Logo
শিরোনাম
কুমিল্লা বরুড়ার আলম হত্যা মামলায়

৩ আসামীর যাবজ্জীবন দন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা

হত্যাকান্ডের দীর্ঘ ১৪ বছর পর কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ শিলমুড়ির শিয়ামোড়া গ্রামে জমি বিরোধের জের ২০০৮সালের আলম হত্যা মামলায় ৮ আসামীর তিনজনের যাবজ্জীবনসহ ৫ জনকে খালাস দেয় আদালত । সোমবার (২৭ জুন) কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অতিরিক্ত-২ এর বিচারক নাছরিন জাহান এ রায় প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আবু কালাম ও আয়েশা ছিদ্দিকা ভূঁইয়া। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মামলার ১ নম্বর আসামি ফজলুল হককে যাবজ্জীবন, ৩ নম্বর আসামি আবিদ আলীকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ড, ৪ নম্বর আসামি আবুল খায়েরকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে এড আবু কালাম জানান-, ২০০৮ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ শিলমু্ড়ি ইউনিয়নের শিয়ালোড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে মো. আলম ও তার বড় ভাই আলী নেওয়াজকে জায়গা জমির বিরোধে একই গ্রামের ফজলুল হক, আবু তাহের, আবিদ আলী, আবুল খায়ের, মো. জসীম, সোহেল মিয়া, সুমন, জয়নব বিবি ও মো. সুমনসহ কয়েকজন মারধর করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আলম ও আলীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ভর্তি করা হলে আলমের অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসা জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে নেয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই দিন পর ২২ মার্চ সকালবেলা আলম মারা যায়। তারপর ওই দিন সন্ধ্যায় নিহতের মা মাছুমা বেগম বাদী হয়ে বরুড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী মাছুমা বেগম বলেন, আমি মামলার রায়ে সন্তুষ্ট নই। আমরা সবার ফাঁসি চাই। আমি উচ্চ আদালতে যাব সবার ফাঁসির রায়ের জন্য।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে,তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাকে কেন্দ্রকরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে আহত করে ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় ঘটনাটি ঘটেছে,২৬ (জুলাই) মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চর-গোড়ক মণ্ডল আনন্দ বাজার এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানাযায়,আহত ঐ যুবক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়২৭(জুলাই)বুধবার রাত নয়টার দিকে মৃত্যু হয় মজিদুলের।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,হাছেন আলী ও গোড়ক মন্ডল ওয়ার্ড সদস্য আয়াজ উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে আহত যুবক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। নিহত যুবক চরগোড়ক মন্ডল এলাকার আবেদ আলীর ছেলে, মজিদুল ইসলাম (৩৩)।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় ও নিহতের স্বজনদের নিকট জানাযায়,গোড়ক মন্ডল এলাকায় এক সময়ের পিলার ব্যাবসায়ী নামে খ্যাত, মাদকের ডিলার, জুয়া ও মদের আসর সহ- চরাঞ্চলের বিভিন্ন অপকর্মের হোতা,অত্র এলাকার জনৈক  জেল হোসেনের ছেলে হারান মিয়া (৪৩) এর নেতৃত্বে ১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ জুয়াড়ি চক্র এলাকার লোকজন ও প্রশাসন কে কোন রকমের তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত চরাঞ্চলে জুয়া ও মদের আসর বসাতেন।

এরেই সূত্র ধরে ২৬(জুলাই)মঙ্গলবার রাতে, হারান মিয়া ও তার সহযোগী জায়েদুল হক যোগসাজশে ফুঁসলিয়ে ফাসলিয়ে একই এলাকার আবেদ আলীর ছেলে মজিদুল ইসলাম (৩৪)কে জুয়া খেলতে নিয়ে যায়, খেলার এক পর্যায়ে রাত অনেক গভীর হলে মজিদুল বাড়ি আসার কথা ব্যক্ত করলে হারান গংদের সাথে বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।রাত দুইটার দিকে বাড়ি ফেরার পথে জাইদুল হক ও হারান মিয়া গংরা মজিদুল কে, আটক করে তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে, হারান  মিয়ার হাতে থাকা ছুরি মজিদুলের পেটে বসিয়ে দিলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

রক্তাক্ত অবস্থায় আহত মজিদুল ইসলাম কে তার সহযোগী তৈয়ব আলীসহ-স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে আসলে অবস্থার বেগতিক দেখে ভোর রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান।২৭(জুলাই)বুধবার 

রাত নয়টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গোড়ক মন্ডল এলাকার বাসিন্দা সুলতান মাহমুদ,শফিকুল ইসলাম জানান, প্রতিনিয়ত আনন্দ বাজার চড় এলাকায়,জুয়া খেলা ও মদের আসর বসাতো১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ চক্রের প্রধান অত্র এলাকার  জেল হোসেনের ছেলে,হারান মিয়ার নেতৃত্বে।সেই জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে মজিদুল কে, ছুরিকাঘাত করে খুনি হারান। এবং তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় খুনি হারান মিয়া ও তার দোসররা আমরা এলাকাবাসী খুনি হারান  ও তার দোসরদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফজলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এক যুবক ছুরিকাঘাতে আহত হন।পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। আমরা লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আরও খবর



বিশ্বনাথে দুর্যোগ-দুঃসময়ে

মানবিক দায়বদ্ধতা ও উলামায়ে কেরামের অবদান শীর্ষক সেমিনার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

স্টাফ রিপোর্টার:

বিশ্বনাথে দুর্যোগ-দুঃসময়ে মানবিক দায়বদ্ধতা ও উলামায়ে কেরামের অবদান শীর্ষক সেমিনার

বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সোমবার (১৮ জুলাই) মোহাদ্দিসে গাজীনগরী ফাউন্ডেশন বিশ্বনাথ উপজেলার উদ্যোগে” দুর্যোগ দু:সময়ে মানবিক দায়বদ্ধতা ও উলামায়ে কেরামের অবদান, প্রসঙ্গ ‘বন্যা’ ২০২২ উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ট জীব। তাই জীবন ও জগৎতের কোন পরিস্থিতিকেই এড়িয়ে যেতে পারে না। সু-সময়য়ে যেমন পরস্পরের শান্তি ও সৌহার্দ বন্ঠন করেন তেমনি দু:সময়েও সকলেই সকলের হয়ে যায়। এটাই মানবিক ধর্ম। মানুষ এ ব্যাপারে দায়বদ্ধ।বিশ্বনবী হযরত মেহাম্মদ (সা.) বলেছেন, তেমারা জৎতবাসীর প্রতি সদয় হও। আসমানের মানিক আল্লাহ তায়াতা তোমাদের প্রতি সদয় হবেন।

২০২২ সালের বন্যায় একটি মানবিক বাংলাদেশের অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এদেশের মানবিক ব্যক্তিবর্গ। বানভাসী মানুষের পাশে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এগিয়ে এসেছেন। এক্ষেত্রে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম-উলামারা বিরল দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন।

এ ভয়াবহ বন্যা শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, মানবসৃষ্ঠ দুর্যোগ ও বলা যায়। নদী মাতৃক বাংলাদেশের চিরচেনা রুপ বদলে ফেলেছি আমরাই। খাল-বিল-নদী-নালা-জলাশয় ভরাট করে, দখল করে বাসা-বাড়ী বানিয়েছি। ফলে পানির প্রবাহ ও গতিধারা বাধাঁগ্রস্থ হয়েছে। নদ-নদীর তলদেশ পলি মাটিতে ভরে গেছে।

নদীর নাব্যতা নষ্ট হয়ে পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে বিপদসীমা অতিত্রম করছে। এমতাবস্থায় নদী মাতৃক বাংলাদেশে আসল চেহারায় ফিরে যেতে হলে নদ-নদী খনন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বক্তারা সরকারকে এবিষয়ে তাৎক্ষনিকভাবে প্রদক্ষেপ না নিলে এভাবে প্রতি বছরই বন্যায় ডুবে যাওয়ার আশংকা করেছেন।

মোহাদ্দিসে গাজীনগরী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ বিশ্বনাথ উপজেলা সভাপতি মাওলানা জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইমরান আহমদের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামিয়া মাদানিয়া মাদ্রসার মুহতামিম ও মাসিক আল-ফারুক সম্পাদক মাওলানা শিব্বির আহমদ।

প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের প্রফেসর ডা. মো. শাহ আলম। প্রবদ্ধ উপস্থাপনা করেন বিশ্বনাথ সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. রোকনুজ্জামান।


আরও খবর



বিদ্যুৎ চালিত অবৈধ যানবাহন বন্ধ করলে অনেকখানি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : রাজধানীর মূল সড়কে না চললেও স্থানীয় সড়কগুলোতে বেশ বেপরোয়া ভাবেই চলছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা। ২০১৭ সালে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিক্সা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন অলিতে-গলিতে এখনো চলছে এই ব্যাটারিচালিত রিক্সা। যার ফলে যানজট লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে অহরহ।

 

অলিতে-গলিতে চলাচল থাকলেও শুধু ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনেই এই ধরণের রিক্সার সংখ্যা দুই লাখের বেশি। আর রাজধানী জুড়ে ধরণের ব্যাটারি চালিত রিক্সার সংখ্যা চার লাখেরও বেশি।  এবং সারাদেশে ষাট লাখেরও বেশি। 

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে যন্ত্রের প্রতি  নির্ভরযোগ্যতা বেড়েছে। কিন্তু টমটম বা পঙ্খিরাজ নামে পরিচিত ধরণের অটোরিক্সা মানুষের জীবনকে সহজ করার বদলে কোন কোন ক্ষেত্রে আরো জটিল সমস্যার সৃষ্টি করছে। নিয়ন্ত্রণহীন গতি এবং চালকদের বেপরোয়া আচরণ এবং হর্নের মাধ্যমে শব্দ দূষণের কারণে বেশ সমালোচিত এই যানবাহনের কদর বেড়েছে দ্রুতযান ভাড়া কম হবার কারণে।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থানীয় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতাকর্মী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ছত্র ছায়ায় এখনো চলমান এই রিক্সাগুলোর নিয়ন্ত্রণ মহাজনদের হাতে।

এই সকল রিক্সাগুলো ব্যাটারি চালিত হওয়ায়, এতে বৈদ্যুতিক খরচ বাবদ মাস প্রতি গুনতে হয় ১৫০০-২০০০ টাকা। আর এই সকল বৈদ্যুতিক লাইন অবৈধ হওয়ায় লোডশেডিংয়ে ভুগতে হয় নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা গ্রাহকদের । যার ফলে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান বিদ্যুৎ বিল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার  ।

বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, বর্তমানে চাহিদা অনুসারে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোন ঘাটতি ছিলনা। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে লোডশেডিং ছিল, যার মূল কারণ অবৈধ সংযোগ। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বন্ধ করা হলেও আবারো তা চালু হয়ে যায়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস বলেছিলেন ব্যাটারি চালিত কোনো যান আর সড়কে চলবে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটির সড়ক গুলোতে এই সকল যান পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইন করা হলেও আইনি ভাবে তেমন পদক্ষেপ না নেয়ার ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওতায় খিলগাঁও, বাসাবো, রামপুরা, বনশ্রী, মাদারটেক, যাত্রাবাড়ী, মান্ডা, ডেমরা, পুড়ান ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকাতে চলছে এই ব্যাটারি চালিত রিক্সা। উত্তর সিটি করপোরেশন ভুক্ত মিরপুরের বেশ কিছু এলাকায়, ভাটারা, আশকোনা উত্তরার কিছু স্থানেও বিনা বাঁধায় চলছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা।

প্রাথমিক পর্যায়ে দরিদ্র প্রতিবন্ধীদের আয়ের উৎস হিসাবে এই সকল রিক্সা চলতে দেওয়া হলেও বর্তমানে তা ব্যবহার করছে সকলে। এই যান চালাতে সহজ হওয়ায় অনেক সুস্থ মানুষ প্যাডেল চালিত রিক্সা ছেড়ে বেছে নিচ্ছে এই ব্যাটারি চালিত রিক্সা।

অনেক যাত্রী সময় বাঁচাতে বা সাশ্রয়ী হওয়ায় ব্যাটারি রিক্সা ব্যবহারে আগ্রহী হয়, আবার অনেকে ধরণের রিক্সার বেপরোয়া গতি দেখে অনিচ্ছাও প্রকাশ করে।

অনেকে এদের বলে বিপদজনক। অজস্র দুর্ঘটনার জন্য দায়ী এরা। বেশ গতিমান এবং কাঠ ও লোহার তৈরি দেহের কারণে ভরবেগও এদের মন্দ না। অন্যদিকে এদের গতিনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা খুবই খারাপ, আধুনিক বাহনের বৈশিষ্ট্য সুলভ অন্যান্য নিরাপত্তা বন্দোবস্ত এই গাড়িগুলোতে নেই বললেই চলে। দেশের বহু অঞ্চলে বাস-ট্রাক-লরিসহ সকল প্রকার পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকরা বেশ কয়েকবার ধর্মঘট করেছেন মহাসড়কে এদের চলাচলের বিরুদ্ধে। বহু স্থানে কঠোর পুলিশী বন্দোবস্ত করেও এদের নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। 

 

 

 


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




মোড়েলগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট :

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সিংজোর চন্ডিপুর (বহুমুখী) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহাজাহান সিরাজের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মারপিটের অভিযোগ এনে উপজেলা নিবার্হী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয় সভাপতি এইচএম হাবিবুর রহমান।  

প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোর চন্ডিপুর (বহুমুখী) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারী, অফিস সহায়ক, নৈশ প্রহরী ও আয়া তিনটি পদে নিয়োগের জন্য আবেদনপত্র জমা প্রদানের তারিখ ঘোষনা হলে অফিস সহায়ক পদে সভাপতির ভাইয়ের ছেলে মো. রুম্মান হাওলাদারের নিকট প্রধান শিক্ষক মো. শাহাজাহান সিরাজ ৬ লাখ টাকা দাবী করেন।

 এ ছাড়াও অন্যান্যে পদে আবেদনকারিদের নিকট থেকে কৌশলে অর্থ দাবি করেন। এ অর্থ বানিজ্যের পায়তারা বিষয়ে সভাপতি এইচএম হাবিবুর রহমান প্রতিবাদ করলে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে ঘটনারদিন গত বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান শিক্ষকের ইন্ধনে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে এইচএম হাবিবুর রহমানকে বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তার ওপর গথিরোধ করে মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে। তাৎক্ষনিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পার্শ্ববতী পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত বিদ্যালয়ের সভাপতি এইচএম হাবিবুর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক মো. শাহাজাহান সিরাজ তার পদে তৎকালিন যোগদানের সময় তার টাকা লেগেছে। সেই টাকা নিয়োগ থেকে আদায় করবেন বলে আমাকে বিভিন্ন সময় জানান। স্বচ্ছ প্রক্রিয়া মেধা তালিকার বাহিরে এ নিয়োগে কোন প্রকার অর্থ বানিজ্যে না হতে পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন প্রশাসনের প্রতি তিনি দাবি জানিয়েছেন।

 এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. মো. শাহাজাহান সিরাজ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক। সভাপতিকে মারপিটের বিষয়টি তিনি শুনেছেন।

 এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ক্ষতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমানিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। #


আরও খবর



ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআই’র অভিযান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। সোমবার ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের বিলাসবহুল মার-এ-লাগো রিসোর্টে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

অভিযানের সময় সেখানে ছিলেন না সাবেক প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের অভিযোগ, বিপুল সংখ্যক এফবিআই এজেন্ট তার বাড়িতে অভিযান চালাতে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন বিচার বিভাগ। মুখ খোলেনি এফবিআইয়ের ওয়াশিংটনের সদর দপ্তর বা মিয়ামির ফিল্ড অফিসও। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার সময় হোয়াইট হাউজ থেকে কয়েকটি বাক্সে করে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাগজপত্র ফ্লোরিডায় নিয়ে গিয়েছিলেন, এমন অভিযোগের তদন্ত করতেই তার বাড়িতে গিয়েছিলেন এফবিআই এজেন্টরা।


আরও খবর