Logo
শিরোনাম

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ২৫০

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে আফগানিস্তানে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৫০ জন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। বুধবার (২২ জুন) ভোরে দেশটিতে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্লাটফর্মে শেয়ার করা বহু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবিতে আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে স্ট্রেচারে করে আহত ব্যক্তিদের পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ি-ঘরের দৃশ্য উঠে এসেছে।

আফগানিস্তানের স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, মৃতের সংখ্যা ২৫০ জনের বেশি বাড়তে পারে। আরও ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শহর খোস্ত থেকে ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কেন্দ্রস্থল থেকে অন্তত ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভূমিকম্পটি অনূভত হয়েছে। এমনকি পাকিস্তান ও ভারতেও এর আঁচ পাওয়া গেছে।


আরও খবর



বোস্টার ডোজ টিকা দেয়ায় বাংলাদেশের কোথাও কোন ধরনের সমস্যা হয়নি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন,  বাংলাদেশে প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছে তারা সুরক্ষিত হয়েছে। এখন বোস্টার  ডোজ টিকা নিলে তাদের আরও বেশী সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে, করোনার মৃত্যুঝুঁকি কমে যাবে। এবং বোস্টার ডোজ টিকা দেয়ায় বাংলাদেশের কোথাও কোন ধরনের সমস্যা হয়নি। বোস্টার ডোজ টিকা নেয়ার পর মৃত্যুঝুঁকি নেই বললেই চলে। 

মন্ত্রী আজ শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে বুস্টার ডোজ টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ রুল মডেল হয়েছে। কোভিড নিয়ন্ত্রনে ও টিকা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সাউথ ইস্ট এশিয়ার মধ্যে প্রথম হয়েছে এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান লাভ করেছে।

কোভিড নিয়ন্ত্রনের কারনে দেশের সব কিছুই স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। 

দেশের এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ ১২ কোটি ৮৭ লক্ষ, দ্বিতীয় ডোজ ১১ কোটি ৭৭ লক্ষ এবং বোস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে প্রায় দেড় কোটির মত মানুষকে।  প্রায় ১৬ হাজার ৫০টি কেন্দ্রে আজ বোস্টার ডোজ টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। 

তিনি বলেন, টিকার  কোন অভাব নেই। পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। লাইন ধরে সকলেই টিকা দিতে পারবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিচালক প্রশাসন অধ্যাপক ডাক্তার সামিউলহক, পরিচালক এমএসমসি এন্ড এইচ ডাক্তার শামছুল হক, পরিচালক স্বাস্থ্য ঢাকা বিভাগ ডাক্তার ফরিদ হোসেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, সিভিল সার্জন ডাক্তার মোয়াজ্জেম হোসেন খান  চৌ্ধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র রমজান আলী, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার জাকির হোসেন , কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাক্তার বজলুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালম প্রমূখ।


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ১দিনেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় বেশ কয়েকটি পুরনো সড়ক সংস্কার কাজে শিডিউলবহির্ভূতভাবে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

পাঁচটি রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া,ইট-বালু ব্যবহার করা হয়েছে। একটি সড়কের পিচ ঢালাইয়ে পুরাতন পাথর,বজুরি ও নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। সড়ক গুলো হলো, ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে উপজেলার পরিষ্কার বাজার থেকে ছিদ্দিক মেম্বারের দোকান পর্যন্ত ৪হাজার মিটার সড়ক। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোস্তফা এন্ড সন্স। মাঠ পর্যায়ে কাজটি করছে কামরুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার। ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে আটকপালিয়া বাজার থেকে পরিষ্কার বাজার পর্যন্ত ২৩০০ মিটার সড়ক। এ কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টার প্রাইজ। ঠিকাদার মো.গিয়াস উদ্দিন নিজেই কাজটি করছেন। ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার বাজার থেকে বেড়ি পর্যন্ত ১হাজার ৯শত ২২মিটার মিটার সড়ক। কাজটি সম্পন্ন করেছেন নান্টু নামে এক ঠিকাদার। উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার পর্যন্ত ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩হাজার ৫শত মিটার সড়ক। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোস্তফা এন্ড সন্স। মাঠ পর্যায়ে কাজটি করছে ঠিকাদার কামরুল ইসলাম । উপজেলার ভূঞার হাট থেকে জোবায়ের মিয়ার বাজার কৃষি ইনস্টিটিউট পর্যন্ত ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২হাজার ২৯মিটার। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মিজান এন্টার প্রাইজ। ঠিকাদার নিজেই কাজটি করছে।

সরকারের জিওবি মেইনটেনেন্স প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে চলছে এইসব নির্মাণকাজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ,পরিষ্কার বাজার টু ছিদ্দিক মেম্বারের দোকান পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইটের খোয়া,বালু, ও এজেন্টে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়। এরপর পিচ ঢালাইয়ে নিম্নমানের পুরাতন পাথর, বিটুমিন,বজুরি ব্যবহার করে রাত ১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে পিচ ঢালাইয়ের কাজ চালানো হয়। এ সময় স্থানীয়রা বাঁধা দিলে পরের দিন কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদার। পিচ ঢালাইয়ের শেষে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান থেকে স্থানীয়রা হাত দিয়ে টেনে নতুন কার্পেটিং তুলছে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। আটকপালিয়া বাজার থেকে পরিষ্কার বাজার সড়ক সংস্কারে কাজের শুরুতেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এজেন্টে নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহার করে পিচ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করে। স্থানীয় সাংবাদিকরা নিম্নমানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করে কোন প্রতিকার পান নি। বীরদর্পে সিডিউল বহির্ভূত ভাবে কাজ চালিয়েছে ঠিকাদার। উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার বাজার থেকে বেড়ি পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া,বালু ব্যবহার করা হয়। নিম্নমানের কাজ নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিল। এতে করেও তিনি কোন প্রতিকার পান নি বলে অভিযোগ করে বলেন,সর্বশেষ ঠিকাদার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে।

জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার এবং ভূঞারহাট থেকে কৃষি ইনস্টিটিউট সড়কের সংষ্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়। জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ড্যাম্পিং শেষে পিচ ঢালাই চলছে। ভূঞারহাট থেকে কৃষি ইনস্টিটিউট সড়কের নিম্নমানের কাজ চলছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিডিউলের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো পাঁচটি সড়কে নিম্নমানের কাজ করছেন ঠিকাদার। কাজের শুরু থেকেই তদারকি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে এসব অনিয়ম করে চলছে। এজেন্টে নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া, নিম্নমানের বালু ব্যবহার করা হয়েছে। এতে একাধিক স্থানে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে সড়কের কাজে বাধা দেন। তারপর এলাকাবাসী সুবর্ণচর উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগকে মৌখিকভাবে জানিয়েও ফল পাননি। এরপর নিম্নমানের পাথর ও বজুরি দিয়ে ৩টি সড়কে কাপের্টিং করা হয়েছে। বর্তমানে ২টি সড়ক পিচ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছেন, নির্মাণের একদিন পর হাত দিয়ে টানলে পিচ ঢালাই উঠে যাচ্ছে। সামনে বর্ষায় সব উঠে যাবে। এত খারাপ রাস্তা করার কী দরকার? স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলী মো.জালাল ও সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল বারীর যোগসাজশে সুবর্ণচর উপজেলায় বেজায় নিম্নমানের কাজ হচ্ছে। স্থানীয়রা নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদাররা চাঁদাবাজির মামলার ভয় দেখান।

সরজমিন দেখা গেছে, সড়কে নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে যেনতেন ভাবে কাজ করা হয়েছে। অপরদিকে শ্রমিকরা বলছেন, ঠিকাদার যে রকম ইট-বালু দিচ্ছেন, তা দিয়েই তাদের রাস্তা নির্মাণ করতে হচ্ছে। একাধিক শ্রমিক নিম্নমানের ইট ও ইটের খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেন। এ সময় স্থানীয়রা তদারকি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেন, উচ্চপর্যায় থেকে সুবর্ণচর উপজেলার সব ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নোয়াখালীর আওতায় বাস্তবায়িত কাজগুলো সঠিকভাবে অন্তত একবার তদন্ত করা হোক। তাহলে অনেক অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে। কারণ তদারকি প্রতিষ্ঠানের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরকারি শিডিউল অনুযায়ী উন্নয়ন কাজের মান নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। কারণ এর ঘাটে ঘাটে অনেক অনিয়মের গান আছে। এ চারটি সড়কের বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীকে তথ্য দিতে তালবাহানা করে সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠান।

নিম্নমানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার কামরুল ইসলাম,শিফটন,নান্টু,গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেন তারা সিডিউল অনুযায়ী কাজ করেছে। ঠিকাদার কামরুল ইসলাম বলেন,আমার কাজে কিছুর খারাপ পাথর গিয়েছে। অফিস বলছে এসব পাথর দিয়ে কাজ করা যাবে না। এর বাহিরে কোন অনিয়ম হয়নি তিনি দাবি করেন। ঠিকাদার শিফটন বলেন, তিনি খারাপ কাজ করার মত ঠিকাদার নয়।

সুবর্ণচর উপজেলা প্রকৌশলী মো.শাহজালাল নিম্নমানের কাজে তদারকি প্রতিষ্ঠানের কর্মক


আরও খবর



বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে যমুনার পানি, ৬ হাজার ৯২ হেক্টর ফসল পানির নিচে

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
এতে জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও খাল-বিলের পানি বাড়ছে। ফলে জেলার বন্যা
পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে।

বুধবার (২২ জুন) সকাল ১০ টায় সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড গেজ রিডার
হাসানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় কাজীপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ৫
সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে এবং  শহরের
হার্ডপয়েন্ট এলাকায় যমুনার পানি ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫০
সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধিতে জেলার
করতোয়া, ইছামতি, ফুলঝোড়, বড়াল, হুড়াসগড় ও চলনবিলের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ
সকল অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা
পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

ইতোমধ্যেই জেলার সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর
উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ২০টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম বন্যা
কবলিত হয়ে পড়েছে। এ সকল এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, হাটবাজার,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বন্যা কবলিতরা।

পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ৫টি উপজেলার এ সকল এলাকার ৬ হাজার ৯২ হেক্টর
জমির আউস ধান, পাট, তিল, কাউন, বাদামসহ উঠতি ফসল নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে কৃষকেরা।

এদিকে, কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার শ্রমজীবীরা।
পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন অনেকেই। বন্যা কবলিত এলাকায়
এখনো শুরু হয়নি সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ত্রাণ বিতরণ।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান জানান, বন্যার্তদের জন্য  ৯১১
মেট্রিক টন চাল, নগদ ২০ লাখ টাকা এবং ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ
পাওয়া গেছে। এগুলো বিতরণের জন্য স্ব-স্ব এলাকার উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তাদের কাছ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী
বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান,
যমুনা পানি ২৪ ঘন্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এরপর পানি কমবে। এখনো বন্যার
আশংকাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এদিকে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার চৌহালী, কাজীপুর, এনায়েতপুর ও
শাহজাদপুরের চরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ
ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে বন্যায়

ভাঙন রোধসহ সকল পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে তারা।

আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে স্বামী-স্ত্রী হত্যার দায়ে ৬ জনের ফাঁসি

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নারায়ণগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ছয়জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুমন, লোকমান, শফিক, সুমন-২, আরিফ ও জামাল। তাদের মধ্যে সুমন, লোকমান ও শফিক পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্র জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১১ আগস্ট রাতে রাস্তা থেকে খাদিজা নামের এক নারী ও তার স্বামী আবদুর রহমানকে তুলে নিয়ে যান আসামিরা। স্বামীকে বেঁধে তারা খাদিজাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। পরে দুজনকে হত্যা করে রাস্তার পাশের ডোবায় ফেলে দেন। ১৬ আগস্ট দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা মামলা করেন। আদালতে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এ রায়  ঘোষণা দেয়া হয়।


আরও খবর



‘যুদ্ধ করতে প্রস্তুত’ সৈন্যের সংখ্যা দশগুণ বাড়াচ্ছে ন্যাটো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট তাদের ‘যুদ্ধ করতে প্রস্তুত’ এমন সেনা সংখ্যা বিপুল সংখ্যায় বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

স্নায়ু যুদ্ধের অবসানের পর ন্যাটো জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে একে সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। 

ন্যাটো জোটের মহাসচিব ইয়েন্স স্টোলটেনবার্গ বলছেন, এ জোটের ‘দ্রুত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’ সৈন্যের সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে প্রায় দশগুণ বাড়িয়ে ৩ লক্ষাধিকে উন্নীত করছে।

এটি একটি নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা- এবং এ সপ্তাহেই মাদ্রিদে একটি শীর্ষ সম্মেলন হবে যেখানে এটা অনুমোদিত হতে পারে বলে বিবিসি জানিয়েছে।  

স্টোলটেনবার্গ বলছেন, ইউরোপের নিরাপত্তার প্রতি রাশিয়ার প্রত্যক্ষ হুমকির পরই এই সৈন্যসংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তার কথায়, নতুন এই ‘সামরিক ব্লুপ্রিন্ট’ পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে উন্নত করা হবে।

ন্যাটোর এই ‘র‍্যাপিড রিঅ্যাকশন ফোর্স’ হচ্ছে স্থল, নৌ ও বিমান সেনা ও সরঞ্জামের সমন্বয়ে তৈরি করা একটি বাহিনী। কোন আক্রমণ হলে যাদেরকে দ্রুতগতিতে মোতায়েন করা যাবে। ২০১৪ সালের আগে এ বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার - আর এখন তা বেড়ে ৪০ হাজার হয়েছে।

ইউক্রেনে রুশ অভিযানের পর এই সৈন্যদের ইতোমধ্যেই লাৎভিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ডে উচ্চ-প্রস্তুতিমূলক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি ও স্লোভেনিয়ায় আরো ‘যুদ্ধের জন্য তৈরি’ সেনাদল মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্টোলটেনবার্গ জানিয়েছেন, স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীকালে ২০১০ সালে ন্যাটো জোট রাশিয়ার ব্যাপারে নতুন অবস্থান নিয়েছিল। রাশিয়াকে তখন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৌশলগত অংশীদা’ বলা হতো। তবে এখন তা বদলে যাচ্ছে। 

তিনি বলেন, ন্যাটো জোটের নিরাপত্তা ও মূল্যবোধের প্রতি সবচেয়ে বড় ও প্রত্যক্ষ হুমকি হচ্ছে রাশিয়া। তবে নতুন পরিকল্পনাটিতে এই প্রথমবারের মতো ন্যাটো জোটের প্রতি চীনের চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও থাকবে।


সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরও খবর