Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০
শিবলী সভাপতি, জনি সম্পাদক

আমিরাতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মো নূরুল্লাহ খান, আরব আমিরাত থেকে 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সময় টেলিভিশনের প্রতিনিধি শিবলী আল সাদিককে সভাপতি ও সমকাল প্রতিনিধি কামরুল হাসান জনিকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

 শারজার একটি হোটেলে সাধারণ সভার মাধ্যমে সংগঠনের পুরনো কমিটি বিলুপ্ত ও নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি এনটিভি প্রতিনিধি মানুনুর রশীদ, সহ সভাপতি বাংলাভিশন প্রতিনিধি মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, যুগ্ম সম্পাদক দিনকাল প্রতিনিধি মোদাচ্ছের শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা এক্সপ্রেস প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল শাহীন, অর্থ সম্পাদক কক্সবাজার আলো প্রতিনিধি মুহাম্মদ শাহজাহান, প্রচার সম্পাদক সিপ্লাস প্রতিনিধি ইসতিয়াক আসিফ, দপ্তর সম্পাদক ঢাকা পোস্ট প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী সদস্য যমুনা টেলিভিশন প্রতিনিধি রফিক উল্ল্যাহ ও নির্বাহী সদস্য নিউজ২৪ প্রতিনিধি আবদুল আলীম সাইফুল।

এর আগে সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সদ্য বিদায়ী সভাপতি সিরাজুল হক। সভা পরিচালনা করেন সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোরশেদ আলম।

পরে সাংবাদিক মোহাম্মদ শাহাজাহান, শামসুর রহমান সোহেল ও শামসুল হককে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন ভোটাভুটির মাধ্যমে কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করেন।

পরে নির্বাচিত নতুন কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা আরব আমিরাত প্রেসক্লাব প্রবাসীদের মুখপাত্র হয়ে আগামীতে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। তারা প্রবাসীদের সুখ দুঃখে পাশে থেকে কাজ করার জন্য বিগত দিনের মত প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা বলেন, সত্যকে সত্য ও মিথ্যাকে মিথ্যা আখ্যায়িত করার মানসিকতা নিয়ে প্রেস ক্লাবের সকল সদস্য সংবাদ পরিবেশের উপর মনোনিবেশ করবেন।

কমিটির সদস্যরা হলেন, মুহাম্মদ সিরাজুল হক, শেখ ফয়সাল সিদ্দিকী ববি, সনজিত কুমার শীল, মুহাম্মদ ইছমাইল, সরোয়ার উদ্দিন রনি, রবিউল হোসেন, মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, সৈয়দ খোরশেদ আলম, শামসুল হক, জাহিদ হোসেন, সাজন সাজু, মুহাম্মদ সেলিম, শামছুর রহমান সোহেল ও মুহাম্মদ ইরফানুল ইসলাম।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নব ঘোষিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতের মান্যবর কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি::


আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎসাহের সাথে ফলনের জন্যে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার-বীজ কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকেন। কিন্ত লক্ষ্মীপুরের কমলনগর কৃষি অফিস সেই সার-বীজ নিয়ে নয়-ছয় করছে।

জানা যায়, ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন কৃষি অফিস থেকে মোট ৫৫ জনের একটি তালিকা পেয়েছেন। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই প্রণোদনা পাননি। তালিকাভূক্ত ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ উল্যাহ অভিযোগ করেন তার নাম থাকলেও তিনি কোন সার-বীজ পাননি।পরে তিনি অফিসে গিয়ে তালিকা চেক করলে জানতে পারেন অন্য একজন স্বাক্ষর দিযে তার সার-বীজ নিযে গেছে।

একই এলাকার হেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকায় নাম থাকলেও দেয়া হয় না সঠিকভাবে সার-বীজ এবং তিনিও পাননি। ১৪ জুলাই ২০২৪, সকালে অফিসে গেলে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আসিফ রেজা জানান, আপনাদের বরাদ্দকৃত প্রণোদনা শেষ হয়ে গেছে, আবার আসলে পাবেন। 

পরবর্তীতে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে, আরেক উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আরিফ সহ তালিকা চেক করলে দেখা যায়, প্রণোদনার সার-বীজ মজুদ না থাকলেও, স্বাক্ষর দেয়ার জায়গা খালি রয়েছে। নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কিছুদিন আগে আমি এবং স্বপন নামে একজন লাইনে দাড়িয়ে দেখতে স্বপনের নামের পাশে কৃষি অফিসার আসিফ রেজা নিজেই স্বাক্ষর করেছেন। কিছুক্ষণ পরে স্বপন প্রণোদনার সার-বীজ চাইলে তাৎক্ষণিক তিনি বলেন আপনি এইমাত্রই নিয়েছেন। পরে আমি আসিফ রেজাকে বললাম, উনি নেননি, আপনিতো নিজেই এখন তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন।

অভিযুক্ত অফিসার আসিফ রেজার কাছে এসব বিষয় সম্পর্কে চানতে চাইলে, তিনি বলেন- কেউ একজন স্বাক্ষর দিয়ে মোহাম্মদ উল্যাহর প্রণোদনার সার-বীজ উত্তোলন করে নিয়ে গেছে, হেলাল উদ্দিনের বিষয়ে বলেন, অসুবিধা নাই উনাকে সার-বীজ ব্যবস্থা করে দিবো। তালিকার স্বাক্ষর না থাকা, সার-বীজ নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, তিনি এ বিষয়ে কোন যথাযথ কোন উত্তর দেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার শাহীন রানার কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন- যদি কোন কারণে কৃষক সার-বীজ না পেয়ে থাকে দবে পেয়ে যাবে। অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি কোন যথাযথ উত্তর দেননি। 

আরও খবর



বশেমুরবিপ্রবির আবাসিক হলগুলো যেন ময়লার ভাগাড়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

ছিপু মোল্লা - বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি::

বৈষম্যমূলক সর্বজনীন পেনশন প্রতাহারের দাবিতে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বশেমুরবিপ্রবি) কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শৌচাগার গুলোতে ময়লার ভাগাড় জমে আছে। শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করতে পারছেনা শৌচাগারগুলো। একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও সমাধান করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পর্যাপ্ত পরিমান লোকবলের অভাবে এমন হচ্ছে বলে জানা যায়।


বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যমূলক সর্বজনীন পেনশন প্রতাহারের দাবিতে সারাদেশের ন্যায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যায় বশেমুরবিপ্রবি কর্মচারী সমিতি। এতে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেনা কর্মচারীরা। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শৌচাগারগুলোতে ময়লার ভাগাড় জমে আছে। শিক্ষার্থীরা জরুরি মুহূর্ত্যে শৌচাগারগুলো ব্যবহার করতে পারছেনা। এমনকি শৌচাগারগুলো নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীরা জানান, ১০-১৫দিন পর পর শৌচাগারগুলো পরিষ্কার করা হয়। এতে দীর্ঘদিন জমে থাকা ময়লা থেকে কটা গন্ধ বের হয়। পাঠদানে মনযোগ দিতে পারছেনা আবাসিক শিক্ষার্থীরা।


আবাসিক হলগুলো ঘুরে দেখা যায়, ছেলেদের জন্য তিনটি এবং মেয়েদের জন্য দুইটি আবাসিক হলে সংস্কার করা হয়েছে। সংস্কারের অংশ হিসেবে শৌচাগারগুলোতে টাইলস, সাবান রাখার পাত্র এবং পানির নতুন ট্যাব লাগানো হয়েছে। কিন্তু শৌচাগারে সাবান অথবা লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ ও টিস্যুর ব্যবস্থা নেই। এছাড়া ব্যবহৃত টিস্যু যত্রতত্র পড়ে আছে। যার উপর পোকা নড়াচড়া করছে। বেশিরভাগ শৌচাগারেই সাবান ও  টিস্যুর ব্যবস্থা নেই। নেই টিস্যু ফেলার পর্যাপ্ত ঝুঁড়ি। নষ্ট হওয়ার খাবার ফেলানোর ড্রামগুলো যেন পঁচাগলা ডাস্টবিন। এগুলো থেকে ছড়াচ্ছে পঁচাগলা দূর্গন্ধ। গণরুমের পাশে শৌচাগারগুলো থাকায় ডাস্টবিনের পঁচাগলা গন্ধে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পরিষ্কারের অভাবে ভিতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। প্রশ্রাবখানার অবস্থা আরো ভয়াবহ। কটা গন্ধে অব্যবহৃত হয়ে পড়েছে এগুলো। হলগুলোর প্রায় সব কয়টিতে একই রকম অবস্থা দেখা গিয়েছে।


একাডেমিক ভবন এবং প্রশাসনিক ভবনের চিত্রও একই। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কোনো শৌচাগারের ব্যবস্থা নেই। ফলে শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে কমন শৌচাগার ব্যবহার করে থাকেন। কিছু শৌচাগারে পানি আছে কিন্তু বদনা নেই। আবার কয়েকটিতে বদনা আছে তো পানি নেই। এমনকি বেশিরভাগ শৌচাগারে পানি এবং বদনা কোনোটাই নেই। নেই স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা। পাশাপাশি মেয়েদের জন্য আলাদা কোনো শৌচাগারের ব্যবস্থা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


বিজয় দিবস হলের আবাসিক শিক্ষার্থী টনি বলেন, ঈদের আগে শৌচাগারগুলো একবার পরিষ্কার করা হয়েছে। প্রায় ১মাস হতে চললো এখনো পরিষ্কার করার কোনো নামগন্ধ নেই। আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারছিনা। আমাদের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও নেই। মামাদেরকে কয়েকবার জানানো হয়েছে কিন্তু তারা কর্মবিরতির অযুহাত দিয়ে কাজ করছেনা। রিতিমত আমরা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। এভাবে চলতে থাকলে আমরা বেশিদিন টিকতে পারবনা। 


স্বাধীনতা দিবস হলের গণরুমের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আমার মনে হচ্ছেনা আমি একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি। শৌচাগারের দুর্গন্ধে রিতিমত আমি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। এভাবে আর কতদিন থাকতে হবে জানিনা। একাডেমিক ভবনের শৌচাগারগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কিন্তু প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।


একাডেমিক ভবনের শৌচাগার নিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমানে ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হয় পরিষ্কারকদের সুপারভাইজার মিলন সমাদ্দারের সাথে। মিলন বলেন, প্রতিটি আবাসিক হলের শৌচাগার অনেকগুলো। কিন্তু প্রতি হলের জন্য আমার লোকবল মাত্র ২জন। একজন সরকারি আরেকজন মজুরি ভিত্তিক। এই দুইজন দিয়ে প্রতিদিন শৌচাগারগুলো পরিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছেনা। তিনি বলেন, আমার লোকবল প্রয়োজন। প্রশাসনকে এবিষয়ে অনেকবার অবগত করেছি। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি কি করবো বলেন! শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে কথা শোনায়। কিন্তু আমরাতো চেষ্টা করতেছি।


কর্মবিরতি নিয়ে মিলন বলেন, কর্মবিরতির সময় কর্মবিরতি চলবে। একজন কর্মবিরতি পালন করলে আরেকজন কাজ করবে। এভাবেই চালিয়ে নিতে হবে। না'হয় শিক্ষার্থীরা শৌচাগারগুলো ব্যবহার করতে পারবেনা। আগামীকাল থেকে আমি লোকজন পাঠিয়ে শৌচাগারগুলো পরিষ্কার করিয়ে দিব।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার জন্য দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আদালতের রায় বল প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। এর পেছনে একটি মতলবি মহল আছে।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আন্দোলনেও ব্যর্থ উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেও দেখেছি, ২০১৮ সালে যে সড়ক আন্দোলন হয়েছিল, তারা ফসল বিএনপি কুড়াতে চেয়েছিল। তারা অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, কত মানুষ যে মারা গেছে! টার্গেট করে নিরীহ মানুষ তারা হত্যা করেছে।

আমরা এখনো বলছি যে, আজকে যে কোটা সংস্কার আন্দোলন বাংলাদেশে চলছে, এই আন্দোলনেরও নেতৃত্ব নিয়েছেন সেই লন্ডনের দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। তার দল সমর্থন দিয়েছে প্রকাশ্যে। তারেক রহমান প্রতিনিয়ত ২০১৫, ১৬, ১৮ সালের মতো এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করার জন্য বিভিন্ন অপশক্তিকে লেলিয়ে দিয়েছে। তাদের সমমনা কিছু দলও এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে।


আরও খবর



গজারিয়ায় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা নইমুলের বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েও অদৃশ্য কারণে ওয়াহিদুজ্জামান নইমুল মুক্তিযোদ্ধা বনে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আ ক ম আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বালুয়াকান্দি মেঘনা ভিলেজ রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আখতারুজ্জামান তার বক্তব্য বলেন,ওয়াহিদুজ্জামান নইমুল  একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি পাক সেনাদের সহায়তাকারী হিসেবে চিহ্নিত। অথচ অদৃশ্য কারণে তিনি এখন মুক্তিযোদ্ধা বনে গেছেন।

তিনি আরো বলেন, নইমুল বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধার নাম ব্যবহার করে ভূমি দখল, চাঁদাবাজি ও নিরীহ মানুষদের মামলা দিয়ে  হয়রানী করছেন। সম্প্রতি তার বাড়ির ভারাটিযা হারুনের কাছে  জমি বিক্রির কথা বলে সাড়ে ৭লাখ টাকা নিয়ে ৩বছর যাবত  তাঁকে জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না তিনি। তার ভয়ে এলাকার কোন মানুষ মুখ খোলে না। কেউ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলেই তাকে মিথ্যা মামলার আসামী করেন এবং বিভিন্ন স্থানে ভুয়া অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করেন।

ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধার আনিসুর রহমান শিকদার ইরন বলেন, বিভিন্ন ঘটনায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমার নামে পাঁচটি মামলা দিয়েছে ওয়াহিদুজ্জামান নইমুল। একজন মুক্তিযোদ্ধা কিভাবে এমন হতে পারে তা আমার মাথায় আসে না। তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেন নাই সেজন্য প্রতারণার আশ্রয় নিতে তার লজ্জা হয় না। সকল ঘটনার তদন্ত এবং তার শাস্তির দাবি করি আমরা।

সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন,  যুদ্ধকালীন কমান্ডার স্কোয়াডন লীডার(অব:) আক্তারুজ্জামান কামাল, বালুয়াকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান জুয়েল সরকার,বীর মুক্তিযোদ্ধার আনিসুর রহমান শিকদার ইরন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলাইমান হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আহাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম,বীর মুক্তিযোদ্ধা মো:হাবিবুর রহমানসহ  বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

অভিযোগের বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুজ্জামান নইমুল মুঠো ফোনে বলেন, আমি একজন মুক্তি যোদ্ধা। আমাকে হেয় করার জন্যই একটি মহল আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে। তারা সংবাদ সম্মেলন আমার বিরুদ্ধে যেগুলো অভিযোগ করেছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা। তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনি ব্যবস্থা নেবো।


আরও খবর



গ্রামীণফোনকে শোকজ, জরিমানা হতে পারে ৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কল ড্রপ ইস্যুতে মোবাইল অপারেটরদের আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় সরকার। এ ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



 ইতোমধ্যে কল ড্রপ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় শোকজ করা হয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে। সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ২ কোটি টাকা হতে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে।


বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে জিপিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি-ব্রেইন’ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পেকট্রাম বরাদ্দের তুলনায় ইউটিলাইজেশন কম। গ্রামীণফোন বারবার বলে টাওয়ার কম। কিন্তু টাওয়ার যা আছে, তাতে বিটিআরসি যতটুকু স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছে, সেটা কেন ব্যবহার করছে না? 



কারণ ওই স্পেকট্রাম ইউটিলাইজ করতে গেলে আরও কিছু টেকনোলজি এবং ফাইন্যান্সের বিষয় আছে, যেটা তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল। কেন তারা সেটা করল না? এ কারণে আমরা তাদের শোকজ করেছি। তারা সদুত্তর দিতে না পারলে এক কোটি থেকে তিনশ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে।’



এর আগে, গত ৩০ জুন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক।


বৈঠকে তিনি বলেন, কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাবো।


আরও খবর