Logo
শিরোনাম

বাফুফের সব হিসাবে গরমিল !

প্রকাশিত:বুধবার ১২ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

ইয়াশফি রহমান :অর্থনৈতিক সঙ্কট ও দুর্বল ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি সরগরম পরিস্থিতি চলছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে)। অর্থসঙ্কট দেখিয়ে মিয়ানমারের অলিম্পিক বাছাইয়ে সাফজয়ী সাবিনা খাতুনদের না পাঠানোর জের ধরেই এসব আলোচনার উত্থান। এরপর বাফুফে সংশ্লিষ্ট একের পর এক অনিয়মের কথা উঠে আসছে। জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিতে কর্মরতদের বেতনেও গরমিল পাওয়া গেছে।

যে কোনো চাকরিতেই বছর ঘুরলে বেতন বৃদ্ধি পায় কিংবা অন্তত আগের বছরের প্রাপ্য সম্মানীই বহাল থাকে। কিন্তু চলতি বছর বাফুফের অধিকাংশ এক্সিকিউটিভের ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টো। বাফুফেতে কর্মরত বেশ বড় সংখ্যক এক্সিকিউটিভ গত বছরের চেয়ে এই বছর কম বেতন পাচ্ছেন। একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বাফুফেতে প্রশাসনিক কর্মকর্তার সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ছে। এই প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সম্মানী ফিফা ও এএফসির খাত থেকেই মূলত নির্বাহ করা হয়। কোনো এক্সিকিউটিভকে এএফসিতে আবার কাউকে ফিফার তালিকায় সংযুক্ত করা হয়। চলতি বছরে এএফসির তালিকায় থাকা কয়েকজনের (৭ জনের বেশি নয়) বেতন বেড়েছে। এদের মধ্যে একটি বিভাগের ম্যানেজার রয়েছেন, যার বেতন বেড়েছে ২০-৩০ হাজারের মতো। অন্যদিকে, ফিফার খাতে নাম থাকা এক্সিকিউটিভ অনেকেরই বেতন কমেছে। অধিকাংশের বেতন গত বছরের চেয়ে কমলেও, হাতে গোণা কয়েকজনের বেতন বেড়েছে (অন্তত ২-১ জনের অধিক)। এই বৈষম্যের ফলে বাফুফের প্রশাসনে বিরাজ করছে অসন্তোষ। 

এ পরিস্থিতিতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্টাফ বলছেন দুর্ভোগের কথা, দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে চলছে। যেখানে চাকরিবিধি অনুযায়ী আমাদের ১০% ইনক্রিমেন্ট হওয়ার কথা, সেখানে উল্টো গত বছরের চেয়ে কম অর্থ পাচ্ছি। সংসার পরিচালনায়ও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্টাফদের বেতনের হিসাবে এই গরমিলের ব্যাপারে ফেডারেশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাই আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি। তবে ফিন্যান্স বিভাগের ভুলেই এমনটা হয়েছে বলে প্রকারান্তরে স্বীকার করেছেন কেউ কেউ। আর্থিক বিষয়ে অসঙ্গতির জন্য ফিন্যান্সের একজন এক্সিকিউটিভ ফিফার চিঠি পেয়েছিলেন, এমনকি জুরিখ পর্যন্তও গিয়েছিলেন। চলমান বেতন কাঠামোতে অধিকাংশ স্টাফের বেতন কমলেও হাতেগোণা বৃদ্ধি পাওয়া কয়েকজনের মধ্যে রয়েছেন ফিন্যান্স বিভাগের সেই কর্মকর্তাও। 

ফেডারেশনের প্রশাসনিক স্টাফদের বেতনে এই তারতম্য ও বৈষম্যের বিষয়ে নির্বাহী কমিটি অনেকটাই অজ্ঞাত। সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে চেয়ারম্যান ও চার সহ-সভাপতিকে সদস্য করে ফিন্যান্স কমিটি গঠিত। কয়েকজন সহ-সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, তারাও স্টাফদের বেতনের তারতম্যের বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত নন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাহী কমিটির এক সদস্য বলেন, ফেডারেশনের স্টাফদের কার কত বেতন আমাদের জানার অধিকার থাকলেও জানি না। মাথাভারী প্রশাসনের পেছনে এত অর্থ ব্যয় করে মাঠের ফুটবলে কী প্রভাব পড়ছে সেটিও বোধগম্য নয়।

গত কয়েক বছর ধরেই ফুটবল ফেডারেশনের আর্থিক বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এত আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেও বাফুফের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা নির্ধারিত ছুটির বাইরেও গত বছর অনেক ছুটি কাটিয়েছেন। বাফুফের অর্থ সঙ্কটের পেছনে অনেকেই আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্কটকে দায়ী করেন। ফেডারেশনের স্টাফদের বেতনের হিসাবই এমন এলেমেলো হলে সেখানে ফিফা, এএফসি, স্পন্সরদের নানা শর্তযুক্ত অর্থের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন থেকেই যায়! 

 


আরও খবর



নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি জিটাল ডেস্ক :


ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শনিবার (৮ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ১০ জুন দুপুরে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।



 বুধবার টেলিফোনে আলাপকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র মোদি। শেখ হাসিনা এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন।


আগামী ৯ জুন নরেন্দ্র মোদির শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৩টি এবং ইন্ডিয়া জোট ২৩৩টি আসনে জিতেছে।


আরও খবর



আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে বসছেন নরেন্দ্র মোদি। 


আজ রোববার (৯ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। 


একই দিন শপথ নেবেন তার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। রোববার (৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।



অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি সরকারপ্রধান ইতোমধ্যেই দিল্লি পৌঁছেছেন।


বিমান দুর্ঘটনায় অ্যাপোলো-৮ নভোচারীর মৃত্যু

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদি রোববার শপথ নিলেও, পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার শপথ কয়েকদিন পর হবে। 


তবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রী পদে আজই শপথ গ্রহণ হবে। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি আজ ৩০ জন মন্ত্রী শপথ নিতে পারেন। এর মধ্যে বিজেপির মন্ত্রীদের সংখ্যাই বেশি হবে। জোটের অন্য দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যও শপথ নিতে পারেন।


নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। যে মন্ত্রীরা আজ শপথ নেবেন, তাদের আজ সকালেই ফোন করে জানিয়ে দেয়া হবে বলে সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে।


এদিকে ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে দিল্লিতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতকর্তা।


 শপথগ্রহণকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানস্থল রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঁচ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান ছাড়াও এনএসজি কমান্ডো, ড্রোন এবং স্নাইপার নিয়ে বহুস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।



আরও খবর



মধ্যরাতে জারি হতে পারে মহাবিপদসংকেত

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল রোববার নাগাদ খুলনার সাতক্ষীরা ও চট্টগ্রামের কক্সবাজারের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে। এজন্য শনিবার মধ্যরাতে মহাবিপৎ সংকেত জারি হতে পারে।

শনিবার (২৫ মে) সচিবালয়ে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরা বুঝতে পেরেছি, ঘূর্ণিঝড়টি আসন্ন।

তিনি বলেন, এখন ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত রয়েছে। আগামী ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সংকেত ৩-এ চলে যাবে। এটা (সতর্ক সংকেত) রাতে ৪-এর ওপরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে বিপদের পর্যায়ে চলে যেতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে আমরা ঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি।

রাত ১২টা-১টা নাগাদ এটা ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি হতে পারে। এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রেখেছি। সার্বিক প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করে দিয়েছি।

মহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়টিতে সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রামের কক্সবাজার পর্যন্ত কমবেশি অ্যাফেকটেড হতে পারে। ৭ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে। এজন্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হতে পারে।

রোববার সন্ধ্যা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় জেলায় আমাদের প্রায় চারহাজার আশ্রয়কেন্দ্র আছে। এগুলো আমরা প্রস্তুত রেখেছি। খাদ্যের জন্য আমাদের প্রত্যেকটি জেলায় গুদামে পর্যাপ্ত শুকনো খাবারসহ যেসব জিনিস দরকার হবে এগুলো মজুত রেখেছি। প্রয়োজনে ঢাকা থেকে যাতে আরও সাপ্লাই দিতে পারি এজন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।


আরও খবর



ভোট কেন্দ্র ফাঁকা, পাবনায় চার ঘণ্টায় ২৬ ভোট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা:


পাবনার চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অধিকাংশ ভোট কেন্দ্র ফাঁকা ছিল। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।


 উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের কুয়াবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৬টি। 


প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাপস রঞ্জন তলাপাত্র বলেন, সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি বেশ কম। এই কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৮১ জন ভোটার। তাদের মধ্যে ভোট শুরুর পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্র ২৬টি।



মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম দেখা গেছে। এক দুজন করে ভোটার আসছেন।

 

উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ২২৮টি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৭৯ জন। প্রিসাইডিং অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন এ তথ্য জানান। 


একই ইউনিয়নের মহেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রেসাইডিং অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানালেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৯২টি। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২২৭ জন। 

বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান।


 তিনি জানালেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ১১৭ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২১৮টি। 


মথুরাপুর ইউনিয়নের ভাদরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ২০ জন। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৩০৭টি। বিষয়টি জানালেন প্রিসাইডিং অফিসার মাহবুবুল ইসলাম। 


চাটমোহর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপের এই নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহ নেই বললেই চলে। অনেকের অভিমত হয়ত ১০ ভাগ ভোটার ভোট দিতে পারেন। অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রই ছিল ফাঁকা। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা বসে বসে অলস সময় পার করেছেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যদেরও তেমন তৎপরতা ছিল না। 


বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভোটারবিহীন এমন নির্বাচন আগে কখনও দেখিনি। সকাল থেকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ঘুরে দেখছেন। বিজিবি ও র‌্যাবের টহল ছিল।

 

চাটমোহর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. রেদুয়ানুল হালিম বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। দিন শেষে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। 


এ জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে  ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বিজিবি তাদের দায়িত্ব পালন করছে।


চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার।


আরও খবর



নেত্রকোনায় ‘জঙ্গি আস্তানা’য় সোয়াট টিম আরও একটি বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:



নেত্রকোনার ভাসাপাড়া গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশের স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস টিম (সোয়াট)। 


রোববার (৯ জুন) সকালে এ তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি বনুয়াপাড়া নামের জায়গায় আরও একটি বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয়দের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।



জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টায় সোয়াট সদস্যরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান। তবে বাড়িটি থেকে গত শনিবার পাওয়া গুলি-পিস্তল ছাড়া অন্য কিছু উদ্ধার হয়নি।


 

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমদ বলেন, সোয়াট সদস্যরা শনিবার রাতে নেত্রকোনায় পৌঁছায়। রোববার সকাল থেকে বাড়িটিতে তল্লাশি শুরু করে তারা। নেত্রকোনায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলত বলে আমাদের কাছে খবর ছিল। 


তাই ওই বাড়ির ওপর নজর রাখা হয়। বাড়িটিতে শনিবার দুপুর থেকে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। এরই মধ্যে কিছু আলামত পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িটি একটি জঙ্গি আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বোমা বিশেষজ্ঞ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের কাজ শুরু করেছে।


অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মো. সানোয়ার হোসেন ইত্তেফাককে জানান, এরই মধ্যে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িটিতে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। তল্লাশি শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।


উল্লেখ্য, নেত্রকোনা সদর উপজেলার ভাসাপাড়া গ্রামে আব্দুল মান্নান ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুরের (ডুয়েট) শিক্ষক ছিলেন। দুই বছর আগে বাড়িটি তিনি আরিফ নামের এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দেন। বাড়িটিতে জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলত বলে পুলিশ খবর পায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বেলা একটার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল কালামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বাড়িটি ঘেরাও করে। 



এ ছাড়া নেত্রকোনা জেলা শহরের বনুয়াপাড়ায় তানভির কটেজ নামের আরও একটি বাড়িতে জঙ্গি সদস্য থাকার সন্দেহ করছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টায় বাড়িটি ঘেরাও করে তারা।


আরও খবর