Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

বাঘাইছড়ির সাজেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে জেএসএস সমর্থক নিহত

প্রকাশিত:Thursday ০১ December ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি ঃ

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দূর্গম নিউলংকর দাড়ি পাড়া গ্রামের মিড পয়েন্ট এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে সুখেন চাকমা (২০) পিতা-মঙ্গল চাকমা নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় সজীব চাকমা (২২) পিতা-বিধুমঙ্গল চাকমা নামে আরও এক যুবক পায়ে গুলি বৃদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। ঘটনার পর পরই আহত সজীব চাকমাকে উদ্ধার করে গ্রামবাসীরা হাসপাতালে নিয়ে আসে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেন, সাজেক থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আলম।

আহত ও নিহত দুজনেই পেশায় মোটরসাইকেল চালক ও সম্পর্কে চাচাতো ভাই বলে জানা গেছে। পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সমর্থক বলে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান। এই ঘটনার জন্য পাহাড়ের আরেক আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) কে দায়ী করেছেন জেএসএস সন্তু বাঘাইছড়ি উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ত্রিদিপ চাকমা। আমরা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এদিকে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সাজেক অঞ্চলের সমন্বয়ক আর্জেন্ট চাকমা এই ঘটনার সাথে তাদের দলের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন এবং নিউলংকর এলাকায় ইউপিডিএফ এর কোন কর্মকান্ড নেই বলে দাবি করেন। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানান তিনি।


বাঘাইছড়ি ও সাজেক থানার সার্কেল এএসপি, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল আওয়াল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা সংবাদ পাওয়ার পরপরই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারসহ আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তবে এলাকাটি খুবই দূর্গম। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, তাই একটু সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

এদিকে আগামী ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাঘাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল জনসমাবেশের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। তার দুইদিন আগে এমন ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সমাবেশকে ঘিরে বড় সংঘাতের আশঙ্কা করছে অনেকে। ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন পয়েন্টে। 


আরও খবর



তুমি তোমার কাজ করে যাও, থেমে যেওনা

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ :

তোমাকে নিয়ে মানুষ হাসছে, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে, তাদের করতে দাও, বাধা দিওনা | তুমি তোমার কাজ করে যাও | থেমে যেওনা | একটা কথা সব সময় মনে রেখো, পৃথিবীতে আজ যাদের আমরা সফল মানুষ বলে জানি,  একদিন তাদের দেখেও  মানুষ হেসেছিলো, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছিল | তারা থেমে যায়নি | তাদের কাজ থেকে এতটুকু  সরে যায়নি বরং মানুষের এই অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমানকে তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিল, কিন্তু তাদের বুঝতেও দেয়নি | হয়তো তারা কেঁদেছিলো, নীরব যন্ত্রনায় পুড়েছিল, আঘাতের ক্ষত চিহ্ন তারা বয়ে  বেড়াচ্ছিল | কিন্তু কখনো কারো সহানুভূতি চায়নি, কারো ভালোবাসা পেতে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে ফেলেনি, কখনো কারো কাছে তাদের বুকের ভিতরে জমে থাকা কষ্টগুলো প্রকাশ করেনি | কারণ তারা জানতো, মানুষের কাছে কখনো দুর্বলতা প্রকাশ করতে নেই |  

মানুষ দুর্বলদের উপর বুভুক্ষু শুকুনির মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে ভালোবাসে  | নিজের বড়ত্ব দেখানোর নাম করে সর্বস্ব কেড়ে নিতে এতটুকু ছাড় দেয়না |  বাস্তবতা হলো মানুষ মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে খেলতে ভালোবাসে, মানুষের দুঃখকে পুঁজি করে নিজের লাভটা কড়ায় গন্ডায়  বুঝে নিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেনা  |  

মানুষ অভিনয় করে হয়তো মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে সহানুভূতি, আবেগ, ভালোবাসা দেখানোর চেষ্টা করবে | সেটা মেরুদন্ড ভেঙে দেবার একটা কৌশল, সেটা মানুষের ভিতর জেগে উঠা স্বপ্নকে মুছে ফেলার একধরণের সুপ্ত কূটনীতি  | কূটনীতি থেকে মানুষকে গিনিপিগ বানানোর রাজনীতিও হয়ে উঠতে পারে সেটা | সহানুভূতি, আবেগ, ভালোবাসা কখনো কখনো আত্মঘাতী হয়, মানুষকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে |  মিথ্যে ভালোবাসায় লোকদেখানো অতি আবেগ থাকে, ভালোবাসা সত্য হলে সেখানে আগুনে পোড়া রুটির মতো কঠিন বাস্তবতা থাকে |  

তোমার মনকে শক্ত করো, মাটিকে খড়কুটোর মতো  আঁকড়ে ধরো, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে তোমার স্বপ্নকে অতিক্রম করতে শেখো | মনে রেখো স্বপ্নের পিছনে ছোটা মানে স্বপ্নের কাছে পরাজয় মেনে নেওয়া, তোমাকে এমনভাবে ভেঙে ভেঙে গড়ে তুলো যাতে স্বপ্ন তোমার পিছনে ছুটতে  ছুটতে  ক্লান্ত হয়ে পড়ে  |  যেদিন দেখবে তুমি তোমার স্বপ্নের চেয়েও এগিয়ে গেছো  সেদিন তোমার কাছে স্বপ্নগুলো বাস্তবতা হয়ে হার মানতে বাধ্য হবে | তুমি তোমাকে চেনো, তোমার ভিতরের ঘুমন্ত মানুষটাকে চেনো, তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলো | হয়তো তখন দেখবে তুমি এমন কিছু সৃষ্টি করেছো যা ইতিহাসের সব সৃষ্টিকে হার মানিয়েছে, সময়কেও তোমার পিছনে ফেলে দিয়েছে |   

এই পৃথিবীতে বড় হতে হলে অনেক ছোট হতে হয়, সবার পিছনে দাঁড়িয়ে নিজের পিছিয়ে পরার কষ্টটাকে আনন্দ  বানাতে হয়, অবহেলা, অযত্নকে মেনে নিয়ে নিজের ভিতরের অমিত শক্তিটাকে খুঁজতে হয় |  মনে রেখো এই পৃথিবীতে তুমি কখনো হাত ধরে উপরে তোলার মানুষ পাবেনা, তোমার বড় হয়ে উঠার কঠিন লড়াইকে কেউ মেনে নিতে চাইবেনা, তুমি যতই নিজেকে প্রমান করো না কেন মানুষ তা কখনো স্বীকার করে নেবেনা | 

তারপরও তুমি তোমার হাত ছেড়োনা, তুমি তোমার লড়াইটা থামিয়ে দিওনা, তুমি তোমাকে প্রমান করার চেষ্টাটা বন্ধ করোনা | মনে রেখো পৃথিবীটা খুব নির্মম | পৃথিবীর মানুষের বিচারে তুমি যদি ফেল করো তাহলে বুঝে নিও  তুমি পাশ করেছো | কারণ মানুষ যা ভাবে তা বলেনা, মানুষ যা বলেনা মানুষ সেটাই ভাবে | 

তুমি তোমাকে বিচার করতে শেখো, নিজেকে বিচার করতে শিখলে মানুষের বিচারের জন্য কখনো বসে থাকতে হয়না | আর একটা কথা সব সময় মনে রেখো  যে  মানুষরা তোমাকে দেখে একদিন  হেসেছিলো, অপমান করার খেলায় মেতেছিলো সময়ের স্রোতে  তারা ভেসে যাবে একদিন, ইতিহাসও  তাদের কখনো মনে রাখেনি, রাখবেনা কোনোদিনও  |


আরও খবর



সীমান্ত সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ৩০ জানুয়ারী সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সাইচাল আর্মি ক্যাম্পে দুমদুম্যা এলাকায় সীমান্ত সড়কের প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং কাজের অগ্রহতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন।

এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে লেঃ জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ারি হাসান, এসবিপি, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি, মেজর জেনারেল মোঃ নজরুল ইসলাম, এসপিপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হাবিব উল্লাহ, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, এইচডিএমসি সহ রাঙ্গামাটি ব্রিগেড কমান্ডার সহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সেনা প্রদান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকা গুলোতে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য। এই অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও এই বর্ডার রোড ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, দুর্গম এই এলাকা কাজ করতে গিয়ে কষ্ট হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই সড়কের কাজ সমাপ্ত করা হবে। তিনি বলেন, আমি পরিদর্শন করতে এসে তা হলো এই এলাকায় যারা কাজ করছে তাদের মনোবল বাড়ানোর জন্য আমার পরিদর্শণে আসা। 

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সীমান্ত সড়ক নির্মাণ (প্রথম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেয়।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে প্রকল্পটির কাজ চলছে। সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার।

 প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলাগুলোর সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হবে। এ ছাড়া সীমান্তে দুই পাশের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হবে।

পাশাপাশি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। এটি সীমান্ত এলাকার কৃষিপণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতেও ভূমিকা রাখবে।


আরও খবর



স্ট্রোকের বিশ্বমানের চিকিৎসা হচ্ছে দেশেই

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :স্ট্রোক একটি ঘাতক ব্যাধি। প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ এ রোগের আক্রান্ত হন। এর মধ্যে মারা যান অর্ধ কোটি মানুষ আর অর্ধ কোটি পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ এটি। মারা যাওয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ আমাদের মত দেশে ঘটে। দিন দিন স্ট্রোক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ৮০ গুন বেড়ে যাবে। বাংলাদেশেও এ হার কিন্তু কম নয়। গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রতি ১ হাজার জনে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। ঘাতক এ ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

স্ট্রোক নিয়ে জাতীয় স্ট্রোক কনফারেন্সের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশন (বিএসএসএনআই)। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক কাজী দীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ, অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, অধ্যাপক মো. বদরুল আলম ও অধ্যাপক আবু নাসার রিজভী।

উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, স্ট্রোকের চিকিৎসা যত দ্রুত করা সম্ভব তত ফলাফল ভালো হয়। স্ট্রোকের চিকিৎসায় দেরি করলে উন্নতি হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়। তাই দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের একজন নেতা স্ট্রোকের তিন ঘণ্টার মধ্যে বিএসএমএমইউ-তে আসলে তাকে স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হয়। সাত দিন পরই তিনি হেঁটে বাড়ি চলে যান।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক কাজী মহিবুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে স্ট্রোক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্ট্রোকের আধুনিক সব চিকিৎসা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স (নিনস) হাসপাতালে হচ্ছে। সরকারি ভাবে অনেক কম খরচেই স্ট্রোকের সব আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়মিতভাবে আইভি থ্রোম্বলাইসিস করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় এ হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ঢাকার বাইরের মেডিকেল কলেজগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা আইভি থ্রোম্বলাইসিস জেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান।

নিউরোসায়েন্সস হাসপাতালের যুগ্ম- পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম মন্ডল বলেন, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল স্ট্রোক চিকিৎসায় দিকপালের কাজ করছে। স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে এটি।


আরও খবর



করোনা মধ্যেও ১২ লাখ বাংলাদেশীকে ভিসা দিয়েছে ভারত

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

করোনা মহামারির মধ্যেও ১২ লাখ বাংলাদেশীকে ভিসা দিয়েছে ভারত। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের ১২ লাখ নাগরিদেরকে উন্নত চিকিৎসা এবং ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়। ভারতে উন্নত চিকিৎসা সেবা নেয়ায় ও ট্যুরিস্ট ভিসাতে ভারত ভ্রমণ করছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী ।

ভারতীয় হাইকমিশনের অফিস তথ্য মতে, ২০২২ইং সালের মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ৮ মাসে ভারতের ভিসা নিয়েছেন ১০ লাখ বাংলাদেশি।

করোনা মহামারির বিরতির পর, ভারতের সীমান্ত খুলে দিলে ২০২২ইং সালের মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৮ মাসে ভারতের ভিসা নিয়েছেন ১০ লাখ বাংলাদেশি। যার মধ্যে ২ লাখ ৭৩ হাজার রয়েছে মেডিকেল ভিসা।

এছাড়া ট্যুরিস্ট, ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য ভিসা'র আবেদন বেড়েছে। মাত্র ৮ মাসে বাংলাদেশ থেকে ভারত ভ্রমণের ভিসা নেয়ার এই পরিসংখ্যান অন্য যেকোন দেশের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের একটি সুত্র।

তাদের তথ্য মতে, করোনার আগে ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৬ লাখের বেশি বাংলাদেশি ভারতের ভিসা নেন। ২০২১ সালে করোনাকালীন প্রতিকূল সময়ের মাঝেও অন্যান্য দেশের প্রতি ভারত সরকার কঠোর থাকলেও বন্ধুরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্যে লকডাউন সত্বেও প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ভিসা ইস্যু করে ভারত, যার মধ্যে ১ লাখ ৯৬ হাজার ছিল মেডিকেল ভিসা।

করোনার প্রকোপ কমার পর প্রাথমিকভাবে বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে টুরিস্ট ভিসাধারীদের প্রবেশের অনুমতি দেয় ভারত সরকার যদিও তখন করোনা নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করেছিল তারা।

পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বর্তমানে বাংলাবান্ধা ফুলবাড়ি স্থলবন্দরের মতো ২/১টি বর্ডার ছাড়া বাংলাদেশিরা সর্বোচ্চ যে বন্দরগুলো ভারত প্রবেশের জন্যে ব্যবহার করে তা সচল রেখেছে ভারত সরকার যেখান দিয়ে প্রতিদিন শত শত বাংলাদেশি ভারতে যাচ্ছেন।

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র ঢাকার ডেপুটি চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক মিত্র জানান, একমাত্র বাংলাদেশেই ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তির সবচেয়ে বৃহত্তম অপারেটিং নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের যে ভিসা এ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক) রয়েছে তা সারাবিশ্বে ভারতের যত ভিসা সেন্টার আছে তাদের তুলনায় সবচেয়ে বড় ও আধুনিক।

ঢাকা ছাড়াও সারাদেশে আরো ১৪ টি জেলায় রয়েছে তাদের সেন্টার সেগুলো হলো, রাজশাহী, বগুড়া, সিলেট, খুলনা, যশোর, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাদের সবগুলো মিলে বিশ্বের বৃহত্তম ভিসা অপারেশন নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। তিনি জানান, ২০২২ সালের শেষ দিকে ঢাকায় তাদের সেন্টার সহ সকল আইভ্যাকে ভারতীয় ভিসার চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। অতিরিক্ত চাপে অধিকাংশ সময়ে তাদের জন্যে সময়মতো ভিসা দিতেও হিমশিম খেতে হয়েছে তারপরেও তারা বাংলাদেশিদের তাদের দেশে ভ্রমনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন।

জানা যায়, ভিসা ব্যবস্থাকে সর্বজনীন করতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংশোধিত ভ্রমণ চুক্তি ২০০১ সালের মে মাস থেকে চালু রয়েছে। এটি সর্বশেষ ২০১৮ সালের জুলাই মাসে সংশোধন করা হয় এবং দুই দেশই তাতে স্বাক্ষর করে। বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ভিসা প্রদান করে ভারত। শুধুমাত্র ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সুবিধার্থে ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক) প্রতিটি আবেদনের জন্য (প্রসেসিং ফি) বাবদ নামমাত্র (প্রায় ৮শ') টাকা দিতে হয়।

কোভিড পরবর্তী গত বছর ও চলতি বছর বাংলাদেশিদের ভারতের ভিসা প্রাপ্তির পরিসংখ্যান অন্যান্য যে কোন সময়কে ছাড়িয়ে যাবে মর্মে জানান ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা।


আরও খবর



জুনের মধ্যে খুলে দেয়া হবে পদ্মা রেল সেতু

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :


রেল মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন,  আগামী জুন মাসের মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙা র্পযন্ত পদ্মা সেতু দিয়ে রলে পথ চলাচল উপযোগী করা হবে। উন্নয়নের প্রয়োজনে রেলওয়ের নিজস্ব জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এ নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। যে সমস্ত জায়গা উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করতে পারছিনা কিন্তু রেলওয়ের দখলে আছে তা চাহিদা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডাবল রেললাইনের কারনে সড়কে যাতে যানজট সৃষ্টি হতে না পারে এ কারনে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে। দুপুরে নারায়ণগঞ্জে ডাবল রেললাইন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শণ শেষে নগরের শেখ রাসেল পার্কে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল হাই ও রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতা সহ অনেকে।


আরও খবর