Logo
শিরোনাম

আলোচিত অতিরিক্ত ডিআইজি মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসির নির্দেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে ছোট ভাইয়ের দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় সঙ্গে যাওয়া পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. মনিরুজ্জামান বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


 সরকারি চাকরিবিধি অমান্য করে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। 


গত ২৯ এপ্রিল আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে ছোট ভাইয়ের দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় সঙ্গে ছিলেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা। তার ভাই শৈলকুপা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান ঝিনাইদহ-১ আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। 


গত ১৬ মার্চ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুল হাইয়ের মৃত্যুতে ঝিনাইদহ-১ আসনটি শূন্য হয়। এই আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ৫ জুন।



ব্যবস্থা নিতে এ–সংক্রান্ত চিঠি ১৩ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিবকে পাঠানো হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ইসির উপসচিব মিজানুর রহমান। 


পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. মনিরুজ্জামান বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠিতে বলা হয়, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মনিরুজ্জামান পোশাক পরে ঝিনাইদহ-১ শূন্য আসনের নির্বাচন উপলক্ষে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় থেকে সম্ভাব্য একজন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকালে সঙ্গে ছিলেন, যা পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।


সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধি ১৯৭৯ লঙ্ঘন করা হয়েছে উল্লেখ করে ওই চিঠিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসি নির্দেশ দিয়েছে। 


এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ গৃহীত ব্যবস্থা ইসিকে অবহিত করার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হাফিজুর, ডিপিএস তুষারের নিয়োগ বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



মাজহারুল ইসলাম মাসুম/ সদরুল আইন:


প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব (ডিপিএস) হাসান জাহিদ তুষার ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।



বুধবার তাদের নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।



‘এমপি আনার হত্যার উদ্দেশ্য এখনও অজানা’

পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী হাসান জাহিদ তুষারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো। 


এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল সেই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো।


প্রসঙ্গত, মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণকারী হাসান জাহিদ তুষার দীর্ঘদিন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


 সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি তুষারকে ফের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হয়। এর প্রায় চার মাস পর তার নিয়োগ বাতিল হলো।


এদিকে গাজী হাফিজুর রহমান ২০০৮ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ পদে নিয়োগ পান। 


তিনি ছাত্রজীবনে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভিপি ছিলেন। পরবর্তীতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন।


আরও খবর



সাগরের লঘুচাপ রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণের দুদিন পর লোৎসে পর্বতের শীর্ষ (৮৫১৬ মিটার) ছুঁলেন বাবর আলী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাবর আলীর এভারেস্ট-লোৎসে অভিযানের নেপালি এজেন্ট বুদ্ধরাজ ভান্ডারি।

নেপালের স্নোয়ি হরাইজন নামের ট্রেকিং ও পর্বতাভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে এভারেস্ট ও লোৎসে অভিযানে যান বাবর আলী। তার সঙ্গে আছেন শেরপা বীর বাহাদুর তামাং। স্নোয়ি হরাইজনের স্বত্বাধিকারী বুদ্ধরাজ ভান্ডারি মঙ্গলবার সকাল ৮টায় বলেন, নেপাল সময় সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৬টা ৫ মিনিট) বাবর আলী লোৎসে পর্বতচূড়ায় ওঠেন। এর আগে ১৯ মে তিনি এভারেস্টশৃঙ্গেও আরোহণ করেন। এখন অভিযান শেষে নেমে আসার পালা।

বাবর আলীর সংগঠন ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স নিজেদের ফেসবুক পেজে লোৎসে পর্বতজয়ের তথ্য জানিয়ে বলেছে, বাংলাদেশের পর্বতারোহণের ইতিহাসে আজ লিখিত হলো অভূতপূর্ব ও রোমাঞ্চকর এক অধ্যায়। আর লেখক আমাদের স্বপ্ন সারথি-বাবর আলী। ...এটিই এই বাংলাদেশের কোনো সন্তানের প্রথম লোৎসে সামিট এবং প্রথম একই অভিযানে দুটি ৮ হাজারি শৃঙ্গ সামিট। ...বাবর এখন নেমে আসা শুরু করেছেন। বেসক্যাম্পে পৌঁছালেই হবে মূল উৎসব।


আরও খবর



সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারিয়ে চমক যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যকার ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। প্রথমে ব্যাট করে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। 


জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। 


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।



বাবর আজম ও শাদাব খানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। আর শেষ দিকে ইফতিখার আহমেদের ১৪ বলে ১৮ ও শাহিন আফ্রিদির ১৬ বলে ২৩ রানে চোট্ট ক্যামিওতে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। শাদাব ২৫ বলে ৪০ ও বাবর ৪৩ বলে ৪৪ রান করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সৌরভ নেত্রাভালকার নেন ৩টি উইকেট।  


১৬০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই মার্কিন ওপেনার স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৬ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। তবে ১৬ বলে ১২ রান করে ফিরে যান টেইলর।


এরপর ক্রিজে আসা অ্যান্ড্রিস গাউসকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মোনাঙ্ক। ৬৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন মোনাঙ্ক। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল যুক্তরাষ্ট্র।


এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। গাউস ২৬ বলে ৩৫ ও মোনাঙ্ক ৩৮ বলে ৫০ রান করে আউট হন। তাদের বিদায়ের পর রানের চাকা সচল রাখেন অ্যারন জোন্স ও নিতিশ কুমার।


শেষ বলে জয়ের জন্য ৫ রান প্রয়োজন হয় যুক্তরাষ্ট্রে। সেই বলে চার মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নিয়ে যান নিতিশ। জোন্স ২৬ বলে ৩৬ ও নিতিশ ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।      




আরও খবর



লোকসভা নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। 


শনিবার (১ জুন) সকাল সাতটায় দেশটির আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৭টি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।


গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের লোকসভা নির্বাচন। সাত ধাপের মধ্যে এ পর্যন্ত ছয় ধাপে ৫৪৩ আসনের মধ্যে ভোটগ্রহণ হয়েছে ৪৮৬ আসনে। 


শনিবার সপ্তম ও শেষ ধাপে ৭ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৭ আসনে ভোট। এই দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৪ জন প্রার্থী।


শেষ দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৬ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ কোটি ২৪ লাখ, নারী ভোটার রয়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ৫৭৪ জন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।


শেষ দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাবে ১৩টি করে আসনে। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের ৯টি, বিহারে ৮টি, ওড়িশায় ৬টি, হিমাচল প্রদেশে ৪টি, ঝাড়খন্ডে ৩টি এবং চন্ডিগড়ের একটি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।


পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে এই দফায় ভোট হচ্ছে শেষ ৯টি আসনে। দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।




আরও খবর



ভারতের ২ ব্র্যান্ডের মসলা বিক্রি নিষিদ্ধ করল নেপাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের পর এবার ভারতের দুই ব্র্যান্ডের মসলা বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করল নেপাল। এভারেস্ট এবং এমডিএইচ ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোতে ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। খবর ইন্ডিয়া টুডে।


বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ওই দুই ব্র্যান্ডের মসলায় ইথিলিন অক্সাইডের মাত্রা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা করা শুরু করেছে নেপালের খাদ্য প্রযুক্তি ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ। এই উপাদানটি মানবদেহে ক্যানসার সৃষ্টি করে।



নেপালের খাদ্য প্রযুক্তির মুখপাত্র মোহন কৃষ্ণ মহারজান এএনআইকে বলেন, ‘এভারেস্ট ও এমডিএইচ ব্র্যান্ডের মসলা আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা এগুলো বাজারে বিক্রিও নিষিদ্ধ করেছি। মসলায় ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতির খবরের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এই দুটি বিশেষ ব্র্যান্ডের মসলায় রাসায়নিকের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা চলছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।’



এভারেস্ট ও এমডিএইচ ব্র্যান্ডের মসলা কয়েক দশক ধরেই ভারতের গৃহস্থালি পণ্য হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। এমনকি এগুলো মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানিও করা হয়। নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াতেও এই দুই ব্র্যান্ডের মশলাগুলো নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।


নিউজিল্যান্ডের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত উপ-মহাপরিচালক জেনি বিশপ রয়টার্সকে বলেন, ‘ইথিলিন অক্সাইড এমন একটি রাসায়নিক যা মানবদেহে ক্যানসার সৃষ্টি করে। 


খাদ্য জীবাণুমুক্ত করার কাজে এই রাসায়নিকের ব্যবহার নিউজিল্যান্ড ও অন্যান্য দেশে পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হয়েছে। যেহেতু এমডিএইচ এবং এভারেস্ট ব্র্যান্ডের মসলা নিউজিল্যান্ডে পাওয়া যায় তাই আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি।’


গত এপ্রিলে হংকং খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থা দুটি ব্র্যান্ডের চারটি মমলা পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এরপর সিঙ্গাপুরের ফুড এজেন্সিও (এসএফএ) ইথিলিন অক্সাইডের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে এভারেস্টের ফিশ কারি মাসালা প্রত্যাহার করে।


ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই) ইতোমধ্যে এমডিএইচ ও এভারেস্টের পণ্যের গুণমান পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে৷ প্রতিষ্ঠানটি হংকং ও সিঙ্গাপুরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকদের কাছ থেকেও বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।






আরও খবর