Logo
শিরোনাম

আমদানি হচ্ছে চার কোটি ডিম

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

ডিমের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ভারত থেকে চার কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। চার প্রতিষ্ঠানকে এ অনুমতি দেওয়া হয়।


সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজ, প্রাইম এনার্জি ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার্স, টাইগার ট্রেডিং, অর্নব ট্রেডিং লিমিটেড।প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে এক কোটি করে মোট ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এখন থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি পিস ডিমের দাম পড়বে ১২ টাকা। একই সঙ্গে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া কথাও বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।


বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে চারটি প্রতিষ্ঠান ডিম আমদানির অনুমোদনের জন্য আবেদন করে।

মন্ত্রীর ঘোষণার পর প্রতিক্রয়ায় ব্যবসায়ী ও পোল্ট্রি খাত সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডিমের দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে এ দামে বিক্রি করতে হলে খামারিদের উৎপাদন খরচ, পাইকারি, আড়তদার এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা কে কত লাভে বিক্রি করবে তা নির্ধারণ করা উচিত ছিল।

ডিমের দাম নির্ধারণকে স্বাগত জানালেও আমদানির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ডিম আমদানি করলে এ শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। পরে আরও বেশি দামে ডিম খেতে হবে।


আরও খবর

বৈশাখের প্রভাবে ইলিশের দাম চড়া

শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪




মাভাবিপ্রবি টেক্সটাইল ক্লাবের নেতৃত্বে রায়হান - সাজিদ

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

মো: হ্নদয় হোসাইন, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের টেক্সটাইল ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (২৪ মার্চ) ক্লাবটির প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আল রায়হান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একই বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ সাজিদুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। 


বিজয়ী অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি পদে লিটন মাহমুদ,  যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে মুশফিকুর রহমান ইফতি, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাহবুব আলম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে  মো: হৃদয় হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক পদে এস.এম হাসিব , অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে বিথী আফরোজ লিছা,  ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে ইউসুফ চৌধুরী,   ইভেন্ট ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে মিমতাজুল ইসলাম তামিম, নির্বাহী  সদস্য পদে আশিকুর রহমান,  মশিউর রহমান, আকতারুল ইসলাম, আলভী রহমান, হৈমন্তী সরকার, সৌরভ পূর্ণকর, রিজওয়ান আহমেদ তৌসিফ,  শ্রাবন্তী সরকার রাত্রি,  ফেরদাউস,  সজীব দেবনাথ,  হৃদয় হোসেন ও বাদল নির্বাচিত হয়েছেন।


টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং  বিভাগের  চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নবগঠিত টেক্সটাইল ক্লাবের সাথে সংশিষ্ট সকলকে অভিনন্দন। নবগঠিত টেক্সটাইল ক্লাব মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষা, গবেষণা এবং সহশিক্ষা-কার্যক্রমকে আরো বেগমান করবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি।


টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের  সহযোগী  অধ্যাপক এ.কে.এম আয়াতুল্লাহ হোসনে আসিফ  বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভ্রাতৃত্ববোধের সম্পর্ক উন্নয়ন, সর্বোপরি বিভাগের একাডেমিক এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলোকে আরো গতিশীল করার জন্য উক্ত টেক্সটাইল ক্লাব অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। 


সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আল রায়হান বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরী পোশাক শিল্প কিংবা আরএমজি সেক্টর থেকে যা টেক্সটাইলেরই অংশ। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ  গুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের অনেক দিনের স্বপ্ন একটি টেক্সটাইল-ক্লাবের যা শিক্ষক মহোদয়গণের অকুণ্ঠ সমর্থনে এবং শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমে গঠিত হয়েছে। আশা করি, এই টেক্সটাইল-ক্লাবের মাধ্যমে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়ুয়া সকল শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। ভবিষ্যতে আমাদের ক্লাব হতে বিভিন্ন প্রকার ওয়ার্কশপ, সেমিনার, ফেস্টিভ্যাল প্রোগ্রাম আয়োজিত হবে। এই ক্লাবটির মাধ্যমে উপকৃত হবেন সকল সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং অর্জিত অভিজ্ঞতায় নিজেকে শাণিত করবেন, এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। 


প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাজিদুল ইসলাম বলেন, টেক্সটাইল ক্লাব উদ্ভাবন ও সহযোগিতার এক অসাধারণ পথ উন্মোচন করবে বলে আমরা বিশ্বাসী। টেক্সটাইল  ক্লাব তার প্রতিটি সদস্যের  নিজ নিজ অনন্য চিন্তা-ভাবনা,  দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিভা বিকাশে সাহায্য করবে। "টুগেদার ইউ ক্যান" স্লোগানের সাথে এগিয়ে যাবে এই টেক্সটাইল ক্লাব।


প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: হৃদয় হোসাইন বলেন, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে মাভাবিপ্রবি টেক্সটাইল ক্লাবকে দেশের মধ্যে সুপরিচিত করে তুলতে চাই। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাভাবিপ্রবি টেক্সটাইল ক্লাবকে একটি দেশ সেরা ক্লাবে পরিণত করতে পারবো। যে মহৎ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে মাভাবিপ্রবি  টেক্সটাইল ক্লাবের অগ্রযাত্রা, সেই শুভযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।


প্রসঙ্গত, টেক্সটাইল ক্লাব বস্ত্র প্রকৌশলীদের ব্যবসা সম্পর্কিত ধারণা বৃদ্ধি, তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুনাবলি বিকাশ, পেশাদারিত্ব জাগ্রত করার পাশাপাশি পেশাদারিত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করার জন্য নেতৃস্থানীয় টেক্সটাইলের পেশাদারদের সাথে শিক্ষার্থীদের সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তার গুনাবলি অর্জন করতে করতে সাহায্য করবে।


আরও খবর



বাইডেন-নেতানিয়াহুর বন্ধুত্বে ফাটল?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু ও সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র। গাজা যুদ্ধের মধ্যেও এই বন্ধুত্বের প্রমাণ দিয়ে আসছিল দুই দেশ। লড়াইয়ের জন্য গোলাবারুদ সরবরাহ করে, জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চগুলোতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আটকে দিয়ে বারবার ইসরায়েলের পাশে দাঁড়াচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেই মজবুত বন্ধুত্বে একটু একটু করে ফাটল দেখা দিয়েছে।

গত সোমবার (২৫ মার্চ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মতো গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হয়েছে। আর তাতে প্রথমবারের মতো কোনো আপত্তি জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এর আগে অন্তত তিনবার ভেটো দিয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বাতিল করে দিয়েছিল।

সোমবার পাস হওয়া প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি হামাসের হাত থাকা জিম্মিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের ১৪টি দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে ভোটদানে বিরত ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।

বাইডেন প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে মোটেও খুশি হতে পারেনি ইসরায়েল। এর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

এরই মধ্যে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের একটি প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল করেছে তেল আবিব। গাজার রাফাহ শহরে সামরিক অভিযানের বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি নেতাদের।

রাফাহ শহরে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত অভিযানের বিষয়ে অনেকদিন ধরেই আপত্তি জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই অভিযানের সিদ্ধান্তে অনড়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শেষপর্যন্ত নেতানিয়াহু যদি যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি উপেক্ষা করে রাফাহ শহরে অভিযান চালান, তাহলে সেটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে। এমনকি, এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে অস্ত্র সহায়তা দেওয়াও স্থগিত করতে পারে।

এর মধ্যেই নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আর আপত্তি না করার সিদ্ধান্ত নিলো বাইডেন প্রশাসন।

রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেটিক প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সাবেক আলোচক অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, এর ফলে বাইডেন এবং নেতানিয়াহুর মধ্যকার বিশ্বাস ভেঙে যেতে পারে। বিষয়টি যত্ন সহকারে পরিচালিত না হলে পরিস্থিতি শুধু খারাপের দিকেই হবে।

অবশ্য গাজায় বর্বরতা চালানো ইসরায়েলকে ক্রমাগত সমর্থন দিয়ে যাওয়ায় নিজ দেশেই চাপের মুখে পড়েছিলেন বাইডেন। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয়বার প্রার্থী হচ্ছেন এ ডেমোক্র্যাট নেতা। কিন্তু ইসরায়েল ইস্যুতে এবার মুসলিম আমেরিকানদের ভোট হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

স্বদেশে চাপে রয়েছেন নেতানিয়াহুও। যুদ্ধের সাত মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো হামাসকে বাগে আনতে না পারা এবং জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে জোরেশোরে। চলছে আন্দোলনও।

এ অবস্থায় প্রতিনিধি দলের ওয়াশিংটন সফর বাতিলের ঘোষণা দিয়ে নেতানিয়াহুর কার্যালয় বলেছে, প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভেটো না দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের আগের অবস্থান থেকে স্পষ্ট পশ্চাদপসরণ এবং এটি ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করবে।

 


আরও খবর



১৪ বছরে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০ গুণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

২০২১ সাল থেকে চলতি মাসের এখন পর্যন্ত ৩৯৩টি নতুন কারখানা বিজিএমইএর সদস্য পদ গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে নতুন বাজারগুলোতে আমদের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নতুন বাজারে গত ১৪ বছরে দশ গুণ রপ্তানি বেড়েছে বলে জানান, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

বিজিএমইএ কার্যালয়ে 'রোডম্যাপ টু রিকভারি' শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। এসময় বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, চলমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক অর্থনীতি একটি সংকটময় মুহূর্ত অতিক্রম করছে। তবে সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কমে আসায় এবং পোশাকের খুচরা বিক্রিতে কিছুটা গতি সঞ্চার হওয়ায় চলতি জানুয়ারি-মার্চ সময়ে আমাদের রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। আশার বিষয় হচ্ছে, শিল্পে আমরা নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের পদচারণা দেখতে পাচ্ছি।

তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংকটে আমাদের অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। তবে একই সময় বেশকিছু নতুন কারখানা ও নতুন বিনিয়োগ এসেছে। আমরা বিজিএমইএর দায়িত্ব নেওয়ার পর দিন থেকে অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল ২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত ৩৯৩টি নতুন কারখানা বিজিএমইএর সদস্য পদ গ্রহণ করেছে। শত প্রতিকূলতার মধ্যে এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় অনুপ্রেরণা।

রপ্তানিখাতে ভালনারিবিলিটি কাটিয়ে উঠার জন্য বরাবরই বাজার সম্প্রসারণ ও নতুন বাজার তৈরি উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছি। নতুন বাজারগুলোতে আমদের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা বিগত ১৪ বছরে দশ গুন বেড়েছে, অর্থাৎ ৮৪৯ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৮.৩৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে নতুন বাজারগুলোতে আমাদের পোশাক রপ্তানি ১০.৮৩ শতাংশ বেড়েছে, বিশেষ করে তুরষ্কে ৬৩.৩৫ শতাংশ, সৌদি আরবে ৪৭.১৯ শতাংশ, চীনে ৪৪.৭৬ শতাংশ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩৬.৫৪ শতাংশ, রাশিয়ায় ২৫.৬৫ শতাংশ, অষ্ট্রেলিয়ায় ২১.২৯ শতাংশ, দক্ষিন কোরিয়ায় ১৭.১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এসেছে।

এসময় তিনি বলেন, বর্তমান সংকটময় সময়ে নতুন বাজারে প্রবৃদ্ধি আমাদের রপ্তানিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনেছে। গত তিনটি বছর আমরা বাজার সম্প্রসারণের নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা গত বছর জুলাই মাসে অস্ট্রেলিয়াতে দিনব্যাপী বাংলাদেশ অ্যাপারেল সামিট আয়োজন করেছি। আরও বেশকিছু অপ্রচলিত বাজার নিয়ে কাজ করছি, যেমন দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, ভারত, সৌদি আরব ও ইরাক। যদি এই উদ্যোগগুলো চলমান রাখতে পারি তাহলে এই বাজারগুলোতে রপ্তানি আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

এর পাশাপাশি কৌশলগত কারণে ভার্চুয়াল মার্কেটে আমাদের উপস্থিতি বাড়ানো প্রয়োজন। এই উপলব্ধি থেকে আমরা একটি গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেছি, যার প্রতিবেদনটিও আমরা এরইমধ্যে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি। ভার্চুয়াল মার্কেটে আমাদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিটুবি ও বিটুসি উভয় ক্ষেত্রে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পদক্ষেপ নিতে হবে, যার মধ্যে কিছু নীতি সহায়তা ও নীতি সংস্কারের বিষয়ও রয়েছে। এসব বিষয় এই স্টাডি রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে।


আরও খবর

বৈশাখের প্রভাবে ইলিশের দাম চড়া

শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪




নওগাঁয় নিয়ম-নীতি অমান্য করে সরকারী প্রকল্পে দেয়া হচ্ছে কাদা-মাটি

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুরে নিয়ম-নীতি অমান্য করে সরকারী প্রকল্পে দেয়া হচ্ছে কাদা-মাটি। এমনকি

সরকারী স্থাপনার ক্ষতি করেই সরকারী প্রকল্পে দেওয়া হচ্ছে কাদা-মাটি। ফলে এক দিকে যেমন লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে সরকারী স্থাপনা দূর্বল হচ্ছে অপরদিকে চরম দূর্দশার সম্মুখিন হচ্ছেন সর্ব-সাধারণ।প্রকল্পও হচ্ছে দূর্বল বা হালকা। সংশ্লিষ্টরা সরকারী প্রকল্পে মাটি দেয়ার নাম করে আইন ভেঙ্গে সে মাটি অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাদের দেখাদেখি অন্যরাও আইন ভেঙ্গে মাটি কাটায় উৎসাহিত হচ্ছেন। দিনের পর দিন এই অবস্থা চলে আসলেও এর সমাধানে এগিয়ে আসছে না কেউ। প্রশাসন বলছেন সরকারি প্রকল্পের স্বার্থে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছেনা।

সরকারি প্রকল্পের নাম করে উপজেলার ৩ ফসলী জমি কেটে, মজা-পুকুরের গলামাটি তুলে, সরকারি পাকা রাস্তা ঘেঁষে, এমনকি সদ্য নির্মিত সরকারী ব্রিজের বেজমেন্ট কেটে এবং সরকারী নদী ও খাড়ি থেকে মাটি কেটে নিয়ে ইট ভাঁটায় বিক্রি করছেন একটি চিহ্নিত চক্র। দিন-রাত মাটিবাহী ট্রাক্টর ও ট্রাক চলাচল করায় পাকা রাস্তাগুলোর উপর ঘন ধূলার স্তর পরে গেছে। একটু পানি পড়লেই কাদা-মাটিতে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে রাস্তাগুলো। এছাড়া প্রকল্পে কাদা-মাটি দেয়ায় জনসাধারণের চলাচল ও দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পাদন দূরুহ হয়ে পড়ছে।

গত ১ মার্চ বিকেলে মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়ন এর সুলতানপুর গ্রামের একটি মজা-পুকুর থেকে গলা মাটি ভ্যেকু মেশিন দিয়ে তুলে খোলা ট্রাক্টরে করে পরিবহণ করছিলেন কালু ও তার সঙ্গীরা। তারা জানান, উপজেলা সদরের গরু হাটিতে মাটি ভরাটের সরকারী প্রকল্পে মাটি দেয়া হচ্ছে। ঐসময় স্থানিয় সংবাদকর্মীরা বিষয়টি মহাদেবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বক্কার সিদ্দিক কে জানালে তিনি ও মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহাগ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পুকুর মালিক ও ভ্যেকু মালিকের প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে এবং ৪ জন ট্রাক্টর মালিকের প্রত্যেকের ১৫ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু পরে ঐ প্রকল্পের পুরোটাই কাদামাটি দিয়ে ভরাট করা হয়। জানতে চাইলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, এখন বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। তাছাড়া খরচ বেশি হওয়ায় বালুর পরিবর্তে মাটি দেয়া হচ্ছে।

৭ মার্চ এই চক্র উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের দোহালী-চকজোথহরি পাকা সড়কের চকশিবরামপুরে চকদোরাই সরকারি খাড়ির উপর সদ্য নির্মিত ৪৫ মিটার দীর্ঘ ব্রিজের বেজমেন্ট কেটে ও ব্রিজের গা ঘেঁষে ভ্যেকু মেশিন দিয়ে ৩০ ফুট গভীর করে মাটি কেটে অসংখ্য ট্রাক্টর যোগে পরিবহণ করে নিয়ে যায়। তারা ওই খাড়ির উঁচু পাড় কেটে ফেলে। কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে এই খাড়ির মাটি কেটে নিয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কেউ। জানতে চাইলে মাটি ব্যবসায়ী কালু জানায়, গরু হাটির সরকারী প্রকল্পে এই মাটি দেয়া হচ্ছে। এখানে মাটি ভরাটের জন্য ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হলেও সরকারী খাড়ি থেকে কেনো মাটি চুরি করতে দেয়া হবে, অথবা কেনো বালির পরিবর্তে কাদামাটি দেয়া হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারী উপজেলার চাঁন্দাশ ইউনিয়নের চাঁন্দাশ গ্রামে সরকারী পাকা সড়ক সংলগ্ন একটি পুকুরের বিশাল পাড়ের গাছপালা কেটে ফেলে পুকুর সম্প্রসারণ করে মাটি কেটে ট্রাক্টর যোগে পরিবহণ করছিলেন এই এলাকার নান্নু নামে এক মাটি ব্যবসায়ী। এই পুকুরের কাদামাটি তুলে পুকুর পূণ:খনন করে সেগুলো দিনরাত পরিবহণ করায় মহাদেবপুর-ছাতড়া-রহনপুর আঞ্চলিক পাকা সড়ক কাদায় সয়লাব হয়ে যায়। ব্যক্তি মালিকানাধীন এই পুকুরের পাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় সরকারী পাকা রাস্তা রক্ষার জন্য ইতিপূর্বে সরকারী টাকা ব্যয় করে পাকা গাইড ওয়াল নির্মাণ করে দেয়া হয়। কিন্তু পূণ:খনন করায় সে গাইড ওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রিফত আরাকে জানানো হলে তিনি সেখানে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাকে পাঠান। পরে সহকারি কমিশনার (ভূমি) জানান, ঐ মাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পে যাচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ প্রকল্পের নাম করে এখান থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন ইট ভাঁটায় বিক্রি করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় দু'শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে আত্রাই নদী ড্রেজিং ও বাঁধ পূণ:নির্মানের কাজ করছে। চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদার অন্যস্থান থেকে মাটি এনে বাঁধ পূণ:নির্মাণ করবেন। কিন্তু ঠিকাদারের লোকজন প্রচলিত আইন না মেনে বা আইন অমান্য করে একের পর এক স্থান থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে প্রকল্পের কাজ করছেন। এর আগে এই প্রকল্পের জন্য মহিষবাথানে পাকা সড়ক সংলগ্ন, দেবীপুর, আদ্যাবাড়ি, পন্ডিতপুর প্রভৃতি স্থানে ৩ ফসলী জমি গভীর করে কেটে ও পুকুর খনন করে মাটি সংগ্রহ করা হয়েছে। এমন কি নদীর ড্রেজিং করা লাল কাদামাটি তুলেও এই বাঁধে দেয়া হয়েছে। যার ফলে একটু বৃষ্টি হলেই পুরো বাঁধ কাদায় কাদাময় হয়ে থাকে। ফলে বাঁধের উপর দিয়ে সব রকম যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি পাড়ের আশে-পাশের এলাকায় বসবাসরত লোকজন বাঁধের উপর দিয়ে পায়ে হেঁটেও চলাচল করতে পারেন না। বর্ষার সময় তারা এক রকম গৃহবন্দী অবস্থায় দিন যাপন করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, সরকারী প্রকল্পে ঠিকাদার বৈধভাবে মাটি দিতে বাধ্য। এজন্য তিনি উপযুক্ত দাম পাবেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আইনগত ভাবে মাটি কাটার অনুমতিও নিতে পারেন। কিন্তু তা না করে বে-আইনীভাবে সরকারী প্রকল্প কেন পরিচালিত হবে তার কোন ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না কেউ। এনিয়ে জনমনে দারুন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারী প্রকল্পে সরকারী আইন ভেঙ্গে কাজ হওয়াকে সরকারী যন্ত্রের চরম ব্যর্থতা বলেই মনে করছেন অনেকে।


আরও খবর



নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী (৭) কে ধর্ষণের অভিযোগে  সোহাগ তরুন (১৬) কে আটক করেছে পুলিশ। ভিকটিম শিশু শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরই মহাদেবপুর থানা পুলিশ ঐ রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক পূর্বক বুধবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন মহাদেবপুর থানা পুলিশ। আটককৃত সোহাগ তরণী স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্র ও শিবগঞ্জ বাজারের যুগল তরণী'র ছেলে। 

মামলা সূত্রে জানায়, ভিকটিম শিক্ষার্থী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। তাকে চকলেট দেয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী সোহাগ তরণী তার নিজ শয়ন কক্ষে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিম এর চিৎকারে তার মা ছুটে এসে রক্তাত্ব অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করার পরই পুলিশ অভিযুক্ত কে আটক পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করেন।


আরও খবর