Logo
শিরোনাম
এর জীবন চরিত্র ০২

আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

মাদারজাত (মাতৃ গর্ভকালীন) অলী হুজুর কেবলা

হযরত গাউছুল আজম বাবাভান্ডারী (কঃ) যেদিন ইহকালীন লীলা সমাপন করে আপন রবের সান্নিধ্যে চলে যান অর্থাৎ বাবাজান কেবলার বেছালের দিনই তিনি মাতৃগর্ভে তাশরীফ আনয়ন করেন। সোবাহান্নাল্লাহ! হযরত গাউছুল আজম বাবাভান্ডারী কেবলা (কঃ) বেছালের দিনই তাঁর গাউছিয়তের মহান জিম্মাদারী আনজামের লক্ষ্যে রূহানী জগতে আপন প্রিয় নাতী আমাদের প্রাণপ্রিয় মোর্শেদ মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ) কে খলীফাতুল মুসলেমীন এবং তরীকত ও মারেফতের দিশারী হিসাবে মনোনীত করেন। তাঁরই আগমনে আজ পৃথিবীতে আশেকানে মোস্তফা (দঃ) ধন্য। তাঁর পবিত্র জীবনে অসংখ্য কারামত রয়েছে, কতিপয় কারামত আমরা “শাজরায়ে কাদেরীয়া গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া” গ্রন্থে উল্লেখ করেছি।

বায়াতে খাছ ও খিলাফত লাভ

১৯৬২ ইং সালের ৫ই এপ্রিল মাসে ২২শে চৈত্র রাত ২.৩০ মিনিটে তার আব্বাজান সৈয়দ আবুল বশর আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (কঃ) তাঁকে ডেকে নিয়ে একান্তে বসায়ে খাছ ভাবে বয়াত করান এবং সাজ্জাদানশীন হিসেবে খিলাফত দান করে বয়াত করনোর অনুমতি প্রদান করেন। সেদিন থেকেই তরীকত ও সিলসিলার খিদমত আনজাম দিয়ে যাচ্ছেন। শুধু বাংলাদেশ, পাক-ভারত উপ-মহাদেশেই নয়; বরঞ্চ সমগ্র বিশ্বে শরীয়ত ও তরীকতের খিদমত আন্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলার খাজা মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ)

ইসলাম প্রচারের লক্ষ্যে ভারত-বর্ষে যেসব আউলিয়া-ই-কেরাম আগমত করেন, তদ্মধ্যে সুলতানুল হিন্দ হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী আজমিরী (রঃ) সবার শীর্ষে। যিনি তাঁর জীবদ্দশায় নব্বই মতান্তরে নিরান্নব্বই লাখ অমুসলিমকে মুসলমান বানিয়েছিলেন। সোবহানাল্লাহ! তাঁদেরই পদাংকনুসরন করে বাংলার খাজা মুর্শেদ মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ) লক্ষাধিক অমুসলিম নর-নারীকে এ পর্যন্ত ইসলামে দাখিল করান। সোবহানাল্লাহ! দ্বীনের প্রচারের দায়িত্ব তো আহলে বায়েতের সদস্য আউলিয়া-ই-কেরামই পালন করেন। আমেরিকার ভূখন্ডের বিশিষ্ট নওমুসলিমগণই মুর্শেদের হাতে মুসলমান হওয়ার অন্যতম জাজ্বল্যমান প্রমাণ। সম্প্রতি ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা সফরে বহু অমুসলিম ইসলামে দাখিল এবং বায়াতের মাধ্যমে তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ায় প্রবেশ করেন।

সূফীবাদের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক

সূফীবাদ ইসলামের মূল দর্শন। সূফীবাদই মানুষকে সোনার মানুষ হিসাবে নিজকে গড়ার তালিম দেয়। সূফীবাদী যারা, তাঁরাই মানবতার-শান্তি ও কল্যাণের দিশারী। সাম্য-মৈত্রী সৃষ্টি করে। ১৯৯৬ ইং সালে ইন্টারন্যশনাল এসোসিয়েশন অব সূফীজম আমেরিকার (ওহঃবৎহধঃরড়হধষ অংংড়পরধঃরড়হ ড়ভ ঝঁভরংস অসবৎরপধ) এর ব্যবস্থাপনায় আমেরিকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সূফী সেম্পোজিয়ামে মুর্শেদ কেবলা বাংলাদেশ হতে বিশিষ্ট প্রতিনিধি হিসাবে অংশগ্রহন করেন। তাঁর আগমনে খুশী হয়ে উক্ত এসোসিয়েশনের কর্মকর্তাগণ তাকে উপদেষ্ট (অফারংড়ৎ) মনোনীত করেন। তিনি কাদেরীয়া, চিশতিয়া, নক্শবন্দীয়া, মুজাদ্দেদীয়া, মৌলভীয়া, সোহরাওয়ার্দীসহ সকল হক তরীকতপন্থী ওলামা-মাশায়েখের পৃষ্ঠপোষকতায় করে যাচ্ছেন।

বিশ্বব্যাপী কর্ম বিতৃত“শায়খুল ইসলাম” উপাধিতে ভূষিত

১৯৯৭ ইং সালে আমেরিকায় অনুষ্ঠিত “ইন্টারন্যাশনাল সূফী সেম্পোজিয়ামে” আগত বিশ্বেও শ্রেষ্ঠ সূফী সাধকগণ সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে ‘শায়খুল ইসলাম’ উপাধিতে ভূষিত করেন, যা বিরল এক সম্মান বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য।

আহ্লে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রেসিডেন্ট মুর্শেদ কেবলা

১৯৮৮ ইং সালে ঐতিহ্যবাহী জামেয়া আহমদীয়া সুন্নীয়া আলীয়া ময়দানে তাঁকে বাংলাদেশের ওলামা মাশায়েখ আহ্লে সুন্নাত ওয়াল জামাত বাংলাদেশ এর সম্মানিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেন সর্বসম্মতিক্রমে। সুন্নিয়তের প্রসারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু বাংলাদেশ পাক-ভারতেই নয়, বরঞ্চ সমগ্র বিশ্বে। বর্তমানে তিনি ওয়ার্ল্ড আহ্লে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সম্মানিত প্রেসিডেন্ট।


আরও খবর

সূফিবাদের প্রয়োজনীয়তা

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২

সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২




সৌদিতে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়া এক বাংলাদেশি ইন্তেকাল করেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তি হলেন জাহাঙ্গীর কবির (৫৯)।

তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট নম্বর ‘A 01012228’। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত পোর্টাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জাহাঙ্গীর কবির শনিবার (১১ জুন) সৌদি আরবে মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

এবারের হজ মৌসুমে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করলেন।

গত ৫ জুন বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়। রবিবার পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৭ হাজার ৫৭৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।


আরও খবর



আলোচিত সেই ম্যাচে সেপ্টেম্বরে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা?

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

তথ্য গোপনের অভিযোগে করোনা মহামারী সময় মাঠে খেলা শুরু হওয়ার পরও তা বন্ধ বন্ধ করে দেয় ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষ। ম্যাচটি পরবর্তী খেলার  ঘোষণা দিয়ে তা বাতিল করে ফিফা কর্তৃপক্ষ। পরে সেই ম্যাচটি দুই পক্ষকে খেলানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আর্জেন্টিনা তাতে রাজি হচ্ছিল না। ফিফার নির্দেশ, নির্ধারিত সময়ই খেলতে হবে ‘পরিত্যাক্ত’ হওয়া সেই ম্যাচ। সেজন্য আগামী বুধবারের মধ্যে ব্রাজিলকে ম্যাচের ভেন্যুর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সাও পাওলোতে গত বছর সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের অগ্নিগর্ভ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা।  ম্যাচের ৭ মিনিটের মাথায় কোভিড বিধিনিষেধ ভাঙার অভিযোগে আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়কে ধরতে মাঠে ঢুকে পড়েন ব্রাজিলের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এতে বেধে যায় লংকাকাণ্ড। স্থগিত হয়ে যায় ম্যাচ। 

আর্জেন্টিনা আশায় ছিল, পণ্ড ম্যাচের পুরো তিন পয়েন্ট তাদের ঝুলিতে যাবে। কিন্তু পাঁচ মাসের বেশি সময় পর  গত ফেব্রুয়ারি ফিফা সেই ম্যাচ ফের আয়োজনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্রাজিলে প্রবেশের অভিযোগে আর্জেন্টিনার চার ফুটবলার রোমেরো, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও জিওভান্নি লো সেলসোকে দুই ম্যাচ করে নিষিদ্ধ করে ফিফা।

কিন্তু এরইমধ্যে ম্যাচটি দুই দলের কাছেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। কারণ ইতোমধ্যে কাতার বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলে লাতিন আমেরিকার দুই পরাশক্তি। যে কারণে যেকোনও উপায়ে ম্যাচটি এড়িয়ে যেতে চাচ্ছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা।

কিন্তু তা আর হচ্ছে না। তাদের বাতিল হওয়া সেই ম্যাচটি আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ম্যাচ আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে ফিফা। আর বুধবারের মধ্যে সেই ম্যাচের ভেন্যু ঠিক করে ফিফাকে জানাতে হবে ব্রাজিলকে। 

এদিকে ম্যাচ আয়োজনের জন্য তিনটি ভেন্যুর বিষয় পর্যালোচনা করছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন - ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ব্রাজিলে।

ইউরোপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলার পর একটি আফ্রিকান দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ আয়োজনে আগ্রহী অনেকদিন ধরেই। তাদের কথাও মাথায় রেখেছে ব্রাজিল। এই দুটির কোনোটি না হলে ব্রাজিল ঘরের মাঠেই আর্জেন্টিনাকে আতিথেয়তা দিতে চায়।

 সূত্র: এমএসসি ফুটবল, ওলেডটকম, আর্জেন্টিনা


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে এক সঙ্গে তিন শিশুর জন্ম ; নাম রাখা হলো সপ্নের পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 বুলবুল আহমেদ সোহেল ; নারায়ণগঞ্জঃ

নারায়ণগঞ্জে এক দম্পতির একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্মের পর  স্বপ্ন, পদ্মা ও সেতু নাম রেখে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। হাসপাতালের চিকিৎসক বেনজির হক পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী মাসে তাদের জন্ম হওয়ায়

শখ করে "স্বপ্নের পদ্মা সেতু" এই বাক্যের সঙ্গে মিল রেখে ছেলের নাম স্বপ্ন আর মেয়েদের নাম যথাক্রমে পদ্মা ও সেতু রেখেছেন।

তিন সন্তানের জন্ম দেয়া প্রসূতি মা এনি বেগম বন্দর এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আশরাফুল ইসলাম অপুর স্ত্রী। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের গেল নির্বাচনে ২৪ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে অংশগ্রহণ করেছিলেন অপু। প্রসূতি থাকা অবস্থায় এনি বেগম গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ব্যানজির হকের কাছে নিয়মিত চিকিৎসা করান।শুক্রবার (১৭ জুন) সকালে শহরের বালুর মাঠ এলাকায় হেলথ রিসোর্ট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারের মাধ্যমে তিন সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তিন নবজাতকের মধ্যে একটি ছেলে ও দুটি মেয়ে। ওই শিশুরা সুস্থ রয়েছে।

নবজাতকদের বাবা আশরাফুল ইসলাম জানান, আমার স্ত্রী একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছে। এতে আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি। চিকিৎসক শখ করে পদ্মা সেতুর নামের সঙ্গে মিল রেখে ছেলের নাম স্বপ্ন আর মেয়েদের নাম যথাক্রমে পদ্মা ও সেতু রেখেছেন। তিনি তার তিন সন্তানদের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, তাদের যেন মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।   

হাসপাতালের চিকিৎসক বেনজির হক পান্না জানান, শুক্রবার সিজারে এই তিন সন্তানের জন্ম হয়। মা ও নবজাতকরা সকলেই সুস্থ আছে। এই মাসে স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে, এ মাসেই আমার হাতে সফল অস্ত্রপাচারে একসঙ্গে তিনটি সুস্থ  সন্তানের জন্ম হয়েছে। বিষয়টিকে স্মরণীয় করে রাখতে তিন সন্তানের বাবা মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাদের আপত্তি না থাকায় 

আমি তাদের তিন ভাই বোনের নাম স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সঙ্গে মিল রেখে স্বপ্ন, পদ্মা ও সেতু রেখেছি। 


আরও খবর



আসুন আমরা বানভাসিদের পাশে দাঁড়াই

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আমাদের এই দেশটা টিকে আছে মূলত মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার ওপর। শুভচিন্তা ওপর। আকস্মিক এই ভয়াবহ বন্যায় হতদরিদ্র পরিবারগুলোর কাছে যখন দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো ভীষণ জরুরী হয়ে উঠেছিল তখনও বরাবরের মতই এই আমাদের মত সাধারণ মানুষেরাই ছুটে গিয়েছি নিজের সবটুকু দিয়ে। 

সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বেশ কিছু গ্রাম একেবারেই তলিয়ে গেছে। এই এলাকাগুলোতে কিছুটা প্রাথমিক সহায়তার বন্দোবস্ত হলেও যেসব পরিবার নিজেদের চলার সবটুকু হারিয়ে ফেলেছে। তাদের সামনের দিনগুলোর কথাও ভাবতে হবে এই আমাদেরই। বন্যা চলে গেলেই বিপদ চলে যায় না। বন্যা নিয়ে আসছে নানান পানিবাহিত রোগ। চিকিৎসার কথা ভাবতে হবে। ভেসে গেছে ঘর, বাড়ি। ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে পানিতে। গেরস্তের গরু হারিয়ে গেছে। 

গত বন্যায় আমরা দেখলাম কৃষক তার সোনার ফসল পানিতে ডুবে ডুবে কাটছে। সেই শস্যের একটি দানাও বাঁচাতে পারা গেলো না এবারে। বানের জলে ভেসে গেছে শেষ সম্বলটুকুও।

প্রাথমিকভাবে আমরা সবাই মিলে হয়তো এই মানুষগুলোকে প্রাণে বাঁচাতে পারলাম কিন্তু এই মানুষগুলোকে জীবন সংগ্রামে ফিরিয়ে আনতে পাশে দরকার মানুষদের সহায়তা। 

আমরা কি করতে পারি?

আমরা কাজ করতে চাই দুর্যোগটার প্রাইমারি ইমপালসটা কেটে যাবার পর। আমি হাওরের মানুষ। আমার পরম পরিচিত ছোটবেলা মত প্রিয় গ্রামগুলোই মর্মান্তিকরকম ক্ষতিগ্রস্থ। আশেপাশের গ্রামের মানুষগুলোও কোন না কোনভাবে আমার রক্তেরই আত্মীয়। এই গ্রামগুলোতে যারা সবকিছু হারিয়েছেন তাদের আমরা অল্প অল্প করে নিজের পায়ে দাঁড় করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে চাই। 

কারো আয়ের একমাত্র পথ ছোট মুদি দোকান ভেসে গেছে, তাকে সামান্য পুঁজি তুলে দিতে চাই। কারো গোয়ালের তিনটা গরু ভেসে গেছে, তাদের কিনে দিতে চাই একটা গরু। যেই দরিদ্র মানুষটার বেড়ার ঘরটা ভেঙে গেছে তাদের একটা ছোট ঘর তুলে দিতে চাই আমরা। 

সহমর্মী সুহৃদ ডাক্তারদের একটা দল নিয়ে আমরা পানিবাহিত রোগাক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করে দিতে চাই। বন্দোবস্ত করে দিতে চাই ওষুধের।

বন্যায় শিশুদের শারীরিক আর মানসিক ক্ষতিটা হয় সবচেয়ে বেশি। স্কুল ঘর তো ভেসে গেছেই, চলে গেছে বই, খাতা, কলম, শিক্ষার সব অনুষঙ্গ। দরিদ্র পরিবারের শিশু সন্তানটির প্রিয় খেলনাটা হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট কোন অংশে কি কম?  নিজ চোখে এই বন্যা দেখে শিশুদের মানসিক ক্ষতিটা হয়েছে অনেক বেশি। তাদের আবারও পড়াশোনা আর খেলাধূলায় ফিরিয়ে নিতে হবে। আমরা তাদের জন্যও কিছু করতে চাই দীর্ঘ মেয়াদের কথা মাথায় রেখে।  

এসবকিছুই জন্যই আপনাদের কাছে সাহায্য চাইছি। আসুন আমরা সবাই সাধ্যমত সহায়তা করি। আমরা ঠিক কতজনকে পুনঃবাসন করে দিতে পারবো, কতজনকে আবার আগের জীবনটাতে ফিরিয়ে নিতে পারবো সেটা নির্ভর করছে আমরা ঠিক কি পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করতে পারছি তার ওপর। যদি কম টাকা হয় তাহলে হতোয় একটা পরিবারকেই আবার আমরা মূলস্রোতে নিয়ে আসতে পারবো। টাকা বেশি উঠলে হয়তো একশ বা এক হাজার মানুষকে পুরনো জীবনটা ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা করতে পারবো আমরা।

আসুন আমরা সবাই মিলে সবার শক্তিটা নিয়ে পাশে দাড়াই। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সবচেয়ে দুর্গম গ্রামে সবকিছু হারিয়ে ফেলা মানুষটা আর এই লেখাটা এই মুহূর্তে যিনি পড়ছেন সে আমরা সবাই মিলেই যে 'আমরা সবাই' সেটা প্রতিষ্ঠিত হোক!  

সহায়তা করতে: 

আতিক রহমান 

বিকাশ (পার্সোনাল): 01913925026

নগদ (পার্সোনাল): 01913925026


আরও খবর



একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image
সোনারগাঁয়ে জমি নিয়ে বিরোধে

 সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

জমি নিয়ে বিরোধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রিবর গ্রামে গতকাল শনিবার একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের রিবর গ্রামের মনোয়ার হোসেন মিন্টুর পরিবারের সঙ্গে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মনাইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা তার আপন ভাই আলম মিয়ার দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার বারদীর রিবর গ্রামে লোকজন নিয়ে এসে জমি নিয়ে আলম মিয়ার সঙ্গে মনোয়ার হোসেনের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধে আলম মিয়ার নেতৃত্বে সাব্বির হোসেন, আনোয়ার হোসেন, শারমিন, অনন্তী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে মনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী ময়না বেগম এবং তাদের দুই প্রতিবন্ধী ছেলে হাসান সরকার ও হোসেন সরকারকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় আহত মনোয়ার হোসেন মিন্টু বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

আহত মনোয়ার হোসেন জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার ভাই আলম মিয়া ও তার লোকজন আমাদের উপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন। অপরদিকে আলম মিয়া আমরা জমির বন্টনের বিষয়টি জানতে চাইলে তারাই প্রথমে আমাদের উপর চড়াও হয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আরও খবর