Logo
শিরোনাম

৬ ঘণ্টা স্কুলের টয়লেটে আটকা, তালা ভেঙে উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:



মাদারীপুরে স্কুলের টয়লেটে আটকা পড়ে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। ৬ ঘণ্টা বাথরুমে আটকে থাকার পর সন্ধ্যায় তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। 


গত বৃহস্পতিবার (১৬ মে) মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর পাঁচখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। 


ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাফিন হোসেন (৭) পাঁচখোলা ইউনিয়নের মৃত নুরুল হকের ছেলেএতটা সময় আটকে থেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে কোমলমতি ওই শিক্ষার্থী। তাকে জেলার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 


একাধিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে সহপাঠীদের সঙ্গে স্কুলে যায় রাফিন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে টয়লেটে যায় সে। শ্রেণিকক্ষে পরীক্ষা থাকার কারণে সাড়ে ১২টার দিকে স্কুল ছুটি হয়ে যায়। ছুটির ঘণ্টা পড়লে সব শিক্ষার্থী বাড়িতে চলে যায়। পরে স্কুলের দপ্তরি খোকন খান শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেটের দরজা তালাবদ্ধ করে চলে যান। এতে আটকা পড়ে রাফিন।  



বের হতে না পেরে অঝোরে কাঁদতে থাকে রাফিন। এক পর্যায়ে চিৎকার করে সাহায্য চাইতে থাকে। কিন্তু দরজা-জানালা সব বন্ধ থাকায় রাফিনের কান্না ও চিৎকার স্কুলের বাইরে কারও কান অবধি পৌঁছায়নি। 


এদিকে স্কুল ছুটির পরও রাফিন বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যায়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়া এক পথচারী শুনতে পান তালাবদ্ধ স্কুলের ভেতর থেকে শিশুর কান্নার শব্দ ভেসে আসছে। 


তিনি দৌড়ে স্কুলের কাছে ছুটে যান। টয়লেটের ভেতর একটি শিশু আটকা পড়েছে বুঝতে পেরে তালা ভেঙে রাফিনকে উদ্ধার করেন।  ঘটনাটি পরদিন শুক্রবার (১৭ মে) বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।


মাদারীপুর সদরের ৯ নম্বর পাঁচখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম বলেন, ‘বিষয়টি দুঃখজনক। এই ঘটনা কেউ ইচ্ছাকৃত করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মামুন বলেন, ‘কেন এমন ঘটনা ঘটেছে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের সঙ্গে এমন ঘটনা কাম্য নয়।’


মাদারীপুর জেলা শিশু একাডেমির কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এমন ঘটনা ১৯৮০ সালের শিশুতোষ চলচ্চিত্র ছুটির ঘণ্টা মতো হতো পারতো! বিষয়টি দুঃখজনক ও কষ্টদায়ক। এই ঘটনার দায় প্রধান শিক্ষক, দপ্তরি—কেউই এড়াতে পারেন না। তাদের সবার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি নিয়মিত মামলা হওয়া উচিত।’


আরও খবর



গ্রামীণফোনকে শোকজ, জরিমানা হতে পারে ৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কল ড্রপ ইস্যুতে মোবাইল অপারেটরদের আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় সরকার। এ ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



 ইতোমধ্যে কল ড্রপ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় শোকজ করা হয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে। সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ২ কোটি টাকা হতে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে।


বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে জিপিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি-ব্রেইন’ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পেকট্রাম বরাদ্দের তুলনায় ইউটিলাইজেশন কম। গ্রামীণফোন বারবার বলে টাওয়ার কম। কিন্তু টাওয়ার যা আছে, তাতে বিটিআরসি যতটুকু স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছে, সেটা কেন ব্যবহার করছে না? 



কারণ ওই স্পেকট্রাম ইউটিলাইজ করতে গেলে আরও কিছু টেকনোলজি এবং ফাইন্যান্সের বিষয় আছে, যেটা তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল। কেন তারা সেটা করল না? এ কারণে আমরা তাদের শোকজ করেছি। তারা সদুত্তর দিতে না পারলে এক কোটি থেকে তিনশ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে।’



এর আগে, গত ৩০ জুন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক।


বৈঠকে তিনি বলেন, কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাবো।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় হারাতে পারেন হাজারো বাংলাদেশি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ব্রিটেনের নতুন লেবার সরকার বহুল আলোচিত রুয়ান্ডা প্রকল্প বাতিল করেছে। তবে কনজারভেটিভ সরকার গত ১৬ মে ব্রিটেনে আশ্রয় অনুমোদিত না হওয়া বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় এসওপি চুক্তি করেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশি ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানোর শঙ্কায় হাজারো বাংলাদেশি ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে লন্ডনে ব্রিটিশ হোম অফিসের স্বরাষ্ট্র-বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকেই প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়।

এ চুক্তির ব্যাপারে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, সুসংবাদ হলো যুক্তরাজ্যে অনথিভুক্ত নাগরিকদের সংখ্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যেও নেই। তবুও ব্রেক্সিট-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমাদের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা প্রয়োজন ছিল। তাই এই সমঝোতা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নতুন চুক্তি ছাড়াও এতদিন নাগরিকদের ফেরত পাঠানো যেত। এর আগে আলবেনিয়া সরকারের সঙ্গেও প্রত্যাবাসন চুক্তি করেছে ব্রিটেন।

ব্রিটেনের দ্য টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের মার্চ মাস থেকে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে এসেছেন ছাত্র, কর্মী কিংবা ভ্রমণ ভিসা নিয়ে। এরপর তারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করছেন। যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন তাদের মাত্র পাঁচ শতাংশের আবেদন সফল হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাখ্যাতদের ব্যাপারে নতুন সরকার কী করতে পারে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ক্রয়েডন কাউন্সিলে লেবার গ্রুপের চেয়ার কাউন্সিলর মো. ইসলাম সোমবার বাংলা বলেন, আগের সরকারের সঙ্গে লিখিতভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির ক্ষেত্রে নতুন সরকারের কোনও পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা দেখি না।

লন্ডনের লিংকন্স চ্যাম্বারস সলিসিটরসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, চুক্তি অনুযায়ী এখন বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্রুতগতিতে সংশ্লিষ্টদের ইমারজেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবে। অনেক ক্ষেত্রে শুক্রবার ধরে রবিবার ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। হোম অফিস উইকএন্ডের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে। এই চুক্তির ফলে অনেক প্রকৃত আবেদনকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে লন্ডনের চ্যান্সেরি সলিসিটরসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নতুন সরকার যদি বাংলাদেশি ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠাতে নতুন করে ফাস্ট ট্র্যাক চালু করে তাহলে সেটি বাংলাদেশিদের জন্য খুব ভয়াবহ হবে।

সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও প্রায় লক্ষাধিক বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া আশ্রয় আবেদন করে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। অনেকেই কাজের অনুমতিও পেয়েছেন। স্থানীয় কমিউনিটির অনেকের মতে, নতুন জনশক্তি না এনে পুরোনো বৈধতাহীনদের বৈধতা দিলে অর্থনীতি লাভবান হবে। তাদেরকে ব্রিটিশ অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করে কর আদায় করতে পারত সরকার।

এ ব্যাপারে লুটনের লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা মাহবুবুল করীম সুয়েদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা তো দূরের কথা নতুন নতুন কড়াকড়ি আরোপের কথা বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কেয়ার ভিসাসহ বিভিন্ন কাজের ভিসায় আসা হাজার হাজার মানুষ রয়েছেন বেকার অবস্থায়। সব মিলিয়ে গত এক দশকের মধ্যে ব্রিটেনে সবচেয়ে বড় দুঃসময় পার করছেন অভিবাসীসহ সাধারণ মানুষ।


আরও খবর



বাস টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

একদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। নাড়ির টান আর প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ সময়ে রাজধানী ছাড়ছেন অসংখ্য মানুষ। নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালগুলোতে ইতোমধ্যে যাত্রীদের ঢল নেমেছে। শনিবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শনিবার সকাল থেকে সড়ক পথে মানুষের চাপ চোখে পড়ার মতো।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যারা মূলত বেসরকারি চাকরি করেন তারাই আজ ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছেন। শনিবার বাধ্যতামূলক অফিসে হাজিরা দিতে হবে, তাই কোনরকম হাজিরা দিয়েই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন অনেকে। আর সরকারি চাকরিজীবীদের অধিকাংশই শুক্র-শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় আগেই নিজ নিজ গন্তব্যে পাড়ি জমিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে যারা ঢাকা ছাড়ছেন, তাদের অধিকাংশই সন্তান পরিবার নিয়ে বাস টার্মিনালে এসেছেন। আবার কেউ কেউ সমবয়সীদের সঙ্গে কেউবা একাই এসেছেন। কর্মব্যস্ত এসব মানুষের যেন সময় নেই। কত দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন সেই তাড়া দেখা গেল সবার মাঝে। যাত্রাপথে ভোগান্তি হলেও পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গন্তব্যের উদ্দেশ্য যাত্রা করতে পেরে বেশ খুশি তারা।

মহাখালী বাস টার্মিনালে ঢুকতেই ময়মনসিংহগামী এনা পরিবহনের কাউন্টারে দেখা গেলো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের কেউ কেউ টিকিটের জন্য ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। এরপর কিশোরগঞ্জগামী অনন্যা পরিবহন কাউন্টারে গিয়েও দেখা যায় যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। তাদের প্রত্যেকেই ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ফিরছেন। একইচিত্র দেখা গেছে জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইলগামী বাসগুলোর কাউন্টারেও।

রাজিব আহমেদ নামে এক যাত্রীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ঈদের আগে জামালপুর রোডে প্রচুর যানজট হয়, যাত্রীদের ভিড় দেখে মনে হচ্ছে আজও এরকমটাই হবে। কাউন্টার এসে দেখি প্রচুর মানুষের ভিড়। যে সময়ে কাউন্টার এসেছি, অনেক দূর চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু এনা পরিবহনের গাড়ির এখনো সিরিয়ালে আছি।

তিনি বলেন, ঈদের আগে এই ঝামেলা হতে পারে ভেবে সপ্তাহখানেক আগেই স্ত্রী-সন্তানদের পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন একাই যাচ্ছি, কষ্ট হলেও এখন তেমন একটা খারাপ লাগছে না।

কিশোরগঞ্জগামী মওদুদ আহমেদ বলেন, গতকাল রাতে থেকেই ঈদের একটা ফিল শুরু হয়ে গেছে। তাই সকাল থেকেই কখন বাড়ি ফিরবো সেই চিন্তা। বাড়ির উদ্দেশ্যে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই সকালে অফিসে গিয়েছি। এরপর অফিসে গিয়েই বসকে বলে আবার বেড়িয়ে চলে এসেছি। যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় হলেও ভালো লাগছে।

অনন্যা পরিবহনের টিকেট কাউন্টারে দায়িত্বরত রফিকুল ইসলাম বলেন, পুরোদমে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ভোর ৫টা থেকেই যাত্রীরা কাউন্টারে আসতে শুরু করছেন। প্রতিটি বাসই একদম পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তবে কিশোরগঞ্জ থেকে আসা বাসগুলোর এখন সিট ফাঁকা রেখেই ঢাকায় ঢুকছে।

ভাড়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে আমরা কোন বাড়তি ভাড়া নিচ্ছি না। মালিক সমিতি থেকে কড়া নির্দেশ, লস হলেও এক টাকা ভাড়া অতিরিক্ত নেওয়া যাবে না।


আরও খবর



দুর্নীতির অভিযোগে বদলি-বরখাস্ত ও অবসর যথেষ্ট নয় : টিআইবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


দুর্নীতির অভিযোগে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বদলি, বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসর যথেষ্ট নয়।



 ক্ষেত্রবিশেষে তা দুর্নীতিকে উৎসাহ দেয় এবং অজান্তেই বিচারহীনতার সংস্কৃতি লালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।



গতকাল সোমবার (২ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানায় টিআইবি।



টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘প্রশাসনিক পদক্ষেপের পরিবর্তে দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।



 বদলি বা অবসরের মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ আশাব্যঞ্জক মনে হলেও তাতে দুর্নীতির মূল কারণগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরা হয় না।’



সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও পুলিশের মতো সংস্থায় দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বদলি বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগও প্রকাশ করেন টিআইবি প্রধান।


ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে এই ধরনের পদক্ষেপ এমন একটি চক্রকে স্থায়ী করতে পারে, যেখানে কঠোর আইনি পরিণতির অভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে না।’


সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার সংশোধনীর পরামর্শ দিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে তুলেছে। 



এ ধরনের আইনি ফাঁকফোকরগুলো আইনের দৃষ্টিতে সমতার সাংবিধানিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’



ড. ইফতেখারুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, ‘দুর্নীতির অভিযোগে ন্যূনতম শাস্তির ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা একটি ক্ষতিকর বার্তা দেয়। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, কিছু ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে, যা জনগণের আস্থা কমায় এবং নৈতিক শাসনের ভিত্তিকে নষ্ট করে।’


দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে ড. ইফতেখারুজ্জামান ক্ষমতার ঊর্ধ্বে উঠে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক আঁতাতসহ দুর্নীতির বিকাশ ঘটায়, এমন পদ্ধতিগত বিষয়গুলোর দায়িত্ব নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।


টিআইবি প্রধান বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেলে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি কার্যকরভাবে রোধ করা যাবে না। জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং নৈতিক মান বজায় রাখতে আমাদের এমন দৃঢ় পদক্ষেপ দরকার, যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি সত্যিকারের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।’



দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।


আরও খবর



নওগাঁয় পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাপ সহ পালানো আসামীকে ফের আটক

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর পোরশা থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাপ পড়া অবস্থায় পালিয়ে যাবার মাত্র ১২ ঘন্টার মধ্যেই আলম আলী (৩৫) নামে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছেন মহাদেবপুর থানা পুলিশ। আটককৃত আলম আলী নওগাঁ

জেলার পোরশা উপজেলা সদরের নীতপুর বাঙ্গালপাড়া এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে। বুধবার ১০ জুলাই পূর্বরাত ৩টারদিকে মহাদেবপুর উপজেলার হাতুড় ইউনিয়ন এর মহিষবাথান এলাকায় অভিযান চালিয়ে থেকে তাকে আটক করেন মহাদেবপুর থানা পুলিশ।


সংশিষ্ট সুত্র জানান, একটি মাদক মামলায় আলম আলী দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী। বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টমূলে গত সোমবার দিনগত রাতে পোরশা থানা পুলিশ আলম আলীকে আটক করেন এবং মঙ্গলবার ৯ জুলাই দুপুরে যাত্রীবাহী একটি বাস যোগে তাকে নওগাঁ কোর্টে নিয়ে যাবার জন্য রওনা দেন পোরশা থানা পুলিশ। যাওয়ার পথে বাসটি মহাদেবপুর উপজেলা সদর বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছলে আসামী আলম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবার অজুহাতে পুলিশের কাছ থেকে এক হাতের হ্যান্ডকাপ খুলে নেওয়ার পর অপর হাতে হ্যান্ডকাপ লাগানো অবস্থায় কৌশলে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরই পালিয়ে যাওয়া আসামীকে ফের আটক করার জন্য ঘটনার পর থেকেই সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ। এক পর্যায়ে ঘটনার দিনগত রাতে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন, (ওসি তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ ও এসআই

জাহিদ মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান এলাকায় অভিযান চালিয়ে

পালিয়ে যাওয়া আসামী আলম আলীকে আটক করতে সক্ষম হোন। মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান, বুধবার সকালে তাকে নওগাঁ কোর্টে পাঠানো হয়।


আরও খবর