Logo
শিরোনাম

আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

বিশ্ব আধ্যাত্মিক পরিমন্ডল অন্যতম প্রাণকেন্দ্র মাইজভান্ডার দরবার শরীফ। এ পবিত্র ভূমিতে শায়িত আছেন তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার স্থপতি গাউছুল আজম হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (কঃ) এবং তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার প্রাণপুরুষ অলিকুল শিরোমনি গাউছুল আজম হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারী আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (কঃ)।

হযরত গাউছুল আজম বাবাভান্ডারী কেবলা কাবা (কঃ) হিজরী ১৩৫৬ সালের ২২শে মুহররম মোতাবেক ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের ২২শে চৈত্র রোজ সোমবার ভোর ৭টা ৫৫ মিনিটে একাত্তর বছর ৬ মাস এ নশ্বর জগতে আধ্যাত্মিক লীলা সমাপন করে পরপারে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান।

হযরত গাউছুল আজম বাবাভান্ডারী কেবলা (কঃ) এর বেছালের পর তাঁরই মেঝ শাহজাদা সুলতানুল মাশায়েখ শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর মাইজভান্ডারী আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (কঃ) এর ওরসে নবী বংশের উজ্জল প্রদীপ আমাদের প্রাণাধিক প্রিয় মুর্শেদ কেবলা আল্লামা শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী বিংশ শতাব্দীর এমন এক যুগ-সন্ধিক্ষণে মাতৃগর্ভ থেকে ধরাধামে তশরীফ আনয়ন করেন, যখন সমগ্র বিশ্বে চলছিল অনাচার, জুলুম, নির্যাতন, মুসলিম দুনিয়া সুন্নীয়তের মূল দর্শন থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছিল। আধুনিক জাহেলিয়াত ও বাতিল পন্থীদের খপ্পরে পড়ে ঈমানহারা হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানও তরকতের সঠিক দিক-নির্দেশনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল মুসলিম উম্মাহ, বিশ্বশান্তি বিঘিœত করে পরাশক্তিগুলো প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। মানবতা ভুলুন্ঠিত, নির্যাতিত জনগোষ্ঠির আর্তনাদে খোদার আরশ কাঁপছিল; ঠিক এমনি নাজুক পরিস্থিতিতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এর প্রদর্শিত এবং সাহাবায়ে কেরাম ও আউলিয়া-ই-কেরামের অনুসৃত পথে সঠিক প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যে ১৯৩৮ ইংরেজী সালের ১০ই ফেব্রুয়ারী মোতাবেক মহান ২৭শে মাঘ ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ অনুযায়ী ৯ই জিলহজ্ব ১৩৫০ হিজরী রোজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় মাইজভান্ডার শরীফের পূণ্যভূমিতে প্রেরণ করেন।
“মারহাব ইয়া মারহাবা ইয়া মারহাবা
শায়খুল ইসলাম মইনুদ্দীন মারহাবা”

মাইজভান্ডার দরবার শরীফে তিনি তাঁর আব্বাজান শাহজাদায়ে গাউছুল আজম শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর মাইজভান্ডারী আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (রঃ) এর তত্বাবধানে ইলমে দ্বীন কুরআন-সুন্নাহ এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন করে ঐতিহ্যবাহী সরকারী কলেজিয়েট উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে মেট্রিক পাশ করেন অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. ইউনুস, সাবেক নৌ-বাহিনী প্রধান মোহাইমনুল ইসলাম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খানসহ দেশ বরেন্য কৃতি সন্তানগণ তাঁর স্কুল জীবনের সহপাঠী ছিলেন। আগ্রাবাদস্থ চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজ থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে বি.কম পাশ করেন। আরবী-ফারসী-উর্দুতে তাঁর আব্বাজান এবং বিংশ শতাব্দীর বিশ্ববরেণ্য ওলামায়ে কেরাম থেকে কুরআন-সুন্নাহ তথা ইলমে দ্বীন ইসলাম চর্চা করে প্রভূত জ্ঞান লাভ করেন। তাঁর সবচাইতে বড় কারামত হলো জম্মের পর থেকে অদ্যবধি মুখ থেকে কুরআন-সুন্নাহর বাইরে কোন অযথা বাক্য প্রকাশ পায়নি। যা বলেন আল্লাহ ও রাসূলের (দঃ) শান, আউলিয়া-ই-কেরামের শানে বলেন। যা আমাদের জন্য ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির পাথেয় স্বরূপ।

১৯৫৯ ইংরেজীতে তদানীন্তন হাবীব ব্যাংকে অফিসার হিসাবে যোগদান করে জেনারেল ম্যানেজার পদে যখন উন্নীত হন, ঠিক তখনি ১৯৬২ইং সালে ৫ই এপ্রিল মহান ২২শে চৈত্র রাত ২.৩০ মিনিটে তাঁর আব্বাজানের নির্দেশক্রমে চাকুরী ছেড়ে বায়াতে খাছ গ্রহণ করে খেলাফত লাভের মাধ্যমে তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার প্রচার-প্রসার কল্পে আধ্যাত্মিক সাধনায় ব্রতী হন। ১৯৬৬ ইংরেজীতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন চট্টগ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সাথে। বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রাজনীতিবীদ মরহুম ইসলাম মিয়া টিকে তাঁর শ্বশুর ছিলেন। তাঁরই কন্যা মরহুমা ফাতেমা বেগম (মুন্নিকে) জীবন সঙ্গীনি হিসেবে গ্রহন করেন, তিনি তাঁর জীবনের উন্নতির সোপানে আরোহনের চির সঙ্গীনি ছিলেন। গাউছুল আজম বাবাভান্ডারী (কঃ) ও হযরত কেবলার (কঃ) তরীকা মতে নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তাঁর দুই শাহজাদা যথাক্রমেঃ শাহজাদায়ে গাউসুল আজম আলহাজ্ব শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ), শাহজাদায়ে গাউছুল আজম আলহাজ্ব সৈয়দ শহিদ উদ্দিন আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ) এবং দুই শাহজাদী যথাক্রমেঃ শাহজাদী আল্হাজ্বা সৈয়দা সায়েমা আহমদ (সোমা), ও শাহজাদী সৈয়দা সাহেদা আহমেদ (রুমা)। ১৯৮০ ইং সালে তাঁর স্ত্রী ইন্তেকাল করে জান্নাতবাসী হন। এরপর তিনি আর দ্বিতীয় বিবাহ করেননি। 


আরও খবর

সূফিবাদের প্রয়োজনীয়তা

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২

সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২




নিভল সীতাকুণ্ডের আগুন, ধ্বংস ৪০০ কন্টেইনার

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বিপুল ধ্বংসযজ্ঞ আর প্রায় অর্ধশত মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে, ৮৬ ঘণ্টা পর পুরোপুরি নিভল সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোর আগুন।

বুধবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ১৮ বীর ইউনিটের লেফট্যানেন্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম বলেন, আগুন পুরোপুরি নিভে গেছে। ডিপোতে আর কোথাও আগুন নেই। আগুন আর জ্বলছে না।

কিছু কন্টেইনার থেকে এখনও ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও সক্রিয় আগুন নেই জানিয়ে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, কন্টেইনারে যে গার্মেন্টস পণ্য আছে, সেগুলোতে পানি দেওয়ায় সেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।

কী পরিমাণ কনটেইনার ডেমেজ হয়ে গেছে, প্রশ্নের জবাবে আরিফুল ইসলাম বলেন, ডিপোটিতে চার হাজার ৪০০ কনটেইনার ছিল। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে বলতে পারি, ৪০০ কনটেইনার ধ্বংস হয়েছে। তবে ফাইনাল রিপোর্ট কোঅরডিনেট সেলের মাধ্যমে জানা যাবে। কাজের গতি বাড়িয়ে দিয়েছি। যাতে দ্রুত ডিপোটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।

গত শনিবার রাতে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে বেসরকারি ওই কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর একের পর এক বিস্ফোরণে তা ছড়িয়ে পড়ে। গত তিন দিন ধরে সেখানে আগুন নেভানো ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে আসছেন ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীরা।


আরও খবর



সুফীবাদের মূলনীতি

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 

সুফী শব্দটি (পশম) থেকে উদগত হয়েছে। কারণ, সুফীরা সাধারণ জীবন যাপনের জন্যে পশমী কাপড় পরিধান করতেন- . রোনাল্ড নিকলসনের মতে পশমী পোষাক পরিচ্ছেদ পরিধানও আত্মার বিশুদ্ধতার জন্য জরুরী এবং সূফীরা তা পরতেন বিধায় তারা সুফী নামে পরিচিতি।

আবার কেউ কেউ বলেন, সুফী শব্দটি গ্রীক সাফিয়া শব্দ থেকে উদ্ভাবিত। সাফিয়া অর্থ জ্ঞান। সুফীরা আধ্যাত্মিক জ্ঞানের অধিকারী বলে নামে খ্যাত।

মারূফ আল-কারখী বলেন, “সুফীবাদ ঐশী সত্তার উপলব্ধি।জুনায়েদ বাগদাদী বলেন, “জীবন, মৃত্যু অন্য সমস্ত ব্যাপারে আল্লাহর ওপর নির্ভরতাই সুফীবাদ।কারো কারো মতে,“ পরমত্মার সাথে জীবাত্মার মিল সাধন।

সুফীবাদের মূলনীতিসমূহ :

. তাওবা : অন্যায় পাপের ওপর আন্তরিক অনুশোচনা, অন্যায়ের স্বীকৃতি ভবিষ্যতে কাজ না করার দীপ্ত শপথ। তাওবা হচ্ছে সুফী মতবাদের প্রথম মূলনীতি।

. তাওয়াক্কুল : সর্বাবস্থায় দয়াময় আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করাই তাওয়াক্কুল।

. পরিবর্জন: প্রসঙ্গে নিজামুদ্দীন আওলীয়া বলেন, “স্বল্প আহার, স্বল্প কথন, স্বল্প মেলামেশা, স্বল্প নিদ্রার মধ্যেই নিহিত আছে মানুষের পূর্ণতা।

. সবর : যে কোন অবস্থায় অস্থির না হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তকে মাথা পেতে মেনে নেয়াই সবরের একমাত্র দাবী।

. আত্মসমর্পণ : গুরুও কাছে নিজ আত্মাকে সোপর্দ করে দিতে হবে।

. ইখলাস : নিছক আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সব কাজ করতে হবে।

. আল্লাহর প্রেম : অন্তরে পার্থিব জগতের কোনকিছুর প্রেম মোহ থাকতে পারে না। সর্বক্ষণ আল্লাহকে পাওয়ার চিন্তায় মগ্ন থাকতে হবে।

. আল্লাহর যিকর : আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধন অন্তরকে পরিশুদ্ধি করার জন্য সর্বদা আল্লাহর যিকর

. শুকুর : আল্লাহর অফুরন্ত নেয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান আনুগত্যকরণ শুকর বলা হয়।

১০. কাশফ : সুফীগণ যখন আধ্যাত্মিক সাধনার চরম পর্যায়ে উপনীত হন তখন তার অন্তদৃষ্টি খুলে যায় এবং তার সামনে গোপনীয় সকল রহস্যদ্বার খুলে যায়। এক পর্যায়ে তিনি আল্লাহর অসীমতার মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলেন।

১১. ফানা বাকা : ফানা ফিল্লাহ এবং বাকাবিল্লাহ হচ্ছে সুফী সাধনার সর্বোচ্চ স্তর। স্তরে পৌঁছলে সুফী নিজের ব্যক্তিগত চেতনাকে মুছে দিয়ে ঐশী চেতনায় উন্নীত হন। ব্যক্তিগত চৈতন্য খোদার ধ্যান প্রেমে সমাহিত হয়। তাই আত্মচেতনার অবলুপ্তিকেই বলা হয় ফানা।


আরও খবর

সূফিবাদের প্রয়োজনীয়তা

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২

সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২




রহস্য ফাঁস করলেন বলিউডের ‘বাদশা’

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ছোটবেলা থেকে নারী পরিবেষ্টিত হয়েই বেড়ে উঠেছেন ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর নায়ক। পরবর্তীতে স্ত্রী গৌরী খান এবং মেয়ে সুহানার থেকে বহু কিছু শিখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোজাসাপ্টা কথায় এবং ব্যক্তিত্বে রাজার মতো সবার মন জয় করে আসছেন শাহরুখ খান। বিশেষত নারীদের। এই ৫৬ বছর বয়সেও বহু ষোড়শীর ‘হার্টথ্রব’। কী সেই কৌশল? যার দৌলতে এত সুন্দরভাবে নারী হৃদয় জয় করে ফেলেন তিনি! রহস্য ফাঁস করলেন বলিউডের ‘বাদশা’।

এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ বলেন, আমার ১৪ বছর বয়সে বাবা চলে গেলেন। মায়ের কাছেই বড় হলাম। মায়ের কোনও ভাই ছিল না। মাতামহও প্রয়াত হয়েছিলেন আগেই। তাই পরিবার বলতে আমার ছিলেন মা, তিন মাসি, আর এক দিদিমা। তারপর যখন মা-ও চলে গেলেন আমার জীবনে রইলেন স্ত্রী আর কন্যা।

স্পষ্টতই আজকের ‘বাদশা’-কে দুনিয়া দেখতে শিখিয়েছেন তার পরিবারের নারীরাই। শাহরুখ জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নারীদের সঙ্গে কাজ করতে তার কোনও অসুবিধে হয়নি। তাকে নায়কও করেছেন নারীরাই। তবে নারীদের সম্পর্কে আসল ধারণা পেয়েছিলেন কাজের জগতে এসে। সে কথাও নিজেই বলেছেন কিং খান।

শাহরুখ বলেন, কাজ করতে গিয়ে দেখলাম নারী সহকর্মীরা অসম্ভব পরিশ্রমী। আমার চেয়ে অনেক বেশি খাটতে পারেন ওরা। এতটাই নিয়মানুবর্তী যে, আমি সেটে আসার অন্তত ৪-৫ ঘণ্টা আগে ওরা এসে পড়তেন। পুরুষতান্ত্রিক বিশ্বে নারীদের আজও দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবেই গণ্য হতে দেখি। কিন্তু ওরাই যে শেখাচ্ছেন প্রতি মুহূর্তে।

‘কাল হো না হো’-র নায়ক জানান, কীভাবে মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে হয়, তা-ও তিনি শিখেছেন নারীমহলেই। যদি কোনও কিছুতে অনুমতি নেওয়ার থাকে, কোনও নারীকে রাজি করানোর থাকে, তবে কীভাবে তা করতে হবে, জানেন শাহরুখ। কোনও মেয়েকে হ্যাঁ বলাতে তাকে কোনও দিনও জোর জবরদস্তি করতে হয়নি। জোর গলাতেই জানিয়ে দিয়েছেন ‘বাদশা’।


আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




মাংকিপক্স: বিশ্বে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৭০০

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাংকিপক্স। সারাবিশ্বে মাংকিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। তবে এ রোগে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) উপপরিচালক জেনিফার ম্যাককুইসটন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ২১ জনের দেহে মাংকিপক্স শনাক্ত হয়েছে।

তাদের মধ্যে ১৬ জন সমকামী পুরুষ এবং এই ২১ রোগীদের ১৪ জনই আফ্রিকা ভ্রমণে গিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তদের মধ্যে কয়েকজন এরই মধ্যে সুস্থ হয়েছেন। অন্যরাও চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া পথে।

কানাডাতে মোট ৭৭ জন মাংকিপক্সে আক্রান্ত হয়েছে। রোগীদের প্রায় সবাই কানাডার পূর্বাঞ্চলীয় কুইবেক প্রদেশের।

সূত্র: ফ্রান্স২৪, এএফপি।


আরও খবর



পদ্মা সেতু বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আগামী ২৫ জুন উদ্বোধন হবে পদ্মা সেতু। এটি বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকাল ১১টায় দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “বন্যা একদিক থেকে আশীর্বাদ। কারণ এতে ভূগর্ভস্থ্য পানির স্তর উন্নত হয়। জমির উর্বরতাও বাড়ে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। তারপরও আমাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের বন্যার সঙ্গে বসবাস করতে হবে। কেননা, এটি বন্যাপ্রবণ এলাকা।


আরও খবর