Logo
শিরোনাম

আসছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার। ৩ দিনের সফরে তিনি সোমবার ঢাকা পৌঁছাবেন।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও সরকারের অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করবেন রেইজার। এ সময় দেশের উন্নয়ন খাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

মার্টিন রেইজার বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। ৫০ বছরের এই অসামান্য যাত্রায় অংশীদার হতে পেরে বিশ্বব্যাংক গর্বিত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো করোনাভাইরাস, জলবায়ু পরিবর্তন ও বাড়তে থাকা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির আঘাতে জর্জরিত। এই প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ কীভাবে মোকাবিলা করছে, তা জানতে আমি আগ্রহী।

জার্মান নাগরিক রেইজার গত ১ জুলাই থেকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে তিনি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং কোরিয়ার ডিরেক্টর পদে কাজ করেছেন। এ ছাড়া, তিনি তুরস্ক ও ব্রাজিলেও কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




পূজায় নাশকতা ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় নাশকতা ঠেকাতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে পূজা উদযাপন কমিটি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ মনে, প্রাণে ও চিন্তা-চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।

পরে ওবায়দুল কাদের রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দলটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন। এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, পিতা মুজিবের মতো কষ্ট করার জন্যই শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর পর বাংলাদেশে আপাদমস্তক বাঙালি এবং সৎ, সাহসী ও দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা রূপান্তরের রূপকার। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ ও এককালীন মেধাবৃত্তি বিতরণ করেন তিনি।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ইটনায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ততা চলছে পূজা মণ্ডপে মণ্ডপে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোঃ মুজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জঃ

দুর্গা পূজাকে ঘিরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরির কারিগররা। কে কত ভালো প্রতিমা তৈরি করে ভক্তদের হৃদয় ছুঁতে পারেন তারই প্রতিযোগিতা চলছে মণ্ডপে মণ্ডপে। সামর্থ্য অনুযায়ী স্থানীয় ও অন্য জেলা থেকে কারিগর এনে প্রতিমা তৈরি করছে পূজা মণ্ডপ কমিটি।  

এবারের দুর্গাপুজোর মহাসপ্তমী পড়েছে ০২ অক্টোবর, মহাঅষ্টমী পড়েছে ০৩ অক্টোবর, মহানবমী পড়েছে ০৪ অক্টোবর, বিজয়া দশমী পড়েছে ০৫ অক্টোবর। 

উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়, শিল্পীর নিপুণ হাতে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। রাতদিন পরিশ্রম করে মাটি দিয়ে দেবীর অবয়ব নির্মাণ করছেন কারিগররা। পাশাপাশি চলছে লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা তৈরির কাজ। 

সদর ইউনিয়নের নগরহাটি যুব সংঘের সার্বজনীন দুর্গা মণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করছেন পরিমল পাল। তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে প্রতিমা তৈরির করে আসছেন। এই বছর উপজেলার ০৯ টা দুর্গা পুজোর প্রতিমা তৈরির কাজ পেয়েছেন, এই নিয়ে ব্যস্ততায় রাত দিন কাটাচ্ছেন। 

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ইটনা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কৌশিক দেব নাথ জয় বলেন, ‘উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১২টা সহ ৩৬টি পূজা মণ্ডপ রয়েছে। প্রতিটি কমিটিকে ডিজে পার্টির নামে অশ্লীলতা বন্ধের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলোতে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে সে জন্য পুলিশ প্রশাসন সর্বদা দায়িত্ব পালন করবে। আমরা সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবো।’ 

ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কামরুল ইসলাম মোল্লা জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে থানা পুলিশের পাশাপাশি পূজা মণ্ডপে থাকবে আনসার, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবী সদস্য।


আরও খবর



সরকারি চাল প্যাকেটজাত করে খোলা বাজারে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বরগুনার বেতাগীতে বেশ কিছুদিন যাবৎ সরকারি চাল বিভিন্ন কোম্পানির নামে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করছিলো একটি চক্র। যার নেপথ্যে প্রধান হিসেবে কাজ করতেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বেতাগী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মনির হোসেন লাভলু। 

রবিবার  বিকাল ৪টায় সংবাদ আসে ডিলার মনির হোসেন লাভলুর পৌরশহরের নিজ বাসার একটি বদ্ধ ঘরের মধ্যে বিভিন্ন নামীদামী ব্র্যান্ডের বস্তায় প্যাকেটজাত হচ্ছে সরকারি চাল। বিভিন্ন গণমাধ্যমের ক্যামেরায় ধারণ করা হয় সেই অভিনব প্রতারণার ভিডিও। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনলে শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

এদিন বিকাল ৫টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে সরকারি চালের বস্তা থেকে ব্র্যান্ডিং বস্তায় চাল প্যাকেটজাত করার প্রক্রিয়ার সত্যতা পান। এ সময়ে ডিলার লাভলুর মজুদ করা ৩ টনের অধিক  চাল যা ৮৯টি বস্তাভর্তি ছিলো তা জব্দ করেন । তবে ব্যবসায়ী লাভলুর দাবি তিনি স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে টিআর, কাবিখার চাল ক্রয় করেছেন। তবে প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী ওই চাল ওএমএস কর্মসূচির।

ভ্রাম্যমাণ অভিযানের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহৃদ সালেহীন বলেন, জব্দ করা চাল সরকারি এতে সন্দেহ নেই। সরকারি চাল মজুদকারীদের কোন ছাড় দেয়া হবে না। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন-বিধান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা কোন জাতির অবস্থার পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা নিজেদের অবস্থার পরিবর্তনে এগিয়ে আসে। (সূরা রা’দ : ১১)

নবী করীম (সা) বলেন, আমাকে সচ্চরিত্রের পূর্ণতা সাধনের নিমিত্তেই প্রেরণ করা হয়েছে।

মানব জীবনে আখলাকের গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ তার মনের আলোকেই সম্পাদিত হয়। দার্শনিক ঈমাম গাজ্জালীর মতে-যেমন গুণাবলী মানব মনে জাগরুক থাকে তারই প্রতিফলন তার বাহ্যিক কাজ-কর্মে প্রকাশিত হয়। এর আলোকে বলা যায় মানুষের কোনো কাজই তার মূল চিন্তা-চেতনা বহির্ভূত নয়। এ জন্যই যুগে যুগে সংস্কারকরা মানুষের সংশোধন ও পবিত্র জীবন যাপনের পন্থা হিসেবে তাদের আত্মার পরিশুদ্ধি ও মূল্যবোধের জ্ঞান প্রথমেই শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতেন। ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের উন্নতি-অবনতি, উত্থান-পতন, মান-সম্মান ইত্যাদি সব কিছুই তাদের মানসিক বিকাশ ও মূল্যবোধ জাগ্রত করার ওপরই নির্ভর করে।

উত্তম চরিত্র ইসলামী শিক্ষার অন্যতম একটি কোর্স হিসেবে পরিগণিত করা হয়। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহতে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা সমগ্র মানব সমাজের চারিত্রিক উন্নয়নে প্রচুর নির্দেশনা বিদ্যমান। মূলত মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য এ চরিত্রের আলোকেই হয়ে থাকে।

আখলাকের মাধ্যমেই মানুষ মনুষ্যত্বের চূড়ান্ত মানে উন্নীত হতে পারে। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন-বিধান। এ বিধানের পরিপূর্ণতার জন্য তাতে উন্নত চরিত্রের বিধান থাকা আবশ্যক।

তাই ইসলামে আখলাকুল হাসানাহ্ তথা উত্তম চরিত্রের স্থান অনেক ঊর্ধ্বে। পৃথিবীতে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নের নিমিত্তে আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রসূলদের প্রেরণ করেছেন। আমাদের প্রিয় নবী (সা) কে প্রেরণের অন্যতম কারণ সচ্চরিত্রের বিকাশ সাধন। একদা জনৈক ব্যক্তি রসূল (সা) কে দ্বীনের সংজ্ঞা জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বলেন, উত্তম চরিত্র। এ কথা দ্বারা বুঝা যায়, সচ্চরিত্রতা বা উত্তম চরিত্র দ্বীনের অন্যতম একটি রুকন, যা ব্যতীত দ্বীনের অস্তিত্বই কল্পনা করা যায় না, যেমন হজ্ব সম্পর্কে রাসূলের বাণী- হজ্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি রুকন হচ্ছে আরাফায় অবস্থান করা যা ব্যতীত হজ্ব আদায় হয় না, তেমনি সচ্চরিত্রতা ব্যতীত দ্বীন ও পরিপূর্ণ হয় না।

উত্তম চরিত্র হল পরকালে মুক্তির উপায়, ইসলামের অপরিহার্য ফরজ তথা নামাজ-রোযা পালন করা সত্তে¡ও পরকালে জাহান্নাম থেকে নাজাত ও জান্নাত লাভের জন্য আখলাক তথা উত্তম চরিত্রের কোনো বিকল্প নেই।

জনৈক ব্যক্তি রসূল (সা)-কে উত্তম ঈমানদার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে তিনি বলেন, ‘তাদের মধ্যে যে অধিক চরিত্রবান সেই উত্তম’। উত্তম চরিত্র দ্বারা মু’মিনরা কিয়ামতে রাসূল (সা)-এর ভালোবাসা ও নৈকট্য লাভের ক্ষেত্রে সবাই এক রকম হবে না।

এ প্রসঙ্গে রাসূল (সা) বলেন, ‘কিয়ামতের দিবস তোমাদের মধ্যে আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় ও অবস্থানের ক্ষেত্রে অধিক নিকটবর্তী হবে তোমাদের মধ্যে যে উত্তম চরিত্রের অধিকারী’। সৎ চরিত্রের অধিকারীর আমলনামাও ভারী হবে।

এ প্রসঙ্গে রসূল বলেন, ‘কিয়ামতের মাঠে হিসেব-নিকাশের সময় ’আ­ল্লাহ ভীতি ও চরিত্রতার গুণ’ মু’মিনের আমলনামাকে ভারী করবে।

রাসূল (সা)-এর উত্তম আখলাক সম্পর্কে দোয়া করতেন, তিনি নিজে গুণাহমুক্ত হয়েও নিজের চরিত্র সুন্দর করার তৌফিক অর্জনের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করতেন। যেমন তিনি দোয়ায় বলতেন, আল্লাহ তুমি আমার গঠন-আকৃতি সুন্দর করেছ, আমার চরিত্রকেও সুন্দর করে দাও।

আল্লাহ তায়ালা রসূল (সা) এর উত্তম চরিত্রের প্রশংসাও করেছেন, তিনি বলেন, ‘আপনি মহান চরিত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত’। (সুরা কলম : ৪)

আয়াতে মহান আল্লাহ কর্তৃক রসূল (সা)-এর আখলাকের প্রশংসা করেছেন। পবিত্র কুরআনের প্রচুর আয়াতে আখলাকের বিবরণ ও চরিত্রবানদের প্রশংসার বাণী উদ্ধৃত হয়েছে, মাক্কী ও মাদানী উভয় সূরাগুলোতে আখলাকের নির্দেশ বেশি থাকায় এর গুরুত্বেরও আধিক্য বুঝা যায়, যা থেকে কোনো মুসলিমের দূরে থাকা সম্ভব নয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তার রাসূল (সা)-এর উত্তম চরিতে চরিত্রবান করুন।

আমিন


আরও খবর

শারদীয় দুর্গোৎসব কাল শুরু

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




১১০০ শিক্ষকের সনদ জাল

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ১ হাজার ১০৮ জন শিক্ষকের জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। এই সনদধারী শিক্ষকদের পেছনে সরকারি কোষাগার থেকে ব্যয় হয়েছে ৪৯ কোটি ৮২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬০ টাকা। আর অবৈধ নিয়োগ, প্রাপ্যতার অতিরিক্ত গ্রহণ ও অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়েছে আরো ২৬৮ কোটি ৩৫ লাখ ৯১ হাজার ৪৬৯ টাকা। এসব অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার সুপারিশসহ সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর ।

এ বিষয়ে ডিআইএর যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আমরা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল শনাক্ত করেছি। ২০২১ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের আগস্ট পর্যন্ত জমি বেহাত হওয়ার তথ্য পেয়েছি। অবৈধ নিয়োগের কারণে এবং প্রাপ্যতার অতিরিক্ত নেওয়া অর্থ ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।

বিপুল চন্দ্র সরকার জানান, গত ১০ বছরে দেশের ২৪ হাজার ৯৭৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিদর্শন প্রতিবেদনও পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

গত ২৪ জুন ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীরের সই করা প্রতিবেদনে জানানা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মোট জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ১০৮টি। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৮২৪টি এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ২৮৪টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত শুধু শিক্ষক নিবন্ধন জাল শনাক্ত হয়েছে ৬১৫টি। নেকটারের কম্পিউটার সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ১৬০টি। অন্যান্য সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ৪৯টি। সর্বমোট ৮২৪টি।

আর কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত শিক্ষক নিবন্ধন জাল শনাক্ত হয়েছে ১৮৪টি। নেকটারের কম্পিউটার সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ৮৯টি। অন্যান্য সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ১১টি। সর্বমোট ২৮৪টি।

এসব জাল সনদের বিপরীতে শিক্ষকদের গ্রহণ করা অর্থ ৪৯ কোটি ৮২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬০ টাকা। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৩৬ কোটি ১০ লাখ, ৬৮ হাজার ৪৭৪ টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ১৩ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮৬ টাকা।



আরও খবর