Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

আবার কমেছে রিজার্ভ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার কমে ২০ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। আইএমএফসহ বিভিন্ন উৎস থেকে বড় অঙ্কের ঋণ পাওয়ার পর গত সপ্তাহে যা ছিল ২১ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে নিট রিজার্ভ ১৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন থেকে নেমেছে ১৫ দশমিক ৪৫ বিলিয়নে।

বুধবার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ১ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ এ পর্যায়ে নামলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আকু হলো- আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিস্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে প্রতি দু্ই মাস পর বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তানের মধ্যে দায় পরিশোধ হয়। একটি সময় শ্রীলঙ্কা আকুতে থাকলেও অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে নিজ থেকেই তারা বেরিয়ে গেছে। এর আগে গত মে মাসে আকুতে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নেমেছিল ১৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। আর গত জানুয়ারিতে আকুর দায় বাবদ ১২৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নামে ২০ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে করোনা পরবর্তী অর্থনীতিতে বাড়তি চাহিদা এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি, বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ কমে যাওয়া এবং আগের দায় পরিশোধ বেড়েছে। গত ৩ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। সব মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমছে।

গত ২৭ জুন আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। আইডিবি, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া গেছে আরও ৯০ কোটি ডলার। আবার জুনে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ২৫৪ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। সব মিলিয়ে রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছিল।


আরও খবর



মতিউরের বিরুদ্ধে দূর্নীতি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।


রোববার (২৩ জুন) দুদকের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুদক জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করে কাজ শুরু করেছে কমিশন। আগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখবে তারা। 



তার সম্পদের বিষয়ে সব কিছুই তদন্ত করে দেখবে কমিশন। মতিউরের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয় গত ৪ জুন। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


এর আগে আজই এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


তার ছেলের কারণে মতিউর রহমান কিছুদিন ধরে আলোচনায় আছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক।



 সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হইছে। 


১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে বলা হয় এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।


এর পর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে।


এদিকে আজই অর্থ মন্ত্রণালয় মতিউর রহমানের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। 



তবে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



আরও খবর



দেশের ১২ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ঢাকাসহ দেশের ১২ অঞ্চলের উপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক সতর্কবার্তায় এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপিতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আজ শনিবার রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




পিতৃত্বকালীন ছুটি চেয়ে ৬ মাসের শিশুর হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

দেশের সব প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবীদের পিতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা তৈরি করার নির্দেশনা চেয়ে ৬ মাস বয়সি শিশু হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে।


বুধবার (৩ জুলাই) ৬ মাসের শিশু নুবাইদ বিন সাদী ও তার মা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।


রিটে কেবিনেট সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রনালয়ের সচিবসহ মোট ১১ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।


রিটে বলা হয়, নবজাতকের যত্নে কেবল মায়ের ভূমিকা মুখ্য—এই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। বাবার ভূমিকাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার মত ব্যস্ত শহরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেওয়ার সুযোগ সীমিত।



 এছাড়াও সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশু জন্মের হার আমাদের দেশে অনেক বেশি। এই অপারেশনের পর সুস্থ হতে মায়ের সময় লাগে। এই সময় নবজাতক ও মায়ের নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়।



 পিতৃত্বকালীন ছুটির সুযোগ না থাকায়, যারা নতুন বাবা হন তাদের স্ত্রী ও নবজাতকের দেখাশোনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত, ভুটান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের ৭৮টিরও বেশি দেশে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান রয়েছে।



এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, পিতৃত্বকালীন ছুটি নীতিমালা সংবিধানের ৭, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।




আরও খবর



জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ৭ হাজার ৫৯৯ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সদরুল আইন:


লতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইন আবেদনে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশিত হয়েছে।


  রোববার (২৩ জুন) রাত ৮টায় একাদশে ভর্তির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।



প্রকাশিত ফল থেকে জানা গেছে, এবার জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ৭ হাজার ৫৯৯ জন শিক্ষার্থী। এর আগে, গত ১৩ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। যা শুরু হয়েছিল ২৬ মে।



ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে জানা গেছে, চলতি বছর সব শিক্ষা বোর্ড (সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) মিলিয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। সব মিলিয়ে এবার প্রায় ১০ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে।




জানা গেছে, প্রথম ধাপে আবেদন করেছে ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে আবেদন করেছে এবং ফি-ও দিয়েছে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫০। বাকিরা আবেদন করলেও ফি জমা দেয়নি। 



এই শিক্ষার্থীরা যেহেতু সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পারে, সে হিসেবে মোট আবেদন জমা পড়েছে ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৩টি। এর মধ্যে কলেজ পেয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৯ জন। অর্থাৎ ৪৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেও কলেজ পায়নি।


জানা গেছে, প্রথম ধাপে ফল প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নিশ্চয়ন করতে হবে। নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য আসনে ৩০ জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। ৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। 



এরপর টানা চার দিন চলবে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতদের নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া। ৯ ও ১০ জুলাই তৃতীয় ধাপে আবেদন নেওয়া হবে, এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জুলাই রাত ৮টায়। তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চয়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত।


 একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে আগামী ৩০ জুলাই।



আরও খবর



মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ গরবাসী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। দিনে রাতে সর্বত্র মশার দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, রেস্টুরেন্ট, গণপরিবহণসহ মশার উৎপাত সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। এমনকি গণভবনেও মশার উৎপাত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মশক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও এর সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেই খাল পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। এতে ময়লা-আবর্জনাতে জন্ম নেওয়া মশা উড়ে বাসাবাড়িতে চলে যাচ্ছে। শীতকালীন সময়ে দেশের খাল ও জলাশয়গুলো শুকনা থাকে। বিশেষ করে কচুরিপানা ও পানিতে ভাসমান বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা থাকা মশাগুলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করছেন তারা। তাছাড়া এ সময়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তবে এডিস মশা নিয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে তাদের এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ ডক্টর কবিরুল বাশার যায়যায়দিনকে বলেছেন, খাল পরিষ্কারের কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে এ ঠিক না। খাল পরিষ্কার করলে সেখানে সাথে সাথে লার্ভি সাইট (মশার ডিম ধ্বংস করার ওষুধ) প্রয়োগ করার কথা।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রতি বছরই এই সময় প্রাকৃতিকভাবে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। পচা পানিতে এ মশার বংশ বিস্তার করে। এ সময় পানিতে অর্গানিক কমপাউন্ড বেড়ে যায়। এটা মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

মশক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, প্রতি সাত দিন অন্তর অন্তর এডাল্টি সাইট ও লার্ভি সাইট প্রয়োগ করেত হবে। নিয়মিত জলাশয় ও পানি জমে থাকার স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে। তবে একবার ওষুধ দিয়ে আবার ১০-১৫ দিন পর দিলে হবে না। মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে প্রতি সাত দিন পরপরই ওষুধ প্রয়োগ করার পরামর্শ দেন এ কীটতত্ত্ববিদ।

এদিকে, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলতি সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ সভায় মশক নিধনে সিটি করপোরেশনগুলোর গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, প্রতিদিনই সকাল-সন্ধ্যা মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। বেশ কয়েক দফায় মশার ওষুধ পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষার জন্য বাসাবাড়ির আঙিনাসহ সর্বত্রই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, করোনার মধ্যে লকডাউনেও পাঁচবার চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে সংস্থাটি। এজন্য এ বছর এডিসের প্রকোপ গতবারের মতো ছিল না। তেমনি কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি মিক্সড বেস্নায়ার কেনা হচ্ছে। এগুলো দিয়ে ওষুধ ছিটানো শুরু হলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গুলশান, বনানী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, উত্তরা, তেজগাঁও, ভাসানটেক, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

উত্তরা এলাকার বাসিন্দা লুৎফুন্নাহার জানান, দিনে রাতে মশার অত্যাচারে ঘরে থাকা দায়। দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হয়। সিটি করপোরেশনের ওষুধ ছিটানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ওষুধ দিলে বাইরের মশা ঘরে চলে আসে।

হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদেরও পড়তে হয় মশার বিড়ম্বনায়। ঝিলের পাড়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বসে অবসর সময় কাটাতে আসা নগরবাসীকে সহ্য করতে হয় মশার কামড়। বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টর কর্মচারীরা জানিয়েছেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা মানুষজন মশার কামড়ে রেস্টুরেন্টেও টিকতে পারে না। তাই প্রতিটি টেবিলের নিচে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তারা।

ঝিলের পাড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শাকিল আহমেদ জানান, এখানে এক মিনিটও টিকা দায়। এত মশা আগে কখনোই দেখিনি। দলবেঁধে মশা এসে নাকে-মুখে লাগে।

গুলশান গুদারাঘাট এলাকার এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা জানান, মশার জ্বালায় কোথাও দাঁড়াতে পারি না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মশা এমনভাবে কামড় দেয় যেন শরীরে পিঁপড়া কামড়াচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড এলাকার আনিসুর রহমান জানান, রাতে তো আছেই দিনেও মশার অত্যাচারে টিকা যায় না। ক'দিন আগেও মশার ওষুধ দিয়েছে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বর এলাকার আবু বকর জানান, এই সময়টা প্রতি বছরই মশার উপদ্রব বাড়ে। সিটি করপোরেশনের ওপর ভরসা না পেয়ে নিজেরাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

তাছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, পান্থপথ, মগবাজার, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, মাতুয়াইল, ধনিয়া, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মানিকনগরসহ প্রায় সব এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আমরা ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে পেয়েছি। এগুলো আমরা পরিষ্কার করছি। এসব খাল থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব খাল ও কচুরিপানায় যেসব মশা থাকত তার একটি অংশ কিন্তু উড়ে লোকালয়ে যাচ্ছে। এটাও মশা বৃদ্ধি পাওয়ার একটা কারণ। তাছাড়া শীতের মৌসুমে ঋতুগত কারণে মশা বেড়েছে। কারণ এডিস যেমন পরিষ্কার জমা পানিতে হয়, তেমনি কিউলেক্স মশা নোংরা, অপরিষ্কার পানিতে হয়। শীতকালে এখন যে মশা সেটি মূলত কিউলেক্স মশা। অনেক জলাশয় শীতকালে শুকিয়ে যাওয়ায় সেখানে কিউলেক্স মশা জমছে। আবার বর্ষাকালে জলাশয়ের পানি যেমন বহমান থাকে শীতকালে কিন্তু তেমন না। তাই মশা বেড়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪