Logo
শিরোনাম

৫৪২ আসনের চূড়ান্ত ফল: বিজেপি ২৪০, কংগ্রেস ৯৯

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে একটি বাদে বাকিগুলোর চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। 


ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ৫৪২টি আসনের মধ্যে ২৪০টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। 


অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) সাতটি ও শিবসেনা (এসএইচএস) সাতটি আসনে জয় পেয়েছে।



পাঁচটি আসন পেয়েছে লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস)। চারটি করে আসনে জয় পেয়েছে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট)- সিপিআই (এম), ওয়াইএসআরসিপি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)।



আম আদমি পার্টি, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) তিনটি করে আসন পেয়েছে।


কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট–লেনিনিস্ট) (লিবারেশন)–সিপিআই (এমএল) (এল), জনতা দল-জেডি (এস), জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স (জেকেএন), রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরএলডি), জনসেনা পার্টি (জেএনপি) ও ভিসিকে দুটি করে আসনে জয় পেয়েছে।



এ ছাড়া বেশ কয়েকটি দল একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাতজন।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর তথ্যমতে, ঘোষিত ফল অনুযায়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স–এনডিএ জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৬টি। অপর দিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের মোট আসনসংখ্যা হয়েছে ২০১টি। 


যে আসনটির ফল এখনো ঘোষণা হয়নি, সেটিতে এগিয়ে আছে শারদ পাওয়ারের এনসিপিএসপি। এই দলটিও ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে রয়েছে। আসনটি তারা পেলে বিরোধী এই জোটের আসন সংখ্যা হবে ২০২টি।  


 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে ৩০৩ আসনে জয় পেয়েছিল। সেবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ ৩৫২ আসনে জয় পায়। এবার বিজেপি সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি। সে ক্ষেত্রে এনডিএ জোট শরিকদের ওপর নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে।


গত নির্বাচনে কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৫২টি আসন। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ জোট পেয়েছিল ৯৪ আসন।


লোকসভার মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৭২ আসন। সে ক্ষেত্রে বিজেপি তার জোটসঙ্গীদের নিয়ে সরকার গঠন করতে পারবে। তবে জোটসঙ্গীদের মধ্যে বেশি আসন পাওয়া দলগুলো বিরোধী শিবিরে গেলে চিত্র ভিন্ন হতে পারে।


বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকদের প্রধান অন্ধ্রপ্রদেশে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম পার্টি ১৬টি এবং বিহারে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল-ইউনাইটেড (জেডি–ইউ) ১২টি আসনে জয় পেয়েছে। এই দুই দল ছাড়া আরও একাধিক এনডিএ শরিকের ওপর নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে। 


এদের মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্রের শিবসেনার সিন্ধে গোষ্ঠী, বিহারে লোক জনশক্তি পার্টি এবং উত্তর প্রদেশের রাষ্ট্রীয় লোক দল।


আরও খবর



চাঁদপুরে ৬ লাখ টাকা নিয়ে কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রহরি লাপাত্তা !

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

কামরুজ্জামান টুটুল, চাঁদপুর থেকে :

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্মসংস্থান ব্যংকের  নিরাপত্তা প্রহরী বাবুল হোসেন পাটোয়ারী ব্যাংকের পৌনে ৫ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়েছেন। এ ঘটনায় উক্ত শাখা থেকে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন শাখা ব্যবস্থাপক। ঘটনাটি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ শাখার। গত ৩ জুলাই বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত বাবুল হোসেন পাটোয়ারি  পাশের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা ইউনিয়নের গোলপুরা পাটোয়ারি বাড়ির শফিকুর রহমান পাটোয়ারির ছেলে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই বিকালে ব্যাংকের লেনদেন শেষে বাবুল পাটোয়ারীর মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩০ টাকা জমা দেবার জন্য হাজীগঞ্জ বাজারস্থ জনতা ব্যাংকে জমা দেবার জন্য পাঠানো হয় এর পর থেকে বাবুল নিখোঁজ রয়েছে। 

এ বিষয়ে কমর্মসংস্থান ব্যাংক হাজীগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক  নাছিমা বেগম জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছি বলেন এ বিষয়ে কোন বক্তব্য না নেয়ার অনুরোধ করেন।  তবে তিনি  আরো জানান, বিষয়টি নিয়ে বাড়া-বাড়ী না করাটাই ভালো। ঘটনা যা ঘটেছে পুলিশ বিষয়টি দেখছে।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আবদুর রশিদ জানান, টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানায় ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। অপর দিকে নিখোঁজ নিরাপত্তা প্রহরি বাবুলের স্ত্রীও একটি সাধারণ করার জন্য থানায় এসেছিলো। বিষয়টি তদন্ত করা দেখা হচ্ছে।


আরও খবর



অবিক্রীত রয়ে গেলো সাড়ে ২৩ লাখ পশু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

এবার কোরবানি ঈদে সারা দেশে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার ২২৮ গবাদিপশু বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এবার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট পশু মজুত ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি পশু।

এতে বলা হ‌য়ে‌ছে, এবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম পশু বিক্রি হয়েছে। এ বছর ঢাকায় ২৫ লাখ ২০ হাজার, চট্টগ্রামে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার আর রাজশাহীতে ২৩ লাখ পশু বিক্রি হয়। গত বছর কোরবানি ঈদে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে, অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত ছিল। আর ২০২২ সালে সারাদেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি হয়েছিল।

এত পশু অবিক্রীত থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের মধ্যে যারা বড় গরু বাজারে এনেছিলেন, তার অধিকাংশই অবিক্রীত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তারা। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন, তাদের অনেকের অবস্থা করুণ। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই এখন তাদের জন্য কঠিন হবে। ভারত-মিয়ানমার থেকে এবার অবৈধ পথে গরু আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন এলাকার খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিলেন খুবই কম।

এবার কোরবানি ঈদে সারা দেশে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার ২২৮ গবাদিপশু বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এবার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট পশু মজুত ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি পশু।

এতে বলা হ‌য়ে‌ছে, এবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম পশু বিক্রি হয়েছে। এ বছর ঢাকায় ২৫ লাখ ২০ হাজার, চট্টগ্রামে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার আর রাজশাহীতে ২৩ লাখ পশু বিক্রি হয়। গত বছর কোরবানি ঈদে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে, অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত ছিল। আর ২০২২ সালে সারাদেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি হয়েছিল।

এত পশু অবিক্রীত থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের মধ্যে যারা বড় গরু বাজারে এনেছিলেন, তার অধিকাংশই অবিক্রীত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তারা। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন, তাদের অনেকের অবস্থা করুণ। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই এখন তাদের জন্য কঠিন হবে। ভারত-মিয়ানমার থেকে এবার অবৈধ পথে গরু আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন এলাকার খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিলেন খুবই কম।


আরও খবর



হামাস প্রধানের বোন ইসরায়েলি হামলায় নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়াহর বোনসহ পরিবারের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজার শাতি শরণার্থী শিবিরে এ ঘটনা ঘটে।

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস এবং উপত্যকাটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এই তথ্য জানিয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন ছেলেসহ অনেক আত্মীয়-স্বজনকে হারিয়েছেন হানিয়াহ। এক প্রতিবেদনে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হানিয়াহ পরিবারের ওপর হামলা এবং নিহতের সংখ্যাটি নিশ্চিত করে হামাস। এসময় গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী যুদ্ধ অব্যাহত রাখার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করে তারা।

বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল এএফপি বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, মঙ্গলবার সকালে শাতি শরণার্থী শিবিরে হানিয়াহ পরিবারের বাড়িটি লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়।

বাসাল বলেছেন, ইসরায়েলের হামলায় হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়াহর বোন জাহর হানিয়াহসহ পরিবারের ১০ জন শহীদ হয়েছেন। সম্ভবত ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক লাশ রয়েছে। তবে ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে সেগুলো বের করার মতো আমাদের প্রয়োজনীয় কোনও সরঞ্জাম নেই।

বাসাল আরও জানিয়েছেন, মৃতদেহগুলোকে নিকটবর্তী আল-আহলি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷


আরও খবর



তিস্তার পানি নিয়ে মোদিকে এক হাত নিলেন মমতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফের কড়া সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 



ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৮ জুলাই) প্রশাসনিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারকে এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। 


খবরে বলা হয়েছে, গতকালের বৈঠকে মমতা উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি, শহরের যানজট থেকে মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। সেইসঙ্গে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (ডিভিসি) পানি ছাড়া নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। 



মমতা বলেন, গঙ্গায় ভাঙন দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রের। কিন্তু কেন্দ্র গত ১০ বছরে তা করেনি। বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার আগে প্রতিদিন ডিভিসির রিপোর্ট তাকে পাঠাতে হবে।


তিস্তা চুক্তির পুনর্নবীকরণ নিয়েও কেন্দ্রকে এক হাত নিয়েছেন তিনি। তার মতে, তিস্তার পানি বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া হলে উত্তরবঙ্গের মানুষ পানি পাবেন না। 



২২তম ইন্দো-রাশিয়া সামিটে যোগ দিতে দুই দিনের বর্তমানে রাশিয়ায় আছেন নরেন্দ্র মোদি। সোমবার তিনি মস্কো বিমানবন্দরে পৌঁছান। রাশিয়া সফরের পর মোদি যাবেন অস্ট্রিয়ায়।


ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে নরেন্দ্র মোদির এই সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখছে পুরো বিশ্বের কূটনীতি। 


ভারতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এটি মোদির প্রথম রাশিয়া সফর।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনা জাতিসংঘে তুলে ধরলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি বাংলা  ডিজিটাল ডেস্ক:



কক্সবাজার সীমান্তে এ দেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা জাতিসংঘে তুলে ধরল বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের যে কোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে প্রভাবিত না করে।


জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর অনুষ্ঠিত সংলাপে বিষয়টি অবহিত করা হয়। জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 



সংলাপে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সাত বছর ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান। 


জেনেভায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। 



এ বিষয়ে তিনি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের আত্তীকরণের জন্য তাদের জীবিকার ব্যবস্থা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। 



তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তার আহ্বান জানান। 



সংলাপের শুরুতে মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক কাউন্সিলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর একটি প্রতিবেদন পেশ করেন। তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ এবং রাখাইনে ঘৃণ্য যুদ্ধ-কৌশল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 


জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এ অধিবেশন ১৮ জুন শুরু হয়েছে এবং আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।


আরও খবর