Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

৩০শ জুন এইচএসসি পরিক্ষা শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষা ৩০ জুনই শুরু হবে। 


পরীক্ষা পেছানোর যে বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে সেটি সত্য নয়। পূর্বের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


শনিবার (১ জুন)  ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মোঃ আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক বিজপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।


সময়সূচি অনুযায়ী ৩০ জুন বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে এই পরীক্ষা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।


 কোনো কোনো পরীক্ষা বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে।




আরও খবর



যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে টানা পঞ্চমবার জিতলেন রুশনারা আলী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী। 



টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসন থেকে জিতেছেন তিনি। এ নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপুল বিজয় হয়েছে। রুশনারা আলী ১৫ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। 


তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আজমল মাশরুর পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৭ ভোট। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রাবিনা খান ৪ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।



বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৫ জুলাই) বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪০২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। দলটি বড় ব্যবধান গড়ে তুলেছে কনজারভেটিভ পার্টির সঙ্গে। এই পার্টি পেয়েছে ১০৮টি আসন। লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টি জয় পেয়েছে ৬৭টি আসনে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ৩২৬ আসনে জয় প্রয়োজন।


প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রুশনারা আলী। তার জন্ম সিলেটে। রুশনারা আলীর বয়স যখন সাত বছর, তখন যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমায় তার পরিবার।



 রুশনারা আলী অক্সফোর্ডের সেন্ট জনস কলেজ থেকে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনে ২০১০ সাল থেকে এর আগে টানা চারবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি।



 ২০১০ থেকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক ছায়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রুশনারা আলী। এরপর ২০১৩ সালের অক্টোবরে ছায়া  শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন তিনি।

 


আরও খবর



বিকেলে বাসায় ফিরতে পারেন খালেদা জিয়া

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


রাজধানীর একটি হাসপাতালে ১২ দিন ধরে চিকিৎসা নেয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিকেলে বাসায় ফেরার কথা রয়েছে। 



মঙ্গলবার (০২ জুলাই) বিএনপি সূত্রে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি বাসায় ফিরতে পারেন বলেও জানানো হয়।


রোববার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ম্যাডামের হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়েছে।  হৃদরোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। 



হার্টে ব্লক ছিল, একটা স্টেনটিংও করা ছিল। সব কিছু পর্যালোচনা করে মেডিকেল বোর্ড ম্যাডামের হার্টে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পেসমেকার স্থাপনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।



শুক্রবার (২১ জুন) গভীর রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। তারপর তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।


মেডিকেল বোর্ড কয়েক দফা বৈঠকে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হার্টে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী, অধ্যাপক শামসুল আরেফিন, অধ্যাপক একিউএম মহসিনসহ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কয়েক দফা বৈঠকে বসে খালেদা জিয়ার সবশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করেন।



৭৯ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।


আরও খবর



দিল্লিতে ৮৮ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মৌসুমী বৃষ্টিতে অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে সেখানে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

দেশটির আবহাওয়া বিভাগ শুক্রবার (২৮ জুন) জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে আজ সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা ১৯৩৬ সালের পর একদিনে (২৪ ঘণ্টায়) সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। ৮৮ বছর আগে ১৯৩৬ সালে ২৩৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল।

সাধারণত জুন মাসে দিল্লিতে গড়ে ৮০ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

এই অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত দিল্লির শহরের বাসিন্দাদের জন্য বয়ে এনেছে অসহনীয় দুর্ভোগ। যারা অফিস বা কাজের জন্য বের হয়েছিলেন তারা জলাবদ্ধতা এবং ট্রাফিক জ্যামের কবলে পড়েছেন।

তবে এই বৃষ্টিপাত আবার দিল্লিবাসীর জন্য আশীর্বাদ হিসেবেও এসেছে। কারণ সেখানে গত দুই মাস ধরে অসহনীয় তাপমাত্রা বিরাজ করছিল। আজ শুক্রবার দিল্লির তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সাধারণ থেকে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি কম।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এই বৃষ্টিপাত আবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য কতটা অপ্রস্তুত দিল্লি।

গত ১৮ জুন দিল্লির মেয়র শেলি ওবে দাবি করেছিলেন, বর্ষা মৌসুমের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন। কিন্তু মৌসুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিপাতেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেছে।

বৃষ্টির পরিমাণ এতই বেশি ছিল যে কোথাও কোথাও ৩ ফুট পর্যন্ত পানি জমেছে। এছাড়া নদিয়ার অবস্থাও এমন নাজুকই বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।


আরও খবর



আত্রাইয়ে বন্যার আগেই একাধীক পাকা সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর আত্রাইয়ে আত্রাই-সিংড়া বাঁধ কাম পাকা সড়কের ডুবাই নামকস্থানে এবং আত্রাই-বান্দায়খাড়া বাঁধ কাম পাকা সড়কের লালুয়া নামকস্থানে ধ্বসে গেছে। এতে উপজেলা সদরের সাথে সদরের পূর্বা ল এবং পশ্চিমা অ লের বাসিন্দারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছেন। এলাকাবাসী বলছেন এখনো বন্যার পানির চাপ শুরুই হয়নি,এর মধ্যেই যেখানে সেখানে বাঁধ কাম পাকা সড়ক ধ্বসে যাচ্ছে। ফলে ভরপুর বন্যা হলে বাড়ী-ঘর রক্ষায় চিন্তিত হয়ে পরেছেন এলাকাবাসী। এদিকে সড়ক ধ্বসে যাবার খবর পেয়ে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি,নওগাঁ জেলা প্রশাসক,নওগাঁর পাউবির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ঠরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বৈঠাখালি গ্রামের জয়নুলসহ স্থানীয়রা জানান, একটানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানির কারনে নদ-নদীতে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো নদীতে সেরকম পানির চাপ শুরু হয়নি। তার পরেও বৃহস্পতিবার রাতে আত্রাই থেকে নাটোরের সিংড়ার সাথে যোগাযোগের একমাত্র সড়কের শিকারপুর এলাকায় গুড় নদীর বাঁধ কাম পাকা সড়ক ধ্বসে যায়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন শুক্রবার ধ্বসে যাওয়া সড়ক মেরামত করে। এর পর শুক্রবার রাতে ওই ভাঙ্গনের প্রায় এক কিলোমিটার পূর্বদিকে বৈঠাখালির ডুবাই নামক ¯øুইচগেট সংলগ্ন স্থানে পাকা সড়ক ধ্বসে যায়। এতে ওই সড়কে যানবাহনসহ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া শনিবার সকালে উপজেলা সদরের পশ্চিম এলাকায় আত্রাই-বান্দাইখাড়া সড়কের লালুয়া নামকস্থানে বাঁধ কাম পাকা সড়ক ধ্বসে যায়। এতে উপজেলা সদরের সাথে ওই সড়ক দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। লালুয়া গ্রামের সাইদুর রহমান বলেন,সড়কের নিচ দিয়ে আগে থেকেই সামান্য করে পানি বের হতো। শনিবার সকালে হঠাৎ করেই পাকা সড়ক ধ্বসে পরে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। 

ডুবাই ধ্বসে যাওয়া সড়ক দেখতে আসা আব্দুর রশিদ,হামিদুর রহমান এবং সফিকুল ইসলাম বলেন,এখনো নদীতে পানির চাপ শুরু হয়নি। সামান্য পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের নিকট বর্তি আসতেই একাধিক স্থানে ধ্বসে গেলো। তাহলে ভরপুর বন্যা হলে তো আমাদের বাড়ী-ঘর থাকবেনা। আসন্ন মৌসুমে বন্যা হলে কিভাবে বাড়ী-ঘর রক্ষা করবেন তা নিয়ে চরম চিন্তিত হয়ে পরেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।তবে এখনই বাঁধ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ঠদের অনুরোধ জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

এদিকে হঠাৎ করেই একাধীক পাকা সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় এমপি এ্যাড: ওমর ফারুক সুমন,নওগাঁ জেলা প্রশাসক গোলাম মাওলা,নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়জুর রহমান,আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল জানান,শনিবার বিকেল তিনটা পর্যন্ত আত্রাই নদী আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় বিপদ সিমার ১৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। 

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়জুর রহমান বলেন,দীর্ঘ দিন আগের নির্মিত বাঁধ কাম পাকা সড়ক ইঁদুরে এবং শেয়ালে গর্ত করে নষ্ট করে ফেলেছে। ফলে পানি আসার সাথে সাথেই সড়কের নিচ দিয়ে পানি পার হয়ে ধ্বসে যাচ্ছে। ধ্বসে যাওয়া স্থানগুলো মেরামতের কাজ চলছে। আসা করছি দ্রæতই চলাচল স্বাভাবিক হবে। এছাড়া বাঁধকাম পাকা সড়কে সার্বক্ষনিক নজরদারি করা হচ্ছে।


আরও খবর



শুধু চিকিৎসার জন্য জনপ্রতি ব্যয় আয়ের ৭৩ শতাংশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ৬১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যায়, যা মোট জনসংখ্যার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। কেননা কম সরকারি বরাদ্দ এবং যা বরাদ্দ হয় সেটিরও কার্যকর ব্যয় না হওয়ায় মানুষের পকেট থেকে চলে যাচ্ছে বছরে মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ অর্থ। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে ওষুধ কিনতে গিয়ে ৫৪ দশমিক ৪০ শতাংশ, দ্বিতীয় অবস্থানে ডায়াগনস্টিকের জন্য ২৭ দশমিক ৫২ শতাংশ, কন্সালটেশনের জন্য ১০ দশমিক ৩১ এবং পরিবহণের জন্য খরচ হয় ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্থ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আমি স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন করব, কেননা এটা আমরা জন্য চ্যালেঞ্জ। এই আইনের মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসক সব পক্ষকে সুরক্ষা দেওয়াটা আমার দায়িত্ব। সেই সঙ্গে হেলথ ইন্স্যুরেন্সের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের তুলনায় বাংলাদেশে রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ভার বেশি। মালদ্বীপে স্বাস্থ্যসেবার মাত্র ১৪ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হয়। অথচ বাংলাদেশে একজন রোগীকে মোট ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ বহন করতে হয়। এই ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা হিমশিম খাচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিচ্ছে। যদিও জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) ২০৩২ সালের মধ্যে ব্যয়ের এই হার ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করা হয়েছে। চিকিৎসায় রোগীর ব্যয় বৃদ্ধির জন্য সরকারের অদূরদর্শিতা ও অবহেলাকে দায়ী করেছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। তাদের মতে, স্বাস্থ্য খাতকে এখনো অবহেলার চোখে দেখা হয়। বাজেট বরাদ্দে স্বাস্থ্য খাত সবসময় পিছিয়ে থাকে। সামান্য যা বরাদ্দ হয় সেই অর্থও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় না। ফলে রোগীকে রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। রোগীর খরচের এই লাগাম টানতে না পারলে এসডিজি অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ জন্য বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী বা লোকবল বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সুবিধা এবং

প্রয়োজনীয় ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

২০০০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারের এবং রোগীর ব্যয়ের একটি পরিসংখ্যান গত ১৫ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম বাজেট বরাদ্দ হয় বাংলাদেশে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ৪১ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ১৭ কোটি ১২ লাখ মানুষের বিপরীতে টাকার অঙ্কে সরকার ব্যয় করবে গড়ে ৩ হাজার ৪২ টাকা (২৬ ডলার)। ২০০০ সালে বাংলাদেশে রোগীর চিকিৎসার জন্য সরকার ব্যয় করত গড়ে ৮ ডলার। ২০২১ সালে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ৯ ডলার।

রোগীর ঘাড়ে বোঝার ভার: দুই দশক আগেও সরকার চিকিৎসা ব্যয়ের ৩৮ শতাংশ বহন করত। এখন রোগীর ব্যয়ভার ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে। ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, দেশে এখন আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার ৭৩ শতাংশের বেশি। কারণ, ২০২১ সালে আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার ছিল ৭৩ শতাংশ। কভিড-পরবর্তী সময়ে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধসহ অন্যান্য ব্যয় কয়েক ধাপে বেড়েছে। কিন্তু এরপর আর কোনো জরিপ হয়নি। ২০২০ সালে এই হার ছিল ৭৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৭০ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৭৩ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৭১ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৭০ শতাংশ, ২০১২ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১১ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১০ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০০৯ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০০৮ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৭ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৬ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০৫ সালে ৬৫ শতাংশ, ২০০৪ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০৩ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০২ সালে ৬৩ শতাংশ, ২০০১ সালে ৬৬ শতাংশ, ২০০০ সালে ৬২ শতাংশ।

রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ভারের শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। ৭৯ শতাংশ ব্যয়ের ভার নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে আর্মেনিয়া ও তুর্কিস্তান। এই সূচকে ৭৭ শতাংশ রোগীকে ব্যয় করতে হয় যৌথভাবে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি এবং আফগানিস্তানে। নাইজেরিয়ার নাগরিকদের চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৬ শতাংশ নিজেকেই বহন করতে হয়। এর পরই বাংলাদেশের অবস্থান। দেশে নাগরিকদের ব্যয় করতে হয় ৭৩ শতাংশ। প্রতিবেশী মিয়ানমারে রোগীর ঘাড়ে ৭০ শতাংশ ব্যয়ের বোঝা। টোগোতে ৬৯ শতাংশ, ক্যামেরুনে ৬৭ শতাংশ। এ তালিকায় সবচেয়ে কম ৬৬ শতাংশ বহন করতে হয় আজারবাইজানের নাগরিকদের।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের নাগরিকদের চেয়ে বাংলাদেশে একজন রোগীকে বেশি ব্যয় করতে হয়। মালদ্বীপের নাগরিকরা চিকিৎসা ব্যয়ের মাত্র ১৪ শতাংশ নিজেরা বহন করে। ভুটানের এই ব্যয়ের হার ১৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৪ শতাংশ, ভারতে ৫০ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ, পাকিস্তানে ৫৭ শতাংশ ব্যয় রোগীরা বহন করে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় রোগীর ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বাজেট বরাদ্দের স্বল্পতাকে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, ১৭ কোটি মানুষকে ভালো রাখতে বাজেটের অন্তত ১২ থেকে ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রয়োজন। সেখানে বরাদ্দ ৫ শতাংশে আটকে আছে। এ বছর প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ৫ দশমিক ২ শতাংশ। মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এই অর্থ অপর্যাপ্ত। এর পরও সমস্যা হলো, স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অর্থ চিকিৎসাসেবায় ব্যয় করা সম্ভব হয় না। সীমিত অর্থের বিরাট অংশ কাজে লাগাতে পারে না মন্ত্রণালয়। সেগুলো ফেরত যায়। এতে সরকারি সেবার পরিধি ছোট হচ্ছে। রোগীকে অর্থ খরচ করে বেসরকারিতে সেবা নিতে হচ্ছে। এজন্য দেশের জিডিপির বড় অংশ স্বাস্থ্যে বরাদ্দ দিতে হবে। সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ বিনামূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যেও এই বিশেষজ্ঞের বক্তব্যের প্রমাণ মিলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়। সবশেষ বাজেটে বাংলাদেশে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ২৬ ডলার। প্রতিবেশী মিয়ানমারে এই ব্যয়ের পরিমাণ ৪৮ ডলার। পাকিস্তানে ৪৯ ডলার, নেপালে ৭৬ ডলার, ভারতে ৮১ ডলার। শ্রীলঙ্কায় সরকারের ব্যয়ের পরিমাণ বেশ ভালো। সেখানে ব্যয় করা হয় গড়ে ২৮৩ ডলার। মালদ্বীপ তার নাগরিকদের জন্য বছরে ব্যয় করে প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ ডলার। বৈশ্বিক সূচকেও স্বাস্থ্য ব্যয়ের হিসেবে তলানিতে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যভুক্ত ১১২টি দেশের স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম সরকারি ব্যয়ের ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৯তম। এই তালিকায় আফগানিস্তান ছাড়া বাকি ১৮টি দেশ আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দরিদ্রতম দেশ।

কম ব্যয়ের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ সুদান। সেখানে সরকার গড়ে ব্যয় করে ৫ দশমিক ৪ ডলার। এরপর কঙ্গোতে ৭ দশমিক ৬ ডলার। মাদাগাস্কারে সরকার ব্যয় করে ১১ দশমিক ৯ ডলার, সেন্ট্রাল আফ্রিকায় ১১ দশমিক ৯ ডলার, বেনিনে ১২ ডলার, আফগানিস্তানে ১২ ডলার, টগোতে ১২ দশমিক ৯ ডলার, হাইতিতে ১৩ দশমিক ৪ ডলার, শাদে ১৪ দশমিক ১ ডলার, ইরত্রিয়ায় ১৬ দশমিক ৯ ডলার, লাইবেরিয়ায় ব্যয় ১৭ ডলার, বুরুন্ডিতে ১৭ দশমিক ৩ ডলার, ক্যামেরুনে ১৯ দশমিক ৭ ডলার, গিনিতে ২০ ডলার, জিম্বাবুয়েতে ২০ দশমিক ৭ ডলার, মালাউইয়ে ২১ দশমিক ৯ ডলার, গিনি বিসাউয়ে ২৪ দশমিক ১ ডলার, ইথিওপিয়ায় ২৪ দশমিক ৯ ডলার, বাংলাদেশে ২৫ দশমিক ৯ ডলার এবং সবশেষ তানজানিয়ায় জনপ্রতি সরকার ব্যয় করে ২৬ দশমিক ১ ডলার।

জিডিপির হিসাবেও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমেছে: দেশের উন্নয়নের প্রধান সূচক হলো জিডিপি। মোট দেশজ উন্নয়নের মাত্র দশমিক ৪০ শতাংশ অর্থ সরকার স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে। ২০০০ সালে এই ব্যয়ের পরিমাণ ছিল দশমিক ৫১ শতাংশ। ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপালের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির হিসাবে বরাদ্দের পরিমাণ নিম্নগামী। বাংলাদেশের তুলনায় ভুটান প্রায় পাঁচগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে। শ্রীলঙ্কায়ও প্রায় চারগুণের বেশি অর্থ ব্যয় করে। মিয়ানমার, নেপাল স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের হিসেবে প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে। পাকিস্তান ছাড়া এ তালিকায় সবাই উন্নতি করেছে।

জিডিপির হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে কম স্বাস্থ্য ব্যয়ের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। এই সূচকে শীর্ষে রয়েছে বেনিন। সেখানে দশমিক ৩২ শতাংশ ব্যয় করা হয়। এর পরই বাংলাদেশের অবস্থান। দেশে এখন দশমিক ৪০ শতাংশ ব্যয় করা হয়। সূচকে দশমিক ৪৩ শতাংশ ব্যয়ের হিসাবে বাংলাদেশের পর হাইতির অবস্থান। ক্যামেরুন ব্যয় করে দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ ছাড়া নাইজেরিয়া দশমিক ৫৪ শতাংশ, টেগো দশমিক ৫৫ শতাংশ, কঙ্গোতে দশমিক ৬৩ শতাংশ, ইকুয়েডর দশমিক ৬৮ শতাংশ, গিনি দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং লাওসে দশমিক ৭২ শতাংশ ব্যয় করা হয়।

জিডিপির হিসাবে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে কিউবা। সেখানে ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ব্যয় করা হয় স্বাস্থ্য খাতে। এরপর নাউরু ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, কিরিবাতি ১১ দশমিক ১২ শতাংশ, ব্রিটেন ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জার্মানি ১০ দশমিক ২২ শতাংশ, টুভালু ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ, সুইডেন ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্র ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ফ্রান্স ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন ফোরামের কনভেনার ডা. সৈয়দ রুবায়েত বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম ব্যয় করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ একজন মানুষের পেছনে গড়ে ২৬ ডলার ব্যয় করেছে। এ সময়ে প্রতিবেশী মিয়ানমার ৪৮ ডলার ব্যয় করেছে। পাকিস্তান নানা সংকটের মধ্যেও ৪৯ ডলার ব্যয় করেছে। নেপালে ৭৬ ডলার, ভারতে ৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কায় ২৮৩ ডলার জনপ্রতি ব্যয় করেছে। সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে মালদ্বীপ। তারা ওই বছর জনপ্রতি গড়ে ১ হাজার ৪৭৯ ডলার ব্যয় করেছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের তথ্যমতে, বাংলাদেশে এখন চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হয়। ২০০০ সালে মোট ব্যয়ের ৬২ শতাংশ রোগীকে বহন করতে হতো। এরপর প্রতিনিয়ত শুধু বাড়ছেই সূচক। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ৮ দশমিক ৬১ মিলিয়ন বা ৮৬ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। ২০৩২ সালের মধ্যে রোগীর ব্যয় কমিয়ে ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। ফলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে যাবে। তাই স্বাস্থ্যে বাজেটের পরিমাণ বাড়াতে হবে। রোগীদের ঘাড় থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমাতে হবে


আরও খবর