Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

আবার 'সেঞ্চুরি' হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে বাজারে নতুন পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও গতকাল সোমবার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। খুচরা বাজারে দাম বেড়ে আবারও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। গত বছর এ সময় নতুন পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। ভরা মৌসুমে এ পণ্যের দাম কেন বেড়েছে- এ প্রশ্ন ভোক্তাদের। সরকার প্রায় এক মাস আগে বিভিন্ন জেলায় অভিযান পরিচালনা করলেও পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। উল্টো অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গতকাল সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দাম বাড়ার এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারের বেশিরভাগ দোকানেই নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিদরে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, রবিবার রাজধানীতে প্রতি কেজি নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। টিসিবির সহকারী পরিচালক (বাজার তথ্য) নাসির উদ্দিন তালুকদার জানান, রবিবার নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, ঠিক এক দিন আগে এটার দাম ছিল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। গত মাসে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছিল। তাই ওই সময়ও নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়া বাজারে কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, গত ৪-৫ দিন আগে পেঁয়াজ কিনলাম ৮০ টাকায়, আজ (সোমবার) কিনতে এসে দেখি দাম হয়ে গেছে ১০০ টাকা। ২-১ দিনের মধ্যে হঠাৎ কীভাবে দাম ২০ টাকা বেড়ে যায়? দেশে বাজার মনিটরিং বলে কী কিছু আছে? যারা অসাধু ব্যবসায়ী তারা হঠাৎ সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের জিম্মি করে ফেলে। গুলশানসংলগ্ন লেকপাড় বাজারে দীর্ঘদিন ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন সিরাজুল ইসলাম।

হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি মূলত পাবনা থেকে পেঁয়াজ কিনে এনে এখানে খুচরা বিক্রি করি। এছাড়া মাঝে মাঝে ঢাকার কারওয়ানবাজারসহ বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনি। পাবনায় এখন পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। পরিবহনসহ সব খরচ মিলিয়ে ঢাকার খুচরা বাজারে সেই পেঁয়াজ সোমবার বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি দরে। পাবনায় প্রতি মণ পেঁয়াজ ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। মূলত রবিবার থেকেই এমন দাম বেড়েছে।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, মূলত নতুন বা মুড়িকাটা পেঁয়াজ তোলা শেষের দিকে। প্রায় দেড় মাস আগে এ পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করে, এখন কৃষকের সেই পেঁয়াজ শেষের দিকে। ফলে সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ না থাকায় হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এখন কৃষকের মূল পেঁয়াজ যেটা বছরজুড়ে পাওয়া যায়, সেই পেঁয়াজ উঠতে কিছুদিন সময় লাগবে। সে পর্যন্ত এমন বাড়তি দাম থাকতে পারে।

 মালিবাগ বাজারের ক্রেতা গার্মেন্টকর্মী রেজাউল করিম বলেন, এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা হওয়ায় আধা কেজি পেঁয়াজ কিনেছি। বাজারে সব জিনিসের দাম অতিরিক্ত বেশি, এর মধ্যে আবারও বাড়ল পেঁয়াজের দাম। সবকিছুর দাম এভাবে বাড়তে থাকলে আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের সংসার পরিচালনা করাই কঠিন হয়ে পড়বে। বাড্ডা এলাকার মুদিদোকানি রহমান মিয়া বলেন, আজ দোকানে বিক্রির জন্য কয়েক পাল্লা পেঁয়াজ কিনে এনেছি। সেখানে প্রতি পাল্লা (৫ কেজিতে এক পাল্লা) দাম পড়েছে ৪৭০ টাকা, মানে প্রতি কেজি পড়েছে ৯৪ টাকা। এরপর আছে পরিবহন খরচ।

সব মিলিয়ে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি ১০০ টাকায়। মাত্র তিন দিন আগে পাইকারি ৭০ টাকায় কিনে, বিক্রি করেছি ৮০ টাকা কেজিদরে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র প্রতিদিনের সংবাদকে জানায়, মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ার পথে। তাই বাজারে এ পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলেই দাম বাড়ছে। গত শনিবার পাইকারদের থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনে ৯০ টাকায় বিক্রি করেছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। তবে আগামী মাসে নতুন হালি পেঁয়াজ বাজারে আসবে। এর আগে পর্যন্ত দাম কিছুটা বাড়ন্ত থাকবে।

শ্যামবাজার বণিক সমিতির সহসভাপতি ও পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী আবদুল মাজেদ বলেন, মুড়িকাটা পেঁয়াজ যা উৎপাদন হয়েছে, তা আমরা খেয়ে ফেলেছি। ফলে এ পেঁয়াজ এখন মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট আছে। এতেই দাম বাড়ছে। কবে নাগাদ পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল হতে পারে- এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজারে সারা বছর যে পেঁয়াজ আমরা পাই, তা হালি পেঁয়াজ। আগামী দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে এ পেঁয়াজ বাজারে আসা শুরু হবে। অর্থাৎ মার্চ-এপ্রিল মাসে নতুন পেঁয়াজ এলে বলা যাবে দাম কোনদিকে যাবে। এর আগে দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ আছে।

এফবিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি আমিন হেলালী বলেন, মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষের দিকে হলেও উত্তোলন তো বন্ধ নেই। তাহলে সরবরাহ সংকট হবে কেন? বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। অন্যদিকে পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ব্যবসায়ীদের অনুমতি দেওয়া আছে। যে যেখান থেকে ইচ্ছে আমদানি করুক, কোনো বাধা নেই। কিন্তু এরপর কেউ আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে কিনা, সেটা এ মুহূর্তে বলতে পারছি না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলব।

দাম বৃদ্ধির পর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিয়া সুলতানা বলেন, আমরা এ মুহূর্তে উৎপাদনকারী উৎসগুলোয় গিয়ে পরিস্থিতি যাচাই করছি। বর্তমানে আমাদের মহাপরিচালক বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোয় পরিদর্শনে আছেন। সেখানকার কৃষকের সঙ্গে কথা বলছেন। এছাড়া কয়েকদিন আগেও আমরা পেঁয়াজ নিয়ে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়েছিলাম। এখন যেহেতু আবার দাম বেড়েছে, তাই আবারও হয়তো আমরা পদক্ষেপ নেব।

 


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কাঁঠালিয়ায় ইউএনও কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করলেন এমপি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ঝালকাঠি কাঁঠালিয়া প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইউএনও কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে এ খেলার উদ্ধোধন করেন ঝালকাঠি-১ (কাঁঠালিয়া-রাজাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য  ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.নেছার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.এমাদুল হক মনির।

  এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.বদিউজ্জামান সিকদার, মহিলা  ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খানম, থানা অফিসার ইনচার্জ মো.নাসির উদ্দিন সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তাপস কুমার তালুকদার, এমপির ব্যাক্তিগত সহকারি ব্যারিস্টার মো.মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিমল চন্দ্র সমাদ্দার, ইউপি চেয়ারম্যান মো.হারুন অর রশীদ, শিশির দাস, মো.আমিরুল ইসলাম ফোরকান, মাহামুদুল হক নাহিদ, মাহমুদ হোসেন রিপন, মো.মিঠু সিকদারসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । খেলায় দুই গ্রুপে মোট ৮ দল অংশ নেয়। উদ্ধোধনী খেলায় কাঁঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ বনাম চেঁচরী রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ দল অংশ গ্রহন করে।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রানে ফিরেছেন সাকিব

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে দিনব্যাপী কৈশোর মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় এক দিন ব্যাপী কৈশোর মেলা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার নওগঁর রাণীনগর সরকারী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে কৈশোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এর সহযোহিতায় মেলা টি বাস্তবায়ন করে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা মৌসুমী। 

এক দিন ব্যাপী এই মেলায় রাণীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত কিশোর-কিশোরী ক্লাবের তিন শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। 

মেলার প্রথম ভাগে ক্লাব এর সদস্যরা দেয়াল পত্রিকা, উদ্ভাবনী বিভিন্ন প্রজেক্ট, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা সহ বিভিন্ন স্টল প্রদর্শন করেন। এছাড়া মেলার দ্বিতীয় ভাগে নৃত্য, গান ও কবিতা আবৃতি অনুষ্ঠিত হয়। মেলা শেষে মৌসুমীর উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার নাইস পারভীন এর সঞ্চালনায় বিজয়ী সদস্যদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান। 

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রাণীনগর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) চাঁদ আক্তার বানু, আতাইকুলা জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দীন, মৌসুমীর সদর উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুর রউফ পাভেল সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বৃন্দ।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজবাড়ীতে ফাঁকা বাড়িতে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রাজবাড়ী প্রতিনিধি-: রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের প্রেমটিয়া গ্রামে  আনুমানিক ৭৫  বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা করে ঘরের বারান্দায় ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মরদেহ ঘরের বারান্দায় দেখে পুলিশকে খবর দেয় প্রতিবেশীরা। নিহতের নাম আশালতা দাস । তার স্বামীর নাম মৃত সন্তোষ দাস। 

জানা যায়, আশালতা দাসের দুই মেয়ে। তাদের অনেক আগেই বিয়ে হয়েছে। মেয়ে-জামাই, নাতি-নাতনি সবাই পাংশা শহরে থাকে। গ্রামের বাড়িতে একা বসবাস করতেন আশালতা দাস। পুরাতন বাড়িতে পুকুর, মাঠের জমি ছাড়াও বাগান রয়েছে। আশালতার দান করা জমিতে বিদ্যালয়, হাট বাজার হয়েছে। এসব দেখাশোনা করার জন্য লোক ছিল। সকালে বাড়ির কাজের লোক আশালতা দাসের মরদেহ ঘরের বারান্দায় পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।আশালতা দাসের প্রতিবেশী স্কুলশিক্ষক দিপক দাস জানান, বাড়িতে আশালতা দাস একা বসবাস করতেন দীর্ঘদিন ধরে। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির কাজের লোক গেটে গিয়ে ডাকলেও কোনো সারা পায়নি। পরে অন্য পাশ দিয়ে দেখেন মরদেহ বারান্দায় পরে আছে। পুলিশকে খবর দেয়া আছে। 

তিনি আরও জানান, অনেক কৃষি জমির মালিক আশালতা। তবে এলাকায় কারো সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। এলাকার মধ্যে তাকে সবাই সম্মান করতো।সরিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল আল বাহার বিশ্বাস বলেন, এলাকার মধ্যে এটি ঠাকরুন বাড়ি হিসেবে পরিচিত। সেই বাড়ির মালিককে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে খুব মর্মান্তিক। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের  গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।

পাংশা মডেল থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনা জানার পরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঢাকাসহ ৮ অঞ্চলে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ঢাকাসহ দেশের ৮টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কিছুদিন আগে সবজির ভরা মৌসুমেও দাম ছিল চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে সবজির দাম। তবে পবিত্র শবে বরাতকে সামনে রেখে বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। এছাড়া বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দেখা গেছে চিত্র। সকাল থেকে রাজধানীতে মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে অন্য শুক্রবারের তুলনায় বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে।

মোহাম্মদপুর স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের মুরগির মাংসের দামই ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩১০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। দামের এই ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির দাম বেশ কয়েকদিন ধরেই বেড়েছে। কেনা দাম বেশি পড়ায় বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজির গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পরে তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে দাম আরও বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়।

গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানিকে সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছে। সে জন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

শীতকালীন প্রতিটি সবজির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলো ১০০ টাকার নিচে কিনতে পারছেন না ভোক্তারা। বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস, ব্রকলি ৫০ টাকা পিস, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ টাকা, খিরাই ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আলু কেজিতে ৫ টাকা কমে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যদি এসব বাজারে বগুড়ার লাল আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, গ্রীষ্মকালীন সবজি কচুরমুখী ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকায়, শসা ১০০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধুন্দুল ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, পটল ১৪০ টাকা এবং সাজনা ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, জালি কুমড়া ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজের ফুলকলি ৫০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪