Logo
শিরোনাম
কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দান সিন্দুকের মিলেছে

৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ঃ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুকে মিলেছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪ শত ১৫ টাকা। এছাড়া মিলেছে বৈদেশিক মুদ্রা পাউন্ড, রিয়াল, দিনার, রিঙ্গিত ও দিনারসহ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার। ৩ মাস ২০ দিন পর আটটি দান সিন্দুক খোলা হয়। শনিবার সকালে দান সিন্দুকগুলো খুলে গণনা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. শওকত উদ্দীন ভূঞা এ তথ্য জানান। এর আগে এ বছরের ১২ মার্চ সর্বশেষ দান সিন্দুক খোলার পর ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৫ টাকা পাওয়া গিয়েছিল বলে তিনি জানান। 

সকাল ৮টার দিকে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আটটি দান সিন্দুক খোলা হয়।  এরপর টাকাগুলো ১৬ টি বড় বস্তায় ভরা হয়। এরপর চলে সারাদিনব্যাপী গণনার কাজ। বিপুল পরিমাণের এ টাকা গণনায় ১৩২ জন মসজিদের এতিমখানার ছাত্র, ৮০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী, ৩৪ জন মসজিদ-মাদ্রাসার কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ মোট ২৩৬ জন অংশ নেন।   

সিন্দুক খোলা ও টাকা গণনার কাজে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট. উবায়দুর রহমান ও মাহবুব হাসান, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকত উদ্দীন ভূঞা, রূপালী ব্যাংকের এজিএম মো. রফিকুল ইসলাম দিনব্যাপী তত্ত¡াবধান করেন। বিকেলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম মসজিদ পরিদর্শন করেন। এসময় জেলা প্রশাসক জানান, দেড় বছর ধরে পাগলা মসজিদের টাকা জমা রাখা হচ্ছে। এ টাকা দিয়ে মসজিদের পরিধি বৃদ্ধিসহ আর্ন্তজাতিক মানের ইসলামী কমপ্লেক্স করা হবে বলে তিনি জানান। 

উল্লেখ্য, পাগলা মসজিদের বিপুল পরিমাণের টাকা পাগলা মসজিদ এবং এই মসজিদ কমপ্লেক্সের অন্তর্ভুক্ত মাদ্রাসা, এতিমখানা ও গোরস্থানের ব্যায় নির্বাহ করাসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানায় সহায়তার পাশাপাশি গরিব ছাত্র ও দুঃস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক কাজেও টাকা প্রদান করা হয়ে আসছে। 

এ মসজিদে মানত করলে মানুষের মনোবাসনা পূর্ণ হয় বলে জনশ্রæতি রয়েছে। তাই সকল ধর্মের মানুষ সেখানে দান করে থাকেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে হারুয়া এলাকায় অবস্থিত পাগলা মসজিদাট প্রায় চার একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। সুউচ্চ মিনার ও তিন গম্বুজ বিশিষ্ট তিনতলা বিশাল পাগলা মসজিদ কিশোরগঞ্জে অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা। প্রায় পাঁচশত বছর পূর্বে বাংলার বারো ভুঁইয়া অন্যতম ঈশা খাঁর আমলে দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে জিল কদর পাগলা নামক একজন ব্যক্তি নদীর তীরে বসে নামাজ পড়তেন। পরবর্তীতে ওই স্থানটিতে মসজিদটি নির্মিত হয়। জিল কদর পাগলার নামানুসারেই মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ হিসেবে পরিচিতি পায়। 


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




দেশে আসতে পারে মাঙ্কিপক্স

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কিপক্স। বাংলাদেশেও ভাইরাসটি প্রবেশ করার আশঙ্কা রয়েছে জানিয়ে আগাম সতর্ক করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে মাঙ্কিপক্স নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাঙ্কিপক্স এখনো শনাক্ত করা না গেলেও দেশের সব প্রবেশপথ দিয়ে বহু বিদেশি নাগরিক আসছেন। এতে করে শঙ্কা আছে। তাই বিমানবন্দরের পাশাপাশি স্থলপথের প্রবেশপথে সতর্কতা বাড়াতে হবে যাতে সন্দেহভাজন কেউ আসলে দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়া যায়।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, প্রতিদিনই মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খবর আসছে। গতকালও ব্রাজিলে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি কোনদিকে যায় বলা মুশকিল। তাই আতঙ্কিত না হয়ে এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। করোনা চীন হয়ে ইতালি দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। মাঙ্কিপক্স যে একইভাবে আসবে না তা নিশ্চিত নয়। তাই সময় থাকতে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও যুক্ত করেন, এখন পর্যন্ত মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধে গুটি বসন্তের টিকা ৮৫ ভাগ সুরক্ষা দেয়। কিন্তু ১৯৮১ সালের পর থেকে বাংলাদেশে এই টিকা দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এখন ভাইরাসটির প্রকোপ যদি বেড়ে যায় প্রয়োজনে আবারও সেই টিকা প্রয়োগ করা হবে। একই সঙ্গে যাদের বাসায় পোষা প্রাণী আছে, তাদের একটু সচেতন হতে হবে। কারণ এটি প্রাণী থেকে প্রাণী এবং সেখান থেকে মানুষকে সংক্রমিত করে।

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত অন্য ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ শারীরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে যেকেউ ঝুঁকিপূর্ণ, জানিয়ে তিনি বলেন, কয়েক বছর আগে দেখা গেছে, এই ভাইরাসে আক্রান্তদের ৭৪ ভাগ রোগী বহুগামিতায় অভ্যস্ত। আর ২৬ ভাগ রোগীর এইচআইভি এইডস শনাক্ত হয়।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




অর্থনীতিকে সহনশীল রাখতেই তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে সহনশীল ও স্বস্তির মধ্যে রাখতেই তেলের দাম বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। একইসাথে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমলে দেশেও তেলের দাম কমানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 রোববার সকালে কুমিল্লা নগরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সিলেট, কুমিল্লাসহ পাহাড়ি অঞ্চলে তেল ফসল ও ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালা শুরুর আগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ আন্তর্জাতিক সংকট দায়ী। এই সংকটের কারণে সারা পৃথিবীতেই অর্থনীতি অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। দেশে এ অস্থিরতা মোকাবেলা করার জন্য সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। তেলে এতো ভর্তুকি দিলে আমাদের ফরেন রিজার্ভ অনেক কমে যাবে, তখন সারা জাতি হুমকির মধ্যে পড়বে। তারচেয়ে বর্তমানে সাবধান হওয়া ভাল, সাশ্রয়ী ও কৃচ্ছ্রসাধন করা ভাল। বর্তমানে একটু কষ্ট সাময়িকভাবে মেনে নিয়ে যাতে আমরা সাবধান হই। দেশটাকে তো আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। সেজন্য, সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে যাতে তেলের ব্যবহার কিছুটা হলেও কমে এবং আমরা যাতে শ্রীলঙ্কার মতো বিপর্যয়ে না পড়ে সহনশীল অবস্থায় ও টিকে থাকতে পারি। 

তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে কৃষিতে প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ে নি, ফলে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রে কোন সমস্যা হবে না। তবে সার্বিকভাবে কৃষিতে কিছুটা প্রভাব পড়বে। কৃষি উৎপাদন কমবে না, তবে কৃষকের লাভ কমে আসবে। বিশ্বপরিস্থিতির কারণে একটু কষ্ট হলেও, আমাদর সবাইকে সম্মিলিতভাবে তা মোকাবেলা করতে হবে।

পরে কর্মশালায় প্রদত্ত বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সিলেট ও পাহাড়ি অঞ্চলে অনেক জমি পতিত থাকে। দেশে খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে কোনক্রমেই এসব জমি পতিত রাখা যাবে না। পাশাপাশি ধানের উৎপাদন না কমিয়ে বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে তেল ফসলকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য, কৃষি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

 কৃষিসচিব মো: সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত, ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজীর আলম,  বিএডিসির চেয়ারম্যান এএফএম হায়াতুল্লাহ, বারির মহাপরিচালক দেবাশীষ সরকার, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 


আরও খবর



কমেনি গণপরিবহনে ভোগান্তি

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে গণ-পরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। তবে গতকালও সড়কে বাড়েনি বাসের সংখ্যা। এতে শনিবার, রবিবার কর্মব্যস্ত রাজধানীতে মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। সরকারিভাবে বাস ভাড়া বাড়ানোর পরও যানবাহন কম দেখা গেছে সড়কে। এর নেপথ্যের কারণ দুটি বলে বিভিন্ন ব্যক্তি ও বাস শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে। গণ-পরিবহন ও দূরপাল্লার বাস ভাড়া বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রমিকদের বেতনভাতা বাড়ানোর ইস্যুতে এ কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। এ দিকে ড্রাইভার ও কনডাকটারদের মজুরি না বৃদ্ধি করায় গতকাল অনেকেই কাজে যোগ দেননি।

সূত্র বলছে, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অর্থরিটির (বিআরটিএ) সঙ্গে ভাড়া সমন্বয় করতে শনিবার রাতে বৈঠকে বসেছিল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতা ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। ওই বৈঠকেও বাসা ভাড়া বাড়ানো ও শ্রমিকদের বেতনভাতা সমন্বয় করতে বিতর্কে জড়ায় তারা। এই বিতর্কের বলি এখন সাধারণ মানুষ।

বাসযাত্রী আল ইমরান বলেন ‘‘বাসের ভাড়া আদায়কারীরা সরকারের বেধে দেওয়া ভাড়ার রেট মানছেন না। তারা ইচ্ছামত ১০ টাকার ভাড়া বিশ টাকা এবং বিশ টাকার ভাড়া ৪০-৫০ টাকা আদায় করছে। এবং বেশি ভাড়া দিতে না চাইলে যাত্রীর অপমান করছে। বাস থেকে নামিয়ে দিচ্ছে।’’

গত শুক্রবার জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়। শনিবার রাজধানীতে সড়কে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছিল গণপরিবহন। পরিবহন সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছিল সাধারণ মানুষ। এ দিন হাতে গোনা কিছু বাস চললেও বেশিরভাগই নামেনি সড়কে। বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকদের বৈঠক থেকে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয় শনিবার রাত সাড়ে ১০টায়। গতকাল রবিবার থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে। বর্ধিত এই ভাড়া ঢাকায় ১৬ শতাংশ এবং দেশের অন্য স্থানে ২২ শতাংশ বাড়ানো হয় । এতেও খুশি নন বাস-ট্রামের মালিকরা। তারা এই দুমূল্যের বাজারে বাস ড্রাইভার ও কনডাকটরদের মজুরি বাড়াতে রাজি নন। এ কারণে গতকালও দুর্ভোগ পোহাতে হয়ে সাধারণ মানুষের।

এই দূর্ভোেগের বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতুল্লাহ গণ-পরিবহনের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, কোথাও এ সংকট নেই। জ্বালানি তেলের উর্ধ্বগতির কারণে অনেক মালিক বাস নামায়নি। এ পেছনে অসৎ কোনো উদ্দেশ্যে নেই। দু-একদিন গেলেই এ সংকটও দূর হবে।

শ্রমিকদের বেতনভাতা বাড়ানো প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের  সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন বলেন, বাস ভাড়া বাড়ালে শ্রমিকদের বেতনভাতার প্রসঙ্গটি আসে। অতত্রব সব ক্ষেত্রে সমন্বয় হওয়া জরুরি।  তারা জানিয়েছেন, বাস মালিকপক্ষের কাছ থেকে গতকাল পর্যন্ত বেতন বাড়ানোর কোনও আশ্বাস তারা পাননি। এ কারণে অনেক শ্রমিক কাজে যোগ দেয়নি। রাজধানীর সড়কে বাস ও যানবাহন কম থাকার এটাও একটা কারণ।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী

নূর হোসেনকে অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

 বুলবুল আহমেদ সোহেল; নারায়ণগঞ্জঃ

আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী নূর হোসেনকে একটি অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন এই রায় ঘোষণা করেন।

জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. সালাহ উদ্দীন সুইট বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেছেন। 

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, একটি অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায় ঘোষণার আগে তাকে কড়া নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয় সেই সাথে বিচারকি কার্যক্রম শেষে তাকে আবার কড়া নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

২০১৪ সালে ১৫ মে দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় নুর হোসেনর স্টোর রুমের নীচ তলা থেকে থেকে একটি রিবালভার, ৮ রাউন্ড গুলি ও ৮ কাটুসের গুলি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এঘটনায় পরদিন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনের মামলা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে ওই বছরেই প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। আদালত ৪ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামী নূর হোসেনকে দুটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবি চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। 

জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারী রায় প্রদান করেন। রায়ে ২৬ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ৭ জনকে ১০ বছর করে এবং ২ জনকে ৭ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ আপিল করলে দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৮ সালে ২২ আগস্ট হাই কোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ বহাল রাখেন। আর বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন


আরও খবর



বিএনপির রাজপথের শক্তি যত হ্রাস পাচ্ছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  গণমাধ্যমের সামনে দলটির নেতাদের হাস্যকর তর্জন-গর্জন ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৩ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও বিএনপি নামক রাজনৈতিক দলটি দুর্যোগ-দুর্বিপাক ও সংকটে জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে সংকটকে পুঁজি করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে পরিস্থিতিকে ভয়াবহতার দিকে ঠেলে দিতে সব ধরনের অপচেষ্টা চালায়।’

আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে করতে বিএনপির দেশবিরোধী চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি নেতাকর্মীরা) আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করতে মরিয়া হয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি নেতারা দায়িত্বশীল আচরণ করবে এবং জনগণের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড পরিহার করবে। না হলে, দেশের জনগণ বিএনপিকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত করবে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপি মানসিক দেউলিয়াত্ব ফুটে উঠেছে বলে দাবি করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বারবার নির্বাচনে না আসার মতো শিশুসুলভ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। আমরাও বারবার বলেছি, দেশের সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী যথাসময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংবিধান বহির্ভূত যে কোনও বিধান দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক শাসন ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করার নামান্তর। শর্ত দিয়ে নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও অগণতান্ত্রিক অশুভ অপশক্তির হাতে রাষ্ট্রক্ষমতার প্রত্যাবর্তন জনগণ মেনে নেবে না। বিএনপি তার অতীত

অপকর্মের জন্য জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পায়। সেকারণে তারা সাংবিধানিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাদের বিদেশি প্রভুদের আজ্ঞাবহ সরকার গঠনের দিবাস্বপ্নে নিমজ্জিত হয়ে আছে।


আরও খবর