Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শব-ই-মিরাজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) পবিত্র শব-ই-মিরাজ উদযাপিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে আজ পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই, আগামী ১৪ জানুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো: নায়েব আলী মন্ডল। 

শুক্রবার বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী ১৪ জানুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-মিরাজ পালিত হবে।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মহা: বশিরুল আলম, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব রুহুল আমীন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো: কাউসার আহমেদ, সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো: আবদুল জলিল, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো: আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের অতিরিক্ত পরিচালক মো: রুহুল আমিন, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের সহকারী প্রশাসক মো: মোতাহার হোসেন খান, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব আফফান মুহাম্মাদ ইবনে মুফতী নেয়ামতুল্লাহ, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সূত্র : বাসস


আরও খবর



পরিবহনের জ্বালানি পাচার হচ্ছে শিল্প কারখানায়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

যানবাহন ছাড়া ফিলিং স্টেশন থেকে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সরবরাহ নিষিদ্ধ তবুও  সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে খোলা সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে গাড়ির জন্য বরাদ্দ গ্যাস এখন ব্যবহার হচ্ছে কলকারখানা, বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব বাণিজ্যিক কাজে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও সাধারণত গ্যাসের চাপ কম থাকার অজুহাতে যেসব সিএনজি স্টেশন দিনেরবেলায় যানবাহন ফিরিয়ে দেয়, সন্ধ্যার পর তারাই তৎপর হয়ে ওঠে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রিতে

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে যে সব  সিএনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এসবের মধ্যে দু-একটি স্টেশন বাদে বেশির ভাগ স্টেশন থেকেই ভ্যানে বা কাভার্ড ভ্যানে করে সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে

স্থানীয় সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, আকারভেদে ৬০, ৯০ ১৩০ লিটার ধারণক্ষমতার সিলিন্ডার ভ্যানে স্থাপন করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণভাবে রিকশা-ভ্যান কিংবা কাভার্ডভ্যানে স্থাপিত সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা

দিন কিংবা রাত সবসময়ই সিএনজি স্টেশনগুলো থেকে রিকশা-ভ্যান কাভার্ডভ্যানে করে আনা বহু সিলিন্ডারে দেয়া হচ্ছে সিএনজি গ্যাস। যাত্রাবাড়ী ক্যাব এক্সপ্রেস সিএনজি, রানা সিএনজি, গজারিয়ায় ফিদা সিএনজি স্টেশন ঘুরে চিত্র দেখা গেছে

গত সোমবার রাত ১০টায় যাত্রাবাড়ী ক্যাব এক্সপ্রেস এলাকার সিএনজি স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে বাহিরে সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষমাণ বেশ কয়েকটি সিলিন্ডারবাহী ভ্যান। পাশেই একটি কাভার্ডভ্যানের ভেতরে মিলল বিশেষ কায়দায় স্থাপন করা ৩০টি বড় আকারের সিলিন্ডার। আরও কয়েকটি সিলিন্ডারবাহী মিনি কাভার্ডভ্যান সিএনজি স্টেশনের পাশে অপেক্ষমাণ। এসব সিলিন্ডারে সিএনজি স্টেশন থেকে রিফিল করা হচ্ছিল রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) যানবাহন ছাড়া অন্য কোথাও সিএনজি বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও স্টেশন কর্তৃপক্ষ মানছে না তা

সিলিন্ডারে গ্যাস নিতে আসা দুই ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় নিয়মিত এই স্টেশন থেকে গ্যাস নেয়া হয়

কারখানায় রাতে গ্যাসলাইনে চাপ কম থাকায় অবৈধভাবে সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে বয়লার চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করেও কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি

বিস্ফোরক পরিদপ্তরের উপপ্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক . মো. আব্দুল হান্নান বলেন, অনুমোদিত কনভারসন সেন্টার থেকে গাড়িতে লাগানো সিলিন্ডার ব্যতীত খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বেআইনি। সিএনজি স্টেশনগুলোকে খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরও যদি কেউ খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ করে, তাহলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বঙ্গভবন অভিমুখে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

জিরো পয়েন্টে পুলিশের ব্যারিকেড

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পূর্বঘোষিত গণপদযাত্রা নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে এগিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর জিরো পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন পুলিশ সদস্যরা। ব্যারিকেডের কারণে সামনে এগোতে না পেরে সেখানে সড়কে বসে পড়েছেন তারা। সেখান থেকে তাদের ১০ জন প্রতিনিধি স্মারকলিপি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বঙ্গভবনে। এই সময়ে বাকি শিক্ষার্থীরা অবস্থান করবেন জিরোপয়েন্ট থেকে সচিবালয়ের সামনের সড়কে।

জিরোপয়েন্টে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণপদযাত্রা করে শিক্ষাভবন মোড় হয়ে জিরোপয়েন্টে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গভবনে যাওয়ার পথে শত শত পুলিশ সদস্য ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। ফলে এই দিক দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং কাউকেই ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।

এ অবস্থায় আন্দোলনকারীরা জিরো পয়েন্টে সড়কের ওপর বসে পড়েছেন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

এসময় আন্দোলনের সমন্বয়করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ঢালাওভাবে বঙ্গভবন অভিমুখে যাবো না। আমাদের প্রতিনিধি যাবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ, মামলা তুলে নেওয়া ও কোটা সংস্কারের একদফা বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিতে দুপুর ১২টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে গণপদযাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাছাড়া অন্যান্য জেলা থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বাজার ঊর্ধ্বমুখী, বেগুনের কেজি ১২০

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। বরবটি, করলা, বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি দাম ১২০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বসে আছে শসা ও কাঁকরোল। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের কেজি দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়। এছাড়া বাজারে মাছ-মুরগির দামও বাড়তি যাচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের সবজির অতিরিক্ত বাড়তি দাম। মাছ ও মুরগির দামেও ঊর্ধ্বগতি। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিকে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে এত বাড়তি দামে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বাজারে দেখা গেছে, প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, গাঁজর প্রতিকেজি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ৮০, গোল বেগুন প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ঢেঁরস প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, কচুর মুখি প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁকরোল প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়, সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, কক প্রতি কেজি ৩৩০ টাকা, লেয়ার প্রতি কেজি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আগের বাড়তি দামেই প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায় এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০০ টাকায়।

পাশাপাশি বাজারে সব ধরনের মাছের দামও বাড়তি যাচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি পাবদা বিক্রি ৫০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, কাতল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, কই প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, গলসা প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, টেংড়া প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় বোয়াল প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় আইড় মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করেই অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। যদিও বিক্রেতারা টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিকে সবজির অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। পাশাপাশি ক্রেতারাও সবজির হঠাৎ এমন দাম বৃদ্ধির কারণে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

রাজধানী মহাখালী বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, বাজারে সবজির এত দাম দেখে নিজেই হতাশ হয়েছি। অন্য সব ধরনের পণ্যের দামই আকাশ ছোঁয়া। সেই সঙ্গে আজ দেখছি সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। বরবটি করলা বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি দাম ১২০ টাকা হয়েছে। ১০০ টাকার ঘরে আছে শসা, কাঁকরোল। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের কেজি দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। মাছ মাংসের দাম তো আগে থেকেই বেশি সাধারণ মানুষ যে সবজি খাবে সেগুলোর দামও দেখছি আজ আকাশ ছোঁয়া হয়ে গেছে। যখন যেভাবে ইচ্ছা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, সেখানে ক্রেতাদের কিছুই বলার নাই কিছুই করার নেই। কোনো সাধারণ মানুষ এত দাম দিয়ে এগুলো কিনে খেতে পারবে না।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস আলীও একই রকম অভিযোগ জানিয়ে বলেন, এক মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, আর পেঁপের কেজি ৫০ টাকা। বাকিগুলো ৮০ টাকার ঘরে। এছাড়া করলা, বেগুন, কাঁকরোল, বরবটি, শসা এগুলোতে হাত দেওয়ার উপায় নেই, কারণ এগুলো দাম ১২০ টাকা পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। বাজার মনিটরিয়ের কোনো উদ্যোগ নেই। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। দামের বোঝা সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।

সব ধরনের সবজির বাড়তি দাম বিষয়ে রাজধানীর গুলশান লেকপাড় বাজারের বিক্রেতা খোরশেদ আলম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই সবজির কিছুটা বাড়তি দাম। তবে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। আজ কারওয়ানবাজারেই পাইকারি সব সবজি কেনার অতিরিক্ত দাম লেগেছে। সেইসঙ্গে রাস্তা খরচসহ পরিবহন খরচ মিলিয়ে খুচরা বাজারে এর দাম আরও বেড়ে গেছে।

একই বিষয়ে কারওয়ানবাজারের সবজি বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে জমিতেই সব ধরনের সবজির গাছগুলো হেলে পড়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ফসলও তুলতে পারেনি কয়েকদিন। সবমিলিয়ে পাইকারি বাজারেই সব ধরনের সবজির সরবরাহ অনেক কম। যে কারণে হঠাৎ করেই সবজির দাম বেড়ে গেছে। বৃষ্টি শেষে আবার সবজি সরবরাহ ঠিক হলে দাম ফের কমে আসবে। এছাড়াও অনেক সবজির ইতোমধ্যে মৌসুম শেষ হয়ে গেছে, শেষ সময়ের অল্প কিছু সবজি আসছে বাজারে। নতুন করে যখন আবার ফসল উঠতে শুরু করবে তখন ফের সবজির দাম কমে আসবে।


আরও খবর



শাশুড়িকেও বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি উপহার দেন এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image


বিডি টুডেস ডেস্ক:


১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মুশফিকুর রহমান ইফাত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মতিউর রহমানেরই ছেলে। এতে কোন সন্দেহ নেই।



 ইফাতের দুই মামা ও একাধিক নিকটাত্মীয় বিষয়টি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছেন। সেই ছেলে ও স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবুর অনুরোধে শ্বশুর বাড়িতে শাশুড়িকে ১০ বছর আগে একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানিয়ে উপহার দেন মতিউর রহমান। 



মতিউর রহমানের শ্বশুর বাড়ি সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায়। তবে স্থানীয়রা বাড়িটিকে মিয়া বাড়ি হিসেবে চিনেন।


যদিও মতিউর রহমান গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, ইফাত তার ছেলে নয়। এ বিষয়ে পরিবারটির ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার কারণে মতিউর রহমান ছেলেকে অস্বীকার করছেন। কারণ, ১৫ লাখের ছাগলকে কেন্দ্র করে ভাইরাল হওয়ার পর ইফাতের দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপনের নানা বিবরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। 



সরকারি চাকরজীবী বাবার বেতনের টাকা দিয়ে ছেলে কীভাবে এমন ব্যয়বহুল জীবনযাপন করতে পারে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছেলের পরিচয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।


মতিউরের বানিয়ে দেওয়া বিলাসবহুল বাড়িটি জসিম উদ্দিন নামে স্থানীয় একব্যক্তি দেখাশোনা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে তিনি এই বাড়িতে থেকে বাড়ি দেখাশোনা করছেন। 



সর্বশেষ গত দুই মাস আগেও এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান স্ত্রী, শাম্মী আখতার শিবু, ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত ও শাশুড়িকে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন। দু-একদিন থাকার পর আবার ঢাকায় ফিরে যান। 


মতিউর রহমানের শাশুড়ি বর্তমানে ঢাকায় মেয়েদের বাসায় ও বাড়িতে আসা-যাওয়ার ওপর থাকেন। তিনি এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, গত বছর কোরবানির ঈদে মতিউরের ছেলে ইফাত কোটি টাকা ব্যয় করে ১৪টি গরু-ছাগল কিনেছিলেন। এর মধ্যে আটটি গরু ও দুটি ছাগল ঢাকায় কোরবানি দিয়েছেন। বাকি চারটি গরু নানার বাড়িতে নিজে এসে জবাই করে আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।


স্থানীয়রা জানায়, মতিউর রহমান ও তার শ্যালক নবিকের নামে ফেনী ও সোনাগাজীতেও বেশ কিছু জমিজমা রয়েছে। যা মতিউরের স্ত্রী শাম্মী আখতারের জেঠাতো ভাই মো. আরিফুর রহমান তাদেরকে কিনে দিয়েছেন। তিনি এই সম্পত্তির দেখাশোনা করেন।


মতিউরের স্ত্রী শাম্মী আখতারের জেঠাতো ভাই মো. আরিফুর রহমান বলেন, এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান তার চাচাতো বোনের স্বামী। মুশফিকুর রহমান ইফাত তাদের একমাত্র সন্তান। শাম্মী আখতারের এক বোন ও এক ভাই রয়েছে। ২৫ বছর আগে মতিউরের সঙ্গে শাম্মী আখতারের বিয়ে হয়। 



বিয়ের এক বছর পর শাম্মী আখতারের বাবা অবসর প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মিল্লাত মিয়া মারা যান। এরপর শাম্মীর অনুরোধে মতিউর শাশুড়ি, শালিকা লাভলী আক্তার ও শ্যালক মো. নকিবকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে লাভলীকে পড়ালেখা শেষে বিয়ে দেন। 



আর শ্যালক মো. নবিককে বাসায় রেখে লেখাপড়া করান। সম্প্রতি নবিক চীন থেকে ফ্যাশন ডিজাইনের ওপর লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরে এসে ব্যবসা ও চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তারা রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নিজস্ব বাসায় থাকেন। 



তবে স্থানীয়রা বলছে, শ্যালক নকিব ঢাকাসহ বিদেশে মতিউরের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম দেখাশোনা করেন।


তিনি বলেন, মতিউর হঠাৎ করে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ায় তিনি নিজেকে নির্দোষ ও আড়াল করতে স্ত্রী-সন্তানদের অস্বীকার করছেন। তবে এটা অচিরেই সমাধান হয়ে যাবে। অন্যথায় ডিএনএ পরীক্ষা করলে ইফাতের পিতৃপরিচয় সম্পর্কে পরিস্কার হয়ে যাবে।


 এছাড়া ফেনী ও সোনাগাজীতে মতিউর ও নকিবের পৈত্রিক ছাড়া আর কোন জমিজমা নেই। তিনি তাদেরকে কোন জমিজমা কিনে দেননি বলেও জানান।


শুক্রবার (২১ জুন) সকালে উপজেলার সোনাপুর এলাকায় মিয়া বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়িটির দরজা বন্ধ। ঘরে কেউ নেই।


এমন সময় দেখা হয় মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবুর জেঠাতো ভাই ও আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরনের। 


তিনি বলেন, এনবিআরের সদস্য মতিউর রহমান তার চাচাতো বোনের স্বামী। ইফাত তাদের সন্তান। শাম্মী আখতারের ছোট ভাই ঢাকাতে ব্যবসা করেন। বিভিন্ন সময়ে মতিউর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফেনীর সোনাগাজীতে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসতেন বলেও জানিয়েছেন।


তবে শাশুড়িকে মতিউরের বিলাসবহুল বাড়ি উপহারের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।


আরও খবর



সাপাহারে কৃষি প্রযুক্তি মেলা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image


উত্তম কুমার সরকার সাপাহার (নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহারে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন ও কুষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

রবিবার বেলা ১১টার দিকে সাপাহার উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত কৃষি প্রযুক্তি মেলার শুভ উদ্বোধন শেষে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি । অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাপলা খাতুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নঈমুদ্দীন , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাইমা খাতুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজা সারোয়ার প্রমুখ। 

এর পর প্রধান অতিথি দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও বাইসাইকেল প্রদান করেন। বেলা ২টা ৩০মিনিটে উপজেলা হাসপাতাল ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল খেলার শুভ উদ্বোধন ঘোভনা করেন।

আরও খবর