Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব !

প্রকাশিত:Friday ১৮ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : আপনি যখন কার্ড রিডার স্লটে কার্ড ঢোকান তখন ডাটা স্কিমিং ডিভাইস দিয়ে আপনার কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা। পাশাপাশি কাছাকাছি কোথাও তারা ক্যামেরা বসায় আপনার পিন চুরি করার জন্য। এরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে যখন আপনি কার্ড ঢোকালেন কিন্তু বের হতে সময় নিল, বা আঁটকে গেল। বুথে ঢুকে কোন সমস্যায় পড়লেন, হতে পারে আপনার কার্ড আঁটকে গেল, বুথের ভিতরে বা বাইরের কেউ স্বত:স্ফুর্তভাবে এসে আপনার ঘাড়ের উপর দিয়ে উঁকি দিল, আপনাকে সাহায্য করবে বলে। সতর্ক হোন, তিনি আপনার পিন চুরি করতে পারে।


আপনি যদি কার্ডের উপর পিন নাম্বার লিখে রাখেন, আর যদি সেটা বুথে আঁটকে যায়, বা হারিয়ে যায়, আপনি কিন্তু চোরকে আমন্ত্রণ দিলেন। ই-শপিং বা অনলাইনে বিল পেমেন্টের মাধ্যমে প্রতারণা হতে পারে। আপনি সেখানে কেনাকাটা বা লেনদেন করলেই আপনার কার্ডের তথ্য প্রতারকরা নিয়ে নিবে। অনেক সময় নিজের অজান্তেই কোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ফেলেন। এতে প্রতারকরা আপনার কার্ডের তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকিং তথ্য পেয়ে যেতে পারে। যদি আপনি আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেন করেন, হ্যাকারদের জন্য চুরি করার এটা একটা দারুণ সুযোগ।

 প্রতারণার এটা সবচেয়ে কার্যকরী উপায় যখন আপনি আপনার কার্ডটি সেলসপার্সনকে দিলেন সোয়্যাপ করার জন্য। কার্ডের তথ্য কপি করে পরবর্তীতে খারাপ উদ্দেশে ব্যবহার করা হতে পারে। আপনার ইমেইলের স্প্যাম মেইলের মাধ্যমে আপনার কার্ডের পাসওয়ার্ড বা অ্যাকাউন্ট নাম্বার চুরি হতে পারে। প্রতারকরা আপনার মোবাইল অপারেটরের কাছে ফোন করে ভুয়া পরিচয়ে ডুপ্লিকেট সিম তুলতে পারে।

অপারেটররা আপনার অরিজিনাল সিম নিস্ক্রিয় করে দেয়। চোরেরা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) তৈরি করে আপনার অনলাইন লেনদেন চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠিত অ্যাপ কোম্পানির বাইরে অনেক কোম্পানি আছে যেগুলো থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করলে আপনার ফোনে তারা ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। চুরি যাওয়া কার্ড দিয়েও প্রতারণা হতে পারে। আবেদনপত্র বা বাতিল নথি থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা নতুন কার্ড তৈরি করেও প্রতারণা করে।
মাত্র ৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব ! মাত্র ৬ সেকেন্ডেই অপরাধীরা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিতে পারেন বলে দাবি করেছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

গবেষকরা বলছেন, সাইবার অপরাধীরা যখন ওয়েবসাইটে কার্ডের কোনো তথ্যের সন্ধান চালিয়ে যান সেটা সিস্টেমে ধরাও পড়ে না। এ গবেষণার বিষয়ে ভিসার বক্তব্য হলো- জালিয়াতি রোধে পেমেন্ট সিস্টেমে যে ব্যবস্থাগুলো রয়েছে গবেষণায় তার সবগুলোর উল্লেখ করা হয়নি।


আরও খবর



মৃত্যুর পরও অমর সারাহ ইসলাম

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image
রোকসানা মনোয়ার :সারাহ ইসলাম, বয়স মাত্র ২০। দশ মাস বয়সে তার ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘ ১৯ বছর সংগ্রাম করেছেন তার বাবা মা। দেশে বিদেশে নানা রকম চিকিৎসাতেও কোন কাজ হয়নি। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন; সদ্য জীবন শুরু করা ফুটফুটে এই মেয়েটি। বাবা মাকে সারাহ অনুরোধ করেছিলেন; মৃত্যুর পর তার দেহটি যাতে মানুষের কল্যানে দান করা হয়।
বুধবার রাত ১০টায় সারাহ মারা যান। তার দুটি কিডনী ও চোখের দুটি কর্নিয়া সরিয়ে নিয়ে প্রায় সাথে সাথেই চারজন মানুষের দেহে প্রতিস্থাপন করেন ডাক্তাররা। রাত ১০টা থেকে টানা ভোর পর্যন্ত চলেছে এই অস্ত্রপচার। চারজন রোগীই সুস্থ আছেন। এটি হয়তো দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার এগিয়ে যাওয়ার চিত্র। কিন্তু আমি বিস্মিত অন্য কারনে।
মৃত্যুর মতো একটি কঠিন সত্যকে মেনে নিয়ে; এমন আত্মত্যাগের জীবন গড়তে কে তোমাকে শেখালো মা ? এই সার্থপর সমাজ, চারপাশে লোভের-লাভের এতো এতো প্রতিযোগিতা; এই নষ্ট সময়ে তুমি এক তরতাজা ফুল।
স্যালুট তোমাকে মা। স্যালুট তোমার মতো বীরকন্যার জন্মদাত্রী মাকেও। যে কিনা এমন একটা পবিত্র সৌরভের জন্ম দিয়েছে।

মৃত্যুতেও অমর একজন সারাহ ইসলাম । দূরারোগ্য রোগের সাথে লড়াই করে নিজে হার মানলেও, কিডনি ও কর্নিয়া দান করে নতুন জীবন দিয়েছেন চারজনকে। সারাহর অঙ্গ নেয়া চার রোগীই এখন সুস্থ আছেন। সাহসিকা সারাহর গল্প জানালেন তার মা ।

পাঁচ বছর যাবত বোনের চিকিৎসা খরচ জোগাতে গিয়ে যখন প্রায় নি:স্ব শাহাজাদা আহমেদের পরিবার তখন সারাহ ইসলাম এসেছেন জীবনের বাক বদলকারী হিসেবে। শাহাজাদা ফিরে পেয়েছেন তার বোনকে আর দশ বছরের ছোট্ট সন্তানের কাছে তার মাকে ফিরিয়ে দিয়েছে সারাহর দান করা কিডনী।

বলছি সেই ২০ বছরের সারাহর কথা। মাত্র দশ মাস বয়স থেকেই লড়েছেন টিউবেরাস স্কেলোসিসের মত দুরারোগ্য ব্যাধির সাথে।এবার ব্রেনে বাঁধা বেসেছিলো টিউমার। হয়তো বুঝতে পরেছিলেন লড়াইয়ে এবার ফিরে নাও আসতে পারেন। মৃত্যুর পরও নিজেকে বিলিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন সারাহ। মস্তিস্ক যখন আর সারা দিচ্ছিলো না তখন সারাহর দুই কিডনী আর চোখের কর্ণিয়া নতুন করে বাঁচার আশা যুগিয়েছে চার চারটা মানুষকে।

বড় আঁকিয়ে হবেন একদিন, এমন স্বপ্ন ছিলো সারাহর চোখে। জীবন তাকে সেই সময়টুকু না দিলেও মৃত্যুতেও থমকে যাননি সারাহ! এমন সাহসী আর মানবিক মেয়েই তো চেয়েছিলেন মা শবনম।

বিখ্যাত কেউ নন কিন্তু তারপরও এমন সিলিউট থেকে সারাহ ইসলামকে চিনে নিতে আর কষ্ট হয় না। তার এই দেখিয়ে যাওয়া পথে যেদিন এমন আরও অনেক মৃত্যুঞ্জয়ের কাহিনীযুক্ত হবে সেই দিনের অপেক্ষায় সারাহর পরিবার।




আরও খবর



নওগাঁ আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিটু, সম্পাদক রাজ্জাক

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট খোদাদাদ খান পিটু ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।

মঙ্গলবার রাত ৯টায় নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে বেলা ১১টা থেকে জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে। মোট ৪০৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৩৯১ জন।

নির্বাচনে মোট ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতি সহ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে ১১ জন এবং সাধারণ সম্পাদক সহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে চারজন নির্বাচিত হয়েছেন।

এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী পরিষদ থেকে নির্বাচিতরা হলেন-সহ সভাপতি ময়েন উদ্দিন প্রামাণিক ও মোফাজ্জল হক, সহ সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন) কাজী হাসানুজ্জামান হাসান, সহ সাধারণ সম্পাদক (লাইব্রেরী) তানজিমুল হক লিঙ্কন, সহ সাধারণ সম্পাদক (আপ্যায়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) আশরাফুদ্দৌলা নয়ন এবং সদস্য পদে রফিকুল ইসলাম মন্ডল, এ.এস.এম আলতাফ হোসেন, আবু সাঈদ সুমন, শাকিল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন প্রামাণিক। অপরদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ থেকে নির্বাচিতরা হলেন- সদস্য পদে মনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম-২ ও গোলাম আজম।


আরও খবর



ধামরাইয়ের বিখ্যাত মিষ্টি ক্ষীরমোহন

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):


ঢাকার ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজারের ইসমাইল সুইটস এর ক্ষীরমোহন অনন্য এক মিষ্টান্নের নাম। অনেকেই ভীষণ ভোজনপ্রিয় মানুষ। খাবারের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে। আর যদি সেটা হয় মন জুড়ানো মিষ্টি গন্ধ, তাহলে তো কথাই নেই। এই সুস্বাদু মুখরোচক খাবারটি হচ্ছে কাওয়ালীপাড়ার ‘ক্ষীরমোহন’। দুধ, চিনি, ঘি, দুধের ছানা, ময়দা, তেজপাতা, ছোট এলাচ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি ঘন রসযুক্ত মিষ্টান্ন।

ধামরাই উপজেলার গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক উপায়ে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস, লতা-পাতাসহ নানা গো-খাদ্য বাড়িতে পালা গাভিকে খেতে দেয়া হয়। তাই এই এলাকার গরুর দুধ খাঁটি দুধের গুনাগুণ সমৃদ্ধ। সেই দুধ থেকে তৈরি হয় এই ক্ষীরমোহন।

প্রসঙ্গত,ক্ষীর ও মোহনের সংমিশ্রণে তৈরি হয় ক্ষীরমোহন। দুধ ক্ষীরে পরিণত হলে ও মিষ্টির ভেতরে ক্ষীর ঢুকে গেলে তৈরি হয় অমৃত স্বাদের ক্ষীরমোহন।

ইসমাইল সুইটস এর কর্মচারী মোঃ বাদশা মিয়া বলেন, খাঁটি ছানা থেকে তৈরি মিষ্টি প্রথমে গরম চিনির রসে জ্বাল দেয়া হয়। মিষ্টি হয়ে এলে তা থেকে রস ঝরিয়ে নিয়ে দুধে জ্বাল দেয়া হয়। দুধ ক্ষীরে পরিণত হলে ও মিষ্টির ভিতরে ক্ষীর ঢুকে গেলে তৈরি হয় লোভনীয় ‘ক্ষীরমোহন’। সাধারণত ১ মণ দুধ জ্বাল দিয়ে ১৭ থেকে ১৮ কেজি ক্ষীর তৈরি করা হয়। এতে যুক্ত হয় ২৫০ গ্রাম ঘী। এর সাথে ৮ কেজির মত মিষ্টি ক্ষীরে জ্বাল দিয়ে ২৪/ ২৫ কেজি ক্ষীরমোহন বানানো হয়। এর স্বাদ নিতে আসেন ছোট-বড় সকলেই। প্রতিটি ক্ষীরমোহন ৫০ টাকা এবং ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয় ।

ক্ষীরমোহন খেতে আসা ভোজনপ্রিয় মানুষ মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, ক্ষীরমোহনের স্বাদ ও গন্ধ থেকেই জিভে পানি আনার মতো। এই খাবার খেতে খুবই সুস্বাদু আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি নিয়ে গেলেও এই রসমালাইকে গুরুত্ব দেয়।


আরও খবর



হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হতদরিদ্র, নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীনদের পাশে দাঁড়তে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার সরকার প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)’র একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে একজন মানুষও ভূমিহীন বা ঠিকানা-বিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জন্য বাড়ি নির্মাণে ৩৬টি ব্যাংক মোট ১১৩ দশমিক ২৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে।

দেশের গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেয়ায় এগিয়ে আসার জন্য সমাজের ধনীক শ্রেণীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু সরকারই নয়, বরং আমরা সবাই মিলে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

তিনি আরো বলেন, জমি ও ঘর পাওয়ার পর অনেক গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হয়েছে। এদের অধিকাংশকেই ইতোমধ্যে জমি ও ঘর দেয়া হয়েছে। এখন অল্প কয়েকজন বাকী আছে। তাদের জন্যও বাসস্থান নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই আশ্রায়ন প্রকল্প থেকে যারা ঘর পেয়েছেন-তাদের মুখের হাসি ও মনের সন্তুষ্টি থেকে বড় আর কোন প্রাপ্তি হতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, অনেকেই যারা আশ্রায়ন প্রকল্পে দুই ডেসিমেল জমি পেয়েছেন- তারা সেখানে শাকসজবি চাষ, হাঁস--মুরগি পালন, কুটির শিল্প ও দোকান গড়ে তুলেছেন। তারা এভাবে ভালোভাবে বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছেন। এই জমি ও ঘর পাওয়ার ফলে তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন (উন্নতি) হচ্ছে।’

অনুদানের অর্থ প্রদান করায় বিএবি ও ব্যাংকারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, ‘আপনাদেরকে আমার (অনুদান প্রদানের কথা) বলার প্রয়োজন হয় না। আপনারা যে কোন দুর্যোগ ও সংকটকালে স্বতস্ফূর্তভাবেই এগিয়ে আসেন।’

বেসরকারি খাতে ব্যাংক খুলতে তার সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে বর্তমানে ৩ লাখ কাজ করছে, এটা একটি অনেক বড় ব্যাপার।’

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঞ্চলনায় সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।


আরও খবর



নওগাঁয় শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার আলোকে যষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিখন শেখানো কার্যক্রম প্রণয়নে নওগাঁ জেলায় বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকদের ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ টায় নওগাঁর ১১টি উপজেলার ৬ হাজার ২শ ২জন শিক্ষককে নিয়ে ১০টি ভেন্যুতে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ। নওগাঁ জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিদর্শন করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান ও জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান, জেলা সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক মোঃ নাজমুল হোসেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

নওগাঁর সদর উপজেলার নামাজগড় গাউসুল আযম কামিল মাদ্রাসা ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, আত্রাই উপজেলার আহসান উল্লাহ মেমোরিয়াল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৩০জন, বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৫৫জন, ধামইরহাটের চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৬৭ জন, মান্দার মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬ শ ৪৭জন, মহাদেবপুরের জাহাঙ্গীরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, নিয়ামতপুর সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৫৫ জন, পত্নীতলার নজিপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৪৫ জন, রাণীনগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫ শ ৪৪জন ও সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৮১ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রশিক্ষণ নিতে জেলার পোরশা উপজেলা থেকে পত্নীতলা উপজেলা ভেন্যুতে আসা বিষ্ণুপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আঃ সালাম, পত্নীতলা উপজেলার পুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ এর আলোকে প্রণীত জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ কে বাস্তবায়ন ও প্রণীত এ শিক্ষাক্রমে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিখন সামগ্রী ব্যবহার করে কিভাবে শ্রেণি কার্যক্রমকে আনন্দময়, ফলপ্রসূ ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক করা যায় তার উপর সর্বাধিক জোর দেয়া হয়েছে। 

এবিষয়ে মাস্টার ট্রেইনার প্রণব কুমার দাস, আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে প্রশিক্ষণটি যথা সময়ে আমরা শুরু করতে পেরেছি। এই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষকগণ আন্তরিকতার সাথে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।


আরও খবর