দেখেছেন
Image

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ  শ্রীনগরে আওয়ামী লীগ নতাদর সম্মান ইফতার ও দায়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ছ। শনিবার উপজেলার ঝুমুর হল রাড রাজ-রানী কমিউনিটি সটার বাংলাদশ আওয়ামী লীগর ঢাকা মহানগর দক্ষিণর সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবক ছাত্রনতা গালাম সারায়ার কবীর এ ইফতার মাহফিলর আয়াজন করন। 

এ সময় উপস্তিত  ছিলন মুন্সীগঞ্জ জলা আওয়ামী লীগর সহ-সভাপতি নুরুল আলম চধুরী, সামসুল আলম সবজল, শ্রীনগর উপজলা পরিষদর চয়ারম্যান মসিউর রহমান মামুন, কদ্রীয় আওয়ামী লীগর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মাকসুদ আলম ডাবলু, উপজলা আওয়ামী লীগর সিনিয়র সহ-সভাপতি সলিম আহমদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক হাজী তাফাজ্জল হাসন, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম মালুম, আবুল কালাম আজাদ ডালু, যুগ-সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ, শখ মা. আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মামুন, উপজলা যুবলীগর সভপাতি ফিরাজ আল মামুন, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদর সদস্য এম মাহাবুব উল্লাহ কিসমত, নুর জাহান বগম, শ্রীনগর উপজলা পরিষদর ভাইস চয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান জিঠু, মহিলা ভাইস চয়ারম্যান রহনা বগম, সিরাজদিখান উপজলা পরিষদর ভাইস চয়ারম্যান মাঈনুল হাসান নাহিদ, ইউপি চয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম, আব্দুল বারক খান বারী, বাবুল হাসন বাবু, কাজী মনায়ার হাসন শাহাদাত, হামিদুল্লাহ খান মুন, আলী আকবর, আবু আল নাসর তানজিল, ফজলুর রহমান, জিএস নাজির হাসন, ফারুক হাসন, শ্রীনগর উপজলা শ্রমিকলীগর সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জিকু, সাধারণ সম্পাদক সলিম খান, তাতী লীগর সভাপতি মা. দ্বিপু, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বাচু, রাড়িখাল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মোঃ মাতিন ও বিভিন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযাগী সংগঠনর সভাপতি সাধারণ সম্পাদকগণসহ প্রায় ৩ হাজার দলীয় নেতাকর্মী।



আরও খবর