Logo
শিরোনাম
নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে শিশু ও দুই নারীসহ চারজনপর মরদেহ উদ্ধার সমবায়ের মাধ্যমে চাষাবাদ করার আহ্বান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ সাত পৃষ্ঠার চিরকুট লিখে কলেজ ছাত্রীর আত্মহতা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয় নেত্রকোনায় হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু নেত্রকোনায় ইমাম হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নেত্রকোনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান

আইএমও সেক্রেটারি জেনারেল দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ঢাকায় এসেছেন আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) সেক্রেটারি জেনারেল আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। চারদিনের সফরে ঢাকায় এসে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।



এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আইএমও সেক্রেটারি জেনারেলের ঢাকায় আসার তথ্য জানায় লন্ড‌নের বাংলা‌দেশ হাইক‌মিশন। ঢাকা বিমানবন্দ‌রে আর্সেনিওকে স্বাগত জানান লন্ডনে নিযুক্ত হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ডিজি কমডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইএমও সেক্রেটারি জেনারেলের সাক্ষাৎ। ছবি: ফোকাস বাংলা

জানা গেছে, আইএমও সেক্রেটারি জেনারেল শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।



তিনি বাংলাদেশের সামুদ্রিক ও বন্দর অবকাঠামোর পাশাপাশি জাহাজ পুনর্ব্যবহারযোগ্য শিল্প পরিদর্শন করবেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নানিয়ারচর জোন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটিতে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বসত ঘর নির্মাণের জন্য টিন এবং গৃহপালিত পশু (ছাগল) বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নানিয়ারচর জোন।

নানিয়ারচর সেনাজোন (১০ বীর) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ''সম্প্রীতি ও উন্নয়ন" প্রকল্পের আওতায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বসত ঘর নির্মাণের জন্য টিন,নির্মানে সাহায্য এবং গরীব ও অসহায় দুইটি পরিবারের মাঝে গৃহপালিত পশু (ছাগল) বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

দেখাগেছে  ইসলামপুর  এলাকার অসহায় রাজিয়া বেগমের রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত বসত ঘর পুণঃনির্মাণ করে দেওয়া হয় এবং সেই সাথে কুতুকছড়ি এলাকার রফিক উদ্দিন ও সুজন চাকমাকে পারিবারিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সহায়তা স্বরুপ ছাগল প্রদান করা হয়েছে।


জোন অধিনায়ক  বিএ-৭৫৯৭ লেঃ কর্ণেল  তামজিদুর রহমান চৌধুরী(পিএসসি) তিনি নিজেই পরিবারের মাঝে স্বাবলম্বী করতে গৃহ নির্মানে সহযোগিতা এবং টিন,গৃহপালিত পশু বিতরণ করেন। 

তিনি এসময়  বলেন,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা নানিয়ারচর জোন, তার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে চলেছে। নানিয়ারচরে সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত এমন কর্মসূচিতে, স্থানীয় সকল স্তরের জনগণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে আসছে। 


আরও খবর



বাতিল হতে পারে বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি : ঢাবি সিনেটে প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের পিএইচডি ডিগ্রি বাতিলের জন্য সিনেটে প্রস্তাব করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যরা।


বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বৈঠকে সিনেটের অন্তত তিনজন সদস্য এ প্রস্তাব দেন। 



সিনেট সদস্য বলেন, বেনজীর আহমেদ ভর্তির যোগ্যতা পূরণ না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পেয়েছেন।



বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ডিগ্রি পাওয়ার পর তিনি তার নামের শুরুতে ‘ড.’ ব্যবহার শুরু করেন। 


তবে বেনজীরের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা ছিল না। তাকে ভর্তির জন্য অনিয়ম করে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হয়েছিল।



বেনজীর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এই প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রয়োজন স্নাতক ডিগ্রি। 



এই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে, যা বেনজীরের ছিল না।


সিনেট সদস্য রণজিৎ কুমার সাহা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বেনজীরের ডিগ্রি বাতিলের প্রস্তাব করেন।






আরও খবর



নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে ডেস্ক:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শুক্রবার (২১ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (স্থানীয় সময়) বিকেল সাড়ে ৩টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। 


এরআগে ফ্লাইটটি দুপুর ২টা ৩ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করে।


ভারতের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান বিমান বন্দরে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান।


লোক সভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকার প্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। সফরকালে উভয় প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তারপর প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা হবে। 



উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে।



এছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত এক দশকে শক্তিশালী আঞ্চলিক অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে বেশ কিছু আন্তঃসীমান্ত উদ্যোগ চালু করা হয়েছে।



 এটি ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ভারতের রাজধানীতে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর। তিনি গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।


শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার অবস্থানস্থলে সাক্ষাৎ করবেন। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচা বিছানো হবে।



 এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার দেয়া হবে এবং তিনি গার্ড পরিদর্শন ও করবেন।


এরপর তিনি রাজঘাটে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেখানে পরিদর্শন বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করবেন। একই দিন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক এবং প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনার জন্য হায়দরাবাদ হাউসে যাবেন।



 উভয়েই সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেবেন। হায়দ্রাবাদ হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন তিনি।


বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখারের সঙ্গে তার সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করবেন।


স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে পালাম বিমানবন্দর থেকে ভারতের রাজধানী ত্যাগ করবেন এবং রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।-বাসস।


আরও খবর



বাংলাদেশ সীমান্তের রাখাইদের এলাকা ত্যাগের নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শহর মংডু ছাড়ার জন্য বাসিন্দাদের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান। রাজ্যটি নিয়ন্ত্রণে নিতে কয়েক সপ্তাহ ধরে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াই চলছে সংগঠনটির সশস্ত্র শাখা আরাকান আর্মির (এএ)।

রোববার ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান জানায়, মংডু টাউনশিপের অবশিষ্ট জান্তা ঘাঁটিগুলো ঘেরাও করা হয়েছে। শহরটিকে সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাদের অপারেশনের ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করেছে। তারা এখন জান্তার অবশিষ্ট শক্তিশালী ঘাঁটিগুলো দখল করতে চায়। এ কারণেই তারা সেখানকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মংডু শহর দখল করার এই পদক্ষেপের আগে গত মে মাসে আরাকান আর্মি বুথিডাং শহর পুরোপুরি দখল করে নেয়।

এএ বলছে, তারা জুন মাসের ১ থেকে ১৩ তারিখের মধ্যে মংডুতে আরও ১০টি জান্তা ঘাঁটি দখল করেছে। এরমধ্যে তিনটি বর্ডার গার্ড ফোর্সের সদর দফতর এবং একটি সেনা ঘাঁটি। তাদের দাবি, সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর বেস কমান্ডার কর্নেল তাইজার হতেইসহ ২০০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছেন।

এদিকে একজন সামরিক বিশ্লেষক সম্প্রতি দ্য ইরাবতীকে বলেছেন, মংডুর পর রাজ্যের রাজধানী সিতওয়ে হবে আরাকান আর্মির পরবর্তী টার্গেট।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধানও তিনি।

জান্তা ক্ষমতায় আসার পরই বিক্ষোভ শুরু হয় মিয়ানমারে। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় জান্তার বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালীভাবে নামে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো। এরপর থেকেই বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাতে ঘাঁটি ও সেনা হারাচ্ছে মিয়ানমার জান্তা।


আরও খবর



কিম-পুতিন বৈঠক শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উন পিয়ংইয়ংয়ে শীর্ষ বৈঠক শুরু করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার বৈঠকে দুই দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল ও পারস্পারিক সামরিক সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


পুতিন কুমসুসান স্টেট গেস্ট হাউসে আয়োজিত এ আলোচনার আগে একটি অনুষ্ঠানের জন্য কিম ইল সুং স্কয়ারে পৌঁছান। স্থানটি রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার পতাকা এবং দুই নেতার বড় প্রতিকৃতি দিয়ে সজ্জিত ছিল।  



রাষ্ট্রীয় মিডিয়া জানায়, পুতিনের এই সফরকালে দু’দেশের মধ্যে একটি ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।এর আগে কিম বিমানবন্দরে পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান। এই সময় দুই নেতা লাল গালিচায় পরস্পরকে আলিঙ্গন করেন।



পুতিন ও কিম দু’দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর জোর দেন। তাদের এই ঘোষণা সিউল ও ওয়াশিংটনে জন্য উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এটি ২০০০ সালের পর উত্তর কোরিয়ায় পুতিনের প্রথম সফর।


পশ্চিমা দেশগুলো কিমকে উভয় দেশের উপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইউক্রেনে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ এনেছে। যদিও মস্কো ও পিয়ংইয়ং আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


গত সেপ্টেম্বরে স্পেস এয়ারপোর্টে পুতিনের সাথে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কিম তার বুলেট প্রুফ ট্রেনে রাশিয়ার সুদূর পূর্ব অঞ্চলে যাওয়ার পর এক বছরের মধ্যে এটি দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক।পুতিনের এই ফিরতি সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘অজেয়তা ও স্থায়িত্ব’ তুলে ধরছে।


পুতিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভসহ বেশ কয়েকজন রুশ কর্মকর্তার সঙ্গে সফর করছেন। সফরটি প্রতিরক্ষা সম্পর্কের দিকে মনোনিবেশ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। যদিও নেতারা অর্থনৈতিক খাতে দু’দেশের সহযোগিতাকে প্রকাশ্যে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


তবে যে কোনো ধরনের অস্ত্র চুক্তি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে রেজুলেশন রয়েছে, তা লঙ্ঘন করবে।


উত্তর কোরিয়া বিষয়ক গবেষক ডংগুক বিশ্ববিদ্যালয় ইমেরিটাস অধ্যাপক কোহ ইউ-হওয়ান বলেন, ‘ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সমর্থন প্রয়োজন, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার চাপ কমাতে উত্তর কোরিয়ার খাদ্য, শক্তি ও উন্নত অস্ত্রের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সমর্থন প্রয়োজন।’


দক্ষিণ কোরিয়ার পাশাপাশি ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপারে পুতিনের এই উত্তর কোরীয় সফরটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সোমবার ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে।


দুই কোরিয়া তাদের ১৯৫০-৫৩ সালের দ্বন্দ্বের পর থেকে প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধে লিপ্ত এবং তাদের বিভক্ত করা সীমান্তটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সুরক্ষিত সীমানা।


আরও খবর