Logo
শিরোনাম

৬০ লাখের বেশি মানুষ ইউক্রেন ছেড়েছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

রুশ সামরিক অভিযানের পর থেকে ৬০ লাখের বেশি মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) জাতিসংঘের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১ মে পর্যন্ত ইউক্রেন থেকে পালিয়েছে অন্তত ৬০ লাখ ২৯ হাজার ৭০৫ জন মানুষ।
সংস্থাটি আরও জানায়, ইউক্রেন ছেড়ে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি আশ্রয় নিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডে। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় পুরুষরা সামরিক চাকরির জন্য দেশ ত্যাগ করতে পারেনি। যার কারণে শরণার্থীদের ৯০ শতাংশই নারী ও শিশু বলে জানা গেছে।
তবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনের সীমান্ত জুড়ে প্রতিদিন শরণার্থীদের দেশ ত্যাগের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। গত মার্চ মাসে দেশ ছেড়েছিল ৩৪ লাখ ইউক্রেনীয়। এপ্রিলে দেশ ছাড়ে ১৫ লাখ মানুষ।

মে মাসের শুরু থেকে, প্রায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ইউক্রেনীয় ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় চেয়েছে এবং জাতিসংঘের অনুমান এ বছর ৮০ লাখের বেশি মানুষ ইউক্রেন থেকে পালিয়ে যেতে পারে।

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) গবেষণা বলছে, দেশটিতে অভ্যন্তরীণভাবেও স্থানান্তর ঘটেছে ৮০ লাখ মানুষের।
ইউক্রেনের অর্থমন্ত্রী সের্হি মার্চেনকো বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে বলেন যে তার দেশ রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে ৮৩০ কোটি ডলার ব্যয় করতে বাধ্য হয়েছে। অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত লোকদের জন্য অস্ত্র কেনা ও মেরামত করা থেকে জরুরি সহায়তা কাজে এ অর্থ ব্যয় হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইউক্রেনের আরও জরুরি সহায়তা দরকার বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



সোনারগাঁয়ে ৩৫টি নতুন ঘর পেল গৃহহীন পরিবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১১২জন দেখেছেন
Image

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে জমিসহ ঘর পেলেন ৩৫টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁয়ে জেলা অডিটরিয়ামে ৩৫টি পরিবারের মাঝে জমির দলিলসহ ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ এলাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) গোলাম মুস্তাফা মুন্না, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম, সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদ আক্তার ফেন্সি, সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান জিন্নাহ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আব্দুল জব্বার প্রমুখ। এসময় অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে সোনারগাঁয়ে ভূমিহীন-গৃহহীনের জন্য জমির মালিকানাসহ এ ৩৫টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে দু’ধাপে সোনারগাঁয়ে দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে ঘর বিতরণ করা হয়।


আরও খবর

ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বুধবার ০৪ মে ২০২২




বেনাপোল বন্দরে তীব্র পণ্যজট

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০৭জন দেখেছেন
Image

দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল। প্রতি বছর দেশের সিংহভাগ শিল্প কলকারখানা ও গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রির মালামালের পাশাপাশি কেমিকেল, মটর পার্টস, গাড়ির চেসিসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানি হয়ে থাকে এ বন্দর দিয়ে। বছরে এ বন্দর দিয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার মালামাল আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি হয়ে থাকে। সরকারের কোষাগারে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় জায়গা সংকটে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র পণ্যজট। এতে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। বন্দরে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার কোনো সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের। বন্দরের দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যে আগ্রহ কমার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় দিন দিন কমে আসছে বলে জানালেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। এদিকে শিগগরিই সমাধানের আশ্বাস বন্দর কর্তৃপক্ষের।

যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশের স্থল ও রেলপথে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হয় ভারত থেকে। গত দুই বছর করোনা মহামারির ধকলের পর এ বছর আমদানি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু বন্দরের গুদামে জায়গা সংকটের কারণে চাহিদামতো ট্রাক ঢুকতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে কার্যক্রম। এক্সপোর্ট ইমপোর্ট গেট হতে বন্দরের গোডাউন পর্যন্ত জ্যাম হয়ে থাকছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করছে ঢিলে ঢালা ভাবে।

দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল বন্দরে পর্যাপ্ত পরিমান জায়গা না থাকার ফলে ভারতীয় পার্শ্বে প্রতিদিন প্রায় ৪/৫ হাজার ট্রাক মালামাল বোঝাই অবস্থায় এক মাসেরও বেশিদিন দাঁড়িয়ে থাকে। ওই ট্রাকের মধ্যে দৈনিক ৬শ থেকে ৭শ‘ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করার কথা থাকলেও সেখানে দৈনিক মাত্র ২৫০-৩০০ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বাকি ট্রাক আসতে না পারার কারনে আমদানিকারকদের প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ভারতীয় টাকা ডেমারেজ দিতে হয়। বর্তমানেও ৪/৫ হাজার ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে ভারতীয় পার্কিং এ। বেনাপোল বন্দরে পণ্য রাখার গুদামে জায়গা না থাকায় ভারত থেকে আসা পণ্য আনলোডের অপেক্ষায় ৮/১০ দিন দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ভারতীয় ট্রাক চালকদের। যে কারনে ভারতের ব্যবসায়ীরা পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরে জায়গা সংকট ও অবকাঠামো নিয়ে খুবই অসন্তুষ্ট।

বেনাপোল বন্দরের জন্য ১৫’শ কোটি টাকার ১৭৫ একর জমি (নতুন শেড, কন্টিনার টার্মিনাল, হেভি স্টক ইয়ার্ড নির্মাণে জন্য) অধিগ্রহনের বিষয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটি ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে। পরবর্তীতে উক্ত প্রস্তাবনাটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে সবুজ পাতা ভূক্ত হয়েছে। কিন্তু অদ্যবধি প্রকল্পটির কোন অগ্রগতি হয়নি। বেনাপোল বন্দরে দ্রুত ভিত্তিতে ১৭৫ একর জায়গা অধিগ্রহণ করা হলে এ বন্দর হতে কাস্টমস এর প্রতি বছর ১০ হাজার কোটি টাকা এবং বন্দরের ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করা সম্ভব।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, এই স্থলবন্দরের ৩৪টি গুদাম ও ৮টি ইয়ার্ড, ২টি ট্রাক টার্মিনাল ও একটি রপ্তানি টার্মিনাল রয়েছে। কোথাও কোন জায়গা খালি নেই। তীব্র পণ্যজট চলছে। বর্তমানে বেনাপোল বন্দরের গুদামের ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পণ্য আমদানি হচ্ছে। বেনাপোল স্থলবন্দরে যে শেডগুলি আছে সেখানে মালামাল রাখার ধারণ ক্ষমতা বাস্তবে ৫৯ হাজার মেট্রিক টন কিন্তু বর্তমানে দুই লাখ মেট্রিক টন মালামাল হ্যান্ডলিং হয়। যে কারনে, ভারত হতে যে ট্রাকগুলি আসে তা বন্দরে ৮/১০ দিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। বেনাপোল স্থল বন্দরে ১৭৫ একর জমি অধিগ্রহন পূর্বক সেখানে কমপক্ষে ৩০ টি নতুন শেড, হেভি স্টক ইয়ার্ড, কোল্ড স্টোর নির্মাণ জরুরী। তাই এখনই বন্দর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, আট থেকে দশ দিন পর্যন্ত ভারতীয় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। বন্দরের জায়গার মারাত্মক সংকট থাকার কারণে গাড়িগুলোকে অলস দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও রাজস্ব বৃদ্ধির স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল স্থলবন্দরের জায়গা সংকটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করার জন্য একাধিকবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়সহ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেও কোন আশানুরুপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বেনাপোল বন্দরে ট্রেন সার্ভিস চালু হওয়ায় (সাইড ডোর) এবং কনটেইনারের মাধ্যমে মালামাল আসছে যা হেডলোডে বন্দরে আনলোড হচ্ছে। এছাড়া কমলাপুর এর ন্যায় কনটেইনার অপারেশন খুব শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে। সুতরাং জায়গা অধিগ্রহনসহ অবকাঠামোগত দিকগুলি উন্নয়ন করা দরকার।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, অন্য সময়ের তুলনায় পণ্য আমদানি-রপ্তানি কয়েকগুণ বেড়েছে। স্থলবন্দরে পণ্যের ধারণক্ষমতা ৫৯ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু সেখানে দ্বিগুণের বেশি পণ্য রাখা হচ্ছে। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে আবার গতি ফেরায়, আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে। রেল পথেও প্রচুর পণ্য আসছে। এ কারণে পণ্য রাখার স্থান সংকুলান করা যাচ্ছে না। এতে বন্দরে শেড-ইয়ার্ড সংখ্যাও বাড়াতে হবে। এরই মধ্যে জায়গা অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অধিগ্রহণকৃত জায়গায় শীঘ্রেই ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু হলে বন্দরের পণ্যজটের সংকট অনেকটা কেটে যাবে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. আজিজুর রহমান বলেন, প্রতিবছর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু সে অনুপাতে রাজস্বের উৎস বাড়ছে না। এতে প্রতিবছরই দেখা দিচ্ছে রাজস্ব ঘাটতি। বন্দরের জায়গা বৃদ্ধির জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




কুমিল্লায় ৩ হাজার লিটার তেল জব্দ। ভোক্তা অধিকারের অভিযান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

‌নিজস্ব প্রতি‌বেদক ,কু‌মিল্লা:

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৫ লিটারের বোতলজাত ৩ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে।  শুক্রবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় এক দোকানিরর বাড়ি থেকে এই তেল জব্দ করা হয়। ৫লিটারের প্রতিবোতল ৭৬০ টাকা দরে কেনা এসব বোতল তিনি বর্তমান মূল্য ৯৮৫ টাকায় বিক্রির জন্য মজুদ করেছিলেন বলে জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার। তেলের মালিক কামরুল হাসান স্টোর্স এর সত্বাধিকারি কামরুল হাসানকে এই অনিয়মের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া তেলের বোতলের গায়ের দাম মুছে বিক্রির অভিযোগে একই এলাকার ভাই বন্ধু স্টোরকেও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারি পরিচালক আছাদুল ইসলাম জানান, অসাধু ব্যবসায়িরা পূর্বেও কম মূল্যের কেনা সয়াবিন তেল মজুদ করেছে এখন বেশি মূল্যে বিক্রি করার জন্য। আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তিন হাজার লিটার তেলের ৫লিটারের বোতলগুলো স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি।


আরও খবর



টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, টাঙ্গাইলঃ

টাঙ্গাইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এর সভাপতিত্বে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভা কক্ষে ৯ মে সোমবার মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

অপরাধ সভায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জঙ্গি দমন, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিট পুলিশিং কার্যক্রম, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলা সমূহের অগ্রগতি, জেলার গোয়েন্দা কার্যক্রম নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার, সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। 

সভায় এপ্রিল ২০২২ মাসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও অর্জন এবং চৌকস কার্য সম্পাদনের জন্য পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে চৌকস পুলিশ সদস্যদের মাঝে  ক্রেস্ট প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী নুসরাত এদীব লুনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) শরফুদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) জয়ব্রত পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) মোঃ সোহেল রানা, সহকারি পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস.এম মনসুর মুসা, সহকারি পুলিশ সুপার (কালিহাতি সার্কেল) মোঃ শরিফুল হক, সহকারি পুলিশ সুপার (এসএএফ) মোঃ আবদুল্লাহ আল ইমরানসহ জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ।


আরও খবর



ছাড়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ

টাঙ্গাইলে ঈদে জমে উঠেছে বেচাকেনা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩১৭জন দেখেছেন
Image

মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, টাঙ্গাইলঃ

ঈদকে সামনে রেখে  টাঙ্গাইলের বিপণিবিতান গুলোতে ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতা গণ।  পরিবারের সদস্যদের পছন্দের পোশাক কিনে দিতে দোকানে দোকানে ছুটছেন অনেকে। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। যত ঈদ ঘনিয়ে আসছে দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ও বাড়ছে ।

পৌর শহরের বিপণিবিতান গুলো ঘুরে দেখা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। কিছু কিছু মার্কেট গুলোতে ভিড় সামাল দিতে কখনো কখনো হিমশিম খেতে হচ্ছে  দোকানি-কর্মচারীদের। বেশিরভাগ মানুষ দোকানে বা দোকানের সামনে ইফতার করতে দেখা গেছে।

ঈদে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাঞ্জাবি,কাবলি, জিন্স প্যান্ট ও শার্ট। তবে পাঞ্জাবি পায়জামার কদর বেড়েছে।  বিভিন্ন দোকানে গিয়ে পছন্দের পাঞ্জাবি কিনতে দেখা যায় অনেক তরুণকে।

শহরের জেলা সদর রোডে অ্যমব্রেলা শপে পাঞ্জাবি কিনতে আসা আলিফ আহসান জানান, বন্ধুদের সবাই পাঞ্জাবি ও পায়জামা কিনেছে। আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের তারা বিভিন্ন শপে ৪০% বা ৫০% ছাড়ের বিজ্ঞাপন দেখে শপে ঢুকে হতাশ হচ্ছি। লিখা ফ্ল্যাট ৫০% ছাড়  শপে ঢুকে দেখছি নির্দিষ্ট কিছু ব্রান্ডের উপর এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফ্ল্যাট ৫০ % ছাড়ে আবার নির্দিষ্ট কিছু পণ্য আসে কোথা থেকে? 

টাঙ্গাইল শহরের হাবিবুর রহমান প্লাজা, হীরা সুপার মার্কেট, সমবায় সুপার মার্কেট সহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে , ঈদে ইন্ডিয়ান জর্জেট, কাঁচাবাদাম, লেহেঙ্গা, টাঙ্গাইলের শাড়িসহ বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক রয়েছে। এসব পোশাক দেড় হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ছোটদের স্কার্টের জনপ্রিয়তাও রয়েছে তুঙ্গে।

সাবা রহমান চৈতী  জানান, ঈদ উপলক্ষে গতকাল ড্রেস কিনতে এসেছিলাম ৬ ঘন্টা ঘুরেও পছন্দের ড্রেস কিনতে পারিনি। আজ আবার এসেছি। বাড়ির সবার জন্য ঈদের পোশাক কেনা হয়েছে। শুধু আমারটাই বাকি।  বড়দের চাইতে ছোটদের পোশাক ও জুতার দাম প্রায় দ্বিগুণ।

রহিমা রহমান জানান,

 গতবারের তুলনায় ডিজাইনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।বেশিরভাগ দোকানেই গত বছরের পুরনো কাপড়। তবে দাম এবার অনেক বেড়ে গেছে।

সুলতান শো রুমের এরিয়া ম্যানেজার লোকমান হোসেন বলেন, ক্রেতারা নিত্য-নতুন ডিজাইনের পোশাক কিনছেন। তাদের কথা মাথায় রেখে আমারা নির্দিষ্ট  ব্রান্ডের  পোশাকে ৫০% পর্যন্ত ছাড় দিয়েছি। এখানে বিভিন্ন ব্রান্ডের নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক রয়েছে। 

ফ্ল্যাট ৫০% ছাড়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পাঞ্জাবি ও কাবলি সেটে ৫০% ছাড় দিয়েছি। 

তাহলে ফ্ল্যাট ৫০% ছাড় লিখলেন কেন?  এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঠিকই লিখেছি। নিচে ছোট করে পাঞ্জাবি ও কাবলি সেট লিখা রয়েছে। 

এটা কি ক্রেতার সাথে প্রতারণা নয়?  জানতে চাইলে তিনি জানান, না, আমরা কোন প্রতরণা করছি না।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২